ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার

Directions

ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার we are committed to spread the correct knowledge of the Quran and Sunna among the people act accordingly.

15/09/2026

ছটফট করতে করতে ছেলেটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। ছেলেটি একটি হিন্দু জিন দ্বারা আক্রান্ত ছিল। রুকাইয়া যখন শুরু করেছি তখন ছেলেটি ছটফট করতে থাকে অবশেষে ছেলেটি এভাবে পড়ে যায়।

জ্বীন বা জাদু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:
১-নিদ্রাহীনতা:সারা রাত ঘুম হয় না,হলেও খুব কম।
২-উদ্বিগ্নতা:এজন্য রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়।জাগ্রত অবস্থায়ও একটুতেই চমকে ওঠা।
৩-ঘনঘন বোবায় ধরা:ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে-- এমন অনুভূত হওয়া,নড়াচড়া করতে না পারা।
৪-ঘুমের মাঝে প্রায়ই চিৎকার করা,হাসি-কান্না করা।
৫-ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা বা দৌড় দেয়া।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৬-স্বপ্নে কোনো প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা।বিশেষত কুকুর,বিড়াল,সাপ,শিয়াল সহ যেকোনো প্রাণী ভয়ংকর পদ্ধতিতে আক্রমণ করা।
৭-স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে দেখা।
৮-স্বপ্নে কবরস্থান,পরিত্যক্ত স্থান।
৯-স্বপ্নে মৃতদের প্রায়ই দেখতে পাওয়া।
১০-স্বপ্নে বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা।যেমন:অনেক লম্বা,খুবই খাটো বা কুচকুচে কালো কাউকে দেখতে পাওয়া।
১১-স্বপ্নে জ্বীন-ভূত দেখা,অথবা অন্যান্য ভয়ানক দু:স্বপ্ন দেখা।
১২-ঘুমের মধ্যে কেউ খারাপ কিছু করতে চাচ্ছে বা খারাপভাবে স্পর্শ করছে অনুভূত হওয়া।
১৩-ইবাদত বিমুখতা,নামাজ,কুরআন তেলাওয়াত,যিকির-আযকারের থেকে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
১৪-দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।
১৫-মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা,কিছুতেই মন না বসা।
১৬-খুব সামান্য কারণেই রেগে যাওয়া বা কান্নাকাটি করা।
১৭-বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৮-হঠাৎ অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে যাওয়া,দাঁতে দাঁত লেগে ফিট হয়ে যাওয়া।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
১৯-মৃগীরোগ।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
২০-অস্বাভাবিক আচরণ করা।
২১-শরীরের কোনো অঙ্গে প্রায় সময় ব্যথা থাকা বা বিকল হয়ে যাওয়া।
অথচ ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়া।
২২-ব্যাপক অলসতা;সব সময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা,শরীর ভারী হয়ে থাকা।
২৩-কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত বা আযান সহ্য না হওয়া।
২৪-নিজের সন্তানকে বুকের দুধ খেতে না দেওয়া।
২৫-জ্বীনের স্বভাব রোগীর মাঝে প্রকাশ পাওয়া।যেমন হিন্দুদের মতো সাজগোজ করা,পূজা করা অথবা খ্রিষ্টানদের মতো আচরণ করা জ্বীনদের ধর্ম অনুযায়ী।
২৬-রোগীর মাঝে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।যেমন:কারো ব্যাপারে দুর্ঘটনার স্বপ্ন দেখা এবং পরে সেটা সত্যিই ঘটে যাওয়া।
২৭) বারবার ব্যর্থ হওয়া, ব্যবসায় অস্বাভাবিক লস হওয়া, সার্টিফিকেট এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না হওয়া।
২৮) সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে না পারা। অথচ অন্যরা ঠিকই যেতে পারছে।
২৯) প্রথম দিকে অত্যন্ত মেধাবী থাকা পরবর্তীতে পড়া লেখা মাথায় না ধরা বা রেজাল্ট খারাপ করা।
৩০) স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই হঠাৎ করেই পরিবর্তন অর্থাৎ একজন আরেকজনকে সহ্য না হওয়া।
৩১) মা- বাবা, স্বামী -স্ত্রী সকলের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকা।
যদি কারো মধ্যে এ ধরনের আলামত প্রকাশ পায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত রুকাইয়া করুন।
৩২) বারবার এমনটা অনুভব হওয়া কেউ আমাকে ফলো করছে। অথবা কেউ ঘরে আশপাশ থেকে আমাকে দেখছে।
৩৩) স্বামী-স্ত্রী মেডিকেল রিপোর্টে ফিট থাকা সত্ত্বেও বাচ্চা কনসেপ্ট না হওয়া।
৩৪) কোন কারন ছাড়াই বাচ্চা বারবার নষ্ট হয়ে যাওয়া।
৩৫) বাচ্চাদের প্রচুর পরিমাণে কান্না করা, রাতে না ঘুমানো, ঘুমের থেকে কান্না করে ওঠা, দিন দিন শুকিয়ে যাওয়া এবং খাবারের প্রতি অনীহা

