CodeCraft with Rubel

Call Directions Website Contact the business

CodeCraft with Rubel Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CodeCraft with Rubel, Web designer, Vadodara.

Portfolio Link :  https://rubel-personal-portfolio.vercel.app🚀 Exciting Update! 🚀"Excited to share my latest portfolio! ...
28/10/2024

Portfolio Link : https://rubel-personal-portfolio.vercel.app

🚀 Exciting Update! 🚀

"Excited to share my latest portfolio! Built with the MERN stack and featuring a blog section, it showcases my journey as a developer. Check it out and let me know what you think!"

hashtag hashtag hashtag hashtag hashtag hashtag

Here are a few of my recent work. As a frontend design & full-stack web developer, I constantly priorities 100% client satisfaction. I always enjoy working on my projects, so each on is a new adventure for me. While working on each new project, I attempt to learn new things. As a result, my painting...

🌐 Blog Project: Tech Tips & Tricks HubI developed a blog project using Next.js and NextUI for a modern and responsive fr...
13/10/2024

🌐 Blog Project: Tech Tips & Tricks Hub

I developed a blog project using Next.js and NextUI for a modern and responsive frontend experience, coupled with an Express and Mongoose backend to manage data efficiently. Leveraging React Hook Form for user interactions, I implemented features that enhance usability and performance. This project showcases my skills in full-stack development and my commitment to creating user-friendly web applications.

Live Link : https://tech-tips-trick-hub-frontend-lac.vercel.app/

প্রায় স্বাধীন বাংলাদেশের সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।অনেকেই হয়ত ভাবছেন কেন আমি প্রায় স্বাধীন বললাম ? কারণ স্বাধীনতা অর্জন...
07/08/2024



প্রায় স্বাধীন বাংলাদেশের সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

অনেকেই হয়ত ভাবছেন কেন আমি প্রায় স্বাধীন বললাম ? কারণ স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা অনেক কঠিন ! কিন্তু এই কঠিন কাজটি আমরা করতে পারলেই তবেই পূর্ণ স্বাধীন হব ! এই GenZ আমাদের যা করে দেখিয়েছে , তা আমাদের মনে রাখতে হবে । কেমনে মনে রাখবেন ? ,ফেইসবুকে শুধু পোস্ট দিয়ে দিয়ে ? অবশ্যই না । আমাদের নিজের কার্যকলাপ পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমরা শহীদদের স্বরণ করব।

আসুন আজ থেকে আমরা প্রতিজ্ঞা করি নতুন বাংলাদেশ ২.০ গড়ার যেখানে আমরা সর্বদা নিজ নিজ অবস্থান থেকে কন্ট্রিবিউট করব।

আসুন আমরা আজ থেকে লিস্ট করি আমাদের প্রতিদিনের কার্যক্রমগুলো পরবর্তন করার । আমি আমার মত কিছু লিস্ট দিচ্ছি , আপনারাও অংশগ্রহণ করুন। আসুন এই লিস্ট পরিপূর্ণ করি এবং এই সবাই মিলে পরিপূর্ণ করে নিজেদের মধ্যে প্রতিফলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যাব।

১। আজ থেকে নিজেকে সর্বোচ্চ Productive Human Being হিসেবে গড়ে তুলব । অযথা সময় অপচয় না করে , প্রতিটি সময়কে কাজে লাগাব । নিজেকে একজন স্কিল্ড মানুষ হিসেবে গড়ে তুলব যাতে এই আইটি সেক্টরটাকে আমরা বহির্বিশ্বে তুলে ধরতে পারি।

২। আমাদের অন্যান্য ধর্মালম্বী ভাই-বোনদের খেয়াল রাখতে পারি।আমরা কোন না কোন এলাকায় আছি , সেই এলাকায় গ্রুপ এবং টিম করে দায়িত্ব পালনে অংশগ্রহ্ণ করতে পারি । এই দেশ আমার , আপনার, সবার ।

৩। আমরা পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করব। আমাদের আশে পাশে সুযোগ থাকলে আমরা কিছু বাগান করতে পারি এবং প্রতিদিন আমরা যত্ন নিতে পারি । যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট সসাথেন ফেলব। কোন অবস্থাতেই আমরা রাস্তায় ফেলব না।

৪। রাস্তায় থাকা শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে সাহায্য করব। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সহায়তা করব, তাদের পাশে দাঁড়াব।

৫।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে দেশের উন্নয়নমূলক কাজ প্রচার করব। ভুয়া খবর ছড়ানো থেকে বিরত থাকব এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই করে তথ্য প্রচার করব।

৬। নিজের শিক্ষা জীবনের প্রতি গুরুত্ব দেব এবং অন্যদের শিক্ষিত হতে সাহায্য করব। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করব এবং জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করব।

৭। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সহায়তা করব। কোন অবস্থায় Wrong Side এ গাড়ি নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করব না, নিজেরাও চালাব না ।

৮। গ্রামের শিক্ষাব্যবস্থায় যখনি সময় পাব, আমরা কন্ট্রিবিউট করার চেস্টা করব।.............................

আর কি কি করা যায় ? মতামত জানান আপনাদের 😍! আমি লিস্টে এড কর দিব ।

05/06/2024

# Backend Part - 02
I've developed a robust University Management System backend using TypeScript, Node.js, Express, and Mongoose! 🎓
Key technologies and dependencies include :
- bcrypt for secure password hashing
- cors for handling cross-origin requests
- dotenv for environment variable management
- http-status, and zod for data validation and HTTP response management
- ts-node-dev for running TypeScript
- eslint and prettier for maintaining code quality and style
This project enhanced my skills in managing complex data structures and optimizing server performance. Looking forward to further advancements! 🌟

 .0Blog Topic Name - Reactআসসালামু আালাইকুম, আমি রিয়েক্ট নিয়ে কিছু বিষয়বস্তু আলোচনা করছি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে এব...
04/04/2024

