Kolikatar oligoli - কলিকাতার অলিগলি

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • Kolikatar oligoli - কলিকাতার অলিগলি

Kolikatar oligoli - কলিকাতার অলিগলি কলকাতাবাসী যখন ভেবেছে না, সম্ভব না।
কলিকাতার অলিগলি পেয়েছে সম্ভাবনা।

পেনোগ্রাফিতে -  #অলিগলি_ভূমিকা ✨
29/03/2026

পেনোগ্রাফিতে - #অলিগলি_ভূমিকা ✨

এ এক অন্যরকম ভালোবাসা বইমেলার ভিড়টা আজ একটু অন্যরকম। শুধু বই কেনা বা দেখা নয়, যেন হাজারো গল্পের ভিড়ের মধ্যে নিজের গল্...
28/03/2026

এ এক অন্যরকম ভালোবাসা

বইমেলার ভিড়টা আজ একটু অন্যরকম। শুধু বই কেনা বা দেখা নয়, যেন হাজারো গল্পের ভিড়ের মধ্যে নিজের গল্পটাকেও খুঁজে নেওয়ার এক অদ্ভুত তার জন্মেছে। সেই রকমই এক শীতের বিকেলে কলকাতার বইমেলায় শুরু হয়েছিল তাদের গল্প।

রোদ্দুর ও তার বন্ধুদের একটা ছোট্ট গ্রুপ ছিল, পড়াশোনা এবং নানান ব্যস্ততার মাঝেও প্রতি বছর একটা দিন হলেও বইমেলায় যাওয়া তাদের একটা নিয়মের মতো ছিল। হাসিঠাট্টা পুরনো গল্প খাওয়া-দাওয়া, বই কেনা সব মিলিয়ে দারুন দিন কাটত ওদের। সেদিনও তারা সবাই একসাথে ঘুরছিল। কেউ কবিতার বই খুঁজছে, কেউ গল্পের, কেউ আবার শুধু ঘুরেই খুশি আর কেউ খাওয়া-দাওয়াতেই মগ্ন । রোদ্দুর একটু সবার থেকে আলাদা সে ভিড়ের মধ্যেও একটা স্টলে গিয়ে বইয়ের পাতা উল্টাতে উল্টাতে যেন নিজের জগতে ঢুকে যায়। ঠিক তখনই রোদ্দুরের কানের কাছে একটা কণ্ঠস্বর ভেসে এলো, "শুনছেন?"
সে ফিরে তাকাতে দেখলো, মেয়েটার
চুলগুলো খোলা হালকা বাতাসে উড়ছে, আর ঠোঁটের কোণে একটা অদ্ভুত শান্ত হাসি আর পারফিউম এর স্নিগ্ধ গন্ধ। রোদ্দুর জানে না কেন সে তার চোখ সরাতে পারছিল না।
– আরে এক্সকিউজ মি, শুনতে পাচ্ছো?
– হ্যাঁ বলুন
– এই বইটা তুমি আগে পড়েছ? কেমন?
রোদ্দুর একটু হকচকিয়ে গেল।
— হ্যাঁ মানে ভালো। একটু অন্যরকম, গভীর।
মেয়েটা স্টলের দোকানদারকে বলল
– এই বইটা আমাকে একটা দিন তো!
দোকানদার বলল,
– আসলে দিদি এই বইটা একটাই ছিল যেটা উনি কিনেছেন আর এক্সট্রা কপি নেই সব স্টক আউট হয়ে গেছে।
– যা আমি অনেক দিন ধরে খুঁজছি পেলাম না আর যখন পেলাম তখন স্টক আউট!
তখন রোদ্দুর মেয়েটিকে বলল – আপনি চাইলে বইটা আপনাকে দিতে পারি।
– সত্যি তুমি বইটা দেবে!
– হ্যাঁ দেবো।
– ঠিক আছে তাহলে তুমি বরং আমাকে বইটা আজকে দাও আমি তোমাকে কালকে বইমেলায় ফেরত দিয়ে দেব।
এই বলে মেয়েটি চলে যায়।
এমন সময় রোদ্দুরের বন্ধু কৃশানু এসে বলল, "কিরে প্রেমে পড়লি নাকি?"
রোদ্দুর একটু হেসে উড়িয়ে দিল, "ধুর! এমনিই দেখছি।"
কিন্তু সত্যিটা সে নিজেও জানত না তখন।
কিছুক্ষণ পরে সেই মেয়েটাই আবার এসে বলল,
–ও সরি তোমায় আবার বিরক্ত করলাম, তোমার ফোন নাম্বারটা কি দেওয়া যেতে পারে? কারণ কালকে তাহলে যোগাযোগ করে তোমায় বইটা ফেরত দেবো।
– আচ্ছা ঠিক আছে নোট করো নাম্বার আর তোমার নাম?
– মেঘলা...
তারপর মুচকি হেসে বলল,
– আসছি কাল তাহলে ৬ টার সময় দেখা হবে।
– হ্যাঁ দেখা হবে।

