Purulia.Info

Directions Contact the business

Purulia.Info Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Purulia.Info, Social Media Agency, Purulia.

এই পেজে পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন তথ্য ,জনজীবন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
পুরুলিয়ার বিভিন্ন জায়গার সম্বন্ধে লেখা কোনো প্রবন্ধ, ইতিহাস, ছবি ও ভ্রমন কাহিনী আমাদের পাঠাতে পারেন।
ইনবক্স বা ইমেল করুন।
📧 Email- [email protected]

🚨 ১৮ নম্বর জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।বলরামপুরের দাঁতিয়া নাকাপোষ্ট এলাকায় বাইক ও ছোট চারচাকা গাড়ির সংঘর্ষে নিহত...
05/10/2026

🚨 ১৮ নম্বর জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
বলরামপুরের দাঁতিয়া নাকাপোষ্ট এলাকায় বাইক ও ছোট চারচাকা গাড়ির সংঘর্ষে নিহত ২ জন, আশঙ্কাজনক ১জন।
১৮ নম্বর জাতীয় সড়কে ফের মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুইজনের। মঙ্গলবার বলরামপুরের দাঁতিয়া নাকাপোষ্ট সংলগ্ন এলাকায় একটি বাইক ও ছোট চারচাকা গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে বাইকে থাকা ব্যক্তিরা গুরুতরভাবে আহত হন। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
চিকিৎসকরা দু'জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপর একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কীভাবে এই সংঘর্ষ ঘটল, গাড়িগুলির গতিবেগ কত ছিল এবং দুর্ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলেও প্রভাব পড়ে।

“রোলিং ব্লকের কারণে কোচিং ট্রেনের চলাচলে পরিবর্তন”দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের আদ্রা মণ্ডলে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য...
05/10/2026

“রোলিং ব্লকের কারণে কোচিং ট্রেনের চলাচলে পরিবর্তন”

দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের আদ্রা মণ্ডলে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য 05.10.2026 (সোমবার) থেকে 11.10.2026 (রবিবার) পর্যন্ত এক সপ্তাহের রোলিং ব্লক কর্মসূচি নির্ধারিত হয়েছে। উক্ত সময়কালে নিম্নলিখিত কোচিং ট্রেনগুলির চলাচলে পরিবর্তন থাকবে:

বাতিল ট্রেন (Cancellation)

(1) 68046/68045 (আসানসোল–আদ্রা–আসানসোল) মেমু
05.10.2026 থেকে 11.10.2026 পর্যন্ত বাতিল থাকবে।

(2) 68077/68078 (আদ্রা–ভাগা–আদ্রা) মেমু
06.10.2026, 09.10.2026 এবং 11.10.2026 তারিখে বাতিল থাকবে।

(3) 68023/68024 (ঝাড়গ্রাম–পুরুলিয়া–ঝাড়গ্রাম) মেমু
05.10.2026, 08.10.2026 এবং 10.10.2026 তারিখে বাতিল থাকবে।

(4) 68053/68054 (আদ্রা–বারাভূম–আদ্রা) মেমু
11.10.2026 তারিখে বাতিল থাকবে।

আংশিক সমাপ্তি / প্রারম্ভ (Short Termination / Short Origination)

(1) 18035/18036 (খড়গপুর–হাটিয়া–খড়গপুর) এক্সপ্রেস
06.10.2026 এবং 11.10.2026 তারিখে আদ্রায় আংশিকভাবে সমাপ্ত/প্রারম্ভ হবে। এই সময় ট্রেনটির আদ্রা–হাটিয়া–আদ্রা অংশের পরিষেবা বাতিল থাকবে।

(2) 63594/63593 (আসানসোল–পুরুলিয়া–আসানসোল) মেমু
05.10.2026, 06.10.2026, 07.10.2026 এবং 11.10.2026 তারিখে আদ্রায় আংশিকভাবে সমাপ্ত/প্রারম্ভ হবে। এই সময় ট্রেনটির আদ্রা–পুরুলিয়া–আদ্রা অংশের পরিষেবা বাতিল থাকবে।