.0
Blog Topic Name - React
আসসালামু আালাইকুম, আমি রিয়েক্ট নিয়ে কিছু বিষয়বস্তু আলোচনা করছি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে এবং পরবর্তীতে নতুনদের জন্য কাজে লাগবে।
২০১১ সালে ফেসবুকের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার জর্ডান ওয়ালকের দ্বারা তৈরি হয় রিয়েক্ট। এর উদ্দেশ্য ছিল কমপ্লেক্স ইউজার ইন্টারফেস তৈরির সমস্যা সমাধান করা। এটি ভার্চুয়াল ডম ব্যবহার করে বাস্তব ডম তৈরি করে, দ্রুত রেন্ডারিং এবং ভাল পারফরমেন্স সরবরাহ করে। এটি ২০১৩ সালে ফেসবুক দ্বারা ওপেন সোর্স হয়েছিল। বয়সে শিশু হলেও বর্তমানে React.js হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত আর চাকরির বাজার কাপানো Front End Web Development Library.
১। রিয়েক্ট কি?
==> রিয়েক্ট হচ্ছে একটি জাভাস্ক্রিপ্ট লাইব্রেরী যা ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করার কাজে ব্যবহার করা হয়। এটি user interface তৈরি করে। এর মাধ্যমে ওয়েব পৃষ্ঠাগুলিতে ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্ট করা যায়। রিয়েক্ট ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন বানানোর জন্য একটি প্রধান সরঞ্জাম হিসেবে পরিচিত। এটি কম্পোনেন্ট ভিত্তিক এবং সহজ হওয়ার কারণে ডেভেলপরদের কাছেও জনপ্রিয়।
২। কিভাবে রিয়েক্ট সেটআপ করতে হয়?
==> রিয়েক্ট সেটআপ করার জন্য সর্বপ্রথম Nodejs install করা থাকতে হবে। Nodejs মূলত কাজে লাগে npm package (Node Package Manager) install করতে, development server চালু করতে এবং অন্যান্য ডেভেলপমেন্ট কাজ করতে।
তারপর রিয়েক্ট ইনস্টল করতে হয়। রিয়েক্ট install করার কমান্ডটি হলো--
npx create-react-app name_of_your_project
cd name_of_your_project
npm start
এই কমান্ডের মাধ্যমে রিয়েক্ট ইন্সটল করা হয় একই সাথে development server চালু করে।
৩। রিয়েক্ট কম্পোনেন্ট
==>রিয়েক্টে কোম্পোনেন্ট হলো একটি পার্টিকুলার অংশ যা UI এর বিভিন্ন অংশগুলি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলে। একাধিক কোম্পোনেন্ট সমন্বয়ে একটি UI তৈরি করা হয়।
রিয়েক্ট কম্পোনেন্ট ২ ধরনের
১। ফাংশনাল কম্পোনেন্ট (Functional Component)
২। ক্লাস কম্পোনেন্ট (Class Component)
*** ফাংশনাল কম্পোনেন্ট vs ক্লাস কম্পোনেন্ট ***
ফাংশনাল কম্পোনেন্ট:
এটি একটি ফাংশনের রূপে লেখা হয়। এখানে স্টেট বা লাইফসাইক্ল মেথড ব্যবহার করা যায় না। সাধারণত সাধারণ UI কম্পোনেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি jsx (javascript XML) রিটার্ন করে
কোড-
import React from 'react';
function MyFunctionalComponent() {
return (

Hello, I am a functional component!

);
}
export default MyFunctionalComponent;
ক্লাস কম্পোনেন্ট:
এটি একটি ES6 ক্লাস হিসেবে লেখা হয় এবং React.Component ক্লাস থেকে এক্সটেন্ড করা হয়।
এটি লাইফসাইক্ল মেথড এবং স্টেট ব্যবহার করতে পারে। এখানে render() মেথড ব্যবহার করা হয় যেটি Jsx রিটার্ন করে।
কোড:
import React, { Component } from 'react';
class MyClassComponent extends Component {
render() {
return (

Hello, I am a class component!

);
}
}
export default MyClassComponent;
৪। স্টেট এবং প্রপ্স
==> রিয়েক্টে স্টেট এবং প্রপ্স হলো দুটি গুরুত্বপূর্ণ কনসেপ্ট যা কোম্পোনেন্টের মধ্যে ডেটা পাস এবং ম্যানেজ করতে সাহায্য করে।
স্টেট (State): স্টেট হলো ডাটা স্টোর করার কাজে ব্যবহার করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে ডাটা সংগ্রহ করে ব্যবহার করা যায়
কোড:
import React, { useState } from 'react';
function Counter() {
const [count, setCount] = useState(0);
return (

You clicked {count} times
setCount(count + 1)}>
Click me


);
}
প্রপ্স (props): প্রফস হলো প্যারেন্ট কম্পোনেন্ট থেকে চাইল্ড কম্পোনেন্টে ডাটা পাঠানোর একটি মাধ্যম। এই ডাটা প্রপ্স হিসেবে চাইল্ড কম্পোনেন্টে আসে এবং চাইল্ড কম্পোনেন্ট সেটি ব্যবহার করে।
কোড:
function ParentComponent() {
const data = "Hello from Parent";
return (

);
}
function ChildComponent(props) {
return {props.data};
}
৫। রিয়েক্ট হুক (React Hook)
==>হুক ব্যবহার করে কম্পোনেন্ট থেকে বিভিন্ন রিয়েক্ট ফিচার ব্যবহার করা যায়। রিয়েক্ট আমাদের কিছু হুক দিয়ে দেয় সেই সাথে কাস্টম হুক তৈরি করে ব্যবহার করা যায়। নিচে কিছু হুক দেওয়া হলো যেগুলো প্রতিনিয়ত কাজে লাগে এবং ব্যবহার করা হয়
১.useState: ডাটা ম্যানেজ এবং সোর করতে ব্যবহার করা হয়
২. useEffect: ফাংশনাল কম্পোনেন্টে লাইফসাইকল এবং সাইড ইফেক্ট হ্যান্ডেল করতে ব্যবহার হয়।
৩. useContext: ফাংশনাল কম্পোনেন্টে কনটেক্সট ম্যানেজ করতে ব্যবহার হয়।
৪. useReducer: ফাংশনাল কম্পোনেন্টে কম্প্লেক্স স্টেট ম্যানেজ করতে ব্যবহার হয়।
৫. useMemo: প্রফর্মান্স উন্নতি করতে ব্যবহার হয়।
৬. useRef: রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়
৬। রিয়েক্ট রাউটিং
==>রিয়েক্ট রাউটিং এর জন্য জনপ্রিয় লাইব্রেরী হিসেবে ব্যবহার করা হয় React Router Dom। এটি মূলত ডিজাইন করা হয়েছে রিয়েক্টে রাউটিং সিস্টেমের জন্য। একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে অনেক পৃষ্ঠা থাকতে পারে। রিয়েক্ট রাউটার ডম একটি পৃষ্ঠা হতে অন্যপৃষ্ঠাতে Navigate করতে সাহায্য করে
এটি সেটআপ করার জন্য একটি install কমান্ড ব্যবহার করা হয়। কমান্ডটি হলো-
npm install react-router-dom
পরবর্তীতে রাউট ডিফাইন করতে হয়
import React from 'react';
import { BrowserRouter as Router, Route, Switch } from 'react-router-dom';
import Home from './components/Home';
import About from './components/About';
import Contact from './components/Contact';
import NotFound from './components/NotFound';
function App() {
return (








);
}
export default App;
এখন path গুলো ব্যবহার করে একটি পৃষ্ঠা হতে অন্য পৃষ্ঠা নেভিগেট করা যাবে Link বা NavLink ব্যবহার করে।
import React from 'react';
import { Link } from 'react-router-dom';
function Navbar() {
return (