উফ উফ উফ বুকের ভেতর টা কেমন করছে! তখন কৃশানু বুকে হাত রেখে রোদ্দুরকে বলল,
– আজ ঘুম হবে তো রাতে! কারণ রোদ্দুরে যে আজ মেঘলা চলে এলো!
– তুই যে কি বলিস না ভুলভাল! চ বাড়ি যাবি আর বাকি সবাই কে ডাক।

এইভাবেই শুরু।
তারপর থেকে যেন বইমেলাটা অন্যরকম হয়ে গেল। প্রতিদিন তারা দেখা করতে লাগল কখনো বন্ধুদের সাথে, কখনো একটু আলাদা করে। বই নিয়ে কথা, কবিতা পড়া, একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ জানা সবকিছুই যেন খুব সহজে হয়ে যাচ্ছিল। মেঘলা গান গাইতে খুব ভালোবাসত। একদিন সন্ধ্যেবেলা, বইমেলার বাইরে একটা ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে সে হালকা গলায় গান ধরল। চারিদিকে ঠান্ডা হাওয়া, আলো-আঁধারির মায়া, আর তার গলায় একটা মিষ্টি বিষণ্ণতা। রোদ্দুর চুপ করে শুনছিল। তার মনে হচ্ছিল, এই মুহূর্তটা যেন শেষ না হয়। দিনগুলো কেটে গেল। বইমেলা শেষ হয়ে গেল, কিন্তু তাদের গল্প থামল না।
এখন প্রতি রবিবার রোদ্দুর মেঘলা এবং তাদের বন্ধুরা সবাই মিলে কারও বাড়ির ছাদে জড়ো হয়। খোলা আকাশ, হালকা হাওয়া, আর এক কাপ চা এইগুলোই তাদের সবচেয়ে বড়ো সুখ। মেঘলা প্রায়ই গান গায়। রোদ্দুর চুপ করে শোনে । তার চোখে তখন শুধু মুগ্ধতা, কখনো তারা আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা গোনে।
মেঘলা বলে,
– দেখো, ওইটা আমার তারা।
রোদ্দুর হেসে বলে,
– সব তারাই তো তোমার।
সবকিছুই যেন ঠিকঠাক চলছিল।
কিন্তু একটা জায়গায় এসে রোদ্দুর ভেতরে একটা ঝড় উঠতে লাগল। সে জানে সে অন্যরকম। মেঘলাকে সে খুব ভালোবাসে, খুব কাছের মানুষ মনে হয় কিন্তু সেই ভালোবাসাটা কি প্রেম? নাকি শুধু গভীর একটা টান? কারণ, তার হৃদয়ের অন্য একটা সত্যি আছে রোদ্দুর একটা ছেলেকে ভালোবাসে... বহু বছরের সম্পর্ক... তবে সে সমকামী। অনেকদিন ধরে সে এটা কাউকে বলেনি। বন্ধুরাও না, পরিবারও না। সে নিজেকেও পুরোপুরি স্বীকার করতে পারেনি।
কিন্তু মেঘলার সাথে সময় কাটাতে কাটাতে তার ভেতরের দ্বন্দ্বটা বাড়তে লাগল। একদিন ছাদে সবাই ছিল না। শুধু রোদ্দুর আর মেঘলা। হালকা হাওয়া বইছে। আকাশ ভরা তারা।
মেঘলা হঠাৎ বলল,
— রোদ্দুর একটা কথা বলব?
— হ্যাঁ বলো।
— তুমি জানো তো আমি তোমাকে একটু অন্যরকমভাবে দেখি?
রোদ্দুর এর বুক ধক করে উঠল। সে জানত, এই কথাটা একদিন আসবেই। সে কি করে বলবে, যে সে সমকামী আর সেটা মেঘলা কি চোখে দেখবে।
মেঘলা একটু চুপ করে থেকে বলল,
– আমি তোমাকে ভালোবাসি।
চারিদিক যেন হঠাৎ নিস্তব্ধ হয়ে গেল। রোদ্দুর কিছু বলতে পারছিল না। তার চোখে জল চলে এল।
মেঘলা অবাক হয়ে বলল,
– কি হলো? কিছু বলছ না কেন?
রোদ্দুর ধীরে ধীরে বলল,
– আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি –কিন্তু!
– কিন্তু কী বলো ?
– আমি তোমাকে সেইভাবে ভালোবাসতে পারব না।
মেঘলার চোখে অবিশ্বাস।
— মানে?
রোদ্দুর অনেক কষ্টে বলল,
– আমি সমকামী দীর্ঘদিন ধরে আমার সাথে একটা ছেলের সম্পর্ক আছে অনেক বছর ধরে... ওর নাম স্বতন্ত্র, ও এখন বাইরে গেছে পড়াশোনা করতে।