(3) 68053/68054 (আদ্রা–বারাভূম–আদ্রা) মেমু
05.10.2026, 07.10.2026, 08.10.2026 এবং 10.10.2026 তারিখে পুরুলিয়ায় আংশিকভাবে সমাপ্ত/প্রারম্ভ হবে। এই সময় ট্রেনটির পুরুলিয়া–বারাভূম–পুরুলিয়া অংশের পরিষেবা বাতিল থাকবে।

(4) 68055/68056 (আসানসোল–টাটানগর–আসানসোল) মেমু
05.10.2026, 08.10.2026 এবং 10.10.2026 তারিখে পুরুলিয়ায় আংশিকভাবে সমাপ্ত/প্রারম্ভ হবে। এই সময় ট্রেনটির পুরুলিয়া–টাটানগর–পুরুলিয়া অংশের পরিষেবা বাতিল থাকবে।

পথ পরিবর্তন (Diversion)

(1) 18601 (টাটানগর–হাটিয়া) এক্সপ্রেস
05.10.2026, 07.10.2026 এবং 08.10.2026 তারিখে চান্ডিল–পুরুলিয়া–কোটশিলা–মুরি পথের পরিবর্তে চান্ডিল–গুন্ডা বিহার–মুরি পথ দিয়ে পরিচালিত হবে।

(2) 68056 (টাটানগর–আসানসোল) মেমু
05.10.2026, 06.10.2026 এবং 11.10.2026 তারিখে গড়ধ্রুবেশ্বর–আদ্রা–জয়চণ্ডী পাহাড় পথের পরিবর্তে গড়ধ্রুবেশ্বর–জয়চণ্ডী পাহাড় পথ দিয়ে পরিচালিত হবে, অর্থাৎ আদ্রা হয়ে চলবে না।

যাত্রীদের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলিতে নিয়মিত ঘোষণা করে উপরোক্ত ট্রেন চলাচলের পরিবর্তন সম্পর্কে অবহিত করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, যাত্রার পূর্বে ট্রেন চলাচলের পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য নিয়ে নিজেদের যাত্রার পরিকল্পনা করতে।

05/10/2026

পুজোর আগে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, পুলিশে নিয়োগপত্র, পড়ুয়াদের বরাদ্দ বাড়ল—চলতি অর্থবছরে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যমাত্রা।

রাজ্যে নতুন সরকারের প্রথম দুর্গাপুজো। উৎসবের আবহের মধ্যেই নবান্ন থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে কর্মসংস্থান, পুলিশ, শিক্ষা এবং অস্থায়ী কর্মীদের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত একাধিক সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

সবচেয়ে বড় ঘোষণা সরকারি চাকরি নিয়ে। নবান্নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরে প্রায় ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোনোর কথা। নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগকারী সংস্থা, পিএসসি, এসএসসি এবং পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে রাজ্য বাজেটেও চলতি অর্থবছরে ১ লক্ষ সরকারি পদে নিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়িয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজারে পৌঁছেছে।

👮 পুলিশে বড় নিয়োগ ও নতুন জরুরি নম্বর

পুজোর আগেই পুলিশ প্রশাসন নিয়েও একাধিক ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ১০ অক্টোবর, মহালয়ার দিন রাজ্যে ১১২ নম্বর জরুরি পরিষেবা চালু করার কথা জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশকে আরও সক্রিয় ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বিভিন্ন থানায় নতুন গাড়ি ও বাইক দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর পরদিন, ১১ অক্টোবর রাজ্য পুলিশের প্রথম ব্যাচের প্রায় ১২ হাজার নিয়োগপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

🧹 কর্মবন্ধুদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি

পুজোর মুখে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরের সাফাইকর্মী তথা ‘কর্মবন্ধু’দের জন্যও বড় ঘোষণা। তাঁদের মাসিক ভাতা ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানা গিয়েছে, চলতি মাস থেকেই বর্ধিত ভাতা পাওয়ার কথা অস্থায়ী কর্মীদের।

🎓 SC-ST হস্টেলের পড়ুয়াদের খাবারে বরাদ্দ বৃদ্ধি

শিক্ষাক্ষেত্রেও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের হস্টেলে থাকা পড়ুয়াদের খাবারের জন্য বরাদ্দ ১,৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,৩০০ টাকা করা হয়েছে।

এর ফলে হস্টেলে থাকা ছাত্রছাত্রীদের খাদ্য ও পুষ্টির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সহায়তা মিলবে।

