Siͥleͣnͫt Cyber Raid

Siͥleͣnͫt Cyber Raid WE MOVE SILENTLY, BUT LEAVE NO CLEAR MARK

টিকটকে আসছে টাকা লেনদেনের সুবিধা!সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে নতুন ফিচার আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এখন থেকে সরাসরি বার্ত...
08/22/2026

টিকটকে আসছে টাকা লেনদেনের সুবিধা!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে নতুন ফিচার আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এখন থেকে সরাসরি বার্তা (ডাইরেক্ট মেসেজ) আদান-প্রদানের সময় ব্যবহারকারীদের মধ্যে অর্থ লেনদেনের সুবিধা চালু হতে পারে।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ জানিয়েছে, এ সুবিধা চালু হলে টিকটকের নিজস্ব অর্থ লেনদেন ব্যবস্থা ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা পরস্পরের মধ্যে টাকা পাঠাতে পারবেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে আইফোনের জন্য টিকটক অ্যাপের বর্তমান সংস্করণের গোপন সংকেতের মধ্যে এ সুবিধার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা গেছে, টাকা পাঠানোর পর প্রাপক একটি বোতামে চাপ দিয়ে তা গ্রহণ করতে পারবেন। টাকা পাঠানোর সময় এর সঙ্গে ছোট বার্তাও যুক্ত করা যাবে।

তবে টিকটক জানিয়েছে, এ সুবিধা এখনো চালু করা হয়নি। ফলে কবে নাগাদ এটি ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে তা নিশ্চিত নয়।

টিকটকের অর্থ লেনদেন ব্যবস্থা বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে টিকটক শপের কেনাকাটায় ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন সুবিধা চালু হলে একই ব্যবস্থা ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যেও টাকা পাঠাতে পারবেন।

বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
আর্থিক সেবায় টিকটকের প্রবেশ অবশ্য নতুন নয়। এর আগে চলতি বছরের মার্চে রয়টার্স জানিয়েছিল, ব্রাজিলে ঋণ ও অর্থ লেনদেনের সেবা দেওয়ার জন্য আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার অনুমতি চেয়েছে টিকটক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গণ্ডি পেরিয়ে টিকটক ধীরে ধীরে বিভিন্ন ধরনের সেবা যুক্ত করছে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত তথ্য খোঁজার সুবিধা, অনলাইন কেনাকাটা, স্থানীয় জায়গা খোঁজার মানচিত্র, গেম এবং হোটেল বুকিং। ব্যবহারকারীদের মধ্যে সরাসরি টাকা পাঠানোর সুবিধা চালু হলে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক সেবার ক্ষেত্রেও আরও বড় পরিসরে প্রবেশ করবে।

এ ক্ষেত্রে টিকটকের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে ভেনমো ও জেল-এর মতো অর্থ লেনদেনের সেবা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে টিকটক একাই এমন উদ্যোগ নিচ্ছে না। সাবেক টুইটার, বর্তমানে এক্সও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ‘এক্স মানি’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পরস্পরের মধ্যে টাকা পাঠাতে পারবেন।

তবে টিকটকের নতুন সুবিধাটি এখনো উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে। তাই এটি শেষ পর্যন্ত সবার জন্য চালু হবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

হোয়াটসঅ্যাপ আরও নিরাপদ রাখতে যে ৫টি সেটিংস চালু করবেনজনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা ও কলের নিরাপত্তায় ড...
08/22/2026

হোয়াটসঅ্যাপ আরও নিরাপদ রাখতে যে ৫টি সেটিংস চালু করবেন

জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা ও কলের নিরাপত্তায় ডিফল্টভাবে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন চালু থাকে। ফলে সাধারণভাবে প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া অন্য কেউ বার্তার মূল বিষয়বস্তু দেখতে পারেন না। তবে শুধু এনক্রিপশনই অ্যাকাউন্টের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। ব্যক্তিগত তথ্য, ফোনে অননুমোদিত প্রবেশ এবং অ্যাকাউন্ট দখলের ঝুঁকি কমাতে হোয়াটসঅ্যাপের কিছু নিরাপত্তা ফিচারও চালু রাখা জরুরি।

প্রাইভেসি চেকআপ ব্যবহার করুন
হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংসের প্রাইভেসি মেনুতে থাকা ‘প্রাইভেসি চেকআপ’ ফিচারের মাধ্যমে প্রথমে যাচাই করুন, কারা আপনার প্রোফাইল ছবি, অ্যাবাউট, স্ট্যাটাস ও লাস্ট সিন দেখতে পারবে। প্রয়োজনে ‘মাই কন্ট্যাক্টস’ নির্বাচন করে এসব তথ্য শুধু পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যায়। চাইলে ‘নোবডি’ অপশন ব্যবহার করে সবার কাছ থেকেই তথ্য গোপন রাখা সম্ভব।

এ ছাড়া অপরিচিত নম্বরের কল সাইলেন্ট করা এবং কারা আপনাকে গ্রুপে যুক্ত করতে পারবে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নিয়মিত এসব সেটিংস পর্যালোচনা করলে ব্যক্তিগত তথ্য অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির কাছে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

গুরুত্বপূর্ণ চ্যাটে ডিসাপিয়ারিং মেসেজেস চালু করুন
সব কথোপকথন দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না। এ ক্ষেত্রে ‘ডিসাপিয়ারিং মেসেজেস’ ফিচার ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় পর নতুন বার্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার ব্যবস্থা করা যায়। বর্তমানে ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন ও ৯০ দিনের সময়সীমা বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

নতুন ব্যক্তিগত চ্যাটের জন্য সেটিংস > প্রাইভেসি > ডিফল্ট মেসেজ টাইমার থেকে সময় নির্ধারণ করা যায়। তবে বার্তা অদৃশ্য হলেও প্রাপক চাইলে স্ক্রিনশট বা অন্য কোনো উপায়ে তা সংরক্ষণ করতে পারেন।

৩. টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু রাখুন
অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়াতে ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ চালু করা গুরুত্বপূর্ণ। সেটিংস > অ্যাকাউন্ট > টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন থেকে ছয় সংখ্যার একটি পিন নির্ধারণ করা যায়। পিন ভুলে গেলে পুনরুদ্ধারের সুবিধার জন্য একটি ই-মেইল ঠিকানাও যুক্ত করা যেতে পারে।

এ ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় পাস-কী ব্যবহারের সুবিধাও রয়েছে। ফলে শুধু ফোন নম্বরের ওপর নির্ভর না করে অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্তর যোগ করা সম্ভব।

