28/04/2026
Shah Abdul Latif Fultali (শাহ আবদুল লতিফ ফুলতলী রহ.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন প্রসিদ্ধ ইসলামী আলেম, বুযুর্গ, দাঈ ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক। তিনি বিশেষভাবে বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বহু স্থানে সুন্নি মুসলিম সমাজে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তাঁকে সাধারণভাবে ফুলতলী সাহেব কিবলা নামেও ডাকা হয়।
তিনি কে ছিলেন?
তিনি সিলেট অঞ্চলের Fultali এলাকার সাথে সম্পর্কিত ছিলেন, সেখান থেকেই “ফুলতলী” উপাধি প্রসিদ্ধ হয়। তিনি কুরআন, হাদিস, ফিকহ, তাসাউফ ও দাওয়াহ কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখেন। বহু মাদরাসা, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইসলামী সংগঠন গঠনে তাঁর প্রভাব ছিল।
প্রধান পরিচয়
ইসলামী চিন্তাবিদ
সুন্নি আকীদার দাঈ
তাসাউফের পথপ্রদর্শক
বহু ছাত্রের শিক্ষক
সমাজ সংস্কারক
আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বক্তা
তাঁর ওলায়তি (আধ্যাত্মিক মর্যাদা) সম্পর্কে
“ওলায়ত” বলতে আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত নেককার বান্দার আধ্যাত্মিক মর্যাদাকে বোঝায়। Wilayah ইসলামী পরিভাষায় ওলী মানে আল্লাহর বন্ধুপ্রতিম নেক বান্দা।
অনুসারী ও ভক্তদের দৃষ্টিতে শাহ আবদুল লতিফ ফুলতলী রহ. একজন উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন বুযুর্গ ও ওলী ছিলেন। তারা তাঁর মধ্যে নিম্নোক্ত গুণাবলি দেখতেন:
১. তাকওয়া ও পরহেজগারি
তিনি সুন্নাহ অনুসরণ, ইবাদত, যিকির ও আত্মশুদ্ধির প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন।
২. ইলম ও আমল
শুধু জ্ঞান নয়, নিজের জীবনে সেই জ্ঞান বাস্তবায়ন করতেন—এটি ওলীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরা হয়।
৩. মানুষের হেদায়েত
হাজারো মানুষ তাঁর বক্তব্য, দাওয়াহ ও সোহবতের মাধ্যমে দ্বীনের পথে ফিরে এসেছে বলে অনুসারীরা মনে করেন।
৪. খিদমতে খালক
মানুষের উপকার, সমাজসেবা, শিক্ষা বিস্তার ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
৫. আধ্যাত্মিক প্রভাব
অনেক মুরিদ ও অনুসারী মনে করেন, তাঁর সোহবতে মানুষের অন্তরে দ্বীনের আগ্রহ ও পরিবর্তন সৃষ্টি হতো।