পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, Social Media Agency, Paschimbanga Bangla Academy 1/1, Acharya Jagdish Chandra Bose Rd, Maidan,, KOLKATA.
(1)

31/01/2026

ভালোবাসা ও ভালবাসা কোনটি অধিকতর যুক্তিযুক্ত?
যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. অর্থগত পার্থক্য
আগেকার দিনে ও-কার ছাড়াও লেখা হতো, কিন্তু তাতে অর্থের বিভ্রান্তি ঘটার সম্ভাবনা থাকে:
ভাল: এর একটি অর্থ হতে পারে 'কপাল' (সংস্কৃত শব্দ 'ভাল' অর্থ ললাট বা কপাল)।
ভালো: এর অর্থ 'উত্তম', 'সুস্থ' বা 'সুন্দর' (Good)।
যেহেতু ভালোবাসা শব্দটি 'ভালো' (উত্তম অনুভূতি) থেকে এসেছে, তাই 'ভালোবাসা' লেখাই অর্থবহ।
২. আধুনিক বানান রীতি (বাংলা আকাদেমি)
বাংলা আকাদেমি আধুনিক প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে, বিশেষণ বা ক্রিয়াপদের শেষে উচ্চারণের স্পষ্টতা বজায় রাখতে 'ও-কার' ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। যেমন— কালো, ভালো, ছোটো। সেই অনুযায়ী 'ভালবাসা'র বদলে 'ভালোবাসা' লেখাটিই এখন স্ট্যান্ডার্ড।
৩. উচ্চারণের স্পষ্টতা
আমরা যখন শব্দটি উচ্চারণ করি, তখন 'ভল-বাসা' বলি না, বরং 'ভালো-বাসা' বলি। এই উচ্চারণের সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই ও-কার ব্যবহার করা হয়।
একনজরে তুলনা
| ভুল/অস্পষ্ট | সঠিক/আধুনিক |

| সে আমাকে খুব ভালবাসে। | সে আমাকে খুব ভালোবাসে। |

| দেশের প্রতি ভালবাসা। | দেশের প্রতি ভালোবাসা। |

সহজ কথা: আপনি যদি আধুনিক এবং প্রমিত রীতি অনুসরণ করতে চান, তবে সবসময় 'ভালোবাসা' লিখবেন। এটি দেখতেও সুন্দর এবং ব্যাকরণগতভাবেও এখন এটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।

31/01/2026

ছিলো নাকি ছিল কোনটি সঠিক?
কেন 'ছিল' সঠিক?
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি এবং আধুনিক বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে অকারণ ও-কার ব্যবহার বর্জন করা হয়েছে।
অ-কারান্ত শব্দের নিয়ম: বাংলা ক্রিয়াপদের শেষে যদি উচ্চারণ ও-কারান্ত হয়, তবুও বানানে ও-কার দেওয়ার প্রয়োজন নেই (যদি না সেখানে অর্থ বিভ্রাটের সম্ভাবনা থাকে)।
উদাহরণ: করব, বলব, চলল, করল, ছিল।
ও-কার কখন ব্যবহৃত হয়?
সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি এড়াতে ও-কার ব্যবহার করা হয়:
অনুজ্ঞা অর্থে: 'কর' (কাজ করা) বনাম 'করো' (অনুরোধ/আদেশ)।
বিশেষ্য/বিশেষণ থেকে আলাদা করতে: 'কাল' (সময়) বনাম 'কালো' (রঙ)।
কিন্তু 'ছিল' শব্দের ক্ষেত্রে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই, তাই শেষে বাড়তি 'ো' যোগ করার দরকার নেই।
সারকথা: আপনি যদি প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রমিত বাংলায় লিখতে চান, তবে 'ছিল' ব্যবহার করাই শুদ্ধ।