যোগাযোগ : ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার
উত্তরা উত্তরখান ঢাকা।
মোবাইল,: 01310484686

31/08/2026

ছেলেটি বারবার বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু বারবার পেয়েও হচ্ছে না।
আল্লাহ রুকাইয়ার মাধ্যমে এই ছেলেটিকে আল্লাহ হেফাজত করুন।

জ্বীন বা জাদু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:
১-নিদ্রাহীনতা:সারা রাত ঘুম হয় না,হলেও খুব কম।
২-উদ্বিগ্নতা:এজন্য রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়।জাগ্রত অবস্থায়ও একটুতেই চমকে ওঠা।
৩-ঘনঘন বোবায় ধরা:ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে-- এমন অনুভূত হওয়া,নড়াচড়া করতে না পারা।
৪-ঘুমের মাঝে প্রায়ই চিৎকার করা,হাসি-কান্না করা।
৫-ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা বা দৌড় দেয়া।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৬-স্বপ্নে কোনো প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা।বিশেষত কুকুর,বিড়াল,সাপ,শিয়াল সহ যেকোনো প্রাণী ভয়ংকর পদ্ধতিতে আক্রমণ করা।
৭-স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে দেখা।
৮-স্বপ্নে কবরস্থান,পরিত্যক্ত স্থান।
৯-স্বপ্নে মৃতদের প্রায়ই দেখতে পাওয়া।
১০-স্বপ্নে বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা।যেমন:অনেক লম্বা,খুবই খাটো বা কুচকুচে কালো কাউকে দেখতে পাওয়া।
১১-স্বপ্নে জ্বীন-ভূত দেখা,অথবা অন্যান্য ভয়ানক দু:স্বপ্ন দেখা।
১২-ঘুমের মধ্যে কেউ খারাপ কিছু করতে চাচ্ছে বা খারাপভাবে স্পর্শ করছে অনুভূত হওয়া।
১৩-ইবাদত বিমুখতা,নামাজ,কুরআন তেলাওয়াত,যিকির-আযকারের থেকে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
১৪-দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।
১৫-মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা,কিছুতেই মন না বসা।
১৬-খুব সামান্য কারণেই রেগে যাওয়া বা কান্নাকাটি করা।
১৭-বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৮-হঠাৎ অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে যাওয়া,দাঁতে দাঁত লেগে ফিট হয়ে যাওয়া।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
১৯-মৃগীরোগ।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
২০-অস্বাভাবিক আচরণ করা।
২১-শরীরের কোনো অঙ্গে প্রায় সময় ব্যথা থাকা বা বিকল হয়ে যাওয়া।
অথচ ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়া।
২২-ব্যাপক অলসতা;সব সময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা,শরীর ভারী হয়ে থাকা।
২৩-কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত বা আযান সহ্য না হওয়া।
২৪-নিজের সন্তানকে বুকের দুধ খেতে না দেওয়া।
২৫-জ্বীনের স্বভাব রোগীর মাঝে প্রকাশ পাওয়া।যেমন হিন্দুদের মতো সাজগোজ করা,পূজা করা অথবা খ্রিষ্টানদের মতো আচরণ করা জ্বীনদের ধর্ম অনুযায়ী।
২৬-রোগীর মাঝে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।যেমন:কারো ব্যাপারে দুর্ঘটনার স্বপ্ন দেখা এবং পরে সেটা সত্যিই ঘটে যাওয়া।
২৭) বারবার ব্যর্থ হওয়া, ব্যবসায় অস্বাভাবিক লস হওয়া, সার্টিফিকেট এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না হওয়া।
২৮) সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে না পারা। অথচ অন্যরা ঠিকই যেতে পারছে।
২৯) প্রথম দিকে অত্যন্ত মেধাবী থাকা পরবর্তীতে পড়া লেখা মাথায় না ধরা বা রেজাল্ট খারাপ করা।
৩০) স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই হঠাৎ করেই পরিবর্তন অর্থাৎ একজন আরেকজনকে সহ্য না হওয়া।
৩১) মা- বাবা, স্বামী -স্ত্রী সকলের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকা।
যদি কারো মধ্যে এ ধরনের আলামত প্রকাশ পায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত রুকাইয়া করুন।
৩২) বারবার এমনটা অনুভব হওয়া কেউ আমাকে ফলো করছে। অথবা কেউ ঘরে আশপাশ থেকে আমাকে দেখছে।
৩৩) স্বামী-স্ত্রী মেডিকেল রিপোর্টে ফিট থাকা সত্ত্বেও বাচ্চা কনসেপ্ট না হওয়া।
৩৪) কোন কারন ছাড়াই বাচ্চা বারবার নষ্ট হয়ে যাওয়া।