অ্যাপ লক ও চ্যাট লক ব্যবহার করুন
ফোন অন্য কারও হাতে চলে গেলেও ব্যক্তিগত কথোপকথন সুরক্ষিত রাখতে ‘অ্যাপ লক’ বেশ কার্যকর। সেটিংস > প্রাইভেসি > অ্যাপ লক থেকে আইফোনে ফেস আইডি বা টাচ আইডি এবং অ্যান্ড্রয়েডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ লক করা যায়।

আরও সংবেদনশীল কথোপকথনের ক্ষেত্রে ‘চ্যাট লক’ ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে নির্দিষ্ট চ্যাট মূল তালিকা থেকে আলাদা একটি সুরক্ষিত ফোল্ডারে চলে যায়। পাশাপাশি ফোনের লকস্ক্রিনে মেসেজের পূর্ণাঙ্গ প্রিভিউ বন্ধ রাখলে অন্যের সামনে ব্যক্তিগত বার্তা প্রকাশের ঝুঁকিও কমে।

অ্যাডভান্সড প্রাইভেসি সেটিংস চালু করুন
অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য সেটিংসের প্রাইভেসি অংশে থাকা ‘অ্যাডভান্সড’ সেটিংসও পর্যালোচনা করা উচিত। এখানে ‘ব্লক আননোন মেসেজেস’ অপশন চালু করলে অপরিচিত উৎস থেকে আসা বার্তা ব্লক করার ব্যবস্থা করা যায়।

এ ছাড়া ‘প্রটেক্ট ইউর আইপি অ্যাড্রেস ইন কলস’ অপশনটি চালু করলে হোয়াটসঅ্যাপ কলে ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা প্রকাশের ঝুঁকি কমে। তবে এতে কলের মান কিছুটা প্রভাবিত হতে পারে।

সব মিলিয়ে, হোয়াটসঅ্যাপের নিরাপত্তা শুধু এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের ওপর নির্ভর করে না। প্রাইভেসি সেটিংস নিয়ন্ত্রণ, টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন, অ্যাপ ও চ্যাট লক এবং উন্নত গোপনীয়তা ফিচারগুলো সক্রিয় রাখলে ব্যক্তিগত তথ্য ও অ্যাকাউন্টকে আরও নিরাপদ রাখা সম্ভব।

কিশোরদের জন্য এলো চ্যাটজিপিটি ‘টিনেজার মোড’কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এখন শুধু বড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। পড়াশোনা, তথ্...
08/22/2026

কিশোরদের জন্য এলো চ্যাটজিপিটি ‘টিনেজার মোড’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এখন শুধু বড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। পড়াশোনা, তথ্য খোঁজা, লেখালেখি কিংবা নতুন কিছু শেখার কাজে কিশোর-কিশোরীরাও নিয়মিত এআই ব্যবহার করছে। তবে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল কনটেন্ট, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ কিংবা মানসিক স্বাস্থ্যের মতো বিষয় নিয়ে বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই কিশোরদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে ওপেনএআই।

ওপেনএআই চ্যাটজিপিটি ফর টিনস চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এটি আলাদা কোনো অ্যাপ নয়; বরং চ্যাটজিপিটির মধ্যেই কিশোরদের জন্য তৈরি একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা, যেখানে বয়স উপযোগী ব্যবহারের জন্য বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো, কিশোররা যেন এআই ব্যবহার করে শেখা ও সৃজনশীল কাজ করতে পারে, একই সঙ্গে অনুপযুক্ত বা ক্ষতিকর কনটেন্টের ঝুঁকিও কম থাকে।

কারা পাবেন এই সুবিধা?
চ্যাটজিপিটি ফর টিনস মূলত ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য। ওপেনএআই জানিয়েছে, কোনো অ্যাকাউন্ট ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীর হতে পারে বলে সিস্টেম অনুমান করলে সেখানে টিন-উপযোগী অভিজ্ঞতা চালু হতে পারে। ব্যবহারকারীর বয়স সম্পর্কে সিস্টেমের অনুমান বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত সংকেতের ওপর ভিত্তি করে হতে পারে।

আপনার কম্পিউটারের কাজের সব হিস্টোরি জানাবে চ্যাটজিপিটি!
সংবেদনশীল কনটেন্টে বাড়তি সতর্কতা
টিনএজারদের জন্য চ্যাটজিপিটি-তে সংবেদনশীল ও বয়সের অনুপযোগী কনটেন্ট কমিয়ে আনার জন্য অতিরিক্ত সুরক্ষা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রাফিক সহিংসতা, ঝুঁকিপূর্ণ ভাইরাল চ্যালেঞ্জ, যৌন বা রোমান্টিক রোলপ্লে, সহিংস রোলপ্লে এবং অতিরিক্ত সৌন্দর্যচর্চা বা অস্বাস্থ্যকর ডায়েটের মতো বিষয় রয়েছে। অর্থাৎ একই প্রশ্নের ক্ষেত্রে টিন ব্যবহারকারীর জন্য চ্যাটজিপিটি তুলনামূলকভাবে বেশি সতর্কভাবে উত্তর দিতে পারে।

তবে ওপেনএআই স্পষ্ট করেছে, কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থাই শতভাগ নিখুঁত নয়। তাই কিশোরদের এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সুরক্ষার পাশাপাশি অভিভাবক ও পরিবারের সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ।

থাকছে পেরেন্টাল কন্ট্রোল
চ্যাটজিপিটি ফর টিনসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অভিভাবকদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণের সুবিধা। বাবা-মা বা অভিভাবক তাঁদের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কিশোরের অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে কিছু ফিচার ও সেটিংস পরিচালনা করতে পারবেন।

এর মাধ্যমে সংবেদনশীল কনটেন্ট কমানোর সুরক্ষা, মেমোরি ব্যবহার, ভয়েস মোড, ছবি তৈরি বা সম্পাদনার সুবিধা, স্টাডি মোডসহ বেশ কিছু সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অভিভাবক চাইলে নির্দিষ্ট সময়ে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার বন্ধ রাখার জন্য ‘কোয়াইট আওয়ারস’-ও নির্ধারণ করতে পারেন।