31/01/2026

বাংলা ভাষায় 'পরা/পরি' এবং 'পড়া/পড়ি' শব্দগুলোর উচ্চারণ প্রায় এক হলেও এদের অর্থ এবং ব্যবহারের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। একটি হলো পরিধান করা, আর অন্যটি হলো পাঠ করা বা নিচে পড়ে যাওয়া।
নিচে এদের পার্থক্য ও সঠিক ব্যবহারের নিয়ম দেওয়া হলো:
১. পরা ও পরি (র-দিয়ে)
এই শব্দগুলো মূলত পরিধান করা বা গায়ে দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়।
পরা: এটি মূল ক্রিয়াপদ। (যেমন: জামা পরা, জুতো পরা)।
পরি: যখন আমি নিজে কিছু পরিধান করি।
উদাহরণ:
আমি লাল রঙের পাঞ্জাবি পরি।
সে সবসময় চশমা পরে (পরা থেকে পরে)।
নতুন পোশাক পরা সবারই ভালো লাগে।
২. পড়া ও পড়ি (ড়-দিয়ে)
এই শব্দটির দুটি প্রধান অর্থ আছে: পাঠ করা (অধ্যয়ন) এবং নিচে পতিত হওয়া।
পড়া: বই পড়া, খবরের কাগজ পড়া। অথবা, উপর থেকে নিচে পড়া।
পড়ি: আমি যখন পাঠ করি বা আমি যখন পড়ে যাই।
উদাহরণ:
আমি প্রতিদিন রাতে বই পড়ি।
বেশি দৌড়ালে তুমি নিচে পড়ে যাবে।
মন দিয়ে পড়া উচিত।
একনজরে পার্থক্য
শব্দ — মূল অর্থ — উদাহরণ

পরা/পরি —গায়ে দেওয়া (Wear) — আমি শাড়ি পরি।
পড়া/পড়ি — পাঠ করা (Read) — আমি গল্প পড়ি। | পড়া/পড়ি — উপর থেকে নিচে (Fall) — গাছ থেকে ফল পড়ে। |

মনে রাখার সহজ কৌশল
বিন্দু (ড়) থাকলে পড়াশোনা: 'পড়াশোনা' বা 'পড়ে যাওয়া'—এই দুটি শব্দেই মাটির সাথে বা বইয়ের সাথে সম্পর্ক আছে, তাই নিচে একটি বিন্দু (ড়) থাকবে।
বিন্দু না থাকলে (র) পরিধান: জামা-কাপড় আমরা শরীরের ওপর রাখি, তাই এখানে শুধু 'র' (পরা/পরি)।
একটি মজার বাক্য দিয়ে প্র্যাকটিস:
"আমি নীল শার্ট পরে (পরিধান করে) বই পড়তে (পাঠ করতে) বসলাম, হঠাৎ টেবিল থেকে কলমটা নিচে পড়ে (পতিত হওয়া) গেল।"

31/01/2026

বাংলা বানানের আধুনিক নিয়ম অনুযায়ী 'কাটলো' এবং 'কাটল'—উভয়ই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। তবে বর্তমান সময়ে ব্যবহারের ধরন এবং স্পষ্টতার খাতিরে 'কাটলো' (ও-কারসহ) ব্যবহার করা বেশি জনপ্রিয় ও যুক্তিযুক্ত।
নিচে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. কেন 'কাটলো' লিখবেন?
আধুনিক প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিয়াপদের শেষে উচ্চারণের বিভ্রান্তি দূর করতে 'ও'-কার দেওয়ার রীতি প্রচলিত হয়েছে।
স্পষ্টতা: 'কাটল' লিখলে অনেক সময় মনে হতে পারে এটি কোনো ছোট শব্দ বা অপূর্ণ শব্দ। কিন্তু 'কাটলো' লিখলে ক্রিয়াটি যে সম্পন্ন হয়েছে, তা পরিষ্কার বোঝা যায়।
উদাহরণ: সময়টা খুব ভালো কাটলো। / মেঘ কাটলো, রোদ উঠলো।
২. কেন 'কাটল' লেখা হয়?
আগেকার চলিত ভাষায় বা সংবাদপত্রগুলোতে জায়গা বাঁচাতে এবং প্রচলিত রীতি অনুসারে ও-কার ছাড়াই ক্রিয়াপদ লেখা হতো। এখনো অনেক সাহিত্যিক বা পত্রিকা ও-কার ছাড়া 'কাটল' লেখেন। এটি ভুল নয়, তবে কিছুটা পুরনো স্টাইল।
উদাহরণ: বৃষ্টিতে রাস্তা কাটল।
'ও'-কার ব্যবহারের আধুনিক প্রেক্ষাপট
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি এবং আধুনিক ভাষাবিদদের মতে, বিশেষ্য এবং ক্রিয়াপদকে আলাদা করার জন্য ও-কার ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। যেমন:
কাল (সময় / Black) বনাম কালো (রঙ)
ভাল (কপাল) বনাম ভালো (উত্তম)
ঠিক তেমনি, কাটল-এর চেয়ে কাটলো বললে উচ্চারণ এবং অর্থ আরও সুনির্দিষ্ট হয়।
একনজরে সিদ্ধান্ত:
আপনি যদি —তাহলে লিখুন
সাধারণ ও আধুনিক লিখতে চান— কাটলো
খুবই রক্ষণশীল বা সংবাদপত্রের স্টাইল চান — কাটল
সহজ পরামর্শ: সমসাময়িক লেখালেখিতে 'কাটলো' (ও-কারসহ) লেখাই সবচেয়ে নিরাপদ এবং শ্রুতিমধুর।