যোগাযোগ : ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার
উত্তরা উত্তরখান ঢাকা।
মোবাইল,: 01310484686

31/08/2026

এ ভাইটি সব দিকে ফিট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন যাবত বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বারবার বিদেশ যেতে ব্যর্থ হচ্ছিল। আল্লাহ চাইলে রুকাইয়ার মাধ্যমে এই অদৃশ্য বাধা দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

জ্বীন বা জাদু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:
১-নিদ্রাহীনতা:সারা রাত ঘুম হয় না,হলেও খুব কম।
২-উদ্বিগ্নতা:এজন্য রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়।জাগ্রত অবস্থায়ও একটুতেই চমকে ওঠা।
৩-ঘনঘন বোবায় ধরা:ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে-- এমন অনুভূত হওয়া,নড়াচড়া করতে না পারা।
৪-ঘুমের মাঝে প্রায়ই চিৎকার করা,হাসি-কান্না করা।
৫-ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা বা দৌড় দেয়া।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৬-স্বপ্নে কোনো প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা।বিশেষত কুকুর,বিড়াল,সাপ,শিয়াল সহ যেকোনো প্রাণী ভয়ংকর পদ্ধতিতে আক্রমণ করা।
৭-স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে দেখা।
৮-স্বপ্নে কবরস্থান,পরিত্যক্ত স্থান।
৯-স্বপ্নে মৃতদের প্রায়ই দেখতে পাওয়া।
১০-স্বপ্নে বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা।যেমন:অনেক লম্বা,খুবই খাটো বা কুচকুচে কালো কাউকে দেখতে পাওয়া।
১১-স্বপ্নে জ্বীন-ভূত দেখা,অথবা অন্যান্য ভয়ানক দু:স্বপ্ন দেখা।
১২-ঘুমের মধ্যে কেউ খারাপ কিছু করতে চাচ্ছে বা খারাপভাবে স্পর্শ করছে অনুভূত হওয়া।
১৩-ইবাদত বিমুখতা,নামাজ,কুরআন তেলাওয়াত,যিকির-আযকারের থেকে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
১৪-দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।
১৫-মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা,কিছুতেই মন না বসা।
১৬-খুব সামান্য কারণেই রেগে যাওয়া বা কান্নাকাটি করা।
১৭-বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৮-হঠাৎ অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে যাওয়া,দাঁতে দাঁত লেগে ফিট হয়ে যাওয়া।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
১৯-মৃগীরোগ।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
২০-অস্বাভাবিক আচরণ করা।
২১-শরীরের কোনো অঙ্গে প্রায় সময় ব্যথা থাকা বা বিকল হয়ে যাওয়া।
অথচ ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়া।
২২-ব্যাপক অলসতা;সব সময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা,শরীর ভারী হয়ে থাকা।
২৩-কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত বা আযান সহ্য না হওয়া।
২৪-নিজের সন্তানকে বুকের দুধ খেতে না দেওয়া।
২৫-জ্বীনের স্বভাব রোগীর মাঝে প্রকাশ পাওয়া।যেমন হিন্দুদের মতো সাজগোজ করা,পূজা করা অথবা খ্রিষ্টানদের মতো আচরণ করা জ্বীনদের ধর্ম অনুযায়ী।
২৬-রোগীর মাঝে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।যেমন:কারো ব্যাপারে দুর্ঘটনার স্বপ্ন দেখা এবং পরে সেটা সত্যিই ঘটে যাওয়া।
২৭) বারবার ব্যর্থ হওয়া, ব্যবসায় অস্বাভাবিক লস হওয়া, সার্টিফিকেট এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না হওয়া।
২৮) সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে না পারা। অথচ অন্যরা ঠিকই যেতে পারছে।
২৯) প্রথম দিকে অত্যন্ত মেধাবী থাকা পরবর্তীতে পড়া লেখা মাথায় না ধরা বা রেজাল্ট খারাপ করা।
৩০) স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই হঠাৎ করেই পরিবর্তন অর্থাৎ একজন আরেকজনকে সহ্য না হওয়া।
৩১) মা- বাবা, স্বামী -স্ত্রী সকলের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকা।
যদি কারো মধ্যে এ ধরনের আলামত প্রকাশ পায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত রুকাইয়া করুন।
৩২) বারবার এমনটা অনুভব হওয়া কেউ আমাকে ফলো করছে। অথবা কেউ ঘরে আশপাশ থেকে আমাকে দেখছে।
৩৩) স্বামী-স্ত্রী মেডিকেল রিপোর্টে ফিট থাকা সত্ত্বেও বাচ্চা কনসেপ্ট না হওয়া।
৩৪) কোন কারন ছাড়াই বাচ্চা বারবার নষ্ট হয়ে যাওয়া।

