The Digit Ally

The Digit Ally Hi everyone,
Welcome to Digit Ally.

23/05/2021

ব্রেইন ভালো,পড়ে কম
- কাকলী স্টুডেন্ট

25/10/2020

হোক প্রতিবাদ...



❤️
❤️




#ফ্রান্স_পন্য_বর্জন_করুন



াস্তিক

সেরা ২০ টি কম্পিউটার  টিপস ট্রিক্স বাংলায়↓কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল▬Computer tips & tricks ba...
19/10/2020

সেরা ২০ টি কম্পিউটার টিপস ট্রিক্স বাংলায়↓

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল▬Computer tips & tricks bangla 1

GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন।
GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন।
GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী।

কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে ।
কম্পিউটার র‌্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার কম্পিউটার র‌্যাম এর পরিমাণ কম কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে তো হবেই।
কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার একই সমস্যা হতে পারে
যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা।
hard diskএ Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে।
অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।
কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে।
এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী Hangহয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।

হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন র‌্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে।
কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ গিয়ে tree চাপেন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬2▬Computer tips & tricks bangla
মনিটর এ ছবি দেখা না গেলে- Confirm হন যে মনিটরটি on. এবং brightness control চেক করুন , এবং এটি ঠিক মত সেট হয়েছে কিনা খেয়াল করুন। মনিটর এর সকল কানেকশন চেক করুন এবং surge protector ও surge protector টি চালু কি না চেক করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬3▬Computer tips & tricks bangla
কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬4▬Computer tips & tricks bangla
Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬5▬Computer tips & tricks bangla
প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard drive Defragment এবং disk cleanup করুন।(1. click start – all programs – accessori – system utility – Defragment drive utility
2. click start – all programs – accessori – disk cleanup)

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬6▬Computer tips & tricks bangla
পিসি সেফ মোডে চালু হলে কি করবেন?

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷.

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬7▬Computer tips & tricks bangla
আপনার hard disk এ দুইটি partition করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে Install করুন সব large Softwares (like PSP, Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার পর আপনার C Drive কে virtual memory হিসেবে use করতে পারে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬8▬Computer tips & tricks bangla
আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া পযর্ন্ত কোন application open করবেননা।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬9▬Computer tips & tricks bangla
যে কোন application close করার পর আপনার desktop F5 চেপে refresh করে নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে unused files remove করবে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬10▬Computer tips & tricks banglaডেস্কটপ wallpaper হিসেবে very large file size image ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।
ডেস্কটপে অতিরিক্ত shortcuts রাখবেননা। আপনি জানেন কি ডেস্কটপে ব্যবহৃত প্রতিটি shortcut up to 500 bytes of RAM ব্যবহার করে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬11▬Computer tips & tricks bangla
প্রতিদিন আপনার ডেস্কটপের recycle bin Empty করে রাখুন। (The files are not really deleted from your hard drive until you empty the recycle bin.)

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬12▬Computer tips & tricks bangla
অনেক সময় PC’র র‍্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer এ মাউস রেখে right button ক্লিক করে properties-e যান। এখন advance এ ক্লিক করে performance এর settings এ ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক করুন। এখন change এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ আপনার PC’র র‍্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size এ র‍্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স 13▬Computer tips & tricks bangla
এ ছাড়াও কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন

প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন করে লাগিয়ে দিন।
Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন।
কম্পিউটারের উপর কোন ভারী কিছু রাখবেন না।
রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার shut down করে দিন।
বিদু্ৎ চলে গেলে যেন কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য UPS ব্যবহার করা উচিৎ।
কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিৎ।
কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন।
প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ করে LCD মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন।
অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU-র উপর আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেন, যাতে ময়লা প্রবেশ না করে। এতে আরও ক্ষতিই হয়।
ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি সেট করুন, যা আপনার চোখকে আরাম দেয়। ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির জন্য ততই ভাল।
নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে পরিষ্কার করে রাখুন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬14▬Computer tips & tricks bangla
কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬15
যে কোন Software uninstall করার সময় ……কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬16
প্রত্যেকবার কম্পিউটার অন করার সময় বিভিন্ন ড্রাইভ চেকিং অপশন আসে যেমনঃ- Checking Drive E:

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬17
Press any key to canceled এর সমাধান…..
>স্টার্ট থেকে রানে লিখুন সিএমডি (cmd) এবার এন্টার চাপুন।
>এরপর লিখুন সিএইচকেএনটিএফএস-স্পেস-ড্রাইভ লেটার (E:) স্পেস ব্যাকস্লাস(/)এক্স অর্থাতঃ (chkntfs E: /X) লিখে এন্টার দিন ব্যাস এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬18
তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New Folder লিখাটি নীল রং এ সিলেক্ট করা থাকবে তখন keyboard এর ডান পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন, এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে নিন এবং Enter এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়েছে । এখন এই নাম ছাড়া Folder এ mouse এর right buttome ক্লিক করে Properties এ যান, তারপর customize > change icon এ ক্লিক করুন, তারপর icon window থেকে একটি blank icon সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন। এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder তৈরি করেছেন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬19
অনেক সময় START MENU SHOW করতে দেরি হয় বা LOCAL DISK ‍এর যে কোন পেজ ওপেন করতে দেরি হয় যা খুব বিরক্তিকর। ‍এ‍ই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের পথ অনুসরন করুন। প্রথমে START MENU থেকে RUN এ ক্লিক করুন। তাতে REGEDIT.EXE লিখে OK করুন। REGISTRY EDITOR BOX আসবে, সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER ট্যাবে ক্লিক করুন তারপর সেখান থেকে CONTROL PANEL হয়ে DESKTOP ক্লিক করুন। DESKTOP এ ক্লিক করার পর ডান পাশের BINARY DATA হতে MENUSHOWDELAY তে ডাবল ক্লিক করুন। যে EDIT STRING BOX ‍আসবে তা হতে VALUE DATA “0” করে OK করুন। তারপর কম্পিউটার RESTART করুন। দেখবেন ‍আপনার কম্পিউটার ‍আগের তুলোনায় দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়েছে ‍এবং LOCAL DISK পেজ OPEN হতে সময় কম নিচ্ছে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬20
কি বোর্ডের সাহায্যে চালু করুন কম্পিউটার
আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা থাকলে কম্পিউটার চালু করতে অনেক কষ্ট হয়। আমরা ইচ্ছা করলে CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন চেপে Bios-এ প্রবেশ করুন। তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter চাপুন। এখন Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিন। Password নির্বাচন করে Enter দিন। Enter Password-এ কোনো একটি কি পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ (F10) করে বেরিয়ে আসুন। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতি পাওয়া যাবে।

শেয়ার করে রাখতে ভুলবেন না। যে কোন সময় কাজে লাগতে পারে।
লেখা সোহানুর রহমান

❤️❤️❤️
12/10/2020

❤️❤️❤️

ডিজিটাল মার্কেটিং কী? কেনো করবেন? কীভাবে শিখবেন? আজকে আমি আপনাদের চেষ্টা করবো ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে গাইডলাইন দেওয়ার। সে...
02/10/2020