সন্তানের চ্যাট কি দেখতে পারবেন বাবা-মা?
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। পেরেন্টাল কন্ট্রোল চালু করলেও অভিভাবক তাদের সন্তানের ব্যক্তিগত চ্যাট, চ্যাট হিস্ট্রি বা রিয়েল-টাইম কার্যক্রম সরাসরি দেখতে পারবেন না। তবে কোনো গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অভিভাবকের কাছে সেফটি নোটিফিকেশন পাঠানো হতে পারে।

কাজ সহজ ও দ্রুত করতে ৫ এআই টুল হতে পারে আপনার সঙ্গী
ওপেনএআই জানিয়েছে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সিস্টেম সম্ভাব্য গুরুতর আত্মক্ষতি বা সহিংসতার ঝুঁকির সংকেত শনাক্ত করার চেষ্টা করে। প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষিত একটি ছোট পর্যালোচক দল বিষয়টি মূল্যায়ন করতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট অভিভাবককে সীমিত তথ্য জানানো হতে পারে।

পড়াশোনাতেও ব্যবহার করা যাবে
নিরাপত্তার পাশাপাশি কিশোরদের শেখার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চ্যাটজিপিটি ফর টিনসের উদ্দেশ্য শুধু ক্ষতিকর কনটেন্ট আটকে দেওয়া নয়; বরং কিশোরদের শেখা, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা গভীর করতেও সহায়তা করা। অভিভাবকেরা চাইলে স্টাডি মোড-সংক্রান্ত সেটিংসও পরিচালনা করতে পারবেন।

১৮ বছর হলে কী হবে?
কোনো ব্যবহারকারী ১৮ বছর বয়সী হিসেবে শনাক্ত হলে তার অ্যাকাউন্ট ধীরে ধীরে টিন অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের অভিজ্ঞতায় চলে যাবে। তখন টিন সুরক্ষাগুলো ডিফল্টভাবে বন্ধ হয়ে যাবে এবং ব্যবহারকারী নিজের চ্যাটজিপিটি সেটিংসের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পাবেন। যদি আগে পেরেন্টাল কন্ট্রোল যুক্ত থাকে, সেই সংযোগও শেষ হয়ে যাবে।

চ্যাটজিপিটি ফর টিনসের লক্ষ্য কিশোরদের এআই ব্যবহার বন্ধ করা নয়; বরং তাদের বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী আরও নিরাপদ পরিবেশে এআই ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা। প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং অভিভাবকের দায়িত্বশীল নজরদারির মধ্যে ভারসাম্য রাখা।

পেনড্রাইভ ছাড়াই বড় ফাইল ট্রান্সফার করার সহজ উপায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো ডেটা বা ফাইল আদানপ্রদানের প্রয়োজন হলেও অনেক সময় হাতের...
08/21/2026

পেনড্রাইভ ছাড়াই বড় ফাইল ট্রান্সফার করার সহজ উপায়

গুরুত্বপূর্ণ কোনো ডেটা বা ফাইল আদানপ্রদানের প্রয়োজন হলেও অনেক সময় হাতের কাছে পেনড্রাইভ বা ইউএসবি ক্যাবল থাকে না। তবে এই পরিস্থিতিতে চিন্তার কোনো কারণ নেই, কারণ ফিজিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস ছাড়াই কিছু স্মার্ট কৌশলের মাধ্যমে খুব সহজেই ফাইল এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পাঠানো সম্ভব।

ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করে গুগল ড্রাইভ, ওয়ানড্রাইভ বা ড্রপবক্সের মতো সেবাগুলোর মাধ্যমে ফাইল ভার্চুয়াল পেনড্রাইভের মতো ব্যবহার করা যায়। কম্পিউটার বা স্মার্টফোন থেকে ফাইল আপলোড করে তার শেয়ারিং লিংক তৈরি করে যেকোনো কাউকে পাঠানো সম্ভব। এছাড়া কাছাকাছি থাকা ডিভাইসের মধ্যে ওয়্যারলেস ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য অ্যাপল ডিভাইসে এয়ারড্রপ এবং অ্যান্ড্রয়েড ও উইন্ডোজের জন্য কুইক শেয়ার ফিচার বেশ কার্যকর। ইন্টারনেট ছাড়াই এই ফিচারের সাহায্যে বড় ফাইল দ্রুত ট্রান্সফার করা যায়।

মেসেজিং অ্যাপ যেমন হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামের মাধ্যমেও এখন সহজে ফাইল আদানপ্রদান করা যায়। টেলিগ্রামে বড় ফাইল পাঠানোর সুবিধা রয়েছে এবং হোয়াটসঅ্যাপের ডকুমেন্ট শেয়ারিং ফিচারের মাধ্যমে ছবি, পিডিএফ বা ভিডিও পাঠানো সম্ভব। পাশাপাশি দূরে থাকা কোনো বন্ধু বা ক্লায়েন্টকে ফাইল পাঠাতে উইট্রান্সফারের মতো থার্ড-পার্টি ফাইল শেয়ারিং ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ডাউনলোড লিংক তৈরি করা যায়। এছাড়া দুটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ একই ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতায় থাকলে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যানের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাহায্য ছাড়াই দ্রুত বড় ফাইল শেয়ার করা সম্ভব।

08/21/2026

📱 হোয়াটসঅ্যাপে আসছে পুরোনো বার্তা খোঁজার নতুন সুবিধা

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য দীর্ঘ চ্যাটের পুরোনো বার্তা খুঁজে পাওয়া আরও সহজ করতে নতুন একটি সার্চ শর্টকাট নিয়ে কাজ করছে প্ল্যাটফর্মটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইফোনের একটি নতুন বিটা সংস্করণে এই ফিচারটি দেখা গেছে। নতুন সুবিধায় চ্যাটের মধ্যেই একটি সার্চ বাটন দেখা যাবে। ব্যবহারকারী পুরোনো মেসেজ দেখতে চ্যাটে ওপরের দিকে স্ক্রল করলে বাটনটি প্রদর্শিত হতে পারে।

বর্তমানে কোনো পুরোনো মেসেজ খুঁজতে হলে চ্যাটের তথ্য বা কন্টাক্টের প্রোফাইলে গিয়ে Search অপশন নির্বাচন করতে হয়। নতুন ফিচারটি চালু হলে চ্যাট থেকে বের না হয়েই সরাসরি পুরোনো মেসেজ অনুসন্ধান করা যাবে।

বিশেষ করে দীর্ঘ ব্যক্তিগত ও গ্রুপ চ্যাটে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য, মেসেজ বা কথোপকথন খুঁজে পেতে এই ফিচারটি বেশ কার্যকর হতে পারে।

🔎 তবে এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। সব ব্যবহারকারীর জন্য ফিচারটি কবে চালু হবে, সে বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার কী মনে হয়—হোয়াটসঅ্যাপের এই নতুন সার্চ শর্টকাটটি কতটা কাজে আসবে?