Home


About


Contact



);
}
export default Navbar
৭। ইভেন্ট হ্যান্ডলিং(Event handling)
==>ইভেন্ট হ্যান্ডিং হচ্ছে কোনো একটি ঘটনা ঘটা। যেমন একটি বাটনে ক্লিক করা, একটি ইনপুট ফিল্ডে টেক্সট প্রবেশ করা, একটি মাউস ওভার করা ইত্যাদি।
রিয়েক্টে ইভেন্ট হ্যান্ডলিং করার জন্য, আমরা প্রথমেই একটি ফাংশন ডিফাইন করি যা ইভেন্ট ঘটানোর সময় কল হবে। এটি সাধারণত রিয়েক্ট কম্পোনেন্টের মধ্যে লেখা হয়। তারপরে, এই ফাংশনটির নাম এবং ইভেন্টের ভেতরে স্থাপন করতে হয়। যেমন, একটি বাটনে ক্লিক হলে, বাটনের onClick ইভেন্টের ভেতরে ফাংশনের নামটি ডিফাইন করে ফাংশনটি কল হয়।
কোড:
import React from 'react';
function App() {
function handleClick() {
alert('this button is clicked');
}
return (

click here

);
}
export default App;
এভাবে ইভেন্ট তৈরি করে ইউজার ইন্টারেক্টিভিটি তৈরি করতে পারে।
৮। কন্ডিশনাল রেন্ডারিং (Conditional Rendering)
==>কন্ডিশনাল রেন্ডারিং হচ্ছে কোন শর্তের উপর ভিত্তি করে কোন কম্পোনেন্ট কে রেন্ডার করা।অর্থাৎ শর্ত হলে এই কম্পনেন্টই রেন্ডার হবে অথবা শর্তটি মিথ্যা হলে অন্য কিছু রেন্ডার হবে বা হবে না।
কন্ডিশনাল রেন্ডার ২ ভাবে করা যায়
১। Ternary Operator
২। AND operator
**Ternary operator:
import React, { useState } from 'react';
function App() {
const [isLoggedIn, setIsLoggedIn] = useState(false);
return (

{isLoggedIn ? (
Welcome User!
) : (
setIsLoggedIn(true)}>Log In
)}

);
}
export default App;
এখানে isLoggedIn যদি true হয় তাহলে দেখাবে welcome user আর যদি false হয় তাহলে দেখাবে login button।
**AND operator:
import React, { useState } from 'react';
function App() {
const [showMessage, setShowMessage] = useState(true);
return (

{showMessage && Hello World!}
setShowMessage(!showMessage)}>
Toggle Message


);
}
export default App;
এখানে যদি showMessage true হয় তাহলে hello world দেখাবে অন্যথায় কিছুই না।
**************************************************
একজন বিগিনার হিসেবে উপরোক্ত বিষয় গুলো জানলে খুব সহজেই চাইলে রিয়েক্ট দিয়ে ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করা সম্ভব
*** কেন রিয়েক্ট ব্যবহার করব? ***
১। বিগিনারদের জন্য রিয়েক্ট শিখা সহজ। অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে রিসোর্স পাওয়া যায়। বিশাল বড় ডেভলপার কমিউনিটি
২। রিয়েক্ট দিয়ে শুধু মাত্র ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা যায় না, এটি আরও আকর্ষণীয় কাজ করে - মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। এই ক্ষেত্রে, রিয়েক্ট নেটিভ ব্যবহৃত হয় , যা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে সাহায্য করে।
৩। রিয়েক্ট কোর Javascript লেখার পাশাপাশি jsx নামক Syntax ব্যবহার করে যা javascript এর মধ্যে HTML লেখার সুবিধা দিবে।
৪। রিয়েক্ট যেহেতু ভার্চুয়াল DOM ব্যবহার করে তাই অ্যাপ্লিকেশন পারফরমেন্স তুলনামূলক অধিক হয়ে থাকে। সকল সকল কম্পনের মুহূর্তের মধ্যেই রেন্ডার হয় এবং এক্সিকিউট করতে পারে।
*** রিয়েক্টের ভবিষ্যৎ
Statista survey 2023 এর রিপোর্টের মতে পৃৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং চাহিদা সম্পন্ন ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক হচ্ছে রিয়েক্ট
২০২৩ সালের সার্ভে অনুযায়ী ৪২.৫৮% ডেভেলপার এটি নিয়ে কাজ করে। যেটি সব ফ্রেমওয়ার্কের উপর অবস্থান বিরাজ করছে
reference--
https://www.statista.com/.../worldwide-developer-survey.../
এমনকি পৃথিবীর যে বড় বড় Tech Giants গুলো রয়েছে যেমনঃ Facebook, Twitter, WhatsApp, Instagram, Netflix, Uber, Pathao, Tesla, DropBox এরা কিন্তু Already React ব্যবহার করছেন।
পরিশেষে বলবো,
রিয়েক্ট ব্যবহার করে পরবর্তী ফ্রন্ট-এন্ড প্রজেক্টে অনেক সহজতর হতে পারে। দিন দিন এর ব্যবহার সহজ হচ্ছে এবং যেকোনো ধরণের কমপ্লেক্সিটি থেকে আপনি রক্ষা পেতে পারেন। এটি সহজেই শেখা যায় এবং এর ব্যবহার সহজ এবং সময়সাপেক্ষ। তাই, আপনার পরবর্তী প্রজেক্টে রিয়েক্ট ব্যবহার করা সহজতর হতে পারে এবং আপনি কোনও ধরণের জটিলতা থেকে মুক্তি পাবেন। এই আর্টিকেলটিতে যেন বিগিনারদের জন্য সাহায্য করতে পারি সেই হিসেবে তুলে ধরেছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ এই article টি পড়ার জন্য।

 .0মর্ডান ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জগতে Node/Express-Node.js এর ইতিহাস:Node.js কি তা জানার আগে আমাদের জানতে হবে Node.js এর ইতি...
04/04/2024