ডিজিটাল মার্কেটিং কী? কেনো করবেন? কীভাবে শিখবেন? আজকে আমি আপনাদের চেষ্টা করবো ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে গাইডলাইন দেওয়ার। সেই সাথে কিছু ফ্রি কোর্স দিবো। আশা করি পুরো পোস্ট মনযোগ দিয়ে পড়বেন । যদি মনযোগ দিয়ে পড়েন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন ডিজিটাল মার্কেটিং আসলেই কী! কেনো আপনি শিখবেন। শেষ পর্যন্ত পড়তে পারলে আপনি আর কোন তাবিজ আপা ভাইয়ের কাছে যাবেন না। নিজে ঘরে বসে শিখতে পারবেন।
তাহলে চলেন শুরু করিঃ
ডিজিটাল মার্কেটিং কী?
এককথায় ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা সমূহকে গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছানো । আগেকার দিনে কোন কোম্পানি তাদের পণ্য সমূহকে বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন মার্কেটারদের কে নিয়োগ দিতেন। তারা গ্রাহক পর্যায়ে গিয়ে উক্ত পণ্যের গুনাগুনগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতেন এবং গ্রাহকদেরকে তা কেনার জন্য আকৃষ্ট করতেন। বর্তমানে সেই কাজটিই তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের কল্যাণে অনলাইনেই করা হয় যেটাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। সহজ কথায় বললে” আগে দেখতেন পরিক্ষা শেসে আপনার কাছে মানুষ লিফলেট বিক্রি করতো অমুক প্রতিষ্টানে ভর্তি হওয়ার জন্য, আর বর্তমানে সবাই যেখানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যাবহার করে, হাতে হাতে স্মার্টফোন তাই সব কোম্পানি তাদের মার্কেটিং গুলো অনলাইনে বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে করে। যেমন আগের লিফলেট গুলোর মেসেজ এখন আপনাকে মেইল করে মেসেজ করে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এখন ঐ আপনার মেইল যারা সংগ্রহ করে তারা ও কাইন্ড অফ ডিজিটাল মার্কেটার। কীভাবে মেইল সংগ্রহ করে সেটি পড়ে বলতেছি। তার আগে জানি কেনো আপনি ডিজিটাল মার্কেটার হবেন?
বিশ্বে যেখানে বর্তমানে ৪০০ কোটির বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে এবং তার মধ্যে ৩০০ কোটির বেশি মানুষ বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকে। এবং এই মানুষ গুলো কোন না কোন ভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত। যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে যান তাহলে চিন্তা করুন আপনার কাজের পরিমাণ কত হবে?
কীভাবে আপনি ডিজিটাল মার্কেটার হবেন?
চাইলেই আপনি ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারবেন না! ডিজিটাল মার্কেটার আপনাকে হতে হলে অব্যশই অনেক পরিশ্রম করতে হবে। কারণ ডিজিটাল মার্কেটিং সেকশনের অনেক ক্যাটাগরি আছে। আপনি যদি মনে করেন সবই শিখে যাবেন তাহলে আপনি ভুল! আপনাকে যে কোন একটি বা দুইটি টপিক পছন্দ করতে হবে। এবং যেই ক্যাটাগরি পছন্দ করবেন সেটি নিয়ে যদি কাজ করেন তাহলে লাখ টাকা ইনকাম কোন ব্যায়াপার না।
চলুন এইবার জানি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কিছু সেকশন এর নামঃ আমি এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর সেকশন গুলোর নাম বলবো সেই সাথে জানাবো ঐ গুলো আপনি কীভাবে কোথা থেকে শিখতে পারেন।
নোটঃ সব শিখার চেষ্টা না করে একটি টপিকে অভিজ্ঞ হওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ একটি টপিকে প্রোফেশনাল হয়ে গেলে বাকীগুলো নিয়ে এম্নিতেই ধারনা পেয়ে যাবেন।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কে শর্টকাটে SEO বলে। SEO কী? SEO মূলত আপনার ওয়েবসাইট গুগল, ইয়াহু বিং বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধান ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে থাকে। যেমন দৈনিক আমরা কত কিছু গুগলে সার্চ করি। ধরেন আমি এখন সার্চ করলাম best mobile phone in 2020 এখন সার্চ করার পর আমি যে কত ফলাফল দেখলাম সেইগুলো এমনি এমনি আমার সামনে চলে আসে? নাহ! এইগুলো এমনি এমনি আমাদের সামনে আসে না। যার বা যাদের ওয়েবসাইটের ফলাফল আমরা প্রথম পেইজে দেখতে পাই তারা সার্চ ইঞ্জিন অপটাইজেশন করেই আমাদের সামনে প্রথম পাতায় নিয়ে আসে। যদি আপনি SEO শিখতে পারেন তাহলে আপনার ক্যারিয়ার অনেক উজ্জ্বল।
কোথা থেকে SEO শিখবেন?
চলে যান এই লিংকে https://www.clickminded.com/mc-registration-seo-keyword-strategy-2/ অথবা এই https://yoast.com/academy/free-seo-training-seo-for-beginners/ এই লিংক হতে বিগেনার কোর্সটি বিনামুল্যে করে ফেলুন।
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM): সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা SEM করে মানুষ তার ওয়েবসাইট বা প্রোডাক্টে ভিবিন্ন টার্গেটবেইজড ভিজিটর মানুষ নিয়ে আসে। SEM কে আবার পেইড সার্চ মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। আপনি যদি গুগলে কিছু সার্চ করে থাকেন তাহলে অনেক সময় দেখবেন প্রথম পেইজে ads নামে একটা বা দুইটা সাইট থাকে। এই মার্কেটিং গুলোই আপনাকে করতে হবে বা করে SEM করে।
SEM যদি শিখতে চান তাহলে এই লিংকে https://www.emarketinginstitute.org/free-courses/search-engine-marketing-certification-course/ গিয়ে ফ্রি কোর্সটি করে ফেলুন।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা SME: ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম জনপ্রিয় এই সেকশনটি। নাম শুনেই বুঝতে পেরেছেন এটার কাজ কী কিংবা কীভাবে এই গুলো করে। হ্যা আপনি ঠিকই ধরেছেন আপনি যদি একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার হয়ে যান বা হতে চান তাহলে আপনাকে ভিবিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট যেমন ফেসবুক/লিংকদিন/টুইটার/ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি নিয়ে ভালোভাবে জানতে হবে। এদের কাজ কীভাবে করে জানতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখতে এই https://alison.com/courses/diploma-in-social-media-strategy/content?event=login কোর্সটি অথবা https://www.emarketinginstitute.org/free-courses/social-media-marketing-certification-course/ এই কোর্সটি না হয় https://www.skillshare.com/classes/Introduction-to-Social-Media-Strategy-Learn-with-Buffer/1934895986 করতে পারেন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: অ্যাাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে গতকাল অনেক কিছু বলেছি, এফিলিয়েট মার্কেটিং কী সেটা যদি সহজে বলি তার উত্তর হলোঃ অনলাইনে ভিবিন্ন বড় বড় কোম্পানির জিনিষ গুলো আপনি “বিক্রি করে” দিবেন । বিনিময়ে সেটির কমিশন পাবেন। আরো সহজ করে যদি বলি “ ধরেন আপনার মুখের ভাষা অনেক কিউট, আপনি সহজেই মানুষ পটাতে পারে” এখন আপনার এলাকার বড় কোন দোকান থেকে এক কেজি তেল নিয়ে একটি ভালো রিভিউ দিয়ে আপনার পরিচিত কারো কাছে বিক্রি করে দিলেন” এখন ঐ যে আপনি বড় দোকানের তেল আপনার কারো কাছে রিভিউ দিয়ে বিক্রি করিয়ে দিয়েছেন তার বিনিময়ে বড় দোকানদার আপনাকে ১০% বা বেশী কমিশন দিলো। ঐ কমিশন জিনিষটাই হলো এফিলিয়েট।
এখন এই অফলাইনের এফিলিয়েট সিস্টেমটাকে যদি আমরা অনলাইনে তুলনা করি তাহলে কাহিনী এমন হয় “ আমি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলাম, সেখানে আমি কম্পিউটার নিয়ে ভালো ভালো টিপস দিলাম, টিপসের পাশে অনলাইনের কোন বড় শপ (আমাজন) এর কম্পিউটার এর লিংক এড করে দিলাম, সেখানে লিখে দিলাম এই কম্পিউটারটি যদি কিনতে চান তাহলে এখান থেকে কিনতে পারেন। যখন আপনার ওয়েবসাইটে এসে কেও ভিজিট করে এবং সে যদি ইম্প্রেস হয়ে আপনার দেওয়া লিংক হতে কম্পিউটারটি কিনে ফেলে তাহলেই আমাজন থেকে আপনাকে কমিশন দিবে।
এফিলিয়েট মার্কেটিং যে শুধু যে ওয়েবসাইট করে আমাজনের করবেন এমন নয় কিন্তু, আপনি যে কোন প্রোডাক্টের প্রমোশন করে দিতে পারেন। সেটিই বিক্রি করাতে পারলেই কমিশন পাবেন। যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে চান তাহলে এই কোর্স গুলো দেখতে পারেনঃ https://www.skillshare.com/browse/affiliate-marketing?clickid=ym5QppT8jxyOW89wUx0Mo3QwUkiUG7wpBVSt040&irgwc=1&utm_content=4650&utm_term=Online%20Tracking%20Link&utm_campaign=397676&affiliateRef=6595003&utm_medium=affiliate-referral&utm_source=IR
অথবা এই https://mega.nz/folder/ZCwjSB7b কোর্সটি ডাউনলোড করতে পারেন।
ইমেইল মার্কেটিংঃ ডিজিটাল মার্কেটিং’র আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইমেইল মার্কেটিং। যদি আপনি একজন ইমেইল মার্কেটার হতে চান তাহলে এই কোর্সটি দেখতে পারেনঃ https://www.hubspot.com/resources/courses/email-marketing