👩‍🎓 উচ্চশিক্ষায় মহিলাদের জন্য নতুন প্রকল্প

অবিবাহিত মহিলাদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহ দিতে ‘ভগিনী নিবেদিতা স্কিম’ চালুর কথাও জানানো হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য অবিবাহিত মহিলা পড়ুয়ারা তিন বছরে মোট ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

📢 চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় বার্তা

সব মিলিয়ে পুজোর আগে কর্মসংস্থানকে সামনে রেখে একাধিক ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বিশেষ করে চলতি অর্থবছরে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যমাত্রা সরকারি চাকরির অপেক্ষায় থাকা যুবক-যুবতীদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হিসেবে উঠে এসেছে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আগামী কয়েক মাসে বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গিয়ে দ্রুত শূন্যপদ পূরণ করা হবে। ফলে পুজোর মরশুমে রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের নজর এখন নবান্নের পরবর্তী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণার দিকে।

পশ্চিমবঙ্গের মুকুটে যুক্ত হলো উন্নয়নের আরও এক নতুন পালক। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কিনজারাপু রামমোহন নাইডু...
05/10/2026

পশ্চিমবঙ্গের মুকুটে যুক্ত হলো উন্নয়নের আরও এক নতুন পালক। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কিনজারাপু রামমোহন নাইডু এবং এয়ারপোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (AAI)-র প্রতিনিধি সহ পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল ও পরিবহণমন্ত্রী শ্রী অর্জুন সিংহের উপস্থিতিতে আজ নবান্ন সভাঘরে ‘উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় এবং পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিমানবন্দর গড়ে তোলার লক্ষ্যে 'সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর' অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো।
‘উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যে পুরুলিয়ার ছররা, পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট এবং আলিপুরদুয়ারের হাসিমারায় বিমানবন্দর উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

আকাশপথে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও পর্যটনের সম্ভাবনার পরিষেবার পরিধি বাড়াতে এই উদ্যোগ এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

পশ্চিমবঙ্গকে উন্নত পরিকাঠামো, দ্রুত যোগাযোগ এবং নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের অঙ্গীকার। ✈️

🚨 ছবি তুলতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা:সাত বছরের সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে ঘাগরা জলপ্রপাতে জলের স্রোতে ভেসে গেলেন বারুইপুরের য...
03/10/2026

🚨 ছবি তুলতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা:

সাত বছরের সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে ঘাগরা জলপ্রপাতে জলের স্রোতে ভেসে গেলেন বারুইপুরের যুবতী।

ঝপ্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ির ঘাগরা জলপ্রপাতে। সাত বছরের সন্তানকে বাঁচাতে জলে ঝাঁপ দিয়ে তীব্র স্রোতে ভেসে গেলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের বাসিন্দা এক যুবতী। তাঁর নাম প্রীতি দত্ত। এখনও তাঁর সন্ধান মেলেনি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার কলকাতা থেকে প্রায় ৩৬ জনের একটি পর্যটক দল গাড়িতে করে ঝাড়গ্রামে বেড়াতে আসে। তাঁরা জেলার বিভিন্ন হোটেলে ছিলেন। শনিবার দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ দলটি বেলপাহাড়ির ঘাগরা জলপ্রপাতে পৌঁছয়। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন বারুইপুরের বাসিন্দা রাজদীপ দত্ত, তাঁর স্ত্রী প্রীতি দত্ত এবং তাঁদের সাত বছরের সন্তান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, জলপ্রপাতের কাছে ছবি তোলার সময় আচমকাই পা ফস্কে তাঁদের সাত বছরের সন্তান জলে পড়ে যায়। সন্তানকে বাঁচাতে কোনও কিছু না ভেবেই জলে ঝাঁপ দেন মা প্রীতি। এরপর ছেলেকে উদ্ধারের জন্য জলে ঝাঁপ দেন বাবা রাজদীপও।
তবে তীব্র জলের স্রোতের মধ্যে পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে ওঠে। রাজদীপ কোনওভাবে তাঁদের সন্তানকে উদ্ধার করে পাড়ে তুলে আনতে সক্ষম হলেও স্ত্রী প্রীতিকে আর উদ্ধার করতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে প্রবল স্রোতে ভেসে যান প্রীতি।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বেলপাহাড়ি থানার পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা। উদ্ধারকাজে স্থানীয় বাসিন্দারাও হাত লাগান। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হলেও এখনও প্রীতির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ঝাড়গ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মানব সিংলা জানিয়েছেন, ঘাগরা জলপ্রপাতে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সন্তানকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তাঁর মাকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে।