.0
মর্ডান ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জগতে Node/Express-
Node.js এর ইতিহাস:
Node.js কি তা জানার আগে আমাদের জানতে হবে Node.js এর ইতিহাস সম্পর্কে। ১৯৯৫ সালে ব্রেন্ডন ইচ জাভাস্ক্রিপ্ট আবিষ্কার করেন। কিন্তু জাভাস্ক্রিপ্ট শুধুমাত্র ব্রাউজারেই চলতে পারতো। জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে শুধুমাত্র ফ্রন্টএন্ডের কাজই করা হতো। সালটা ছিলো ২০০৮ সাল। Google তাদের নতুন ওয়েব ব্রাউজার Google Chrome রিলিজ করে। Google Chrome ছিলো জাভাস্ক্রিপ্টের কোড রান করার জন্য অপ্টিমাইজ একটি ব্রাউজার। Google Chrome জাভাস্ক্রিপ্টের কোড ভালোভাবে দ্রুত রান করতে পারার মূল কারণ ছিলো Chrome ব্রাউজারে ব্যবহার করা V8 ইঞ্জিন। V8 ইঞ্জিন জাভাস্ক্রিপ্টের কোডকে অপটিমাইজ করতে পারতো। এই V8 ইঞ্জিন ক্লায়েন্ট সাইডে জাভাস্ক্রিপ্টের ব্যবহার অন্য পর্যায়ে নিয়ে যায়। এর ফলে Chrome তখনকার সময় ব্রাউজারের ভিতরে সবার শীর্ষে উঠে আসে।
২০০৯ সালে রায়ান ডাহল নামক এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার তখনকার সময় সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাকএন্ড ওয়েভ সার্ভারের পারফর্মেন্সের উপর আংগুল তুলেছিলেন। তখন সার্ভার সাইডের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিলো Apache HTTP Server. রায়ান ডাহল দাবী করেন যে Apache HTTP Server একই সময়ে অধিক পরিমান রিয়েল টাইম ইউজার হ্যান্ডেল করতে পারে না।
এই কারণেই রায়ান ডাহল ও তার টিম মিলে তৈরি করেন Node.js. যা জাভাস্ক্রিপ্টকে শুধুমাত্র ক্লায়েন্ট সাইডে সীমাবদ্ধ না রেখে সার্ভার সাইডেও এর ব্যবহার নিশ্চিত করে। সার্ভার সাইডে জাভাস্ক্রিপ্টের কোড চালানোর জন্য Node.js, Chrome এর V8 ইঞ্জিন ব্যবহার করে। Node.js আবিষ্কারের মূল উদ্দেশ্যই ছিলো সার্ভার সাইডে জাভাস্ক্রিপ্টের ব্যবহার নিশ্চিত করা। বর্তমান সময় Netflex, NASA, LinkedIn, Paypal এর মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের এপ্লিকেশনে Node.js ব্যবহার করছে। Node.js আবিষ্কারের গল্পটা অনেকটা নাটকীয়। এ নিয়ে সম্প্রতি Honeypot নামক ইউটিউব চ্যানেল একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে। যা দেখলে Node.js আবিষ্কারের কাহিনি বিস্তারিত জানা জানা যাবে।

Node.js কি?
অনেকে Node.js কে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ভেবে ভুল করেন। কিন্তু মুলত Node.js হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স, ক্রস প্ল্যাটফর্ম, জাভাস্ক্রিপ্ট রানটাইম এনভায়রনমেন্ট। কথাটা একটু কঠিন মনে হচ্ছে তাই না। কোন ব্যাপার না। সহজ করে বুঝিয়ে বলছি। Node.js এর মুল তিনটি জিনিস হচ্ছে- ১. ওপেন সোর্স ২. ক্রস প্ল্যাটফর্ম ৩. রানটাইম এনভায়রনমেন্ট।
ওপেন সোর্স:
ওপেন সোর্সের এক কথায় সহজ ব্যাখ্যা হচ্ছে- সবার জন্য উম্মুক্ত। ওপেন সোর্স সফটওয়্যারগুলো যেকোন মানুষই এডিট করতে পারে। যার কারণে সফটওয়্যারে যদি কোন বাগ থাকে তাহলে যেকোন একজন যদি তা খুজে পায় তাহলে কম সময়েই তা সমাধান করা যায়। যেহেতু Node.js একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার তাই Node.js তৈরির পেছনে অনেকের কন্ট্রিবিউশান আছে। কন্ট্রিবিউটররা প্রতিনিয়ত Node.js এ নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করে যাচ্ছেন এবং কোন ত্রুটি থাকলে তা সমাধান করছেন।
ক্রস প্ল্যাটফর্ম:
ক্রস প্ল্যাটফর্মের মানে হচ্ছে এটি শুধু একটি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইউজার চাইলে Window, Linux, MacOS সহ যেকোন অপারেটিং সিস্টেমে Node.js কে ব্যবহার করতে পারবে।
রানটাইম এনভায়রনমেন্ট:
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের রানটাইম এনভায়রনমেন্ট হচ্ছে এমন একটি এনভায়রনমেন্ট যেখানে ইউজার কোন একটি স্পেসিফিক ল্যাংগুয়েজের কোড এক্সিকিউট করতে পারে। এই এনভায়রনমেন্ট উক্ত ল্যাংগুয়েজের কোড এক্সিকিউট করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল জিনিস সরবরাহ করে। Node.js হচ্ছে জাভাস্ক্রিপ্টের রানটাইম এনভায়রনমেন্ট। Node.js ছাড়াও জাভাস্ক্রিপ্টের অন্যতম সহজ রানটাইম এনভায়রনমেন্টের উদাহরণ হচ্ছে ওয়েব ব্রাউজার। যা ক্লায়েন্ট সাইডে জাভাস্ক্রিপ্টের কোড এক্সিকিউট করার জন্য সকল রিসোর্স সরবরাহ করে।

আশা করছি এবার সবাই বুঝতে পেরেছেন যে Node.js যে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ না এবং এটি জাভাস্ক্রিপ্টের কোন ফ্রেমওয়ার্কও না। এটি হচ্ছে একটি সফটওয়্যার যা জাভাস্ক্রিপ্টের কোড এক্সিকিউট করতে পারে। আরো সহজভাবে বলতে গেলে, Node.js হচ্ছে জাভাস্ক্রিপ্ট রানটাইম এনভায়রনমেন্ট। এটি সার্ভার সাইডে জাভাস্ক্রিপ্টের কোড এক্সিকিউট করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

Node.js কিভাবে কাজ করে?
Node.js এর বেশিরভাগ কোড লেখা হয়েছিলো C এবং C++ দিয়ে। C এর মতো লো লেভেল ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করার কারণে সফটওয়্যারটি অপারেটিং সিস্টেমের রিসোর্সগুলোকে এক্সেস করতে পারে এবং তাদের দিয়ে বিভিন্ন ইনস্ট্রাকশন এক্সিকিউট করাতে পারে। কিন্তু Node.js কাজ করার জন্য এটি ছাড়াও অন্যান্য অনেক জটিলতা আছে।