ভাইরাল মার্কেটিংঃ ভাইরাল মার্কেটিং শিখতে হলে আপনাকে ট্রেন্ড বুঝতে হবে, অর্থাৎ দুনিয়াতে এখন কোন টপিক চলে সেটি জানতে হবে। যদি ট্রেন্ড বুঝে যান আপনি আপনার কনটেন্ট ভাইরাল করাতে পারবেন।
ফ্রি এই https://www.classcentral.com/course/wharton-contagious-viral-marketing-5034 কোর্সটি করতে পারেন।

তাছাড়া ও ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরো অনেক সেকশন আছে। সেগুলো নিয়ে আরেকদিন আলোচনা করবো। আবাতত উপরের যে কোন একটি টপিক থেকে শুরু করে দিন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার।
এখন কিছু টিপস দেইঃ
আপনি তখনি সফল ডিজিটাল মার্কেটার হবেন যখন মানুষ এর মাইন্ড বুঝতে পারবেন। সব সময় রিসার্চ করার চেষ্টা করবেন। কারণ রিসার্চ করা না জানলে ডিজিটাল মার্কেটারের ভাত নাই।
যদি আপনি মনে করেন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার হবেন তাহলে কখনো চিন্তা করে যাবে না “ সোশ্যাল মিডিয়া মানেই ফেসবুক” মনে রাখবেন ফেসবুক ছাড়া আরো শত শত সোশ্যাল মিডিয়া আছে। আপনাকে আপনার ক্লাইন্ট বা টার্গেট ভিজিটরের কাছে সঠিক পণ্যটি পৌছাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সে যদি ফেসবুক ব্যাবহার করে তাহলে ফেসবুক না হলে টুইটার।
তাড়াহুড়া করা যাবে না। আপনি হয়তো ফেসবুক এডের কাজ শিখে নিজেকে অনেক বড় ডিজিটাল মার্কেটার ভেবে ফেলেন বা ফেলবেন, এই জিনিষ করা যাবে না। সময় নিবেন একটি জিনিষ শিখা হয়ে গেলে আরেকটি নতুন জিনিষ শিখবেন। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখে নিজের স্কিল বাড়াবেন। কখনো এখানেই সব শেষ বা আমি বস হয়ে গেছি চিন্তা করা যাবে না।
টাকা ইনকামের জন্য হর্নি হবেন না, আগে নিজের স্কিল আপগ্রেড করবেন, এই জিনিসটা করে ফেললে টাকা আপনার বাসায় আসবে। তাই এই লাইনে আসার আগে কিছু ইনভেস্ট নিয়ে আসুন। টাকার জন্য হার্নি হয়েছেন আর ধরে নিয়েন এখানেই ক্যারিয়ার শেষ।
এবার কিছু ওয়েবসাইট লিস্ট দিচ্ছি যেইগুলো আপনি ফলো করলে হয়তো একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে যাবেন এবং আমি যেই সকল ওয়েবসাইট ফলো করিঃ
SmartBlogger.com
Copyblogger.com
www.sethgodin.com
https://blog.hubspot.com/
https://theidgroup.co.uk/category/content-marketing-interviews/
https://moz.com/blog
http://www.seobook.com/blog
https://www.searchenginewatch.com/
https://cognitiveseo.com/blog/
https://www.wordtracker.com/blog
https://yoast.com/seo-blog/
https://www.crazyegg.com/blog/
https://backlinko.com/blog
https://buffer.com/resources/
https://www.socialmediaexaminer.com/
https://sendsocialmedia.com/blog/
https://neilpatel.com/
প্রতিদিন সকালে উটে বা ঘুমানর আগে চেষ্টা করে দেখবেন এই সাইট গুলো কী করে? কী লিখে? এই সাইটের ফাউন্ডার গুলোর লাইফস্টাইল গুলো কেমন! কথায় আছে গুণীজনের সাথে থাকলে ভালো না হলে ও খারাপ হওয়া যায় না। তাই এদের অনুসরণ করলে নিজের লাইফস্টাইল বা নিজের মার্কেটিং স্টাজি পরিবর্তন করতে পারবেন।
এবার ডিজিটাল মার্কেটিং এর কিছু টুলস শেয়ার করবো যেগুলো আপনার অনেক কাজে লাগবেঃ
ওয়েবসাইটের পারফামেন্স মনিটরিং এর জন্যঃ https://www.smylelytics.com/
প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং কোলাবেরশনের জন্যঃ https://trello.com/
কাস্টোমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট জন্যঃ https://www.hubspot.com/products/crm
ইমেইল মার্কেটিং এর জন্যঃ https://mailchimp.com/ অথবা https://www.mailgenius.com
ব্লগ বা ভিবিন্ন টপিক রিসার্চের জন্যঃ https://answerthepublic.com/
লোকাল সার্চ ম্যানেজ করার জন্যঃ https://moz.com/checkout/local/check
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জন্যঃ https://hootsuite.com/ অথবা https://barometer.agorapulse.com/home না হয় https://tagboard.com/ বোনাসঃ https://www.easel.ly/
SEO এর জন্যঃ https://chrome.google.com/webstore/detail/seo-anGroups-website-revi/hlngmmdolgbdnnimbmblfhhndibdipaf?hl=en
https://revive.animalz.co
https://www.canirank.com/
https://www.smallseotools.com
https://www.seedkeywords.com/
https://www.seobility.net/en/
https://varvy.com
এইবার ফ্রি কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্সঃ
https://learndigital.withgoogle.com/digitalgarage/course/digital-marketing ( গুগলের এই অসাধারন কোর্সটি করতে ভুলবেন না)
https://blogs.constantcontact.com/social-media-quickstarter/
আশা করি এই রিসোর্স গুলো কাজে লাগালে অনেক কিছু করতে পারেন। আর যাই হউক শুরু তো করতে পারবেন। এরপর আবার আরেকটি পর্বে দেখা হবে এডভান্স আরো কিছু নিয়ে। কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না! অনেক লম্বা লেখা তাই বানান ভুল হলে ক্ষামা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

