Islamic business from Quran and Hadis

Islamic business from Quran and Hadis Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic business from Quran and Hadis, Advertising/Marketing, Assalamu Alaikum Wa Rahmatullah, Shijiazhuang Shi.

29/05/2026

29/05/2026

29/05/2026

28/05/2026

28/05/2026

28/05/2026

28/05/2026

31/12/2024

গল্পের নাম: "নানার চা-রুটির দোকান"

নানার নাম নূর মুহাম্মাদ। তিন মামা, দুই খালা ও নানার বৌ, মানে নানিকে নিয়ে সুন্দর গোছানো সংসার। খোলপটুয়ার নদীর পাশাপাশি ব্যস্তময় একটি রেস্টুরেন্টে ছিল নানার বিখ্যাত চা-রুটির দোকান।
কালাই রুটি, বন রুটি, পাউরুটি, পরোটা, চালের রুটি, আটার রুটি আরও কত পদের রুটি যে নানা-নানি নিজ হাতে বানাতো তার কোনো হিসেব নেই। প্রতি চায়ের মূল্য মাত্র ২/= টাকা। আহারে, কি যে মনমাতানো স্বাদ আর সুস্বাদু দিয়ে ভরা দুধ চা ও রং চা!
শীতের সকালে ভাই-বোন মিলে নানার দোকানে চা-রুটি ছিলো প্রাক-নাস্তা আইটেম। এক হাতে চা অন্য হাতে গত রাতের প্রিন্ট করা নতুন খবরের কাগজ। এ যে মহা আনন্দ ও রোজনামচার প্রথম ধাপ তা যার জীবনের ইতিহাসে পাওয়া যায় শুধু সেই বুঝে এর মর্মার্থ।
আল্লাহর ইচ্ছায় ভালোই চলছিল এলাকার সুনামধন্য হোটেলটি। পাশে নদী থাকায় বাহারি পদের মাছ ছিল নিত্য দিনের খাবারের প্রধান মেনু। কথায় আছে না, ভাতে-মাছে বাঙালি! নানার বাসায় মেহমান আসলেই চা-রুটি আর মাছ দিয়ে ভাত না খেয়ে তার ছুটি হতো না। আসুন বসুন চা খান চলে যান!
হঠাৎ নানা ভাইয়ের হাসোজ্জ্বল মুখটি মলিন দেখাতে লাগলো। বয়সের ছাপ ও কাজের ব্যস্ততা একাকার হয়ে তার সুস্বাস্থ্যের কথা মনেই রাখেননি। ডাক আসলো হাসপাতাল থেকে। তিনি কি হার্ট অ্যাটাক করেছেন নাকি বেহুশ হয়ে গেছেন ডাক্তার মশাইয়ের বেশ সময় লাগলো বুঝতে। তার অনুধাবনের পূর্বেই উপস্থিত সবাই আগেই মেনে নিল যে তিনি মহান রবের সান্নিধ্যে ইহলোক ত্যাগ করে ফেরেশতাদের সাথে পরলোকে স্থানান্তরিত হয়ে গেছেন।
চা-য়ের দোকানের ব্যস্তময় দিনগুলি যেন হারিয়ে গেল নিমেষেই! কত মানুষের আনাগোনা আর বাহারি খাবারের রান্নার কড়াই, পাতিল, থালাবাসন, চায়ের কেটলি, উনুনের পাশে রাখা মশলার বাটি গুলো মন খারাপ করে একাকি কান্না করছে। তাদের প্রিয় লোকটি যে আজ আর নেই!
ঢাকায় নাকি গার্মেন্টসে চাকরি করে সবাই নাকি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ লাগাচ্ছে। মানে কাড়ি কাড়ি টাকা কামাচ্ছে। তাই সবাই সিদ্ধান্ত নিল নানিকে নিয়ে গ্রাম ছেড়ে জ্যামের শহরে নতুন কুটিরে বসতি স্থাপন করবে।
কে ধরবে চা-রুটি দোকানের হাল! অবশেষে ছোট খালামনি ও তার হাজবেন্ট মানে খালু, তারাই প্রাচীন ঐতিহ্য ধরে রাখতে নানার দোকান ক্রয় করে মালিকানা হয়ে গেলো।
দীর্ঘ ৩০ বছর পর। পটুয়াখালী নদীর পাড় যেন আরেক খন্ড গুলশান এলাকা! অলিগলির চেহারা যেন পাল্টে গিয়ে পুরাতন ইতিহাস মুছে ফেলার পায়তারা করছে। কিন্তু না, নানার দোকানটি যেন আজও সেই প্রাচীন রেস্টুরেন্টের বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ কাঠামো ঠিক রেখে দাঁড়িয়ে আছে।
কবির ভাষায়,
ঐ দেখা যায় তাল গাছ
ওই আমাদের গাঁ
ঐখানে-তে বাস করে
নানা বাড়ির ছা! (ছোট খালাম্মা ও তার ফ্যামিলি)
খালুর হাসি আর চামড়ার বুড়ো বেলকি যেন ঠিক নানার প্রতিচ্ছবি বারবার মনে করে দিচ্ছে। খালাও যেন নানির চেহারার চুলপাকা বুড়ি।
একটুখানি পর, খালামনি চা-রুটি নিয়ে হাজির। প্রতিটি চায়ের চুমুকে যেন নানার হাতের বানানো চায়ের মতই স্বাদ!
দুচোখ বেয়ে মনের অজান্তেই অশ্রু এসে টপ টপ করে পানি গড়িয়ে পড়তে লাগলো। ইশ, সবাই যদি একসাথে মহান সৃষ্টিকর্তার স্বর্গে থাকতে পারতাম!