যোগাযোগ : ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার
উত্তরা উত্তরখান ঢাকা।
মোবাইল,: 01310484686

28/08/2026

জিনের মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করেছে তাই তাকে ভর করেছে। ফলে এক সপ্তাহ যাবত প্রচন্ড মাথা ব্যথা ছিল সেই সাথে পড়ালেখা মাথায় ঢুকছিল না।

জ্বীন বা জাদু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:
১-নিদ্রাহীনতা:সারা রাত ঘুম হয় না,হলেও খুব কম।
২-উদ্বিগ্নতা:এজন্য রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়।জাগ্রত অবস্থায়ও একটুতেই চমকে ওঠা।
৩-ঘনঘন বোবায় ধরা:ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে-- এমন অনুভূত হওয়া,নড়াচড়া করতে না পারা।
৪-ঘুমের মাঝে প্রায়ই চিৎকার করা,হাসি-কান্না করা।
৫-ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা বা দৌড় দেয়া।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৬-স্বপ্নে কোনো প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা।বিশেষত কুকুর,বিড়াল,সাপ,শিয়াল সহ যেকোনো প্রাণী ভয়ংকর পদ্ধতিতে আক্রমণ করা।
৭-স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে দেখা।
৮-স্বপ্নে কবরস্থান,পরিত্যক্ত স্থান।
৯-স্বপ্নে মৃতদের প্রায়ই দেখতে পাওয়া।
১০-স্বপ্নে বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা।যেমন:অনেক লম্বা,খুবই খাটো বা কুচকুচে কালো কাউকে দেখতে পাওয়া।
১১-স্বপ্নে জ্বীন-ভূত দেখা,অথবা অন্যান্য ভয়ানক দু:স্বপ্ন দেখা।
১২-ঘুমের মধ্যে কেউ খারাপ কিছু করতে চাচ্ছে বা খারাপভাবে স্পর্শ করছে অনুভূত হওয়া।
১৩-ইবাদত বিমুখতা,নামাজ,কুরআন তেলাওয়াত,যিকির-আযকারের থেকে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
১৪-দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।
১৫-মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা,কিছুতেই মন না বসা।
১৬-খুব সামান্য কারণেই রেগে যাওয়া বা কান্নাকাটি করা।
১৭-বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৮-হঠাৎ অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে যাওয়া,দাঁতে দাঁত লেগে ফিট হয়ে যাওয়া।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
১৯-মৃগীরোগ।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
২০-অস্বাভাবিক আচরণ করা।
২১-শরীরের কোনো অঙ্গে প্রায় সময় ব্যথা থাকা বা বিকল হয়ে যাওয়া।
অথচ ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়া।
২২-ব্যাপক অলসতা;সব সময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা,শরীর ভারী হয়ে থাকা।
২৩-কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত বা আযান সহ্য না হওয়া।
২৪-নিজের সন্তানকে বুকের দুধ খেতে না দেওয়া।
২৫-জ্বীনের স্বভাব রোগীর মাঝে প্রকাশ পাওয়া।যেমন হিন্দুদের মতো সাজগোজ করা,পূজা করা অথবা খ্রিষ্টানদের মতো আচরণ করা জ্বীনদের ধর্ম অনুযায়ী।
২৬-রোগীর মাঝে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।যেমন:কারো ব্যাপারে দুর্ঘটনার স্বপ্ন দেখা এবং পরে সেটা সত্যিই ঘটে যাওয়া।
২৭) বারবার ব্যর্থ হওয়া, ব্যবসায় অস্বাভাবিক লস হওয়া, সার্টিফিকেট এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না হওয়া।
২৮) সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে না পারা। অথচ অন্যরা ঠিকই যেতে পারছে।
২৯) প্রথম দিকে অত্যন্ত মেধাবী থাকা পরবর্তীতে পড়া লেখা মাথায় না ধরা বা রেজাল্ট খারাপ করা।
৩০) স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই হঠাৎ করেই পরিবর্তন অর্থাৎ একজন আরেকজনকে সহ্য না হওয়া।
৩১) মা- বাবা, স্বামী -স্ত্রী সকলের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকা।
যদি কারো মধ্যে এ ধরনের আলামত প্রকাশ পায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত রুকাইয়া করুন।