শব্দটা যেন বাতাসে ঝুলে রইল। মেঘলা চুপ করে রইল। তার চোখে জল জমে উঠল, কিন্তু সে কাঁদল না। কিছুক্ষণ পরে সে খুব ধীরে বলল,
— তাহলে এতদিন?
রোদ্দুর মাথা নিচু করে বলল,
– আমি নিজেও জানতাম না বা মানতে চাইনি। তোমার সাথে থাকলে সবকিছু এত সহজ লাগত আমি ভেবেছিলাম হয়তো বদলে যাবে কিন্ত...
মেঘলা চোখ মুছে একটু হাসল।
– ভালোবাসা কি জোর করে বদলানো যায়?
রোদ্দুর কিছু বলতে পারল না। সেই রাতটা খুব কঠিন ছিল। কিন্তু গল্পটা এখানে শেষ হয়নি।
পরের দিন, মেঘলা আবার রোদ্দুরকে ফোন করল।
– দেখো, আমি তোমাকে হারাতে চাই না। প্রেম না হোক তুমি কি আমার সবচেয়ে কাছের মানুষ হয়ে থাকতে পারো?‌
রোদ্দুর গলায় কান্না।
– পারব।
এরপর থেকে তাদের সম্পর্ক বদলে গেল কিন্তু ভেঙে গেল না। ছাদে এখনো তারা যায়।
মেঘলা এখনো গান গায়। রোদ্দুর এখনো মুগ্ধ হয়ে শোনে। কখনো তারা আবার তারা গোনে। তবে এবার তাদের মধ্যে একটা নতুন বোঝাপড়া আছে, ভালোবাসা সবসময় একই রকম হয় না। কখনো সেটা প্রেম,
কখনো সেটা বন্ধুত্বের থেকেও গভীর কিছু।
বইমেলায় শুরু হওয়া সেই গল্পটা তাই শেষ হয় নি, শুধু রূপ বদলেছে। আর খোলা আকাশের নিচে, তারা দুজনেই জানে সব সত্যি বলার পরেও, যে মানুষটা থেকে যায়,
সেই মানুষটাই সবচেয়ে আপন।

তারপর যখন স্বতন্ত্র একদিন এখানে এলো, সেদিন বিকেলে রোদ্দুর স্বতন্ত্রের সাথে দেখা করতে গেল। পুরনো সেই ক্যাফে, যেখানে তারা প্রথম একসাথে বসেছিল। স্বতন্ত্র চুপচাপ বসে ছিল। রোদ্দুর এসে সামনে বসতেই সে শুধু বলল,
– কিছু বলবি?
রোদ্দুর গলা শুকিয়ে যাচ্ছিল। তবু সে বলল,
– আমি মেঘলা বলে একটা মেয়েকে ভালোবাসি, ওর থেকে দূরে যেতে পারছি না।
স্বতন্ত্র কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল তার দিকে। তার চোখে কষ্ট ছিল, কিন্তু রাগ ছিল না।
– তাহলে আমার থেকে দূরে যাচ্ছিস?
রোদ্দুর মাথা নিচু করে বলল,
– আমি নিজেও বুঝতে পারছি না আমি কি করবো আর কি না করব কিন্তু মেঘলার প্রতি আমার যে অনুভূতি তৈরি হয়েছে সেটা আর ভুলে যাওয়ার নয় ।
স্বতন্ত্র হালকা হেসে বলল,
– তুই সুখে থাকলেই হলো আমি সেটা চাই।
এই কথাটা শুনে রোদ্দুরের বুকটা যেন ভেঙে গেল। সে জানত স্বতন্ত্রকে সে হারাচ্ছে। কিন্তু তবুও সে উঠে দাঁড়াল। সেদিন তাদের গল্পটা শেষ হয়েও হলো না।
এরপর রোদ্দুর ধীরে ধীরে মেঘলার কাছে ফিরে এল। প্রথমে বন্ধুর মতো তারপর একটু একটু করে আবার কাছে আসা। মেঘলা প্রথমে দূরে ছিল। সে ভয় পাচ্ছিল, আবার যদি ভেঙে যায়? কিন্তু রোদ্দুর এবার আর কিছু লুকালো না। সে নিজের সত্যিটা স্বীকার করল, নিজের দুর্বলতাও। একদিন ছাদে দাঁড়িয়ে রোদ্দুর বলল,
– আমি পুরোপুরি স্ট্রেট না, কিন্তু আমি তোমাকে ভালোবাসি। এই ভালোবাসাটা আমি আর অস্বীকার করতে পারছি না।
মেঘলা অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,
– ভালোবাসা সবসময় একরকম হয় না কিন্তু তুমি যদি সত্যি থাকো, আমি থাকব।
সেই রাতটা আবার তারা গুনে কাটল কিন্তু এবার কোনো লুকোনো কথা ছিল না।সময় কেটে গেল।