ছবি তুলতে গিয়ে মুহূর্তের অসাবধানতা যে কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে, ঘাগরা জলপ্রপাতের এই ঘটনা ফের সেই সতর্কবার্তাই সামনে এনে দিল।

🏟️✨ নতুন রূপে সেজে উঠছে যুবভারতী! ✨🏟️🇮🇳 ভারতের অন্যতম বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম⚽ সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গ...
03/10/2026

🏟️✨ নতুন রূপে সেজে উঠছে যুবভারতী! ✨🏟️

🇮🇳 ভারতের অন্যতম বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম
⚽ সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের প্রবেশদ্বারের নতুন চেহারা এখন নজর কাড়ছে।

আধুনিক নকশা, নতুন সাজসজ্জা এবং নান্দনিক স্থাপত্যে যুবভারতীর প্রবেশদ্বারে এসেছে নতুন রূপ।
ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ঐতিহ্য ও আবেগের এই স্টেডিয়াম এবার নতুন চেহারায় আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। ❤️💚

📍 বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, সল্টলেক, কলকাতা
⚽ ফুটবলের আবেগ • বাংলার গর্ব • নতুন রূপে যুবভারতী 🇮🇳

📢 পুরুলিয়ার বিদ্যালয়গুলির জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ২৫ কোটি বাচ্চো কে সপ্নো কা ভারত“সেবা সংকল্প অভিযান ২০২৬”-এর অধীনেবিদ্যালয...
03/10/2026

📢 পুরুলিয়ার বিদ্যালয়গুলির জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ

২৫ কোটি বাচ্চো কে সপ্নো কা ভারত
“সেবা সংকল্প অভিযান ২০২৬”-এর অধীনে
বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ কুইজ, অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা।

পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

📅 তারিখ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
⏰ সময়: সকাল ১১:০০টা
📍 স্থান: সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়, পুরুলিয়া
Academic Building-II, Room No.-511

🏆 প্রতিযোগিতার বিভাগ

🔵 কুইজ প্রতিযোগিতা
• শ্রেণি: VIII–X
• প্রতি বিদ্যালয় থেকে ৪ জনের একটি দল
• বিষয়: সেবা, পরিষেবা ও জাতি গঠনমূলক উদ্যোগ

🟠 অঙ্কন প্রতিযোগিতা
• শ্রেণি: V–VII
• প্রতি বিদ্যালয় থেকে ৩ জন
• বিষয়: ২৫ কোটি বাচ্চো কে সপ্নো কা ভারত
• A3 কাগজ দেওয়া হবে; পেন্সিল ও রং নিজেকে আনতে হবে।

🟢 বক্তৃতা প্রতিযোগিতা
• শ্রেণি: IX–XII
• প্রতি বিদ্যালয় থেকে ২ জন
• বিষয়: “Viksit Bharat @2047: Nation-Building-এ ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা”
• বক্তৃতার সময়: সর্বোচ্চ ৫ মিনিট

পুরুলিয়ার সকল বিদ্যালয়ের প্রতি আহ্বান
আপনাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করুন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতাটিকে সাফল্যমণ্ডিত করুন।

আয়োজক:
সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়
পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ

"বিশ্বের যা কিছু সৃষ্টি,চির কল্যাণকরঅর্ধেক তার সৃজিয়াছে নারী,অর্ধেক তার নর।"সমগ্র ছোটনাগপুরের  পরতে পরতে যেসব পরব পার্বণ...
03/10/2026

"বিশ্বের যা কিছু সৃষ্টি,চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার সৃজিয়াছে নারী,অর্ধেক তার নর।"