Node.js কিভাবে কাজ করে তা বুঝতে হলে আমাদের সবার আগে এর তিনটি মুল উপাদান সম্পর্কে জানতে হবে।
V8 ইঞ্জিন
Libuv
Event Loop
V8 ইঞ্জিন:
V8 ইঞ্জিন হলো জাভাস্ক্রিপ্টের একটি ইঞ্জিন যা Chrome ব্রাউজারে জাভাক্রিপ্টের কোড এক্সিকিউট করে। Chrome ছাড়াও অন্যান্য ব্রাউজারগুলো জাভাস্ক্রিপ্টের কোড এক্সিকিউট করার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ইঞ্জিন ব্যবহার করে থাকে। যেমন, Firefox ব্যবহার করে SpiderMonkey, Safari ব্রাউজার ব্যবহার করে JavascriptCore. V8 ইঞ্জিনে একটি মেমোরি হিপ এবং কল স্ট্যাক থাকে। এগুলো হচ্ছে V8 ইঞ্জিনের বিল্ডিং ব্লক। এগুলো ব্রাউজারে জাভাস্ক্রিপ্টের কোড এক্সিকিউট করতে সাহায্য করে।
মেমোরি হিপ হচ্ছে V8 ইঞ্জিনের ডাটা স্টোর। যখনই আমরা কোন ভেরিয়েবল তৈরি করি V8 ইঞ্জিন সেই ভেরিয়েবলটিকে মেমোরি হিপে সংরক্ষণ করে। মেমোরি হিপকে ব্যাকপ্যাকের সাথেও তুলনা করা যায়। কারণ এর ভেতরে ভেরিয়েবলগুলোতে অবজেক্ট এবং ফাংশন গুলো সংরক্ষণ করা থাকে।
ইঞ্জিন যখন কোন কোড এক্সিকিউট করে তখন মেমোরি হিপ থেকে কোড এক্সিকিউশনের জন্য প্রয়োজনীয় ভেরিয়েবল সরবরাহ করা হয়।
এবার আসি কল স্ট্যাকে। কল স্ট্যাক হচ্ছে V8 ইঞ্জিনের আরেকটি বিল্ডিং ব্লক। এটি একটি ডাটা স্ট্রাকচার যা ফাংশন এক্সিকিউশনের অর্ডার মেইনটেইন করে থাকে। যখন কোন ফাংশনকে কল করা হয়, সেটি সবার আগে এই কল স্ট্যাকের ভিতর আসে। ইঞ্জিন যখন সেই ফাংশনকে এক্সিকিউট করে ফেলে তখন সেটি কল স্ট্যাকের জায়গা ত্যাগ করে।

Libub:
Libub হচ্ছে Node.js এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। Libub হচ্ছে C এর একটি লাইব্রেরি যা ইনপুট/আউটপুট (I/O) অপারেশন পারফর্ম করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
Libub হচ্ছে একটি ক্রস প্ল্যাটফর্ম লাইব্রেরি যা যেকোন অপারেটিং সিস্টেমেই চলতে পারে। এটি মুলত ফোকাস করে asynchronous I/O অপারেশনের উপর। এটি একবারে অনেকগুলো I/O অপারেশন পরিচালনা করতে পারে।

Event Loop:
Node.js এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে Event Loop। যখন আমরা জাভাস্ক্রিপ্টের কোড রান করি তখন সেগুলোর ভিতর কিছু Asynchronous কোড থাকে। Node.js সেগুলোকে Node.js API ব্যবহার করে এক্সিকিউট করে। Asynchronous ফাংশনগুলো সাধারণত Normal ফাংশন এক্সিকিউট হওয়ার পর রান হয়। সেজন্য সেগুলোকে Callback Queue এর ভেতরে রাখা হয়। Callback Queue FIFO(First In First Out) পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করে। যার মানে হচ্ছে যে ইনস্ট্রাকশনটি Queue তে আগে প্রবেশ করবে সেটিই আগে এক্সিকিউট হবে।
Event Loop যখন রান করবে তখন এটি চেক করে যে কল স্ট্যাক খালি কিনা। যদি কল স্ট্যাক খালি হয় তখন এটি প্রথম ইনস্ট্রাকশনকে Callback Queue -তে করে জাভাস্ক্রিপ্ট ইঞ্জিনে পাঠায়।
এককথায় বলতে গেলে Event Loop জাভাস্ক্রিপ্টের V8 ইঞ্জিন ব্যবহার করে Asynchronous ইনস্ট্রাকশনগুলোর মধ্য থেকে Callback গুলোকে এক্সিকিউট করে।

Node.js দাবী করে যে এটি Event-Driven আর্কিটেকচার অনুসরণ করে। এর মানে হচ্ছে Node.js প্রথমে কোন Event -কে Listen করে এবং পরে সেই Event এর বিপরীতে প্রতিক্রিয়া করে।
যখনই কোন Event Trigger করা হয় Node.js, Event -কে Event Loop ব্যবহার করে Event টিকে Callback এর ভিতর লোড করে। এই কারণে Real Time Data transfer এর জন্য Node.js অন্যতম সেরা একটি মাধ্যম।

Node.js এর Module:
Node.js এর ফানশনালিটিগুলো এর ভিতর থাকা বিভিন্ন Module এর ভিতর স্টোর করা থাকে। Node.js কিছু উল্ল্যেখযোগ্য Module হলো- HTTP, File System, URL etc.
Express.js কি:
Express.js হচ্ছে Node.js এর জনপ্রিয় একটি Backend Framework। বর্তমান ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর জগতে Mordern Web Application তৈরিতে Express.js গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

Express.js এর ইতিহাস:
সালটা ছিলো ২০১০. Node.js তখনও নতুন ছিলো। ওই সময়টাতেই Express.js তৈরি করা হয়। ওপেন সোর্স ডেপেলপার টিজে হলওয়েচুক Express.js তৈরির জন্য প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তিনি এটি তৈরির জন্য অন্যান্য ফ্রেমওয়ার্কগুলো থেকে কিছু কনসেপ্ট তুলে নেন। Node.js এর অগ্রগতির সাথে সাথে Express.js ও উন্নতি করতে থাকে।

Express.js কিভাবে কাজ করে:
Express.js, Node.js ভিত্তিক Backend Application বানানোর জন্য middleware based লাইব্রেরি হিসেবে কাজ করে। Express.js, backend এর API তৈরির জন্য এবং Static ও Dynamic web application এর Server হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ফ্রেমওয়ার্কটির একটি Modular Architecture রয়েছে। যা ডেভেলপারদের নির্বিঘ্নে Middleware ফাংশন তৈরি করতে দেয়। যে ফাংশনগুলো কোন রাউট হিট করার মাধ্যমে এক্সিকিউট হয়।
Express.js সেট আপ:
নিচের কয়েকটি পদ্ধতি অনুসরণ করে একটি Express Application সেট আপ করা যায়-
প্রথমে নিচের কমান্ডটি দিয়ে Node.js এর প্রজেক্ট Initialize করতে হবে-
npm init -y
তারপর Express.js এর Dependency গুলো ইনস্টল করতে হবে-
npm install express
এবার একটি রুট ফাইল নির্ধারণ করতে হবে যার নাম হবে index.js. ওই ফাইলটির ভিতর নিচের কোডগুলো লিখলেই একটি সিম্পল Express.js সার্ভার তৈরি হয়ে যাবে-
const express = require('express')
// initialize an Express application
const app = express()
// define a simple "/api/my-server" route
app.get('/api/my-server', (req, res) => {
res.send('Welcome to my server')
})
const PORT = process.env.PORT || 3000
app.listen(PORT, () => {
console.log(`Server is running on port ${PORT}`)
}
সার্ভারটি রান করার জন্য নিচের কমান্ডটি দিতে হবে-
node index.js
রান করার পর নিচের এন্ডপয়েন্টে হিট করলেই রেসপন্স দেখা যাবে-
http://localhost:3000/api/my-server
কেন Express.js ব্যবহার করবো:
Performance:
Express.js এর আর্কিটেকচার অনেক হালকা ধরণের। যার কারণে এটি কোন রিকুয়েস্টের বিপরীতে দ্রুত রেসপন্স করতে পারে। এটি রিকুয়েষ্ট এর রেসপন্স দেওয়ার জন্য এটি Node.js এর non-blocking I/O মডেলের উপর নির্ভর করে। যার ফলে Express.js কোন প্রকার পারফরম্যান্স ড্রপ করা ছাড়াই হাজার হাজার রিকুয়েষ্ট হ্যান্ডেল করতে পারে।