বছর পেরিয়ে গেল।
বন্ধুদের আড্ডা, ছাদের হাওয়া, গান সবকিছু একটু একটু করে বদলালো, বড়ো হলো।
রোদ্দুর আর মেঘলা একসাথে রইল একটা অন্যরকম সম্পর্কে। যেখানে ভালোবাসা আছে, কিন্তু তার সংজ্ঞাটা একটু আলাদা। প্রায় অনেক বছর পরে আবার বইমেলা। সবকিছু আগের মতোই ভিড়, বইয়ের গন্ধ, সেই পুরনো উত্তেজনা। কিন্তু রোদ্দুরের মেঘলার মধ্যে একটা নামহীন সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। রোদ্দুর একা হাঁটছিল। হঠাৎ তার চোখ পড়ল একটা পরিচিত মুখ।
– স্বতন্ত্র!
সময় যেন হঠাৎ থেমে গেল।
স্বতন্ত্র তাকিয়ে আছে তার দিকে। তার চোখে আর সেই আগের কষ্ট নেই, শুধু এক ধরনের শান্তি। দুজন ধীরে ধীরে একে অপরের দিকে এগিয়ে এল।
– কেমন আছিস?
স্বতন্ত্র জিজ্ঞেস করল।
– ভালো, তুই?
– আমি-ও ভালো।
কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর স্বতন্ত্র হেসে বলল,
– তুই তবে ঠিকটাই বেছে নিয়েছিলি।
রোদ্দুর একটু অবাক, মানে?
— যার সাথে তুই শান্তি পাস, তোর নিরাপদ জায়গা। সারাদিনের ক্লান্তির যার কাছে তুই থাকতে পারিস । মেঘলা তোর জীবনে আসার আগেই আমি তোকে সময় দিতেই পারিনি, তোকে বুঝতে পারিনি, তোর খেয়াল রাখতে পারিনি আমি পারিনি তোকে আমার কাছে রাখতে। আর তুই ঠিক করেছিস মেঘলাকে বেছে।
রোদ্দুর চোখ ভিজে উঠল।
– তোকে ভুলিনি কোনোদিন...
সে ধীরে বলল।
স্বতন্ত্র মাথা নাড়ল,
– আমিও না, কিন্তু সব গল্প একসাথে শেষ হয় না।
দূরে মেঘলার গলা শোনা গেল, সে বন্ধুদের সাথে দাঁড়িয়ে গান গাইছে। রোদ্দুর পিছন ফিরে তাকাল। স্বতন্ত্র বলল,
– যা তোর জায়গা ওখানে।
রোদ্দুর একবার শেষবারের মতো স্বতন্ত্র দিকে তাকাল। তারপর মেঘলার দিকে হাঁটতে লাগল। মেঘলা গান থামিয়ে বলল,
– কোথায় ছিলে?
রোদ্দুর বলল,
– একটা পুরনো গল্পের সাথে দেখা হয়ে গেছিল।
– শেষ হলো?
রোদ্দুর আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল,
– না কিছু গল্প শেষ হয় না শুধু জায়গা বদলায়।
মেঘলা তার পাশে এসে দাঁড়াল। আকাশে আবার তারা জ্বলছে। রোদ্দুর এবার আর গুনছে না সে শুধু তাকিয়ে আছে। কারণ, এবার সে জানে সে কাকে বেছে নিয়েছে। আর সেই বেছে নেওয়াটার মধ্যেই
তার জীবনের সবচেয়ে বড়ো সত্যিটা লুকিয়ে আছে।

কলমে - #অলিগলি_স্নেহা
ছবি সংগৃহীত

|| আজ আমি সফল বাবা ||প্রিয় বাবান,       তোকে নিয়ে আমার গর্ব হয়,গর্বে বুকটা ফুলে ওঠে। তোর মা সত্যি রত্ন গর্ভা। শেষ বয়...
14/07/2025

|| আজ আমি সফল বাবা ||

প্রিয় বাবান,
তোকে নিয়ে আমার গর্ব হয়,গর্বে বুকটা ফুলে ওঠে। তোর মা সত্যি রত্ন গর্ভা। শেষ বয়সে এসে তোর থেকে পাওয়া এই মস্ত স্বপ্নের বাড়িটা আমার জীবনে পাওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার। আশীর্বাদ করি আরো সুপ্রতিষ্ঠিত হ...