08/21/2026

হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস এ নতুন আপডেট

হোয়াটসঅ্যাপ তার ব্যবসায়িক মেসেজিং সিস্টেমে একটি বড় পরিবর্তন করতে প্রস্তুত, একটি প্রতিবেদন অনুসারে, 1 অক্টোবর, 2026 থেকে গ্রাহকদের নির্দিষ্ট উত্তরের জন্য ব্যবসায়িকদের অর্থ প্রদান করতে হবে।

পরিবর্তনটি সেইসব ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে যারা হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস প্ল্যাটফর্ম বা এর অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (API) ব্যবহার করে গ্রাহকদের সাথে স্কেলে যোগাযোগ করতে। যাইহোক, সাধারণ ব্যবহারকারী এবং ছোট ব্যবসাগুলি স্ট্যান্ডার্ড হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস অ্যাপ ব্যবহার করে প্রভাবিত হবে না।

নতুন সিস্টেমের অধীনে, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার ধরন, প্রাপকের দেশ এবং যোগাযোগের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে ব্যবসায়িক মেসেজিং চার্জ নির্ধারণ করবে। ফলস্বরূপ, ব্যবসা এবং প্রচারমূলক বার্তাগুলির হার বাজার জুড়ে পরিবর্তিত হবে।

প্রচারমূলক বার্তাগুলি ইউটিলিটি বার্তাগুলির চেয়ে বেশি চার্জ বহন করবে, যে সংস্থাগুলি বিপুল সংখ্যক গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য WhatsApp ব্যবহার করে তাদের জন্য সম্ভাব্য খরচ বৃদ্ধি পাবে।

নীতিটি বিশেষত গ্রাহক সহায়তা, অর্থপ্রদান নিশ্চিতকরণ, পরিচয় যাচাইকরণ এবং অর্ডার আপডেটের জন্য হোয়াটসঅ্যাপের উপর নির্ভরশীল ব্যবসাগুলিকে প্রভাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলস্বরূপ, গ্রাহক যোগাযোগের বিশাল পরিমাণ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলি উল্লেখযোগ্যভাবে উচ্চ বার্তা ব্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।

পূর্বে, ব্যবহারকারী কথোপকথন শুরু করার পরে ব্যবসাগুলি 24-ঘন্টা গ্রাহক পরিষেবা উইন্ডোতে অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারত। যাইহোক, সংশোধিত সিস্টেম চার্জ সাপেক্ষে বার্তার পরিধিকে প্রসারিত করবে।

এই পদক্ষেপটি হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবসার জন্য তার প্রতি-বার্তা মূল্যের মডেলের বিস্তৃত সম্প্রসারণ অনুসরণ করে। প্ল্যাটফর্মটি ইতিমধ্যে প্রচারমূলক এবং পরিষেবা-সম্পর্কিত যোগাযোগ সহ কিছু ব্যবসা-সূচিত বার্তাগুলির জন্য চার্জ চালু করেছে।

এদিকে, শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলি গ্রাহকদের সাথে জড়িত থাকার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে এমন সংস্থাগুলির জন্য মেসেজিং খরচ বাড়াতে পারে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ বার্তা প্রেরণকারী ব্যবসাগুলির জন্য প্রভাবটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

সংশোধিত মূল্য কাঠামো হোয়াটসঅ্যাপ এর ব্যবসায়িক মেসেজিং পরিষেবাগুলিকে নগদীকরণের উপর ক্রমবর্ধমান ফোকাসকে আন্ডারস্কোর করে এবং যোগাযোগের পরিসর প্রসারিত করে যার জন্য কোম্পানিগুলি অর্থ প্রদান করে।

08/20/2026

🔐 আপনার Wi-Fi Password জানলেই কি কেউ আপনার ফোন হ্যাক করতে পারে?
অনেকেই মনে করেন, কেউ যদি আমার Wi-Fi password জেনে যায়, তাহলে সে চাইলে আমার ফোনের সবকিছু দেখে ফেলতে পারবে।
বাস্তবতা একটু ভিন্ন।
Wi-Fi password জানা মানেই আপনার ফোন হ্যাক হয়ে যাওয়া নয়। তবে একই নেটওয়ার্কে থাকা একজন আক্রমণকারী কিছু পরিস্থিতিতে আপনার ডিভাইস ও নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা পরীক্ষা বা আক্রমণের চেষ্টা করতে পারে।
🧠 একই Wi-Fi-তে থাকলে কী জানা সম্ভব?
একই network-এ থাকা অবস্থায় একজন ব্যবহারকারী সাধারণত network-level কিছু তথ্য দেখতে পারে, যেমন:
কোন কোন device network-এ connected
কোন IP address ব্যবহার করছে
কোন কোন service/port network থেকে accessible
কিছু ক্ষেত্রে device-এর hostname বা manufacturer সম্পর্কিত তথ্য
কিন্তু এখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে—
IP address জানা ≠ ফোনের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া।
আপনার ফোনে যদি কোনো vulnerable service না থাকে, security update করা থাকে এবং প্রয়োজনীয় firewall/security protection সক্রিয় থাকে, তাহলে শুধু একই Wi-Fi-তে থাকার কারণে ফোনের ভেতরের ছবি, Messenger বা password দেখা যায় না।
⚠️ তাহলে ঝুঁকি কোথায়?
সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় যখন মানুষ একই network-কে অতিরিক্ত বিশ্বাস করে।
যেমন:
Public Wi-Fi → Unknown Device → Unsecured Service → Vulnerability
এই chain-এর কোনো জায়গায় সমস্যা থাকলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো HTTP বনাম HTTPS।
HTTPS ব্যবহার করা website-এ আপনার browser এবং website-এর মধ্যে তথ্য encrypted থাকে। তাই একই Wi-Fi-তে থাকা কেউ সাধারণভাবে আপনার password সরাসরি পড়ে ফেলতে পারে না।
🛡️ নিজের Wi-Fi নিরাপদ রাখবেন কীভাবে?
✅ WPA2 বা WPA3 ব্যবহার করুন
✅ Wi-Fi password শক্তিশালী রাখুন
✅ Router-এর default admin password পরিবর্তন করুন
✅ Router firmware আপডেট রাখুন
✅ অপ্রয়োজনীয় remote administration বন্ধ রাখুন
✅ Public Wi-Fi-তে sensitive কাজ করার সময় সতর্ক থাকুন
✅ ফোন ও laptop নিয়মিত update করুন
✅ অচেনা device network-এ connected কিনা মাঝে মাঝে check করুন
✅ HTTPS ছাড়া sensitive website ব্যবহার না করাই ভালো
🔬 নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন
নিজের নিজস্ব Wi-Fi network এবং নিজের device ব্যবহার করে Kali Linux থেকে network discovery সম্পর্কে শেখা যায়।
উদাহরণ:
ip addr
এর মাধ্যমে নিজের machine-এর network information দেখতে পারবেন।
তারপর নিজের lab network সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন:
nmap -sn 192.168.1.0/24
এটি network-এ কোন কোন host উপস্থিত আছে তা শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
শুধু নিজের network বা অনুমতি থাকা lab-এ ব্যবহার করবেন।
💡 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
একই Wi-Fi-তে থাকা মানেই আপনার ফোন হ্যাক হয়ে গেছে—এটা ভুল ধারণা।
কিন্তু একই network-এ থাকা অবস্থায় exposed service, পুরোনো software বা ভুল configuration থাকলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তাই Cyber Security শেখার প্রথম ধাপ হলো—
“কীভাবে অন্যকে আক্রমণ করব” নয়, বরং “আমার নিজের system কোথায় vulnerable সেটা কীভাবে বুঝব।”
এভাবেই নিরাপদভাবে Cyber Security শেখা শুরু করা যায়। 🔐
Cyber Security Awareness