31/01/2026

'হল' এবং 'হলো'— পার্থক্য নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:
১. হলো (ক্রিয়াপদ হিসেবে)
বর্তমানে চলিত ভাষায় কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বা ঘটা বোঝাতে পদের শেষে 'ও'-কার যুক্ত করে 'হলো' লেখা বেশি যুক্তিযুক্ত এবং প্রচলিত। এটি বাক্যের সমাপ্তি বা অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যবহার: কাজটি শেষ হলো।
উদাহরণ: অনেক দেরি হয়ে হলো। / পরীক্ষা শেষ হলো।
২. হল (নির্দেশক বা বিশেষ্য হিসেবে)
বানান হিসেবে 'হল' শব্দটির একাধিক অর্থ হতে পারে, যা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে:
মিলনায়তন বা হলঘর: ছাত্ররা হল-এ আছে। (Hall)
লাঙল: কৃষকের হল নেই। (সংস্কৃত 'হল' মানে লাঙল)
ক্রিয়াপদ (পুরানো রীতি): আগে চলিত ভাষায় 'হলো'র বদলে 'হল' লেখা হতো। এখনো অনেকে সংক্ষেপে 'হল' লেখেন, তবে 'হলো' লেখাটিই এখন বেশি স্পষ্ট।
আধুনিক প্রমিত বাংলার নিয়ম (বাংলা আকাদেমি)
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আধুনিক নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিয়াপদের শেষে উচ্চারণের স্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য 'ও'-কার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে 'হল' (মিলনায়তন/ঘর) এবং 'হলো' (ঘটেছে এমন কিছু)—এই দুটির মধ্যে কোনো বিভ্রান্তি থাকে না।

ভুল/অস্পষ্ট — সঠিক/স্পষ্ট — কারণ |

কাজ শেষ হল। —কাজ শেষ হলো।— ক্রিয়াপদ হিসেবে 'ও' কার স্পষ্টতা দেয়।
ছাত্ররা হলে আছে।— ছাত্ররা হল-এ আছে। —এখানে
'হল' মানে মিলনায়তন। |

সংক্ষেপে মনে রাখার উপায়:
যদি বোঝাতে চান কোনো কিছু 'ঘটেছে' বা 'হয়েছে', তবে লিখুন: হলো।
যদি কোনো 'বড় ঘর' বা 'মিলনায়তন' বোঝাতে চান, তবে লিখুন: হল।

31/01/2026

'কি' বনাম 'কী': পার্থক্য ও ব্যবহারের নিয়ম
সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো—উত্তরের ধরন দেখে বানান নির্বাচন করা।
১. ‘কি’ (হ্রস্ব-ই কার)
যখন কোনো প্রশ্নের উত্তর কেবল ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ দিয়ে দেওয়া সম্ভব, তখন হ্রস্ব-ই কার বা ‘কি’ ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত অব্যয় পদ।
উদাহরণ: তুমি কি ভাত খেয়েছ?
উত্তর: হ্যাঁ অথবা না।
অন্যান্য ব্যবহার: সন্দেহ, বিরক্তি বা বিকল্প বোঝাতেও ‘কি’ ব্যবহৃত হয়। যেমন: সে আসবে কি আসবে না, তা আমি জানি না।
২. ‘কী’ (দীর্ঘ-ঈ কার)
যখন কোনো প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে দেওয়া যায় না, বরং উত্তরের জন্য বিস্তারিত তথ্য বা কোনো নাম (বিশেষ্য/সর্বনাম) প্রয়োজন হয়, তখন দীর্ঘ-ঈ কার বা ‘কী’ ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত সর্বনাম বা বিশেষণ পদ।
উদাহরণ: তুমি আজ দুপুরে কী খাবে?
উত্তর: ভাত, বিরিয়ানি বা অন্য কোনো খাবারের নাম।
বিস্ময় প্রকাশে: হর্ষ, বিষাদ বা গভীর আবেগ প্রকাশ করতে ‘কী’ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: কী চমৎকার একটি দিন! / তোমার কী সাহস!
একনজরে মূল পার্থক্য
বিষয় —কি (হ্রস্ব-ই কার) — কী (দীর্ঘ-ঈ কার)