ভালো লাগলে পোস্টটি টাইমলাইনে শেয়ার করতে পারেন!
প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেট কিংবা ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আরো জানতে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন।

©Sofol Freelancer Group

02/10/2020

'Jummah Mubarak' to everyone❤.
Heal your mind, listening euphonic quran recitation...
©Mahmud Huzaifa

25/09/2020

হৃদয় জোড়ানো অসাধারণ কোর'আন তিলাওয়াত।
© Islam Sobhi

ফেসবুক রুম!অনেকেই এই বিষয়ে জানতে চাচ্ছেনঃফেসবুক রুম নামে নতুন একটি টুলস প্রবর্তন করেছে। এটি মূলত ভিডিও কলিং টুলস। তবে হো...
23/07/2020

ফেসবুক রুম!

অনেকেই এই বিষয়ে জানতে চাচ্ছেনঃ

ফেসবুক রুম নামে নতুন একটি টুলস প্রবর্তন করেছে। এটি মূলত ভিডিও কলিং টুলস। তবে হোয়াটসপ, ইমো, ম্যাসেঞ্জারে ভিডিও কলিং সুবিধা থাকতে ফেসবুক কেন রুম টুলসের প্রবর্তন করল?

এমন প্রশ্ন সবারই আসবে কিন্তু ফেসবুক রুমে এমন কিছু নতুনত্ব অাছে যা অন্য টুলস কিংবা এ্যাপগুলোতে নাই যেমন-

১)এতে আপনি পছন্দের লোকদের এড করতে পারবেন

২)একসাথে ৫০ জনকে আপনি ভিডিও কল দিতে পারবেন

৩)শুধূ যে ফেসবুক থাকলেই তারা এ কলে যুক্ত হতে পারবে না নয় বরং যাদের ফেসবুক নাই তাদের আপনাকে দেওয়া লিংকটা যাকে আপনি সংযুক্ত করতে চাচ্ছেন তাকে পাঠালে তার ফেসবুক না থাকলেও লিংকে ক্লিক করলে তিনিও আপনার ভিডিও কলে যুক্ত হতে পারবেন।

৪)আপনি ইচ্ছে করলে রুমের সকল সদস্যদের ভিডিও কল দিতে পারবেন আবার রুমের সদস্যদের মধ্যে কেবল কয়েকজনকে কল দিতে পারবেন।

৫) আপনি চাইলে কাউকে রুম থেকে বের করে দিতে পারবেন আবার কারো কল লক করে রাখতে পারবেন।

৬)জুম এ্যাপসে যেখানে সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল সেখানে রুম টুলস আনলিমিটেড ভিডিও কলিংয়ে কথা বলার সুবিধা দেবে।

মুলকথা হলো - জুম এ্যাপস নিয়ে যেখানে নিরাপত্তার কথা উঠছিলে সেখানে ফেসবুকের রুম একেবারে নিরাপদ। এটি সংগঠন, গ্রুপ চ্যাট, ক্লাস নেওয়া, কনফারেন্স প্রভৃতিতে বেশ ভালো সুবিধা দেবে।

এপ্রিল মাসে মার্ক জাকারবার্গ রুম টুলসটি পরীক্ষামুলকভাবে চালু করছিল, যা কেবল কিছু মানুষকে এর প্রবেশ কিংবা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল তবে এটি সফল হওয়ায় সারা বিশ্বের ফেসবুক গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

কালেক্টেড পোস্ট।

 #শিখে_নিন_গুগোলের_কিছু_অসাম_সারচিং_টিপসএতদিনে এটা অন্তত আমরা জেনেছি, লাইফে ভালো কিছু করতে হলেস শিখতে হবে। আর শিখতে হলে ...
22/07/2020