পাসওয়ার্ড বনাম পাসকি: পার্থক্য কী? কোনটি বেশি নিরাপদ?পাসওয়ার্ড ও পাসকির মধ্যে মূল পার্থক্য বুঝতে প্রথমে জানতে হবে দুটি ...
08/20/2026

পাসওয়ার্ড বনাম পাসকি: পার্থক্য কী? কোনটি বেশি নিরাপদ?

পাসওয়ার্ড ও পাসকির মধ্যে মূল পার্থক্য বুঝতে প্রথমে জানতে হবে দুটি প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে। পাসকি কোথায় ও কীভাবে সংরক্ষণ করছেন তা গুরুত্বপূর্ণ।
পাসওয়ার্ড বনাম পাসকি: পার্থক্য কী? কোনটি বেশি নিরাপদ?
পাসকি কীভাবে কাজ করে তা একবার বুঝে নিলে দৈনন্দিন লগইনের ঝামেলা অনেকটাই কমে আসবে।
সাম্প্রতিক সময়ে অনেকেই অ্যাকাউন্টে পাসকি যোগ করার তাগিদ বা পরামর্শ পেয়ে থাকতে পারেন। দীর্ঘদিনের পরিচিত পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকি থাকলেও পাসকি এনেছে নিরাপত্তা।

সব ওয়েবসাইটে এখনও এর ব্যবহার চালু না হলেও পুরানো ব্যবস্থার তুলনায় পাসকি সবদিক থেকেই এগিয়ে। তবে পাসকি ব্যবহারে কিছু বিষয় বুঝে রাখা জরুরি।

প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, মনে রাখা কোনো শব্দ বা সংখ্যার বদলে নির্দিষ্ট ডিভাইস বা সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল পাসকি। ফলে যেখানে পাসকি সংরক্ষণ করছেন, সেখান থেকে যেন ভুলবশত লকআউট না হয়ে যান সেদিকে বাড়তি নজর রাখতে হবে।

পাশাপাশি, বন্ধু বা পরিচিত কারও সঙ্গে সাধারণ পাসওয়ার্ডের মতো সহজে পাসকি শেয়ার করাও সম্ভব নয়। এরপরও অধিকাংশ ব্যবহারকারীর জন্য পাসওয়ার্ডের চেয়ে পাসকি ব্যবহার বেশি নিরাপদ ও সুবিধাজনক, বিশেষ করে যারা এখনও পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করছেন না।

পাসকি কীভাবে কাজ করে তা একবার বুঝে নিলে দৈনন্দিন লগইনের ঝামেলা অনেকটাই কমে আসবে। পাসকি কোথায় ও কীভাবে সংরক্ষণ করছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ শীর্ষস্থানীয় অপারেটিং সিস্টেম ও পাসওয়ার্ড ম্যানেজারগুলো বর্তমানে পাসকি সুবিধা সমর্থন করছে।

পাসওয়ার্ড বনাম পাসকি: সুবিধায় কে এগিয়ে?

পাসওয়ার্ড ও পাসকির মধ্যে মূল পার্থক্য বুঝতে প্রথমে জানতে হবে দুটি প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে। পাসওয়ার্ড হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু বর্ণ বা সংখ্যার ‘গোপন কোড’, যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের মালিকানা যাচাই করে।

সুরক্ষার স্বার্থে কোনো ওয়েবসাইটিই সরাসরি লেখা আকারে এ পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে না। এর বদলে বিশেষ গাণিতিক উপায়ে পাসওয়ার্ডটিকে এনক্রিপ্ট করে এলোমেলো কোডে রূপান্তর করা হয়, যাকে বলে ‘হ্যাশ’।

পরবর্তীতে ব্যবহারকারী সঠিক পাসওয়ার্ড দিলে ওয়েবসাইট সেটি তাদের ডেটাবেইসে থাকা হ্যাশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে ব্যবহারকারীকে প্রবেশাধিকার দেয়। সুরক্ষার মাত্রা বাড়াতে এ হ্যাশের সঙ্গে অতিরিক্ত র‌্যান্ডম ডেটা যোগ করা হয়, যা ‘সল্টিং’ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে, পাসকি ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো কোড বা লেখা মনে রাখতে হয় না। এ প্রযুক্তি দুটি চাবির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। একটি ‘পাবলিক কি’, যা ওয়েবসাইট সংরক্ষণ করে এবং অন্যটি ‘প্রাইভেট কি’, যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকে।

ব্যবহারকারী যখন কোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে যান তখন ওয়েবসাইটটি ডিভাইসে থাকা পাসকির মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করতে বলে। এ প্রাইভেট কি’টি ব্যবহারকারীর মোবাইল বা কম্পিউটারের নিরাপদ স্টোরেজে সংরক্ষিত থাকে ও ফেইস আইডি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ‘উইন্ডোজ হ্যালো পিন’-এর মতো বায়োমেট্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে আনলক করতে হয়।

