03/07/2026
তন্ত্র শাস্ত্রে মোহিনী বিদ্যাকে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং উচ্চ স্তরের সাধনা হিসেবে গণ্য করা হয়। যেহেতু এটি মানুষের মন, চিন্তা এবং শক্তির ওপর প্রভাব ফেলে, তাই প্রাচীন গ্রন্থগুলোতে এই বিদ্যা অনুশীলনের জন্য অত্যন্ত কঠোর নিয়ম ও নির্দেশনাবলী (Guidelines) দেওয়া হয়েছে।
নিচে মোহিনী বিদ্যার সাধারণ গাইডলাইন্স, বহুল প্রচলিত মন্ত্র এবং এর জপ সংখ্যার একটি শাস্ত্রীয় রূপরেখা দেওয়া হলো:
১. সাধনার মূল গাইডলাইন্স (প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী)
• শুদ্ধ মানসিকতা ও সংকল্প: মোহিনী বিদ্যার মূল শর্ত হলো মনের পবিত্রতা। কোনো অন্যায় ইচ্ছা, কুৎসিত লালসা, বা কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে এই সাধনা করলে তা হিতে বিপরীত (উল্টো ক্ষতি) হতে পারে।
সঠিক স্থান ও কাল: সাধারণত শান্ত, নির্জন স্থান বা পূজার ঘর এই সাধনার জন্য উপযুক্ত। তান্ত্রিক মতে—গ্রহণ কাল, দীপাবলি, পূর্ণিমা বা