সমগ্র ছোটনাগপুরের পরতে পরতে যেসব পরব পার্বণের গন্ধ মিশে আছে একান্ত গ্রাম্যতায়, তাদেরই একটি হলো জিতিয়া /জিতা /জিতুয়া পরব (উৎসব)। এটি মূলত কৃষিভিত্তিক একটি পার্বণ সাধারণভাবে, কৃষি ও ফসলের প্রকৃত দেবতা প্রকৃতি, তাই তাঁকে তুষ্ট করার জন্য এই উৎসব। জিতিয়া বাংলার গ্রাম সংস্কৃতির এক স্বল্পালোকিত দিক। লুপ্তপ্রায় প্রাচীন প্রথাগুলি কীভাবে একইসাথে সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও বিজ্ঞানের সমন্বয় তার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো জিতিয়া পরব। যেহেতু এই উৎসব তথাকথিত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর, তাই এর বাঁধাধরা কোনও শাস্ত্রসম্মত ছক নেই, লাগেনা কোনও পুরোহিতও। আর সেকারণেই স্থানভেদে এর সামান্য ভিন্নতাও লক্ষ্য করা যায়।

করম পরব দ্বারা আদিবাসী সমাজ যেমন জীব সৃষ্টি সূচনা, পরিচর্যা এবং বোনের দ্বারা ভাইয়ের স্বাস্থ্য, সম্পদ ও সুরক্ষার কামনা দর্শায়, তেমনি জিতা / জিতিয়া / জিতুয়া সন্তান প্রাপ্তি , সন্তানের ও স্বামীর দীর্ঘায়ু পরিপূর্ণতা কামনার কঠিন উপবাসের পরব। "জিতিআ" শব্দের অর্থ হলো, এক কথায় "জয়ী হওয়া" অর্থাৎ জিতিআ পরবের নেগ,নিতি একটু বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাবে যে,জিতিআ পরব হচ্ছে প্রকৃতি মায়ের উপাসনা করার পরব।তাই প্রতীকী হিসেবে বট বৃক্ষও আখের পূজা করা হয়ে থাকে এবং সন্তান রুপে শশাকে ব্যাবহার করেন। আঁখ গাছের ডাল গেড়ে বিশেষ সম্মান জানিয়ে পূজা করে থাকে। তাঁদের ধরনা সন্তানেরা যেন আঁখ মতো পুষ্টিগুণে ভরপুর, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ও তাঁর জীবনের বুদ্ধিমত্তার সৃষ্টিশীলতা আমরত্ব লাভ করে এবং সে বটবৃক্ষের মতো দীর্ঘজীবী ও সহনশীলতার প্রতীক হোক। আর এই সময় মায়েরা তাঁদের মাতৃকূল,পিতৃকূল এবং সসুর বাড়ির পূর্বপুরুষের স্মরণ করে থাকে।

এই পরব, মূলত খেটেখাওয়া মানুষের ক্লান্ত জীবনযাত্রায় বৈচিত্রের রসদ হলেও এর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে এক সুন্দর বৈজ্ঞানিক যুক্তি। এই পার্বণে ব্যবহৃত, তার প্রত্যেকটিই সাধারণ জীবনযাপনের নিত্যপ্রয়োজনীয় রসদ। এই অনুষ্ঠানে এই ভোজ্য ফসলগুলির বীজ বপন করে দেখা হয় আগামী মরসুমে এগুলি ফসল উৎপাদনের উপযোগী কি না। অর্থাৎ প্রাসঙ্গকতর নিরীখে এটা বলা যায় যে প্রাচীনকালে কৃষি সভ্যতার বিকাশে নারীর অবদান উল্লেখযোগ্য। নারীরা নিজেদের তৎকালীন সময়ে গবেষনাগার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এবং এই গবেষনায় বিষাক্ত ফলের ব্যবহারে অনেকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুকেও আলিঙ্গন করেছেন। তারাই নির্বাচন করেছেন কোন শস্যটি ভোজ্য আর কোনটি ত্যাজ্য । এই পূজয় ব্যবহৃত সমস্ত গাছের ডাল, পাতা, দানাশস্য সবকটি প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং সবকটিরই স্বতন্ত্র পুষ্টিগুন রয়েছে। পাতাগুলো কৃষিতে সাহায্যকারী সন্তানসম গবাদিপশুকে দেওয়া হয়। কারন কৃষিজীবী সমাজে গবাদি পশুরা বাঁদনায় বিশেষ মর্যাদায় পুজিত হন।