উত্তরের ধরন : কেবল 'হ্যাঁ' বা 'না'— বিস্তারিত বর্ণনা বা নাম

পদের ধরন — অব্যয় (Interrogative Particle) —সর্বনাম বা বিশেষণ (Pronoun/Adjective)

বিস্ময় সূচক চিহ্ন — ব্যবহৃত হয় না — ব্যবহৃত হয় (যেমন: কী সুন্দর!)
রূপভেদ — নাকি, কি-না, বৈকি — কীসের, কীভাবে, কী করে।

উদাহরণ দিয়ে তুলনা
১. তুমি কি পড়বে? (প্রশ্নকর্তা জানতে চাচ্ছেন আপনি এখন পড়তে বসবেন কি না।)
২. তুমি কী পড়বে? (প্রশ্নকর্তা জানতে চাচ্ছেন আপনি কোন বিষয়টি বা কোন বইটি পড়বেন।)
মনে রাখুন: যদি মাথা নেড়ে বা এক কথায় (হ্যাঁ/না) উত্তর দেওয়া যায় তবে সেটি 'কি', আর যদি মুখ ফুটে কিছু বলতে হয় তবে সেটি 'কী'।

31/01/2026

ইংরেজিতে স্মার্ট বাংলায় কী?
ইংরেজি স্মার্ট (smart) শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ কী হতে পারে? ইংরেজিতে এমন অনেক শব্দ আছে যার অবিকল প্রতিশব্দ বাংলায় নেই। আবার বাংলাতেও এমন অনেক শব্দ আছে যার অবিকল প্রতিশব্দ ইংরেজিতে পাওয়া যায় না। আমাদের বাংলায় এমন দুটি শব্দ আছে যা প্রাসঙ্গিক অর্থ ও দ্যোতনা বিবেচনায় ইংরেজি ‘smart’ শব্দের চেয়ে অনেক ব্যাপক, অর্থময় ও কার্যকর। সে দুটি বাংলা শব্দ হলো: (১) তুখোড় ও (২) চৌকশ (চৌকস নয়)।

সুতরাং ইংরেজি ‘smart' শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ: তুখোড়, চৌকশ।

30/01/2026

লক্ষ বনাম লক্ষ্য: পার্থক্য ও সঠিক প্রয়োগ
বাংলা ভাষায় 'লক্ষ' এবং 'লক্ষ্য' শব্দদুটির উচ্চারণ এক হলেও এদের অর্থ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা। প্রায়ই আমরা এই শব্দ দুটির ব্যবহারে ভুল করে ফেলি। নিচে এদের পার্থক্য ও সঠিক নিয়মগুলো আলোচনা করা হলো:
১. কখন ‘লক্ষ’ (য-ফলা ছাড়া) বসবে?
‘লক্ষ’ শব্দটি সাধারণত দুটি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
সংখ্যা প্রকাশে (বিশেষণ): গণনার ক্ষেত্রে বা সংখ্যা বোঝাতে ‘লক্ষ’ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: তিনি দশ লক্ষ টাকা দান করেছেন।
খেয়াল করা বা দেখা অর্থে (ক্রিয়া): কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ করা বা নজরে আনা বোঝাতে ‘লক্ষ’ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: বিষয়টি একটু লক্ষ করে দেখুন। শিশুটির প্রতি লক্ষ রেখো।
২. কখন ‘লক্ষ্য’ (য-ফলা সহ) বসবে?
‘লক্ষ্য’ শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মূল অর্থ হলো উদ্দেশ্য, গন্তব্য বা নিশানা।
উদ্দেশ্য বা গন্তব্য: জীবনের উদ্দেশ্য বা কোনো কাজের লক্ষ্য বোঝাতে।
উদাহরণ: আমার লক্ষ্য একজন সৎ মানুষ হওয়া।
নিশানা: তীরের লক্ষ্য বা শিকারের লক্ষ্য বোঝাতে।
উদাহরণ: ব্যাধের লক্ষ্য ভ্রষ্ট হলো।
একনজরে প্রয়োগগত পার্থক্য
শব্দ — পদের ধরন — সাধারণ অর্থ — উদাহরণ
লক্ষ —সংখ্যাবাচক — ক্রিয়া —একশ হাজার/ খেয়াল করা।
আমার কাছে লক্ষ টাকা নেই। বিষয়টি লক্ষ করুন। |