যে সকালে তুই তোর মায়ের কোল আলো করে এসেছিলি, চোখে সুখের কান্না, মুখে আদর মাখা হাসি ফুটিয়েছিলি। কপালে এঁকে নিয়েছিলি স্নেহের চুমু। সেই দিন বিকালে অন্ধকার করেছিলি আমার বুকটা। তোর মায়ের মুখাগ্নি শেষে ফিরে সজোরে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিলাম তোকে। তখন তুই ছাড়া আমার আর কোনো ও পথ চেনা ছিল না। তোকে দিয়ে শুরু করেছিলাম আমার নতুন জীবনের পথ চলা। জানিস তো বাবান আমি বাচ্চা কোলে নিতে ভয় পেতাম। ভাবতাম যদি হাত ফসকে পড়ে যায়। তবে তোকে কোলে নিতে আমার একটুও ভয় করেনি। তুই ছিলি আমার শিকড়। আমাকে হোঁচট খাওয়া থেকে রক্ষা করেছিলি। তোর যখন এগারো মাস বয়স তোকে শূন্যে ছুঁড়ে দিয়ে আবার লুফে নিয়েছিলাম। দেখেছিলাম তোর প্রাণ খোলা নির্ভয় হাসি। আসলে আমি সেদিন আমার স্বপ্নকে আকাশে উড়িয়েছিলাম,যাতে ডানা মেলে সে
উড়তে পারে।
এখন মনে পড়ে তোর প্রথম স্কুল যাওয়ার দিন। আমাকে দেখতে না পেয়ে কেঁদে ভাসিয়ে ক্লাস না করে বাড়ি চলে আসা, আবার কিছুক্ষণ পর খেলনা ট্রয়ট্রেন'টাকে নিয়ে খেলতে খেলতে অট্ট'হাসিতে হাসা। মনে পড়ে স্কুল স্পোর্টসে প্রথম হয়ে মেডেল জেতা,মাধ্যমিকে স্কুলের মধ্যে ফার্স্ট হওয়া।
স্কুলের প্রথম দিন যেমন তুই আমায় দেখতে না পেয়ে কেঁদেছিলি,সেরকম আমিও কেঁদেছিলাম যেদিন তুই ডাক্তারি পড়ার জন্য বাড়ি থেকে হোস্টেলে চলে গেলি। বড্ড একা হয়ে পড়েছিলাম। আর খুব আনন্দ পেয়েছিলাম যেদিন বাড়ি ফিরে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলি- মিস্টার সেন আপনার হার্ট স্পেশালিস্ট ছেলে তার বাবার হার্ট থেকে শুধু বাবান বাবান নামটাই শুনতে পাচ্ছে।
তারপর কেটে যায় বহুদিন। তুই বিয়ে করলি,দুই বছর পর থেকে আমি নাতনী কে নিয়েই ব্যস্ত থাকি। তুই ব্যস্ত হয়ে পড়লি হাসপাতাল আর তোর রোগীদের নিয়ে। দিনশেষে ঠিকমতো দেখতেও পেতাম না তোকে।

একমাস আগেই আমার প্রায় শেষ জীবনে এসেছে যে মস্ত বাড়িটা আমায় তুই উপহার দিয়েছিস,এটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার। এই বাড়ির কাজের দিদি গুলো ভালই শুধু আমাদের উপর একটু বেশি খিটখিট করে। এই আর কি... আর ওই সকাল সন্ধ্যা চা টুকু নিজেদের করে নিতে হয়। তাছাড়া ভালোই আছি। মন খারাপ হয় যখন আ...আ..আমার সাথে থাকা আরও বৃদ্ধ মানুষগুলোর স..সন্তানেরা তাদের বাবা মাকে দেখতে আসে। তখন তোর কথা খুব মনে পড়ে। চাপা নিঃ...নিশ্বাসে বুকটা ফুলে উঠতেই হার্টে একটু ব্যথা অনুভব হয়। ও নিয়ে তুই ভাবিস না। আসলে তোকে নিয়ে গর্বে আমার বুকটা ফুলে উঠে।

তুই তো...তুই তো হার্ট স্পেশালিস্ট। মানুষের হৃদয়ের ডাক্তার। পারলে মানুষের হৃদয়ের উপরের দিকটা না দেখে হৃ..হৃদয়ের ভিতরের কথাগুলো বোঝার চেষ্টা করিস।

তুই ভাগ্য করে একটা কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছিস।
আশা রাখি শেষ বয়সটা তোকে আমার মত এই মস্ত বড়ো বৃদ্ধাশ্রমে কাটাতে হবে না।
ইতি
বাবানের সফল বাবা

কলমে - #অলিগলি_শান্তনু

— কি রে বায়নাবিলাসী!— আমরা বড়ো হয়ে গেলাম বল! সেই একসাথে ক্লাস ওয়ান থেকে আজ গ্র্যাজুয়েশনের গন্ডি অবধি একসাথে। কতো হা...
06/07/2025