যোগাযোগ : ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার
উত্তরা উত্তরখান ঢাকা।
মোবাইল,: 01310484686

27/08/2026

আপন ফুফুর জাদুতে ভাতিজি আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ। ফলে পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ।
জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:
১-নিদ্রাহীনতা:সারা রাত ঘুম হয় না,হলেও খুব কম।
২-উদ্বিগ্নতা:এজন্য রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়।জাগ্রত অবস্থায়ও একটুতেই চমকে ওঠা।
৩-ঘনঘন বোবায় ধরা:ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে-- এমন অনুভূত হওয়া,নড়াচড়া করতে না পারা।
৪-ঘুমের মাঝে প্রায়ই চিৎকার করা,হাসি-কান্না করা।
৫-ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা বা দৌড় দেয়া।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৬-স্বপ্নে কোনো প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা।বিশেষত কুকুর,বিড়াল,সাপ,শিয়াল সহ যেকোনো প্রাণী ভয়ংকর পদ্ধতিতে আক্রমণ করা।
৭-স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে দেখা।
৮-স্বপ্নে কবরস্থান,পরিত্যক্ত স্থান।
৯-স্বপ্নে মৃতদের প্রায়ই দেখতে পাওয়া।
১০-স্বপ্নে বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা।যেমন:অনেক লম্বা,খুবই খাটো বা কুচকুচে কালো কাউকে দেখতে পাওয়া।
১১-স্বপ্নে জ্বীন-ভূত দেখা,অথবা অন্যান্য ভয়ানক দু:স্বপ্ন দেখা।
১২-ঘুমের মধ্যে কেউ খারাপ কিছু করতে চাচ্ছে বা খারাপভাবে স্পর্শ করছে অনুভূত হওয়া।
১৩-ইবাদত বিমুখতা,নামাজ,কুরআন তেলাওয়াত,যিকির-আযকারের থেকে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
১৪-দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।
১৫-মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা,কিছুতেই মন না বসা।
১৬-খুব সামান্য কারণেই রেগে যাওয়া বা কান্নাকাটি করা।
১৭-বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৮-হঠাৎ অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে যাওয়া,দাঁতে দাঁত লেগে ফিট হয়ে যাওয়া।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
১৯-মৃগীরোগ।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
২০-অস্বাভাবিক আচরণ করা।
২১-শরীরের কোনো অঙ্গে প্রায় সময় ব্যথা থাকা বা বিকল হয়ে যাওয়া।
অথচ ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়া।
২২-ব্যাপক অলসতা;সব সময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা,শরীর ভারী হয়ে থাকা।
২৩-কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত বা আযান সহ্য না হওয়া।
২৪-নিজের সন্তানকে বুকের দুধ খেতে না দেওয়া।
২৫-জ্বীনের স্বভাব রোগীর মাঝে প্রকাশ পাওয়া।যেমন হিন্দুদের মতো সাজগোজ করা,পূজা করা অথবা খ্রিষ্টানদের মতো আচরণ করা জ্বীনদের ধর্ম অনুযায়ী।
২৬-রোগীর মাঝে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।যেমন:কারো ব্যাপারে দুর্ঘটনার স্বপ্ন দেখা এবং পরে সেটা সত্যিই ঘটে যাওয়া।
২৭) বারবার ব্যর্থ হওয়া, ব্যবসায় অস্বাভাবিক লস হওয়া, সার্টিফিকেট এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না হওয়া।
২৮) সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে না পারা। অথচ অন্যরা ঠিকই যেতে পারছে।
২৯) প্রথম দিকে অত্যন্ত মেধাবী থাকা পরবর্তীতে পড়া লেখা মাথায় না ধরা বা রেজাল্ট খারাপ করা।
৩০) স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই হঠাৎ করেই পরিবর্তন অর্থাৎ একজন আরেকজনকে সহ্য না হওয়া।
৩১) মা- বাবা, স্বামী -স্ত্রী সকলের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকা।
যদি কারো মধ্যে এ ধরনের আলামত প্রকাশ পায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত রুকাইয়া করুন।

যোগাযোগ : ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার
উত্তরা উত্তরখান ঢাকা।
মোবাইল,: 01310484686