Developer Experience:
Express.js হচ্ছে একটি সিম্পল, মিনিমাল এবং ফ্লেক্সিবল ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক। এটির মাধ্যমে সহজেই রাউট ডিফাইন করা এবং Middleware তৈরি করা যায়। Express.js প্রোজেক্ট ব্যবহার করে ডেভেলপাররা সহজেই তাদের Backend application মেইনটেইন করতে পারে।

Community:
স্টাটিস্টার (Statista) মতে, Express.js সারাবিশ্বে ব্যবহৃত অন্যতম একটি Backend ফ্রেমওয়ার্ক। বিশ্বের ২০ শতাংশ ডেভেলপারদের থেকে নেওয়া জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। সারাবিশ্বে Express.js এর মিলিয়ন ব্যবহারকারী আছে। এমনকি Express.js এর অফিসিয়াল গিটহাব রিপোজিটরিতে ৬০ হাজারের বেশি স্টার রয়েছে।

Documentation:
অন্যতম একটি জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্ক হওয়া স্বত্তেও Express.js এর অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন তেমন একটা ভালো না। এটি থেকে প্রজেক্ট সেট আপ করার জন্য কিছু গাইডলাইন পাওয়া যায়। কিন্তু Express.js এর অফিসিয়াল API রেফারেন্সে Express.js সম্পর্কে বিস্তারিত একটি ধারণা পাওয়া যায়। সেখানে Express.js এর সকল রিসোর্স দেওয়া আছে।
তাছাড়াও Stack Overflow তে Express.js নিয়ে হাজার হাজার প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া আছে।
এসব কারণে ইউজাররা Express.js প্রজেক্টে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে।

Integration:
Express.js ফ্রেমওয়ার্কে সহজেই অন্যান্য টেকনোলজি যুক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে সহজে যেকোনো ডাটাবেইজ যেমন: MySQL, PostgreSQL, MongoDB ইত্যাদি কানেক্ট করা যায়। তাছাড়া কিছু সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করে Express.js প্রোজেক্টে বিভিন্ন কোডিং টুলস যেমন- Prettier, ESlint ইত্যাদি যুক্ত করা যায়।

Express.js এর Key Features:
Define Restful API endpoints:
Express.js এর মাধ্যমে খুব সহজেই API রাউট তৈরি করা যায়। Express.js এর app অবজেক্ট এর মাধ্যমে HTTP method ব্যবহার করে নিচের পদ্ধতিতে রাউট ডিফাইন করা যায়:
app.get(): GET Request
app.post(): POST Request
app.put(): PUT Request
app.patch(): PATCH Request
app.delete(): DELETE Request
রাউটিংয়ের এই মেথডগুলো প্যারামিটার হিসেবে একটি API endpoint string ও একটি Callback Function রিসিভ করে। যখন নির্ধারিত API endpoint string ব্যবহার করে কোন রিকুয়েষ্ট করা হয় তখন সেই endpoint string এর সাথে থাকা Callback Function টি এক্সিকিউট হয়।
নিচে Express.js রাউট ডিফাইন করার একটি উদাহরণ দেওয়া হলো:
app.get('/api/users/:id', (req, res) => {
// read the id parameter from the URL
const userId = req.params.id
// retrieve users
const users = getUsers(userId) // getUsers() is a function for retrieve the user data
res.json({ user: user })
})

Database এর সাথে কানেক্ট করা:
ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য Backend Development এর সবচেয়ে অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে Database. তাই Database কানেক্ট করা যেকোন Backend ফ্রেমওয়ার্কের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Express.js ব্যবহার করে যেকোন ধরনের Database সার্ভারের সাথে কানেক্ট করা যায়। তাছাড়া Database সহজে ম্যানেজ করার জন্য Express.js আমাদের দুই ধরনের লাইব্রেরি প্রদান করে। এগুলো হচ্ছে ORM (Object Relational Mapping) যা মুলত Sequelize Database এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় এবং অন্যটি হচ্ছে ODM (Object Document Mapping) যা NoSQL Database এর জন্য ব্যবহার করা হয়।
Middleware Modules:
Express.js এর Middleware ফানশংগুলোর মধ্যে তিনটি জিনিসের এক্সেস থাকে। req (Request), res (Response) এবং next Function. যখন কোন API endpoint এ হিট করা হয় Middleware তখন সেই Request এর বিপরীতে একটি Response দিয়ে থাকে। next() function এর মাধ্যমে একটি Middleware এর কাজ শেষ হলে পরবর্তী Middleware এ যাওয়া যায়।
নিচে Middleware এর একটি উদাহরণ দেওয়া হলো:
const exampleOfMiddleware = (req, res, next) => {
// log the body of the request
console.log(req.body)
// call the next middleware
next()
}

Cookies ব্যবহার এবং Session Management:
HTTP হচ্ছে একটি Stateless প্রটোকল। যার মানে হচ্ছে এটি ক্লায়েন্টের সাথে সার্ভারের কমিউনিকেশনের কোন তথ্য জমা রাখে না। এই সীমাবদ্ধতা থেকে বের হওয়ার জন্য Cookies এর ব্যবহার শুরু হয়। Cookies এর মাধ্যমে ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যাকার Request এর স্টেটগুলো মেইনটেইন করা যায়। এছাড়াও Cookies এর মাধ্যমে ইউজারের সেশনের ট্র‍্যাক রাখা যায়।
Cookies ব্যবহারের এর জন্য Express.js এর জনপ্রিয় প্যাকেজ হচ্ছে cookie-parser. এটি Request Header এ থাকা Cookies কে Parse করে req.cookies এর ভিতর পেয়ারে তা সংরক্ষণ করে।
নিচে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো:
const express = require('express')
const cookieParser = require('cookie-parser')
const app = express()
app.use(cookieParser())
app.post('/set-cookie', (req, res) => {
res.cookie('user', 'Nazmus Sakib')
res.send('Cookie set!')
})

app.get('/get-user', (req, res) => {
const username = req.cookies.user // "Nazmus Sakib"
res.send(`Hello, ${username}!`) // "Hello, Nazmus Sakib"
})

Error Handling:
Error Handling এর জন্য Express.js ডিফল্টভাবে আমাদের একটি Middleware প্রদান করে। সাধারণ Middleware গুলোতে তিনটি প্যারামিটার থাকলেও এই Error Handling Middleware টিতে চারটি প্যারামিটার থাকে। সেগুলো হচ্ছে- err (Error), req (Request), res (Response) এবং next function.
নিচে Error Handling Middleware এর একটি উদাহরণ দেওয়া হলো-
app.use((err, req, res, next) => {
console.error(err)
res.status(500).json('Something went wrong!')
})