— কি রে বায়নাবিলাসী!
— আমরা বড়ো হয়ে গেলাম বল! সেই একসাথে ক্লাস ওয়ান থেকে আজ গ্র্যাজুয়েশনের গন্ডি অবধি একসাথে। কতো হাসি মজা রাগ দুঃখ আনন্দ সবটা।
— সত্যি রে, এই সময়টাকে বড্ডো মিস করবো জানিস তো, ইস্ যদি একজায়গায় ইন্টার্নশিপটা পেতাম।
— যা হয় ভালোর জন্যই হয় জানবি। হয়তো মাঝে মাঝে এমন দূরত্ব দরকার হয় নাহলে…
— তোর কি হয়েছে বল তো! এমন ভাবুকের মতো কথা বলছিস। সব ঠিক আছে?
— না রে কোনো কিছুই ভুল নেই, সব ঠিক আছে। খালি সময় থাকতে জানিস তো দাঁতের মূল্য বুঝি না আমরা সত্যিই।
— বাব্বা কতো জ্ঞান, আচ্ছা ধর আমি যদি বলি আমি বুঝি। তাহলে কি করবি!
— ঘণ্টার মাথা বুঝিস, তাহলে অন্তত এতদিনের বন্ধু হিসেবেও বলতিস যে আমাকে মিস করবি।
— মাত্র এইটুকু! আমি তো ভাবলাম তোকে "ভালোবাসি" এইটাই বলে দেবো। আর তুই মাত্র এইটুকু এক্সপেক্ট করলি এবাবা…
— হ্যাঁ কি! কি বলছিস তুই! তুই সত্যি আমাকে!
— "পাগলী, তোমার সঙ্গে ভয়াবহ জীবন কাটাব
পাগলী, তোমার সঙ্গে ধুলোবালি কাটাব জীবন
এর চোখে ধাঁধা করব, ওর জল করে দেব কাদা
পাগলী, তোমার সঙ্গে ঢেউ খেলতে যাব দু’কদম।
অশান্তি চরমে তুলব, কাকচিল বসবে না বাড়িতে
তুমি ছুঁড়বে থালা বাটি, আমি ভাঙব কাঁচের বাসন
পাগলী, তোমার সঙ্গে বঙ্গভঙ্গ জীবন কাটাব
পাগলী, তোমার সঙ্গে ৪২ কাটাব জীবন।"
এই বোকা মেয়ে কাঁদছিস কেন!
— আমাকে ছেড়ে চলে যাবিনা তো কখনও!
— "স্বপ্ন এবার হয়ে যাবে বেলা সত্যি–এতদিন ধরে এত অপেক্ষা–রাস্তার কত সস্তা হোটেলে–বদ্ধ কেবিনে বন্দী দুজনে–রুদ্ধশ্বাস কত প্রতীক্ষা–আর কিছুদিন তারপর বেলা মুক্তি–কসবার এই নীল দেয়ালের ঘর–সাদাকাল এই জঞ্জালে ভরা মিথ্যে কথার শহরে–তোমার আমার লাল-নীল সংসার"...
— ভালোবাসি…
— আমিও…

কলমে— #অলিগলি_স্নেহা
ছবি সংগৃহীত

"যে পাখিটা আজ জন্মেছিল " ধীরে ধীরে উড়তে শিখে খড়কুটো এনে জমাতে শুরু করে আমার যত্ন করে সাজানো চির সবুজ শাখা প্রশাখার মধ্...
02/06/2025

"যে পাখিটা আজ জন্মেছিল "

ধীরে ধীরে উড়তে শিখে খড়কুটো এনে জমাতে শুরু করে আমার যত্ন করে সাজানো চির সবুজ শাখা প্রশাখার মধ্যে ডালে। পাখিটি বাসা বাঁধে, যাতায়াত শুরু করে। বন্ধুত্ব করে গাছটির সাথে। প্রাতঃসন্ধ্যায় বেরিয়ে শরতের রোদ ঝলমলে আকাশের মেঘের সাথে লুকোচুরি খেলার গল্প শোনায়। শীতের কুয়াশা ভরা দিনে উষ্ণতা দিয়ে মুড়িয়ে দেয় ডালপালাগুলোকে। বসন্তের সায়ং সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে প্রেমের সুর শোনায় তার কন্ঠে।

গাছটা পাখিটাকে শুধুমাত্র একটা আশ্রয় স্থল'ই দিয়েছে,যাতে সে দিন শেষে তার কাছে ফিরে আসে।

হঠাৎ'ই এক সন্ধ্যায় পাখিটা আর আইলো না। আচমকাই ঝড় আইসা তছনছ করিয়া দিল প্রতিটি ডালপালা'কে। বাসাটা গড়িয়ে পড়িল গাছটির গোড়ায়। আশপাশের গাছগুলোর কোন পাতা পর্যন্ত নড়িল'না। কেহ জানিল না কোন ঝড়ে দুমরাইয়া মুচরাইয়া গেল আমার যত্ন করে সাজানো গাছ'খানা। আমিও জানিলাম না কেন নুইয়ে পড়িল আমার শখের গাছ'খানার প্রতিটা ডাল। পাখিটা এখনো আমার গাছের উপর দিয়া উড়িয়া চলিয়া যায়। ফিরিয়াও তাকায় না গাছটির দিকে। উড়িয়া যায় অন্য কোথাও বাঁধা বাসায়। আমার গাছটা পড়ে যাওয়া ওই পাখিটার বাসা খান লইয়া দাঁড়াইয়া আছে।