24/08/2026

চার বছর যাবত ব্যবসায় লস এবং সন্তান পড়ালেখায় অমনোযোগী। রুকাইয়া করার পর দেখা গেল দুজনেই বদ নজরে আক্রান্ত।
আল্লাহ দুজনকে পরিপূর্ণ শেফা দান করুন।

24/08/2026

চার বছর যাবত ব্যবসায় লস। সন্তানের পড়ালেখা মাথায় ধরে না।
রুকাইয়া করার সময় প্রচন্ড মাথা ব্যথা ও শরীর ভার হয়ে যায়। যা মূলত বদ নজরে লক্ষণ।

জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:
১-নিদ্রাহীনতা:সারা রাত ঘুম হয় না,হলেও খুব কম।
২-উদ্বিগ্নতা:এজন্য রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়।জাগ্রত অবস্থায়ও একটুতেই চমকে ওঠা।
৩-ঘনঘন বোবায় ধরা:ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে-- এমন অনুভূত হওয়া,নড়াচড়া করতে না পারা।
৪-ঘুমের মাঝে প্রায়ই চিৎকার করা,হাসি-কান্না করা।
৫-ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা বা দৌড় দেয়া।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৬-স্বপ্নে কোনো প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা।বিশেষত কুকুর,বিড়াল,সাপ,শিয়াল সহ যেকোনো প্রাণী ভয়ংকর পদ্ধতিতে আক্রমণ করা।
৭-স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে দেখা।
৮-স্বপ্নে কবরস্থান,পরিত্যক্ত স্থান।
৯-স্বপ্নে মৃতদের প্রায়ই দেখতে পাওয়া।
১০-স্বপ্নে বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা।যেমন:অনেক লম্বা,খুবই খাটো বা কুচকুচে কালো কাউকে দেখতে পাওয়া।
১১-স্বপ্নে জ্বীন-ভূত দেখা,অথবা অন্যান্য ভয়ানক দু:স্বপ্ন দেখা।
১২-ঘুমের মধ্যে কেউ খারাপ কিছু করতে চাচ্ছে বা খারাপভাবে স্পর্শ করছে অনুভূত হওয়া।
১৩-ইবাদত বিমুখতা,নামাজ,কুরআন তেলাওয়াত,যিকির-আযকারের থেকে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
১৪-দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।
১৫-মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা,কিছুতেই মন না বসা।
১৬-খুব সামান্য কারণেই রেগে যাওয়া বা কান্নাকাটি করা।
১৭-বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৮-হঠাৎ অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে যাওয়া,দাঁতে দাঁত লেগে ফিট হয়ে যাওয়া।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
১৯-মৃগীরোগ।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
২০-অস্বাভাবিক আচরণ করা।
২১-শরীরের কোনো অঙ্গে প্রায় সময় ব্যথা থাকা বা বিকল হয়ে যাওয়া।
অথচ ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়া।
২২-ব্যাপক অলসতা;সব সময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা,শরীর ভারী হয়ে থাকা।
২৩-কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত বা আযান সহ্য না হওয়া।
২৪-নিজের সন্তানকে বুকের দুধ খেতে না দেওয়া।
২৫-জ্বীনের স্বভাব রোগীর মাঝে প্রকাশ পাওয়া।যেমন হিন্দুদের মতো সাজগোজ করা,পূজা করা অথবা খ্রিষ্টানদের মতো আচরণ করা জ্বীনদের ধর্ম অনুযায়ী।
২৬-রোগীর মাঝে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।যেমন:কারো ব্যাপারে দুর্ঘটনার স্বপ্ন দেখা এবং পরে সেটা সত্যিই ঘটে যাওয়া।
২৭) বারবার ব্যর্থ হওয়া, ব্যবসায় অস্বাভাবিক লস হওয়া, সার্টিফিকেট এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না হওয়া।
২৮) সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে না পারা। অথচ অন্যরা ঠিকই যেতে পারছে।
২৯) প্রথম দিকে অত্যন্ত মেধাবী থাকা পরবর্তীতে পড়া লেখা মাথায় না ধরা বা রেজাল্ট খারাপ করা।
৩০) স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই হঠাৎ করেই পরিবর্তন অর্থাৎ একজন আরেকজনকে সহ্য না হওয়া।
৩১) মা- বাবা, স্বামী -স্ত্রী সকলের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকা।
যদি কারো মধ্যে এ ধরনের আলামত প্রকাশ পায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত রুকাইয়া করুন।

যোগাযোগ : ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার
উত্তরা উত্তরখান ঢাকা।
মোবাইল,: 01310484686