#শিখে_নিন_গুগোলের_কিছু_অসাম_সারচিং_টিপস

এতদিনে এটা অন্তত আমরা জেনেছি, লাইফে ভালো কিছু করতে হলেস শিখতে হবে। আর শিখতে হলে নিজের হাত পা ছড়িয়ে শেখার চেষ্টা টা করা ছাড়া খুব একটা গতি নেই, কারণ কেউ এটা মুখে তুলে দিয়ে যাবে না। আর মুশকিল হল এই শিক্ষার উপকরণ গুলি সব আবার এক জায়গাতেউ নেই। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানান জায়গায়। আবার এদের মধ্যে কিছু আছে ভিডিও, কিছু অডিও, কিছু আর্টিকেল, কিছু বাংলা, কিছু ইংলিশ। তাই নিজের দরকারি জিনিস টা খুঁজে পেতে গুগোল মামার যেন কোন বিকল্প নেই। বিশেষ কোরে যারা ফ্রিল্যান্সার তাদের প্রতিদিন খুঁজে বের করতে হয় হাজারটা জিনিস আর তা হতে পারে ছবি, ভেক্টর, প্লাগিন্স থেকে শুরু কোরে থিম, টেমপ্লেট সহ আরও কত কি। যারা নতুন তাদের এই খুঁজে বের করার প্রেশার টা যেন আরেক ধাপ বেশি। তাদের এইসব এর পাশা পাশি খুঁজতে হয় লার্নিং কন্টেন্টস। তবে আমরা হয়তো সার্চ করছি গদবাধা নিওম করে। আর তাই চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে অনেক কিছু কিংবা দরকারের থেকে অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলছে এই সার্চ অভিযান যেটা কিনা হতে পারতো আরও অনেক কম সময়ে। চাইলেই কিন্তু বাঁচান যায় এই প্রয়োজনীয় সময় গুলি কিছু সাধারণ কিন্তু ইফেক্টিভ ট্রিক্স এপ্লাই করে গুগোল এ সার্চ করার সময়।
তো আসুন, জেনে নেই সিম্পিল কিছু উপায় গুগলে নিজের কাঙ্কিত জিনিস খুঁজে পাওয়ার।

১। ব্যাবহার করুন কুওটঃ
কুওট বা কটেশন মার্ক টা খুঁজে পেতে সাহায্য করবে আপনার স্পেসিফিক কনটেন্ট। গুগোল এর কিছু খোঁজার এলগরিদম টা যদি জেনে যান, তাহলে কিছু খুঁজতে খুব সুবিধে হবে। কারণ আমরা যদি লিখি fiverr gig marketing তাহলে গুগোল প্রত্যেকটি শব্দ কে আলাদা খুঁজে বের করে, প্রত্যেকটা শব্দ কে আরেকটি শব্দের সাথে মিলিয়ে রেজাল্ট খুঁজে বার করে আপনাকে দেখায়। তাতে লিস্ট হয়ে যায় অনেক বড়। আর তাই যদি আপনি জানেন আপনি আসলে কি খুঁজছেন, সেটা কোটেশন মার্ক এর মধ্যে দিয়ে দিলে ওই পুরো শব্দ টা এক খানে গুগোল খুঁজে আপনাকে দেখাবে। যেমন "fiverr gig marketing"।

২। - হাইফেন ইউস করুন কিছু বাদ দিতেঃ
কিছু লিখে যদি আপনি মনে করেন এমন কোন জায়গা যেখান থেকে আপনি চান না গুগোল কিছু খুঁজে বের করুক তাহলে সার্চ কনটেন্ট এর শেষে হাইফেন বা মাইনাস - এবং একি ভাবে প্লাস + ইউস করে শুধু সেই জায়গা থেকেই খুজবে এমন বলে দিতে পারেন গুগোল কে। যেমন যদি আমি গুগোল করি এমন কোন ওয়েবসাইট এর জন্য যেখান থেকে আমি ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারবো, কিন্তু আমি চাইছিনা সেখানে ইউটিউব এর কোন ভিডিও আসুক। তাহলে আমরা লিখব How to design webpages -youtube আর পক্ষান্তরে যদি আমরা চাই শুধু ইউটিউব এর ভিডিও ই দেখাবে তাহলে লিখার শেষে +youtube দিয়ে দেব।

৩. ব্যাবহার করুন কোলনঃ
যদি এমন টা চাই, আমার কনটেন্ট টা শুধু একটা ওয়েবসাইট থেকে খুঁজে বের করে দেবে। যেমন কোন আর্টিকেল বা কনটেন্ট যা আমি চাই শুধু ফেসবুক থেকে খুঁজে এনে দেবে। যদি হউ কোন প্রডাক্ট তাহলে আমি চাই, ফেসবুকে সেই প্রডাক্ট এর যত পোস্ট আছে সেটা দেখবো যা দেখে আমি আমার নিজের ব্র্যান্ডিং করার আইডিয়া পেতে পারি তাহলে সার্চ লিখার শেষে : কোলন লিখে ওয়েবসাইট এর আড্রেস লিখে দিন। Tshirt design :facebook.com, banner design :fiverr.com তাহলে উক্ত টপিক টি শুধু সেই ওয়েবসাইট থেকেই খুঁজে বের করে দেবে আপনাকে গুগোল। ভুলেউ পা দেবে না অন্য কথাউ।