যে পাখিটা আজ প্রথম প্রকৃতির আলো দেখিয়াছিল।

কলমে - #অলিগলি_শান্তনু
ছবি সংগৃহীত

ক্যালিগ্রাফিতে -  #অলিগলি_ভূমিকা ❤️
01/06/2025

ক্যালিগ্রাফিতে - #অলিগলি_ভূমিকা ❤️

বাইরে তুমুল ঝড় বৃষ্টি সাথে দমকা হাওয়া শরীরটা মাঝে মধ্যে শিরশির করে উঠছে, হঠাৎ সেইসময় একজন ছাতাটা এগিয়ে দিয়ে বলল, বৃষ্টিত...
13/05/2025

বাইরে তুমুল ঝড় বৃষ্টি সাথে দমকা হাওয়া শরীরটা মাঝে মধ্যে শিরশির করে উঠছে, হঠাৎ সেইসময় একজন ছাতাটা এগিয়ে দিয়ে বলল, বৃষ্টিতে ভিজো না ঠান্ডা লেগে যাবে। আমি তাকাতেই দেখি কেউ নেই তো সেখানে চারিদিক শুধু ঘুটঘুটে অন্ধকার... ওহ্ আমি ভুলেই গেছি, আমি তো এখন কফিনে বন্দী। আমার আর বৃষ্টিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগবে না।।

কলমে - #অলিগলি_স্নেহা_দাস
ছবি সংগৃহীত

শনিবারের বিকেল। অক্ষরালয় এখন মুখরিত। অক্ষরালয় কী জানতে চাইছেন? সুন্দর সবুজে ঘেরা এক পাড়ার মানুষদের বই পড়ার বিশ্বস্ত ...
12/05/2025

শনিবারের বিকেল। অক্ষরালয় এখন মুখরিত। অক্ষরালয় কী জানতে চাইছেন? সুন্দর সবুজে ঘেরা এক পাড়ার মানুষদের বই পড়ার বিশ্বস্ত লাইব্রেরি। এখানে বুড়ো বাচ্চা সবাই আসেন বই পড়তে। তেমনই এসেছে দুই তরুণ তরুণী - রুদ্র এবং মেহুল। পাড়ার দাদু দিদাদের কাছে তারা বইপোকা দম্পতি এবং বর্তমান প্রজন্মের কাছে বুকওয়ার্ম কাপল। এই শনিবারের বিকেল ওদের একদম নির্দিষ্ট। সারা সপ্তাহ কাজে ব্যস্ত থাকার পর এই একটা ওরা দেখা করার সময় পায়। তাই দেখা করতে চলে আসে গ্রন্থাগারে। চারিদিকে বইয়ের পাহাড়, দুজনের সামনে দু কাপ কফি আর কোনো একটা বই। একটা বই নিয়ে দুজনের মাঝে চলে আলোচনা আর সঙ্গে প্রেম বিনিময়। এই বইয়ের মাঝেই দুজন দুজনকে পেয়েছিল প্রায় বছর তিনেক আগে।
তেমনই আজকেও —

মেহুল : কি ব্যাপার রুদ্র? আজকে কোন বই তুললে তুমি?

রুদ্র : দেখে কি মনে হচ্ছে ?

মেহুল : ব্যোমকেশ!

রুদ্র : হুঁ।

মেহুল : তুমি নিজেকে কি ব্যোমকেশ বক্সী মনে করো?

রুদ্র : কেন? তোর মনে হয় না? আমি সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সী। কেন? তোর আমাকে বুদ্ধিমান বলে মনে হয় না?

মেহুল : না। বরং তুমি সবজান্তা।
( বলেই হো হো করে হেসে ওঠে সে। রুদ্র ওর মুখটা চেপে ধরে। লাইব্রেরির বাকিরা ওর দিকে চোখ বড় বড় করে তাকায়। ইতস্তত মেহুল সুকুমার রায়ের হিজিবিজবিজ বইটা টেনে বের করে নিয়ে এসে পড়তে শুরু করে। )

রুদ্র : তুই কি জানিস শেক্সপিয়রের মতে সমস্ত প্রেমিক সর্বদা সঠিক!