14/12/2024

সিরিয়ার সদ্য পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ তার পলায়নের খবর মিত্রদের কাউকে জানাননি। বরং বিদ্রোহী গোষ্ঠী রাজধানী দামেস্কের নিকটবর্তী হলে এবং কয়েকটি শহর তাদের পদানত হলেই তিনি পলায়ন করেন।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটিই দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাশারের মিত্র ও কর্মকর্তারা তার এই আচরণে প্রতারিত হয়েছেন। আস্থাভাজনরা হয়েছেন অবাক ও বিস্মিত। রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বাশার সরকারের ঘনিষ্ঠ ১৪ জন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার রাজধানী দামেস্কে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক ডাকেন বাশার। সেখানে সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর ৩০ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। বাশার তখন বলেন, ‘রাশিয়া শিগগিরই সহযোগিতা নিয়ে পৌঁছে যাবে। তারা এখন পথে আছে।’ এ সময় বাহিনীকে কষ্ট করে হলেও পজিশন ধরে রাখার প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

ওই কর্মকর্তা আরো জানান, অথচ এই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজধানী ত্যাগ করেন বাশার।

প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে বাশারের এক সহযোগী বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাশার প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের পরিচালককে বললেন, আমি বাসায় যাচ্ছি। অথচ তখনই তিনি সবকিছু গুছিয়ে দামেস্ক বিমানবন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, বাশার পলায়নের আগে তার প্রেস সচিব বুছাইনা শাবানকে বাসায় আসতে বলেন। যেন তিনি একটি ভাষণ লিখে দেন। প্রেসিডেন্ট দেশত্যাগের আগে ওই ভাষণটি দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রেসিডেন্ট ভবনে পৌঁছার পর দেখেন, বাশার তখন আর নেই।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষণকারী সংস্থা মুবারাতুল ইসলাহের নির্বাহী পরিচালক নাদিম হাওরি বলেন, প্রেসিডেন্ট বাশার তার শেষ ভাষণটি দেয়ারও ফুরসত পাননি। তিনি তার সৈন্যদেরও একত্রিত করেননি। আর মিত্রদের ছেড়ে গেছেন নিয়তির দয়ার ‍উপর।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ২৪ বছরের শাসনকালে বাশার কেবল মিত্রদের সহায়তার উপর ভর করেই টিকে ছিলেন। এখন যখন মিত্রদের সহায়তা পেলেন না, তখন তিনি সবার সাথে প্রতারণা করে গোপনে দেশত্যাগ করেন। এটি ইতিহাসের পাতায় স্বৈরাচারদের ঐতিহাসিক দলিল হয়ে থাকবে।
-----------------------------------------নয়া দিগন্ত।

স্বৈরাচারী বাংলাদেশের শেখ হাসিনা ও সিরিয়ার বাশার আল আসাদের পলায়ন যেন একই সূত্রে গাঁথা।

✨হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে নব্য ফেরআউন হওয়া থেকে রেহাই দাও। আমিন🌟

Address

Assalamu Alaikum Wa Rahmatullah
Shijiazhuang Shi
1349

Telephone

008615133111684

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic business from Quran and Hadis posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share