18/08/2026

ঘরের এমন কিছু স্থান রয়েছে যেখানে #জ্বিন_শয়তান অবস্থান করে।

🟢 ১. বিছানায়
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ:"إِذَا أَوَى أَحَدُكُمْ إِلَى فِرَاشِهِ، فَلْيَأْخُذْ دَاخِلَةَ إِزَارِهِ فَلْيَنْفُضْ بِهَا فِرَاشَهُ، وَلْيُسَمِّ اللَّهَ، فَإِنَّهُ لَا يَعْلَمُ مَا خَلَفَهُ بَعْدَهُ عَلَيْهِ..."
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন বিছানায় যাবে, তখন সে যেন নিজের কাপড়ের ভেতরের অংশ দিয়ে বিছানাটি ঝেড়ে নেয় এবং ‘বিসমিল্লাহ’ বলে; কেননা সে জানে না, তার পরে সেখানে কী এসেছে।”
সূত্র:
সহীহ বুখারী, হাদীস: ৬৩২০
সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৭১৪

🟢 ২. অগোছালো কাপড়ে
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:"لَا تَدَعُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ حِينَ تَنَامُونَ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَفْتَحُ الْغُلْقَ، وَلَا يَحُلُّ الْوِكَاءَ، وَلَا يَكْشِفُ الإِنَاءَ..."
শয়তান ঢুকে পড়ে এমন ছিদ্র, ঢেকে না রাখা পাত্র, খোলা জিনিস, কাপড় এসবকেই লক্ষ্য করে।
অন্য বর্ণনায়:
شَيْطَانُ يَبِيتُ عَلَى الْعِرَاقَةِ -
অগোছানো কাপড় বা কাপড়ের স্তূপেও শয়তান রাত কাটাতে পারে — এমন ইঙ্গিত সাহাবাগণের কথা ও বর্ণনায় এসেছে।
অতএব, কাপড়-চোপড় গুছিয়ে রাখা সুন্নত, অব্যবস্থাপনায় শয়তান আশ্রয় নিতে পারে।

🟢 ৩. বাথরুমে
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:"إِنَّ هَذِهِ الْحُشُوشَ مُحْتَضَرَةٌ، فَإِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْخَلَاءَ، فَلْيَقُلْ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ"
নবী ﷺ বলেছেন: “নিশ্চয় টয়লেটসমূহে শয়তান অবস্থান করে। অতএব, তোমাদের কেউ যখন টয়লেটে প্রবেশ করে, সে যেন বলে:
‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযু বিকা মিনাল খুবসি ওয়াল খোবাইস।’”
(হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই পুরুষ ও নারী জ্বিনদের অনিষ্ট থেকে।)
সূত্র:
সহীহ বুখারী, হাদীস: ১৪২
সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৩৭৫

🟢 ৪. চুলা/আগুনের স্থান
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:"إِنَّ الشَّيْطَانَ لَيَفِرُّ مِنَ الْبَيْتِ الَّذِي تُقْرَأُ فِيهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ"
— শয়তান আগুন ও ধোঁয়ার আশপাশে থাকতেও পছন্দ করে।
অনেক আলেম বলেন, রান্নার জায়গায় আগুন বা চুলার আশেপাশে অশান্তি, অস্বাস্থ্যকরতা, জ্বালাময়ী আচরণ ইত্যাদি এসব জায়গায় শয়তান প্রভাব ফেলতে পারে।

🟢 ৫. ঘরের দরজা-জানালার ফাঁক ও ছিদ্র
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:"أَجِيفُوا الْبَابَ، وَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَفْتَحُ بَابًا مُغْلَقًا"
রাসূল ﷺ বলেছেন: “দরজা বন্ধ কর এবং ‘বিসমিল্লাহ’ বলো; কারণ, শয়তান এমন দরজা খুলতে পারে না যেটি বিসমিল্লাহ বলে বন্ধ করা হয়েছে।”
সূত্র:
সহীহ বুখারী, হাদীস: ৩৩০৪
সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২০১২

সংক্ষেপে ৫টি স্থান:
১. বিছানা
২. অগোছালো কাপড়
৩. বাথরুম
৪. রান্নার স্থান / চুলা
৫. দরজা-জানালার ফাঁক বা খোলা অবস্থান

প্রতিরক্ষার জন্য নিয়মিত সুরা বাকারহ্, আয়াতুল কুরসি, ও ঘর ঝেড়ে বিসমিল্লাহ বলা — সুন্নত আমল করুন।

ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার কাঁচকুড়া চামুড় খান উত্তরা ঢাকা
যোগাযোগ: 01310484686

16/08/2026

এই বোনটির দীর্ঘদিন যাবত বিয়ে হচ্ছিল না। রুকাইয়া করার পর দেখা গেল তিনি জ্বীনে আক্রান্ত।
#

