19/09/2026
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এখন দারুণ একটা ঘটনা ঘটছে! কানাডার প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ইউরোপীয় পার্লামেন্টে গিয়ে একটা ঐতিহাসিক বক্তৃতা দিয়েছেন। তিনি কানাডা আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) মধ্যে একটা নতুন আর শক্তিশালী জোট গড়ার প্রস্তাব রেখেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নও কিন্তু কানাডাকে তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো "অ্যাসোসিয়েট মেম্বার" বা বিশেষ সহযোগী করার অফার দিয়েছে।
এই নতুন চুক্তিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ডিফেন্স প্রযুক্তি এবং ক্লিন এনার্জির মতো বড় বড় খাতে দুটো দেশ একসাথে কাজ করবে। তাছাড়া ইউরোপের বিখ্যাত 'ইরাসমাস প্লাস' শিক্ষা প্রোগ্রামেও কানাডার তরুণরা যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবে। কানাডায় যেসব মূল্যবান খনিজ সম্পদ আছে, সেগুলো এখন সরাসরি ইউরোপে যাবে। ফলে ইউরোপকে আর অন্য কোনো দেশের ওপর ভরসা করতে হবে না।
তবে এই নতুন জোট নিয়ে আমেরিকা কিন্তু বেশ গরম! ডোনাল্ড ট্রাম্প এটাকে নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি ইউরোপ আর কানাডার ওপর বাড়তি ট্যাক্স লাগানোর হুমকিও দিয়েছেন। কিন্তু কানাডা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কিন্তু আমেরিকার সাথে মারামারি করতে যাচ্ছে না। তারা শুধু বৈশ্বিক অর্থনীতিতে একটা দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে চাইছে।
আমেরিকা কানাডার পাশের দেশ, তাই এই সম্পর্ক সহজে ভেঙে যাবে না। তবে ট্যাক্স ইস্যুতে দুদেশের মধ্যে কিছুটা মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হতেই পারে। ভবিষ্যতে যদি আমেরিকা সত্যি ট্যাক্স বাড়ায়, তবে কানাডা আর ইউরোপ মিলে নিজেদের একটা শক্তিশালী বিকল্প বাজার গড়ে তুলবে। এই পদক্ষেপে বিশ্ব রাজনীতিতে কানাডার গুরুত্ব আর দরকষাকষির ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে যাবে!