লক্ষ্য — বিশেষ্য — উদ্দেশ্য / গন্তব্য / নিশানা
নেতার লক্ষ্য জাতির উন্নয়ন।
চমৎকার কিছু উদাহরণ:-
"আমার লক্ষ্য ছেলেটির প্রতি লক্ষ রেখে তাকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া।"
"লক্ষ করে দেখলাম এখান থেকে লক্ষ্য ভেদ করা সম্ভব হবে না।"
"যে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ লক্ষ্যহীন, সে দেশে লক্ষ লক্ষ প্রকল্প নিলেও লক্ষ্য অর্জন করা লক্ষ বছরেও সম্ভব নয়।"
মনে রাখা জরুরি: বিশেষ্য ও বিশেষণে 'লক্ষ'ই আদি বানান হলেও আধুনিক নিয়মে উদ্দেশ্য বোঝাতে 'য-ফলা' (লক্ষ্য) বাধ্যতামূলক। তবে দেখার ক্ষেত্রে 'লক্ষণীয়' এবং দেখার বস্তু হিসেবে 'লক্ষ' ব্যবহার করা হয়।

29/01/2026

'ফুলের শুভেচ্ছা বনাম ফুলেল শুভেচ্ছা: কোনটি সঠিক?
বাংলা ভাষায় ‘ফুল’ এবং ‘ফুলেল’ শব্দ দুটির প্রয়োগ অনেক সময় আমরা গুলিয়ে ফেলি। কিন্তু এদের অর্থ ও ব্যবহারের ধরনে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য।
১. ‘ফুল’ ও ‘ফুলের’ ব্যবহার
সংস্কৃত শব্দ ‘ফুল্ল’ থেকে আসা তদ্ভব শব্দ হলো ‘ফুল’ (যার সমার্থক কুসুম বা পুষ্প)। যখন আমরা বলি 'ফুলের', তখন এর অর্থ দাঁড়ায়—পুষ্প দিয়ে তৈরি বা পুষ্পের নিজস্ব কোনো গুণ।
উদাহরণ: ফুলের বাগান, ফুলের মালা, ফুলের ঘ্রাণ।
২. ‘ফুলেল’ শব্দের প্রয়োগ
হিন্দি থেকে আসা ‘ফুলেল’ একটি বিশেষণ পদ। এর অর্থ হলো—পুষ্পময়, সুবাসিত বা ফুলের মতো মোহনীয়। যখন কোনো সম্মাননা বা অভিবাদন ফুলের মাধ্যমে জানানো হয়, তখন তাকে ‘ফুলেল’ বলা হয়।
৩. পার্থক্য ও যৌক্তিকতা
আমরা প্রায়ই বলি, “সবাইকে ফুলের শুভেচ্ছা।” ব্যাকরণগতভাবে চিন্তা করলে এটি কিছুটা অসংলগ্ন।
ভুল প্রয়োগ: “জাফরের শুভেচ্ছা” মানে জাফর নামের ব্যক্তির দেওয়া শুভেচ্ছা। সেই লজিকে “ফুলের শুভেচ্ছা” মানে দাঁড়ায়—ফুল নিজে শুভেচ্ছা দিচ্ছে! কিন্তু ফুল তো জড়বস্তু, তার শুভেচ্ছা দেওয়ার ক্ষমতা নেই।
সঠিক প্রয়োগ: “ফুলেল শুভেচ্ছা”। এর অর্থ হলো—ফুলের মাধ্যমে বা ফুল দিয়ে সাজানো অভিনন্দন। তাই “শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল”—এটিই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।

আবহটা কেমন? মন্তব্য বাক্সে লিখুন।
27/01/2026

আবহটা কেমন? মন্তব্য বাক্সে লিখুন।

27/01/2026

সরস্বতীপূজা কেমন কাটলো? কী অনুকম্পা চাইলেন মায়ের কাছে?

26/01/2026

আমাদের অনুপ্রাণিত করতে স্টার পাঠান।

Address

Paschimbanga Bangla Academy 1/1, Acharya Jagdish Chandra Bose Rd, Maidan,
Kolkata
WEST BENGAL 700020

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share