৪। * স্টার খুঁজে দেবে গুপ্তধনঃ
হাহা, না সোনা, মানিক হিরে না, তবে এটা হতে পারে এমন একটা গুপ্ত ধন যা চাচ্ছেন খুঁজতে কিন্তু জানেন না কি লিখে খুজবেন। বুঝেন নি তো? ধরুন এমন একটা টপিক হতে পারে গানের লিরিক। সেটার কিছু অংশ আপনার মনে আছে, বাকি টা নেই। তাহলে মনে না থাকা অংশ টুকুতে সম্ভাব্য কিছু একটা লিখে দুইটা স্টার এর মধ্যে রেখে দিন। গুগোল অটমেটিকালি বুঝে নেবে স্টার এর মাঝে যে কোন শব্দ হতে পারে আর সে তেমন ভাবেই খুজত থাকবে আপনার কাঙ্ক্ষিত উপকরণ টি। যেমন আমরা যদি রিহানার একটা গান We found love in a hopeless place খুঁজতে চাই কিন্তু এর কিছু অংশ ভুলে যাই, তাহলে আমরা লিখতে পারি we found love *in a crowded plaace* এখানে স্টার দেয়া অংশে গুগোল বুঝে নেবে আপনি শিওর না এই পার্ট টুকুর ব্যাপারে, আর সে খুঁজে দেবে সম্ভাব্য সব কিছু।

৫। খুঁজে বেরকরুন সিমিলার সাইটঃ
প্রত্যেকটা সাইট এর একটা টাইপ থাকে। ফেসবুক যেমন সোশ্যাল মিডিয়া, Same as ব্লগ, আইটি টেকনোলজি বিষয়ক ইত্যাদি। তো আমরা যদি একটা সাইট এর মতো সিমিলার অন্য সাইট খুঁজে পেতে চাই তাহলে রিলেটেড লিখতে হবে আর পড়ে কলন দিয়ে লিখতে হবে জেটার মতো খুজছি। যেমন relate:Fiverr.comতাহলে ফাইভার এর মতো সিমিলার সাইট গুলি আমরা গুগলে খুঁজে পাবো।

৬। সহায়তা নিন অংক করতেঃ
আপনি চাইলেই ছোট অংক করিয়ে নিতে পারেন গুগোল কে দিয়ে। যেমন ৫+৩ লিখে সার্চ করলে এর ফলাফল পেয়ে যাবেন। তেমনি কোন বিজ্ঞানির থিওরী, কিংবা কোন ইকুয়েশান, অন্য কোন দেশের সময়, কারেন্সি, কারেন্সি কনভার্সন যেমন ডলার থেকে বাংলাদেশি টাকায় রুপান্তর ইত্যাদি কাজ গুলি খুব সহজে পেয়ে যাবেন গুগোল সার্চ করেই।

৭। খুঁজে ফেলুন একাধিক শব্দ একসাথেঃ
অনেক সময় আমাদের একাধিক শব্দ খুঁজে পেতে হয় বা একাধিক ফ্রেজ খোঁজার দরকার পড়ে। সেটা করতে আমরা পারি অর ইউস করার মাধ্যমে। সার্চ করার শব্দ গুলি ডাবল কুওট এর মধ্যে রেখে মাঝে OR লিখে সহজেই পেয়ে যেতে পারি একাধিক ফ্রেজ বা শব্দের সার্চ রেজাল্ট যেমন "how to learn graphic designing" OR "graphic design tips and tricks"।

৮। বার করুন সংখ্যার রেঞ্জঃ
আমরা অনেক সময় সমিকরন বা স্ট্যাটিস্টিক খুঁজে পেতে চাই। এর এটা খুঁজে পেতে আমরা ইউস করতে পারি ডাবল ডট। .. এইটা।
আর এটা আমরা ব্যাবহার করতে পারি দুই ভাবে। প্রথমত, কিছু লিখে ডাবল ডট দিয়ে একটি সংখ্যা যদি ব্যাবহার করি, মানে যদি লিখি Fifa world cup ..2018 তাহলে গুগোল বুঝবে আমরা শুধু এই শাল বা নাম্বার এর আওতায় তথ্য গুলি খুঁজে পেতে চাইছি। এর আগেউ না পরেউ না। তাহলে সে শুধু ২০১৮ এর তথ্য গুলি খুঁজে বার করবে। আর যদি লিখি Fifa world cup 1994..2018 তার মানে সে ১৯৯৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ফিফা তে যা যা হয়েছে (কিংবা আপনি যদি লিখে দেন আরও স্পেসিফিক ভাবে) তাহলে এই রেঞ্জ এর মধ্যেকার জিনিস গুলি আপনাকে খুঁজে এনে দেবে গুগুল।

৯। খুজেপান কাছের জিনিস পত্তরঃ
যেহেতু গুগোলে সব দেশের সব বিজনেস, জায়গা ইত্যাদি ইনডেক্স করা থাকে, তো চাইলেই আপনি আপনার কাছের কোন জায়গা খুঁজে পেতে পারেন। যদি লিখেন Restaurent nearby, Or, Pet shop nearby, or hospital bearby, তাহলে আপনার লকেশান থেকে সব চেয়ে কাছের জায়গা গুলি সাজেস্ট করবে গুগোল।

১০। ট্রাই করুন একাধিক রেজাল্টঃ
অনেক সময় আমরা খুঁজে পাইনা আমাদের দরকারি রেজাল্টস বা খুঁজে খুঁজে পেজ নেক্সট করে করে হয়রান হয়ে যেতে হয়। এই কাজ টা গুগোল কে আরও ভালো করে বুঝিয়ে দিতে পারি ট্রাই কি ওয়ার্ড এর মাধ্যমে। নিচের উদাহরণ দেখলেই তা ক্লিয়ার হয়ে যাবেন।
First try: Write CV
Second try: how to write a proper CV
Third try: best way to write a CV for a job interview
এর ফলে গুগোল আপনার ট্রাই গুলি বুঝে তার রেজাল্ট গুলি ফিলটার করে আপনাকে এনে দেবে আপনি যা চান।