#অঙ্কুরিত_দানাশস্য

ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় আমিষ মানুষ কাচা খেতো। আদিমানব কখনই রান্না করা খাবার খায়নি। আগুনের আবিষ্কার হওয়ার পূর্বে মানুষ কাচা ফলমূল, শাকপাতা, ইত্যাদি খেত এবং উদ্দাম উচ্ছল স্বাস্থ্য নিয়ে বনে জঙ্গলে হিংস্র পশুর আক্রমন প্রতিহত করে বাস করত। গবেষনায় দেখা গেছে রান্নাকরা খাবারের প্রতি পুরোপুরি নির্ভরশীল হলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম এর ঘাটতি হবেই এবং শরীরের মেটাবোলসম (বিপাকীয়) কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়ে প্রথমে পেটের পীড়া এরপর পর্যায়ক্রমে নানা রোগের উৎপত্তি হয়।

শরীর তত্ত্ববিদরা হিসাব করে দেখেছেন প্রতিটি প্রাণী যে বয়সে সাবালকত্ব আসে তার অন্তত গড়ে ছয় গুন বেশী আয়ু পায় কিন্তু প্রাণী আট - দশগুন বেশী আয়ু লাভ করে। যেমন একটা ঘোড়া তিন বছর বয়সে সাবালক হয় কিন্তু বাঁচে ৩০ বছর। একটা গরু তিন বছর বয়সে পরিণতি লাভ করলেও বাচে ১৫/২০ বছর। সেই হিসাবে মানুষের সাবালকত্বের বয়স ২০ বছর হলে মানুষের আয়ুষ্কাল হওয়া উচিত একশত বিশ বছর কিন্তু মানুষ ৬০/৭০ বছর বয়সেই দেহত্যাগ করছে তাও আবার নীরোগ অবস্থায় নয়। তাঁদের মতে প্রধান আহারের মাঝে কাচা ফল খাওয়া বাড়ান যেতে পারে। এইভাবে ধীরে ধীরে রান্না খাবারের এক তৃতীয়াংশ কাচা খাবার যেমন ফলমূল শাকসবজি এবং অঙ্কুরিত শশ্য যোগ করলেই সুস্থ্য থাকা যাবে। কাচা খাবার যতই বাড়বে ততই ফিরে পাওয়া যাবে আদিম স্বাস্থ্য, শক্তি, আয়ু এবং সুখ-শান্তি।

#প্রতীকী_আঁখ

জিতিয়া পুজায় আঁখকে প্রতীকী রুপেসামনে পুজা হয়। আঁখের উৎপত্তি স্থল হলো রাঢ়ভূম তথা ছোটনাগপুর যা নবপলীয় যুগ থেকে চলে আসছে। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন আখ থেকে প্রথম গুড় তৈরী হয় এবং নৌপথে গুড়ের রপ্তানী হয়, তাই এই অঞ্চলকে গৌড় বঙ্গ নামে অবিহিত করা হয়। আজো আদিবাসীদের বিবাহে, পুজোর মিষ্টান্ন স্বরূপ গুড় ব্যবহার হয় । সর্বপ্রথম গুড় তৈরি হয়, তাই আদিবাসিরা “মিষ্টি” কে “গুড়িয়া” বলেন। এরপর যথাক্রমে মিছরি এবং পরে চিনির অবিষ্কার। আগে বেড়া তৈরি হতো আঁখ দিয়ে তাই বেড়ার প্রবেশদারকে “আঁখদুয়ার” আজো বলেন। বাংলা থেকে চিনি আরবরা নিয়েছে। তাদের কাছ থেকে ইওরোপিয়ানরা। প্রথম ক্রুসেডের আগে ইওরোপিয়ানরা কখনো চিনির স্বাদ পায় নি।

এবার আসি শুধু আঁখ কে কেন চয়ন করেন?আমরা সবাই অবগত আঁখের উপকারিতা বিষয়ে তবু একটু চোখ রাখি। নির্জলা উপবাসের দরুন সবাই শারিরীক ভাবে দুর্বল না হয়ে পড়ে তাই পুজো শেষে আঁখ উপবাসীরা নিজেদের মধ্যে ভাগ করেন।

১) নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ ও দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ করে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মত খনিজ উপাদান থাকে যা দাঁতের এনামেল গঠনে সাহায্য করে।
২) ইনস্ট্যান্ট এনার্জি ডিহাইড্রেশনে অব‍্যর্থ। আঁখের রস তাৎক্ষণিক শক্তির সঞ্চয় ও তৃষ্ণা নিবারণের খুব ভালো উৎস। আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্লুকোজ। এই গ্লুকোজ মুহূর্তেই মানব দেহ রিহাইড্রেট করে চাঙা করে তোলে।
৩) নিরাপদ গর্ভধারণ নিশ্চিত করে :
আখের রস গর্ভধারণে সাহায্য ও নিরাপদ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করে। আখের রসে প্রচুর ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি ৯ থাকে যা স্পিনা বিফিডা এর মত জন্মগত ত্রুটি থেকে সুরক্ষা দেয়। এছাড়াও গবেষণায় জানা হয় যে, নারীর ডিম্বস্ফুটনের সমস্যা কমায় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।
৪) লিভারের সমস্যা দূর করেঃ
আখের রসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করে।আখের রস ক্ষারীয় প্রকৃতির হওয়ায় শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করায় সাহায্য করে। এগুলো ছাড়াও হজম সংক্রান্ত সমস্যা, ডায়বেটিস,ফেব্রাইল ডিজঅর্ডার, ক্যান্সার , কিডনি, হাড় ও দাঁত সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যায় অগ্রনীভুমিকা পালন করে আখ।

আর নির্জলা উপবাসের গুরুত্ব সবাই জানেন, নতুন করে বলার কিছুই নেই।
আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান বা দর্শন উপবাস সম্বেন্ধ কি বলে দেখা যাক্ । পৃথিবীর খ্যাতনামা দার্শনিক ছিলেন সক্রেটিস, প্লেটো, পিথাগোরাস। ইতিহাস বলে, দর্শন লেখার আগে তারা নাকি উপবাস করতেন ।তাঁরা জানতেন যে উপবাস করলে তাদের মানসিক শক্তি বাড়বে ও এতে তাঁরা দর্শনের গুঢ় তত্ত্ব আহরণ করতে পারেন । চিকিৎসা বিজ্ঞান এত বলে যে ,উপবাস করলে আমাদের পাকস্থলী, হার্ট, ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদান্ত্র, কিডনী, ধমনী, অগ্ন্যাশয় ও যকৃৎ বিশ্রামপায় ও মজবুত হয়। যাদের রক্ত খুবই গরম ওদের ক্রোধ বৃত্তি বেশী হয়। কাম-লালসা, ঈর্ষা ও লোভ এই বৃত্তি গুলিকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায় । যাঁদের পরিপাক যন্ত্র দুর্বল অর্থাৎ পাকস্থলী, যকৃৎ ও ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদান্ত্র ইত্যাদি উপবাসের পর এরা দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে রণক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে ।

আর এই জিতা/ জিতুয়া/ জিতিয়া উৎসব নতুন ফসলের আবাহনেরও উৎসব। রুখা শুখা মাটিতে সবুজ ফসলের আশায় এই উৎসবের আয়োজন। নতুন পোশাক পরে তাঁরা নাচে-গানে মেতে ওঠেন। ঝিরিঝিরি বৃষ্টিধারায় নতুন শাড়ি, মিশকালো চুলের খোঁপায় হলুদ ঝিঙফুলের আভাস, কিশোরী কোমর দুলে ওঠে, পায়ের চলন সামনে পিছনে হয়, মাদলের একটানা দ্রিমি-দ্রিমি প্রতিধ্বনির অনুরণনে গেয়ে ওঠে লুপ্তপ্রায় জিতিয়া গান। যে গানে লুকিয়ে আছে নারী সমাজের প্রাত্যহিক জীবনচর্চার বেদনামধুর বর্ণনা।

লেখনী : মৃন্ময় মাহাত।
ব্যাকগ্রাউন্ড ছবি : সুদীপ পাত্র।

🔴 BIG UPDATE | MISCELLANEOUS EXAM📢 পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিশেষ উদ্যোগআগামী ৪ অক্টোবর, রবিবার, Miscellaneous Examinat...
03/10/2026