16/08/2026

এই বোনটির সমস্যা হলো তার বিয়ে হচ্ছে না। রুকাইয়া করার পর দেখা দিল ভয়ানকভাবে জিনে আক্রান্ত।
এই বন প্রায় স্বপ্ন দেখতেন যে তাকে রাতে স্পর্শ করতে আসে এবং তখন তিনি শরীর নাড়াতে পারেন না।
আল্লাহ চাইলে রুকাইয়ার মাধ্যমে এই বনটি সুস্থতা লাভ করবে ইনশাআল্লাহ।

জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:
১-নিদ্রাহীনতা:সারা রাত ঘুম হয় না,হলেও খুব কম।
২-উদ্বিগ্নতা:এজন্য রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়।জাগ্রত অবস্থায়ও একটুতেই চমকে ওঠা।
৩-ঘনঘন বোবায় ধরা:ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে-- এমন অনুভূত হওয়া,নড়াচড়া করতে না পারা।
৪-ঘুমের মাঝে প্রায়ই চিৎকার করা,হাসি-কান্না করা।
৫-ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা বা দৌড় দেয়া।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৬-স্বপ্নে কোনো প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা।বিশেষত কুকুর,বিড়াল,সাপ,শিয়াল সহ যেকোনো প্রাণী ভয়ংকর পদ্ধতিতে আক্রমণ করা।
৭-স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে দেখা।
৮-স্বপ্নে কবরস্থান,পরিত্যক্ত স্থান।
৯-স্বপ্নে মৃতদের প্রায়ই দেখতে পাওয়া।
১০-স্বপ্নে বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা।যেমন:অনেক লম্বা,খুবই খাটো বা কুচকুচে কালো কাউকে দেখতে পাওয়া।
১১-স্বপ্নে জ্বীন-ভূত দেখা,অথবা অন্যান্য ভয়ানক দু:স্বপ্ন দেখা।
১২-ঘুমের মধ্যে কেউ খারাপ কিছু করতে চাচ্ছে বা খারাপভাবে স্পর্শ করছে অনুভূত হওয়া।
১৩-ইবাদত বিমুখতা,নামাজ,কুরআন তেলাওয়াত,যিকির-আযকারের থেকে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
১৪-দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।
১৫-মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা,কিছুতেই মন না বসা।
১৬-খুব সামান্য কারণেই রেগে যাওয়া বা কান্নাকাটি করা।
১৭-বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৮-হঠাৎ অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে যাওয়া,দাঁতে দাঁত লেগে ফিট হয়ে যাওয়া।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
১৯-মৃগীরোগ।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
২০-অস্বাভাবিক আচরণ করা।
২১-শরীরের কোনো অঙ্গে প্রায় সময় ব্যথা থাকা বা বিকল হয়ে যাওয়া।
অথচ ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়া।
২২-ব্যাপক অলসতা;সব সময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা,শরীর ভারী হয়ে থাকা।
২৩-কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত বা আযান সহ্য না হওয়া।
২৪-নিজের সন্তানকে বুকের দুধ খেতে না দেওয়া।
২৫-জ্বীনের স্বভাব রোগীর মাঝে প্রকাশ পাওয়া।যেমন হিন্দুদের মতো সাজগোজ করা,পূজা করা অথবা খ্রিষ্টানদের মতো আচরণ করা জ্বীনদের ধর্ম অনুযায়ী।
২৬-রোগীর মাঝে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।যেমন:কারো ব্যাপারে দুর্ঘটনার স্বপ্ন দেখা এবং পরে সেটা সত্যিই ঘটে যাওয়া।
২৭) বারবার ব্যর্থ হওয়া, ব্যবসায় অস্বাভাবিক লস হওয়া, সার্টিফিকেট এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না হওয়া।
২৮) সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে না পারা। অথচ অন্যরা ঠিকই যেতে পারছে।
২৯) প্রথম দিকে অত্যন্ত মেধাবী থাকা পরবর্তীতে পড়া লেখা মাথায় না ধরা বা রেজাল্ট খারাপ করা।
৩০) স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই হঠাৎ করেই পরিবর্তন অর্থাৎ একজন আরেকজনকে সহ্য না হওয়া।
৩১) মা- বাবা, স্বামী -স্ত্রী সকলের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকা।
যদি কারো মধ্যে এ ধরনের আলামত প্রকাশ পায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত রুকাইয়া করুন।

যোগাযোগ : ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার
উত্তরা উত্তরখান ঢাকা।
মোবাইল,: 01310484686

Address

Uttar Khan

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইবনে তাইমিয়া রুকাইয়া সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share