User Authentication:
একটি Secure Web Application তৈরির জন্য User Authentication খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Express.js Authentication এর জন্য Client-side token based authentication এবং Server-side session-based authentication এই দুই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে।

এই ব্লগটিতে আমি চেষ্টা করেছি Node.js এবং এর জন্যপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্ক Express.js সম্পর্কে বিস্তারিত একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আরো ভালোভাবে জিনিসগুলো বোঝার জন্য আমাদের ডকুমেন্টেশনগুলো ভালোভাবে দেখতে হবে। Node.js এবং Express.js কে নিয়ে করা অন্যান্য ব্লগগুলো পড়তে হবে। আশা করছি এই ব্লগটি পরে Node.js ও এর ফ্রেমওয়ার্ক Express.js সম্পর্কে মোটামোটি একটি ধারণা পাওয়া যাবে।

যদিও আমার লেখালেখির অভ্যাস আগে থেকেই ছিলো। কিন্তু ব্লগটি সম্পূর্ণ নিজে করিনি। অন্যান্য কয়েকটি ব্লগের সাহায্য নিতে হয়েছে। কিন্তু লিখতে হয়েছে আমাকেই। নিচে যেসব জায়গা থেকে রিসোর্স কালেক্ট করেছি সেগুলোর রেফারেন্স দিয়ে দিলাম-
https://www.freecodecamp.org/news
https://medium.com/
https://blog.logrocket.com/
Node.js এর উপর তৈরি হওয়া ডকুমেন্টরি-
https://www.youtube.com/results?search_query=node+js+history

Browse thousands of programming tutorials written by experts. Learn Web Development, Data Science, DevOps, Security, and get developer career advice.

04/04/2024

Future Backend Defender!

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফিল্ডে এসে আমাদের অনেকের মাঝেই ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ফ্যাসিনেশন কাজ করে। কিন্তু ব্যকেন্ড টেকনোলজি নিয়ে সঠিক ধারনা না থাকার কারনে, অনেকেই ব্যাকেন্ড ডেভেলপার হওয়ার মিশন থেকে ছিটকে পরেন। But trust me আপনি যদি একবার ব্যাকেন্ড টেকনোলোজির প্রেমে পরে যান, তাহলে এর থেকে সহজে বের হতে পারবে না।
ও আচ্ছা ডেভেলপমেন্টে ব্যাকেন্ড বলতে কি বুঝানো হয় সেটাই তো বলা হয় নি! আপনি সহজ ভাষায় ব্যাকেন্ড কে ওয়েব এপ্লিকেশনের হার্ট/হৃৎপিণ্ড বলতে পারেন। হার্ট যেমন আমাদের দেহের অনেক গুরুত্ব পূর্ণ অংশ, অনেক গুরু দায়িত্ব পালন করে, কিন্তু সার্ফেস থেকে সেটা কে ধরা বা ছোঁয়া যায় না, ঠিক তেমনি ব্যাকেন্ডও ওয়েবসাইটের লজিক, ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট এবং সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিং এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করে। ব্যবহারকারীরা সরাসরি ব্যাকেন্ড দেখতে পায় না, ওয়েবসাইট গুলো মুলত ব্যাকেন্ড টেকনোলোজির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
তাহলে সকল ওয়েবসাইটেই কি ব্যাকেন্ড থাকে?

উত্তর খুব সহজ, সকল ওয়েবসাইটেই ব্যাকেন্ড থাকে না। এখন আপনি বলতেই পারেন, এতক্ষন অনেক গুণগান করলেন কিন্তু এবারে তো আমার মোটিভেশন টাই নষ্ট করে দিলেন!
ohh no! আপনি ধরুন একটি একটি ল্যন্ডিং পেজ বা স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট বানাচ্ছেন। এই ধরনের ওয়েবসাইট গুলোতে ডাটা চেঞ্জ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে, আপনি HTML, CSS এবং JavaScript ব্যবহার করে সহজেই সেটি ম্যানেজ করতে পারবেন।
কিন্তু ধরুন, আপনি একটি ব্যাংক, হাসপাতাল, ই-কমার্স বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইট বানাচ্ছেন। যেই সাইট গুলোতে প্রতিদিন শত শত ইউজার ভিজিট করবে, ডাটা ডাইন্যামিক্যালি চেঞ্জ হবে, ইউজার ডাটা ইনপুট দিতে পারবে, ইউজারের ডাটা ডাটাবেজে স্টোর করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি এই কর্মযজ্ঞ স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের মত করে ম্যানেজ করতে পারবেন না। অবশই আপনার এজন্য ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশন থাকা লাগবে, যার মাধ্যমে আপনি এসকল কার্যক্রম ম্যানেজ করতে পারবেন।
এখন ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশন তৈরির জন্য অবশ্যই আপনাদের ব্যাকেন্ড টেকনোলোজি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা লাগবে। তাই চলুন ব্যকেন্ড টেকনোলোজি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
PROGRAMMING LANGUAGE

প্রথমেই আলোচনা করি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নিয়ে। ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশন আপনি বিভিন্ন ধরনের ল্যাংগুয়েজ দিয়ে তৈরি করতে পারবেন।
Python: ডেটা সাইন্স, মেশিন লার্নিং এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য জনপ্রিয়।
Java: স্কেলেবল এবং এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশনের জন্য জনপ্রিয়।
JavaScript: Node.js ব্যবহার করে সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিংয়ের জন্য জনপ্রিয়।
PHP: ওয়ার্ডপ্রেসের মতো CMS এর জন্য জনপ্রিয়।
Ruby: Rails ব্যবহার করে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য জনপ্রিয়।
সব গুলো টেকনোলোজি নিজের স্ট্যাকে অনেক জনপ্রিয়। কিন্তু আমরা যেহেতু JavaScript ব্যাকগ্রাউন্ডের তাই আমরা এটি নিয়ে জানবো।
JAVASCRIPT দিয়ে কিভাবে ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশন তৈরি করে?