🔴 BIG UPDATE | MISCELLANEOUS EXAM

📢 পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিশেষ উদ্যোগ

আগামী ৪ অক্টোবর, রবিবার, Miscellaneous Examination উপলক্ষে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিশন ১৪টি অতিরিক্ত লোকাল ট্রেন চালাবে।

🚆 অতিরিক্ত ট্রেনের সময়সূচি — UP

1️⃣ হাওড়া → খড়্গপুর — ভোর ৩:৩০টা
2️⃣ হাওড়া → পাঁশকুড়া — সকাল ৬:২০টা
3️⃣ হাওড়া → উলুবেড়িয়া — সকাল ৬:৫৫টা
4️⃣ হাওড়া → মেচেদা — সকাল ৭:৪০টা
5️⃣ হাওড়া → পাঁশকুড়া — সকাল ৯:৫০টা
6️⃣ হাওড়া → পাঁশকুড়া — বিকেল ৫:০০টা
7️⃣ হাওড়া → আমতা — সন্ধ্যা ৬:২০টা

🚆 DOWN পরিষেবা

অতিরিক্ত ট্রেনের DOWN পরিষেবা থাকবে—

🔹 মেচেদা → হাওড়া
🔹 পাঁশকুড়া → হাওড়া
🔹 খড়্গপুর → হাওড়া
🔹 উলুবেড়িয়া → হাওড়া
🔹 আমতা → হাওড়া

⚠️ পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:
পরীক্ষার দিন বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে ট্রেনের সময়সূচি ও সংশ্লিষ্ট স্টেশনের আপডেট অবশ্যই মিলিয়ে নিন।

🎯 শুভকামনা সকল পরীক্ষার্থীর জন্য।
পরীক্ষা ভালো হোক, যাত্রা নিরাপদ হোক। 🚆📚

M

📢 সেপ্টেম্বর শেষ! অক্টোবর শুরু! কিন্তু চাকরির দিগন্ত কোথায়?রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ...
02/10/2026

📢 সেপ্টেম্বর শেষ! অক্টোবর শুরু! কিন্তু চাকরির দিগন্ত কোথায়?

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে রাজ্যে চাকরির “দিগন্ত উন্মোচন” হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সেপ্টেম্বর পেরিয়ে অক্টোবর শুরু হয়ে গেল—চাকরিপ্রার্থীদের সামনে এখনও সেই কাঙ্ক্ষিত নতুন দিগন্তের স্পষ্ট ছবি দেখা গেল না।

❓ প্রশ্ন উঠছে—কোথায় সেই নিয়োগ?

🔹 প্রাথমিকের বহু পেন্ডিং নিয়োগ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি
🔹 PSC-র একাধিক নিয়োগপ্রক্রিয়া এখনও ঝুলে রয়েছে
🔹 শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও অনিশ্চয়তা কাটেনি
🔹 নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষায় চাকরিপ্রার্থীরা
🔹 বহু পুরনো নিয়োগপ্রক্রিয়াই এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি

সরকারি সূত্রে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে ১.৫ লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের অনুমোদনের খবর প্রকাশ্যে আসে। কিন্তু অনুমোদন আর বাস্তবে বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা, প্যানেল ও নিয়োগ—দুটি এক বিষয় নয়।

অন্যদিকে, সেপ্টেম্বর মাসে পুলিশে যে আপডেটগুলি এসেছে, সেগুলির মধ্যে West Bengal Police Constable 2024 এবং Kolkata Police SI 2023-এর মতো আগের সরকারের নিয়োগপ্রক্রিয়ার নোটিস রয়েছে।

📌 চাকরিপ্রার্থীদের দাবি খুবই স্বাভাবিক—
শুধু আশ্বাস নয়, এবার চাই বিজ্ঞপ্তি।
শুধু ঘোষণা নয়, চাই নিয়োগ।
শুধু নতুন পদের কথা নয়, চাই পেন্ডিং নিয়োগের দ্রুত নিষ্পত্তি।

সেপ্টেম্বর শেষ হয়ে অক্টোবর শুরু হয়েছে। এখন চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্ন একটাই—
“চাকরির সেই দিগন্ত কবে সত্যিই উন্মোচিত হবে?”

#চাকরি #চাকরির_দিগন্ত

Address

Purulia
723101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Purulia.Info posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Purulia.Info:

Shortcuts

Share