১১। সটিক শব্দ নির্বাচনঃ
এই জিনিস টা পুরাটাই আপনার উপরে নির্ভর করে। আমরা গুগোলে যা লিখি তা অনেক সময় আমাদের সঠিক রেজাল্ট এনেদেয় না। তাই আমাদের আগে বুঝতে হবে সটিক শব্দ কোন গুলি। তার পর সেটা সার্চ করতে হবে। যেমন আমরা লিখি
I want to learn java programming, or I have a headache.
কিন্তু আসলে আমাদের লিখা দরকার
Learn java programming or how to learn java programming, headache relief. etc.
তাহলেই আমরা খুঁজে পাবো এক্স্যাক্ট উত্তর।

১২। বাড়তি শব্দ লিখবেন নাঃ
আমরা অনেক সময় গুগোল কে নিজের বন্ধু মনে করে শুরু করে দেই সুখ দুক্ষের আলাপ। যেমন যদি আমরা কোন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট খুঁজে পেতে চাই, আমরা লিখি Where can I find a Chinese restaurent which deliver food at home? Or, My computer's monitor is getting fade, how to repare my monitor? please help! 📷📷:P 📷📷:P
এতো কিছুর এগেইন্সট এ চিন্তা করুন কত বাড়তি শব্দ গুগোল সার্চ করে এনে দেবে যেখান থেকে আপনার ফলাফল খুঁজে বের করা খুবি মুশকিল কিছু একটা। আর তাই লিখুন Chinese restaurent nearby, or monitor's fade problem.

১৩। ব্যাবহার করুন আলাদা ফ্রেজঃ
অনেক সময় আমরা একটা সমস্যার সমাধান খুঁজে পাইনা গুগোলে। তখন হাল ছেড়ে দেই। কিন্তু একি সমস্যা একাধিক নামে থাকতেই পারে আর সেটা খুঁজে পেতে আমাদের কয়েকবার সার্চ করে দেখতে হতে পারে। যেমন আমরা যদি How to install windows 10 লিখে কিছু না পাই, আমরা সিমিলার শব্দ বা বাক্য ব্যাবহার করে আমাদের খুঁজে পেতে পারি আমাদের প্রব্লেম এর সমাধান। like, instalation of windows 10, windows 10 instalation troubleshoot, windows 10 setup, windows 10 setup problems etc.

১৪। খুঁজে বের করুন দরকারি ফাইলঃ
গুগোলে আজকাল আমরা অনেকেই খুঁজে পেতে চাই নানা ফাইল। সেটা হতে পারে পিডিএফ, হতে পারে ইএক্সই, বা ভিডিও যেমন এম্পি ফোর, বা পিএসডি ইত্যাদি। যার যা দরকার আরকি। তো আমরা চাইলে গুগোলে খুঁজতে পারি শুধু এই ফরম্যাট এর ফাইল গুলি। এর জন্য আমাদের ব্যাবহার করতে হবে ফাইলটাইপ এই কি ওয়ার্ড টি। যেমন কেউ যদি বই খুঁজতে চান পিডিএফ আকারে তাহলে লিখুন
Book name filetype:pdf like Lilaboti filetype:pdf.

১৫। ডাউনলড করুন যে কোন মুভিঃ
যদিও এই উপায় হয়তো দুনিয়ার সব মুভি বা ভিডিও খুঁজতে কাজে দেবে না, তার পরেউ যদি চান নরমাল কোন মুভি বা ভিডিও বা সিরিয়াল ডাউনলড করতে, ব্যাবহার করতে পারেন ইনডেক্স অফ কি ওয়ার্ড টার। যেমন যদি Game of thrones English সিরিয়াল টি ডাউনলড করতে চান তাহলে লিখুন index of game of thrones, প্রথম এর কয়েকটি লিঙ্ক এ ঢুকে দেখুন ভিডিও ফরম্যাট গুলি দেয়া আছে। যেমন সেখান থেকে ফাইল এর উপরে ক্লিক করলেই শুরু হয়ে যাবে ডাউনলড।

তো, এই ১৫ টা বেসিক খুঁজে পাওয়ার টিপস আমি নিজে ব্যাবহার করি। তাই শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে। হয়তো গুগোল করলে এমন আরও অনেক টিপস পেয়ে যাবেন। তো খুঁজতে থাকুন আজ থেকেই। এই টিপস গুলি এখুনি ইউস করে দেখেন কত মজা! গুগোল কে এখন আরও কাছের মামা বলে মনে হবে আপনার! 📷📷:D যা খুঁজতে চান তা এখন খুঁজে পাবেন আরও দ্রুত। শিখার সময় বেরে যাবে অনেক। আর তাই বসে না থেকে নেমে যান মামা ভাগিনা এক রোমাঞ্চকর শিক্ষা সফর এ! শিখুন বেশি বেশি, দক্ষ হন, ইন্টারনেট এর রিসোর্স কে কাজে লাগিয়ে নিয়ের ক্যারিয়ার গড়ুন। 📷:)
শুভকামনা সকলের জন্য।

ধন্যবাদান্তেঃঃ-Sultan Neer

Address

Bedford
MK420EQ

Telephone

+447340707158

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Digit Ally posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share