মেহুল: লোকটা নিজে প্রেমিক ছিলো বলে একটু বাড়িয়ে বলেছেন। এর বেশি আর কিছুই নয়। প্রেমিকরা ভুল হয় সবসময়। বুঝলেন সবজান্তা।

এই মেয়েটা সব কথাই বাঁকা বাঁকা করে সরিয়ে নিয়ে যায় অন্যদিকে। কিছুতেই রুদ্রের কথাই সহমত পোষণ করে না সে। তবে মেহুলকে হাসতে দেখে এবারে হেসে ফেলে রুদ্র। আর পেছনের বইগুলো যেন সাক্ষী হয়ে থাকল তাদের গল্পের—যেখানে প্রেম জন্ম নেয় পাতার পর পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে।

কলমে - #অলিগলি_ঐশ্বর্য
ছবি সংগৃহীত

"ভালোবাসা" শব্দটি খুব তাড়াতড়ি উচ্চরণ করা গেলেও, নিঃস্বার্থভাবে পালন করাটা ততটাই কঠিন। কোথাও আছে ভালোবাসা পাথরেও প্রাণ দি...
30/04/2025

"ভালোবাসা" শব্দটি খুব তাড়াতড়ি উচ্চরণ করা গেলেও, নিঃস্বার্থভাবে পালন করাটা ততটাই কঠিন। কোথাও আছে ভালোবাসা পাথরেও প্রাণ দিতে পারে...
কিন্তু অবহেলার পাত্র আসলেই তারা, যারা নিঃস্বার্থে ভালোবেসে যেতে পারে সে যে সম্পর্কই হোক না কেন, স্নেহ দিয়ে ভরিয়ে রাখে দিনের শেষে তারাই হয়তো বড্ডো একা।
একাকিত্বের কালো ছায়া হয়তো তাদেরই গিলে খায়। যেই মানুষগুলোকে তারা একটা সময়ে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে গণ্য করেছিল, তারাই অনায়াসে দরকার মিটিয়ে হাত ছেড়ে অবলীলাক্রমে চলে যায়। তারপর সেই মানুষ গুলো কেবল বেঁচে থাকে সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে।
এই কলকাতার বুকে এমন কত সম্পর্ক শুধুই মাত্র ইগোর প্রবল স্রোতে ভেসে গেলো তার হিসেব নেই। আরো হাজার সম্পর্ক ভাঙবে গড়বে এখানে, তবে কুর্নিশ জানাই সেই ভালোবাসার মানুষগুলোকে যারা আজও এই হৃদয়হীন পৃথিবীতে ভালোবাসা বিতরণ করছে।

কলমে - #অলিগলি_কালান্তর
ছবি সংগৃহীত

প্রতিদিনই তো তোমায় মনে পড়ে। তবে আজ এই শান্ত বৃষ্টি ভেজা দিনে শুকিয়ে যাওয়া তোমার স্মৃতির নদী কেন উত্তাল হয়ে বইছে আমা...
29/04/2025

প্রতিদিনই তো তোমায় মনে পড়ে। তবে আজ এই শান্ত বৃষ্টি ভেজা দিনে শুকিয়ে যাওয়া তোমার স্মৃতির নদী কেন উত্তাল হয়ে বইছে আমার মনে? চ্যাটিং- এ কথা বলা,রাস্তার অপর প্রান্ত থেকে দেখা ছাড়া আর তো কোনো অধিকার ছিল না। তবে আজ কেন সীমাবদ্ধতা কাটাতে মন ব্যাকুল হয়ে উঠেছে? কেন তোমার হাতটা শক্ত করে ধরতে মন চাইছে? কেন পাশাপাশি হাঁটতে মন চাইছে? কেন বৈশাখীর উত্তাল ঝড় শেষের শান্ত পরিবেশে তোমার প্রাণ খোলা নাচ দেখতে মন চাইছে? কেন তোমায় বৃষ্টিস্নাত দেখতে মন চাইছে?

অনেক দিন পর আজ ছাদ বাগানে গিয়েছিলাম। ঝড়ে দুমড়ে মুচড়ে গেছে আমার গাছের প্রতিটা ডাল-পালা।
বৃষ্টিতে ভিজে চোখ দুটো পুরো লাল হয়ে গেছে। গাল বেয়ে পড়ছে সাগরের নোনা জল। বৃষ্টি ভেজা দিনেও আমার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে। কানে তীব্র ভাবে ভেসে আসছে তোমার নূপুরের আওয়াজ।সজোরে বিদ্যুৎ চমকানোর মতো বাড়ি মারছে আমার বুকের বাম পাশ'টায়।

আচ্ছা তোমার আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়? নাকি বারো মাস বসন্ত?
সত্যি ভালো আছো তো তুমি?


কলমে - #অলিগলি_শান্তনু
ছবি সংগৃহীত

Address

Kolkata
700103

Telephone

+919088855846

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kolikatar oligoli - কলিকাতার অলিগলি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kolikatar oligoli - কলিকাতার অলিগলি:

Share