ফলে বায়োমেট্রিক সুবিধা ব্যর্থ হলে ডিভাইসের মূল পিন নম্বরটি ছাড়া ব্যবহারকারীকে বাড়তি কিছু মনে রাখার প্রয়োজন পড়ে না।

প্রাইভেট ও পাবলিক কি’র বিষয়টি একটি তালাবদ্ধ মেইলবক্স বা চিঠির বাক্সের সঙ্গে তুলনা করলে সহজে বোঝা যায়। চিঠির বাক্সের বাইরের অংশটি ‘পাবলিক কি’, যেখানে যে কেউ চিঠি বা আবেদন ফেলতে পারে।

তবে সেই বাক্সটি খুলে চিঠি বের করে স্বাক্ষর বা উত্তর দেওয়ার অনুমতি কেবল আসল মালিকের ‘প্রাইভেট কি’র কাছেই থাকে। বাইর থেকে মেইলবক্স দেখে কি’র রূপ কেমন তা যেমন বোঝার উপায় নেই, পাসকিও ঠিক সেভাবেই কাজ করে। ডিভাইস নিরাপত্তা ও ‘ফিশিং’ ঠেকানো ব্যবস্থা থাকায় কোনো ভুয়া ওয়েবসাইট বা হ্যাকার তা চুরি করতে পারে না।

এ কারণে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে শক্তপোক্ত স্ক্রিন লক ব্যবহার করা জরুরি। বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের মেলবন্ধন হলেও ডিভাইসের আনলক পিন যদি ‘১২৩৪’-এর মতো সহজ হয় তবে সুরক্ষিত বিভিন্ন লগইন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

পাসওয়ার্ডের যেসব দুর্বলতা সমাধান করে ‘পাসকি’

পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা বছরের পর বছর ধরে রয়েছে। প্রতিটি সেবার জন্য আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষই একই পাসওয়ার্ড বারবার বিভিন্ন সাইটে ব্যবহার করেন।

সাইবার অপরাধীরা চতুরতার সঙ্গে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেয়। এ ছাড়া ডেটাবেইসে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড এনক্রিপ্ট করা থাকলেও সাইবার আক্রমণের মুখে ডেটা চুরি হলে হ্যাকাররা তা ডিকোড বা ব্যবহারের পথ খুঁজে নেয়।

বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ম্যানেজার এসব সমস্যার কিছুটা সমাধান করলেও তা পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত নয়। এতে দুর্বল পাসওয়ার্ড জমা রাখা সম্ভব, ভুলবশত ভুয়া ওয়েবসাইটে পাসওয়ার্ড পেস্ট হয়ে যেতে পারে বা ব্যবহারকারী নিজেই তাদের মূল ‘মাস্টার পাসওয়ার্ড’ ভুলে যেতে পারেন।

পাসকি এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে। যেমন–

● স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা: পাসকিতে দুর্বল বা সহজে অনুমান করা যায় এমন কোড তৈরির কোনো সুযোগ নেই। কারণ তা শুরু থেকেই সর্বোচ্চ নিরাপত্তামান ধরে রেখে তৈরি হয়।

● ফিশিং ঠেকানো: পাসকি সরাসরি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ডোমেইনের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ফলে ভুলবশত কোনো ভুয়া বা ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে ঢুকলেও সেখান থেকে পাসকি চুরির সুযোগ থাকে না।

● একই কোড বারবার ব্যবহারে বাধা: পাসকি পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব নয়, যা অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় বাড়তি নিশ্চয়তা দেয়।

● বহুমাত্রিক নিরাপত্তা: এ প্রযুক্তি একই সঙ্গে ‘ব্যবহারকারীর বিশ্বস্ত ডিভাইস’ ও ‘ডিভাইসের পিন বা বায়োমেট্রিক তথ্য’ যাচাই করে। ফলে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন’-এর ঝামেলা অনেকটাই কমে যায়।

কোনো সাইবার হামলার ক্ষেত্রে পাসকি থেকে তথ্য চুরির কোনো ঝুঁকি থাকে না। কারণ ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত ‘পাবলিক কি’ আগে থেকেই সবার জন্য উন্মুক্ত, যা দিয়ে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের কোনো ক্ষতি করা সম্ভব নয়।

হ্যাকাররা ক্রেডেনশিয়াল অ্যাটাক, অথ বাইপাস এবং P2P ব্যবহার করে 14,500+ ডাহুয়া ডিভাইসের সাথে আপস করেছেHunt।io-এর সাইবারস...
08/20/2026

হ্যাকাররা ক্রেডেনশিয়াল অ্যাটাক, অথ বাইপাস এবং P2P ব্যবহার করে 14,500+ ডাহুয়া ডিভাইসের সাথে আপস করেছে

Hunt।io-এর সাইবারসিকিউরিটি গবেষকরা একটি প্রচারণার বিশদ প্রকাশ করেছেন যে তারা বলেছেন যে 17 জুন থেকে 22 জুলাই, 2026 এর মধ্যে 14,530টিরও বেশি ডাহুয়া ডিভাইসের সাথে আপস করেছে, শংসাপত্র আক্রমণ, দুটি প্রমাণীকরণ-বাইপাস ত্রুটি এবং একটি পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) ব্যবহার করে রিলে কৌশল।

কার্যকলাপ, কোডনাম অপারেশন ক্যামেরা সোয়ার্ম, টুলিং, লগ, শেল ইতিহাস এবং প্রচারাভিযানের রেকর্ড সহ 234টি সাবডিরেক্টরি জুড়ে 2,616টি ফাইল সমন্বিত একটি 407 এমবি এক্সপোজড ওয়ার্কিং ডিরেক্টরি থেকে পুনর্গঠন করা হয়েছিল, গবেষকরা বলেছেন যে নিশ্চিত আপস ইউক্রেন এবং রাশিয়ায় কেন্দ্রীভূত ছিল।

গবেষকরা বলেছেন যে অপারেশন চলাকালীন 1,923টি ক্যামেরা একটি স্থায়ী অ্যাকাউন্টের সাথে কনফিগার করা হয়েছিল এবং 283টি P2P পথ দিয়ে পৌঁছেছিল।

প্রভাবিত ডাহুয়া পণ্যের ব্যবহারকারীদের সংশ্লিষ্ট ফিক্স সফ্টওয়্যার বা নতুন ফার্মওয়্যার ইনস্টল করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যখন ITRES ল্যাবস P2P নিষ্ক্রিয় করার পরামর্শ দেয় যেখানে এটির প্রয়োজন নেই এবং বিক্রেতার ডাউনলোড সাইটের বিরুদ্ধে ফার্মওয়্যার পরীক্ষা করা।