JavaScript শুধুমাত্র ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য নয়, ব্যাকেন্ড অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে। Node.js ব্যবহার করে JavaScript-এর মাধ্যমে স্কেলেবল এবং উচ্চ-পারফরম্যান্স ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা সম্ভব।
Node.js:
Node.js হলো JavaScript-এর একটি রানটাইম ইনভাইরন্মেন্ট যা JavaScript-কে সার্ভার-সাইডে ব্যবহার করার উপযোগী করে তুলে। এর মানে হলো, আপনি এখন JavaScript ব্যবহার করে ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনের ব্যাকএন্ড তৈরি করতে পারেন, যা আগে শুধুমাত্র PHP, Java, Python, Ruby, .NET, C++ ইত্যাদির মতো ভাষা ব্যবহার করে করা সম্ভব ছিল।
সাধারণত JavaScript দিয়ে ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশন তৈরিতে Node.js এর অতি জনপ্রিয় একটি ফ্রেমওয়ার্ক ইউজ করা হয়। যার নাম হচ্ছে Express.js. এর মাধ্যমে অনেক সহজে স্কেলেবল ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশন তৈরি করা যায়। সেই সাথে node এর বৃহৎ একটি প্যাকেজ ম্যানেজার আছে যার নাম npm → Node Package Manager. এর মাধ্যমে ডেভেলপারদের Node.js অ্যাপ্লিকেশনের জন্য থার্ড-পার্টি প্যাকেজ ইনস্টল, ম্যানেজ এবং আপডেট করা যায়। npm-এ লক্ষ লক্ষ প্যাকেজ রয়েছে যা বিভিন্ন ধরণের কার্যকারিতা প্রদান করে।
Node.js ব্যবহারের সুবিধা:
দ্রুত এবং উচ্চ-পারফরম্যান্সের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা সম্ভব।
স্কেলেবল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা সহজ।
অ্যাসিঙ্ক্রোনাস অপারেশন সহজেই পরিচালনা করা সম্ভব।
JavaScript-এর জ্ঞান থাকলে Node.js শেখা সহজ।
Node.js-এর জন্য একটি বৃহৎ এবং সক্রিয় কমিউনিটি রয়েছে, যেকোনো সমস্যায় সেখান থেকে হেল্প নেয়া যায়।
Node.js ব্যবহার করে তৈরি করা কিছু জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন:
Netflix
Uber
PayPal
eBay
LinkedIn
BACKEND DEVELOPMENT USING OTHER PROGRAMMING LANGUAGES

এই পর্যায়ে, আমরা Node.js এবং JavaScript ছাড়াও অন্যান্য জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে আলোচনা করবো।
Python:
ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট: Python একটি জনপ্রিয় general-purpose ভাষা যা ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ফ্রেমওয়ার্ক: Django, Flask, Pyramid
প্যাকেজ ম্যানেজার: pip
কমিউনিটি সাপোর্ট: Python-এর একটি বিশাল এবং সক্রিয় কমিউনিটি রয়েছে।
কাদের জন্য উপযোগী: Python শেখা তুলনামূলকভাবে সহজ, সহজে নতুনদের শেখার উপযোগী।
Java:
ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট: Java একটি robust এবং scalable ভাষা যা enterprise-level অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ফ্রেমওয়ার্ক: Spring Boot, Spring MVC, Struts
প্যাকেজ ম্যানেজার: Maven
কমিউনিটি সাপোর্ট: Java-এর একটি বিশাল এবং সক্রিয় কমিউনিটি রয়েছে।
কাঁদের জন্য উপযোগী: Java শেখা Python-এর তুলনায় একটু বেশি কঠিন হতে পারে।
C #:
ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট: C # .NET Framework-এর জন্য Microsoft-এর তৈরি একটি ভাষা।
ফ্রেমওয়ার্ক: ASP.NET Core, Entity Framework
প্যাকেজ ম্যানেজার: NuGet
কমিউনিটি সাপোর্ট: C #-এর একটি বৃহৎ এবং সক্রিয় কমিউনিটি রয়েছে।
কাঁদের জন্য উপযোগী: C # শেখা Python বা Java-এর তুলনায় একটু বেশি কঠিন হতে পারে।
PHP:
ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট: PHP ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য একটি জনপ্রিয় ভাষা যা WordPress এর মতো জনপ্রিয় CMS সিস্টেমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ফ্রেমওয়ার্ক: Laravel, CodeIgniter, Symfony
প্যাকেজ ম্যানেজার: Composer
কমিউনিটি সাপোর্ট: PHP-এর একটি বৃহৎ এবং সক্রিয় কমিউনিটি রয়েছে।
কাঁদের জন্য উপযোগী: PHP শেখা Python বা Java-এর তুলনায় একটু বেশি কঠিন হতে পারে।
আপনার প্রয়োজনীয়তা, দক্ষতা এবং পছন্দের উপর নির্ভর করে আপনার জন্য সঠিক প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ গুলো শিখতে পারেন।
DATABASE

বিষয় হচ্ছে শুরুতেই ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশনের মাধ্যমে “ডাটা ডাইন্যামিক্যালি চেঞ্জ হবে, ইউজার ডাটা ইনপুট দিতে পারবে, ইউজারের ডাটা ডাটাবেজে স্টোর হবে” ইত্যাদি বলেছি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এতক্ষন তো সার্ভার নিয়ে কথা হলো, ডাটা ম্যানেজ করবো কিভাবে?
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সিস্টেম কে আমরা DBMS বলে থাকি। DBMS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Database Management System. Node.js এর সাথে সাধারণত আমরা সকল ধরনের DBMS এর সাথে কাজ করতে পারি। অতিপরিচিত এবং ব্যবহৃত DBMS গুলো হচ্ছেঃ MySQL, PostgreSQL, MongoDB, Oracle, MariaDB ইত্যাদি।
DBMS সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকেঃ
SQL Database: MySQL, PostgreSQL, Oracle, MariaDB ইত্যাদি SQL Database.
এধরনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকে RDBMS (Relational Database Management System) বলা হয়ে থাকে।
Table আকারে Structured ডেটা স্টোর করা যায়।
NoSQL Database:MongoDB, Cassandra, Firebase ইত্যাদি NoSQL Database.
JSON এর মতো সহজবোধ্য ফর্ম্যাটে ডাটা স্টোর করতে পারবেন।
Unstructured ডেটা স্টোর করার জন্য উপযুক্ত।
SQL এবং NoSQL দুটি ভিন্ন ধরণের ডাটাবেস। আপনার প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে কোন ডাটাবেস ব্যবহার করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে।
ডেটা ম্যানেজমেন্ট টুল:
SQLyog, MySQL Workbench, DataGrip - ডাটাবেসের ম্যানেজমেন্ট এর জন্য।
NoSQLBooster, Studio 3T - NoSQL ডাটাবেসে ম্যানেজমেন্ট এর ****জন্য।
API TESTING TOOLS

ব্যাকেন্ড এপ্লিকেশনের জন্য API টেস্টিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। API টেস্ট করার জন্য কিছু জনপ্রিয় টুল হচ্ছে Postman, Thunder Client, hopscotch, ApiDog, SoapUI ইত্যাদি।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
Version Control: Git ব্যবহার করে কোড ম্যানেজ করতে পারেন।
Testing: Unit testing, integration testing এবং end-to-end testing করতে পারেন।
Deployment: Heroku, AWS, Google Cloud Platform-এর মতো প্ল্যাটফর্মে অ্যাপ্লিকেশন ডেপ্লয় করতে পারেন।
আপনার ব্যাকেন্ড জার্নিকে সুগম করতে আজকেই টেকনোলোজি এবং টুল সমুহ এক্সপ্লোর করা শুরু করে দিন। ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট শেখা রাতারাতি হয় না। ধৈর্য ধরুন, নিয়মিত অনুশীলন করুন।

Call now to connect with business.

Address

Vadodara
391760

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CodeCraft with Rubel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to CodeCraft with Rubel:

Shortcuts

Share

Category