"রেলে ডিভাইসের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে লগইন চেক রেখে পূর্বে প্রমাণীকরণ ছাড়াই রুট স্থাপন করে।" ITRES ল্যাবস 2025 সালের অক্টোবরে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে ড।

Hunt।io 14,530-এর বেশি মোট তিনটি আক্রমণের পথকে দায়ী করেছে -

শংসাপত্র আক্রমণ: 13,229টি প্রচারাভিযানের রেকর্ড জুড়ে 12,324টি অনন্য আইপি ঠিকানা।
প্রমাণীকরণ বাইপাস: CVE-2021-33044 এবং CVE-2021-33045 ব্যবহার করে 1,923টি ক্যামেরা পৌঁছেছে, যা Hunt।io বলেছে যে স্থায়ী অ্যাকাউন্টের সাথেও কনফিগার করা হয়েছে।
P2P রিলে: নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস ট্রান্সলেশন (NAT) এর পিছনে অবস্থিত ডিভাইসগুলি সহ সিরিয়াল নম্বর দ্বারা চিহ্নিত 283টি ক্যামেরা।

2021 সালের দুটি ত্রুটি হল ডাহুয়া ক্যামেরা এবং সম্পর্কিত পণ্যগুলিতে প্রমাণীকরণ-বাইপাস দুর্বলতা। ডাহুয়ার পরামর্শ CVSS স্কোরিং সিস্টেমে তাদের 8.1 রেট দেয় এবং নির্দিষ্ট ফার্মওয়্যার তালিকাভুক্ত করে, যখন US। জাতীয় দুর্বলতা ডেটাবেস (এনভিডি) বর্তমানে প্রত্যেককে 9.8 এর CVSS স্কোর বরাদ্দ করে।

"আক্রমণকারীরা দূষিত ডেটা প্যাকেট তৈরি করে ডিভাইস পরিচয় প্রমাণীকরণ বাইপাস করতে পারে", ডাহুয়া তার পরামর্শে বলেছে।

একটি NetKeyboard ক্লায়েন্ট টাইপ প্রমাণীকরণের সময় CVE-2021-33044 ট্রিগার করে, যখন CVE-2021-33045 127.0।0.1 ঠিকানা ব্যবহার করে একটি লুপব্যাক লগইন অনুরোধ জড়িত, অনুযায়ী মূল প্রকাশ নিরাপত্তা গবেষক বাশিসের কাছ থেকে।

19 আগস্ট, 2026 পর্যন্ত, উভয় ত্রুটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাইবারসিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সি (সিআইএসএ) পরিচিত শোষিত দুর্বলতা (কেভ) ক্যাটালগ, যা তাদের ডাহুয়া আইপি ক্যামেরা প্রমাণীকরণ-বাইপাস দুর্বলতা হিসাবে রেকর্ড করে এবং বিক্রেতা প্রশমন প্রয়োগ বা প্রশমন অনুপলব্ধ হলে ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দেয়।

19 আগস্ট, 2026 পর্যন্ত, জনসাধারণ p2pwn সংগ্রহস্থল অ্যাক্সেসযোগ্য থাকে এবং স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করে যে টুলটি Dahua সিরিয়াল নম্বরগুলিকে ইনপুট হিসাবে গ্রহণ করে, CVE-2021-33044 এবং CVE-2021-33045 চেক করে এবং একটি ডিফল্ট ডামি-অ্যাকাউন্ট কনফিগারেশন ধারণ করে।

রিপোজিটরি Hunt।io-এর 1,923টি প্রভাবিত ক্যামেরার গণনা বা তার দাবি যে অ্যাকাউন্টটি বেশিরভাগ ফার্মওয়্যারে ফ্যাক্টরি রিসেট থেকে বেঁচে থাকে তা প্রতিষ্ঠিত করে না। P2P পাথ দুটি প্রমাণীকরণ-বাইপাস ত্রুটি থেকে পৃথক।

ITRES ল্যাবগুলি পূর্ববর্তী ঘটনার প্রতিক্রিয়া তদন্তের সময় খুঁজে পেয়েছে যে, 2024 সালের মাঝামাঝি আগে ফার্মওয়্যারে, সংযুক্ত ডিভাইসটি তার নিজস্ব শংসাপত্র পরীক্ষা করার আগে একটি বৈধ ডাহুয়া সিরিয়াল নম্বর একটি Easy4IP রিলে পাথ স্থাপন করতে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা NAT এর পিছনে একটি ডিভাইসকে পৌঁছানোর অনুমতি দেয়। বিক্রেতার রিলে অবকাঠামোর মাধ্যমে।

দ্য dh-p2p প্রুফ-অফ-কনসেপ্ট রিপোজিটরি এছাড়াও দেখায় যে Dahua P2P প্রোটোকল তার সিরিয়াল নম্বর ব্যবহার করে Easy4IPCloud এর মাধ্যমে একটি ডিভাইস সনাক্ত করে এবং ক্যামেরা বা নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডারে একটি টানেল স্থাপন করতে পারে।

একটি সফল P2P রিলে ডিভাইসটিকে NAT-এর পিছনে পৌঁছানো যায়, তবে অ্যাক্সেসের জন্য ডিভাইস-স্তরের প্রমাণীকরণের প্রয়োজন হতে পারে।

Hunt।io বলেছেন যে অপারেটরের পুনরুদ্ধার করা কোড 89.4% লাইভ সিরিয়াল নম্বর রেকর্ড করেছে যা প্রমাণীকরণ ছাড়াই একটি খোলা চ্যানেল ফেরত দেয়।

এই পরিসংখ্যান উদ্ধার অপারেটর উপাদান থেকে একটি প্রচারাভিযান-নির্দিষ্ট দাবি অবশেষ। এটি ITRES ল্যাবস, ডাহুয়া, বা 19 আগস্ট, 2026 পর্যন্ত অবস্থিত একটি পাবলিক কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম অ্যাডভাইজরি দ্বারা স্বাধীনভাবে পুনরুত্পাদন করা হয়নি।

পুনরুদ্ধার করা টুলিংয়ের সাথে যুক্ত দুটি CVE লেবেল P2P আচরণ বর্ণনা করে না: CVE-2024-39943 rejetto HFS-এ একটি অপারেটিং-সিস্টেম কমান্ড-ইনজেকশন ত্রুটির জন্য NVD দ্বারা বরাদ্দ করা হয়েছে, যখন Dahua বর্ণনা করেছে CVE-2025-31702 একটি বিশেষাধিকার-বর্ধিতকরণ ত্রুটি হিসাবে যার জন্য পূর্বে প্রাপ্ত সাধারণ-ব্যবহারকারীর শংসাপত্র প্রয়োজন।

ITRES ল্যাবস সিরিয়াল-নম্বর রিলে এক্সপোজারকে একটি নন-সিভিই সমস্যা হিসাবে বর্ণনা করেছে এবং বলেছে যে এর পরীক্ষায় দেখা গেছে যে 2024 সালের মাঝামাঝি পরে প্রকাশিত ফার্মওয়্যারে P2P পথকে শক্তিশালী করা হয়েছিল।

ফার্মটি ডিফেন্ডারদের পরামর্শ দিয়েছে P2P অক্ষম করার জন্য যদি প্রয়োজন না হয়, যেখানে উপযুক্ত সেখানে Easy4IP সংযোগ সীমাবদ্ধ করুন, বিক্রেতার ওয়েবসাইট থেকে ফার্মওয়্যার ব্যবহার করে ডিভাইসগুলি আপডেট করুন, শক্তিশালী অনন্য শংসাপত্র ব্যবহার করুন, অব্যবহৃত অ্যাকাউন্টগুলি সরান এবং ভিডিও নজরদারি সিস্টেমগুলিকে সেগমেন্ট করুন৷।

Dahua এর পরামর্শ গ্রাহকদের তালিকাভুক্ত মেরামত সফ্টওয়্যার বা নতুন ফার্মওয়্যার ইনস্টল করার নির্দেশ দেয়। হ্যাকার নিউজ প্রচারের সুযোগ এবং P2P ফলাফল নিশ্চিত করতে ডাহুয়ার কাছে পৌঁছেছে এবং যেকোনো প্রতিক্রিয়া সহ এই গল্পটি আপডেট করবে।

গবেষকরা কার্যকারী ডিরেক্টরি থেকে উদ্ধার করা ভাষার নিদর্শনগুলির উপর ভিত্তি করে অপারেটরটিকে রাশিয়ান-ভাষী হিসাবে বর্ণনা করেছেন, তবে কার্যকলাপটি কোনও নামযুক্ত হুমকি অভিনেতা, কোনও রাশিয়ান সরকারী সংস্থা বা অন্য পরিচিত গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়নি। ফার্মটি মাঝারি আত্মবিশ্বাসের সাথে মূল্যায়ন করেছে যে টুলকিটের অংশগুলি তৃতীয় পক্ষের কাছে ক্যামেরা অ্যাক্সেস স্থানান্তর করার জন্য ডিজাইন করা হতে পারে।

ফেস আনলক: এক পলকেই কীভাবে মুখ চেনে ক্যামেরাফোন হাতে নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকাতেই তা আনলক হয়ে যায়। কোনো পাসওয়ার্ড লিখতে হয়...
08/20/2026

ফেস আনলক: এক পলকেই কীভাবে মুখ চেনে ক্যামেরা

ফোন হাতে নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকাতেই তা আনলক হয়ে যায়। কোনো পাসওয়ার্ড লিখতে হয় না, কোনো বোতামও চাপতে হয় না। মাত্র এক মুহূর্তের জন্য ক্যামেরার দিকে তাকানো, আর ফোন যেন আপনাকে চিনে ফেলে! শুধু ফেস আনলক নয়, ছবি তোলার সময়ও একই ঘটনা ঘটে। ক্যামেরা চালু করলেই মানুষের মুখের চারপাশে ছোট একটি বক্স দেখা যায়। আপনি মাথা একটু এদিক-ওদিক করলেও সেই বক্সটি আপনার মুখের সঙ্গে সঙ্গে নড়তে থাকে। কিন্তু একটি ছোট ক্যামেরা কীভাবে এত দ্রুত বুঝে যায় যে ছবির কোন অংশটি মানুষের মুখ? কীভাবে ক্যামেরা বুঝতে পারে, এই মুখটি ফোনের মালিকের? এর পেছনে কাজ করে কম্পিউটার ভিশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং বিশেষায়িত প্রসেসিং প্রযুক্তি।

মানুষ যখন কোনো ছবি দেখে, তখন আমাদের মস্তিষ্ক খুব সহজেই মানুষের মুখ চিনতে পারে। কিন্তু ক্যামেরা মানুষের মতো কিছু দেখে না। ক্যামেরা প্রথমে চারপাশের আলো বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে। এরপর সেই তথ্য অসংখ্য ছোট ছোট পিক্সেল হিসেবে তৈরি হয়। প্রতিটি পিক্সেলের মধ্যে থাকে রং, উজ্জ্বলতা ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের তথ্য। অর্থাৎ ক্যামেরার কাছে একটি মানুষের মুখ প্রথমে শুধু অনেকগুলো সংখ্যার সমষ্টি। এই সংখ্যার মধ্যেই মুখের নির্দিষ্ট প্যাটার্ন খুঁজে বের করার কাজটি করে এআই।

ক্যামেরার মেগাপিক্সেল আসলে কী?
ক্যামেরা প্রথমে চারপাশের আলো বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে। এরপর সেই তথ্য অসংখ্য ছোট ছোট পিক্সেল হিসেবে তৈরি হয়। প্রতিটি পিক্সেলের মধ্যে থাকে রং, উজ্জ্বলতা ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের তথ্য।
এখন আপনার মাথায় একটি প্রশ্ন আসতেই পারে যে এআই কীভাবে বোঝে, আমাদের মুখ কোথায় আছে? একটি এআই মডেলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় তাকে মানুষের মুখের প্রচুর ছবি দেখানো হয়। এসব ছবি বিশ্লেষণ করতে করতে মডেলটি মুখের বিভিন্ন সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ধরন শিখে নেয়। যেমন চোখের অবস্থান, নাকের গঠন, চোয়ালের রেখা এবং মুখের বিভিন্ন অংশের পারস্পরিক সম্পর্ক। তবে এআই শুধু দুটি চোখ, একটি নাক ও একটি মুখ খুঁজেই মুখ শনাক্ত করে না। আধুনিক এআই অনেক বেশি জটিল গাণিতিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করতে পারে। এই কাজের পেছনে থাকে নিউরাল নেটওয়ার্ক এবং ডিপ লার্নিংয়ের মতো প্রযুক্তি। ফলে ক্যামেরার সামনে কেউ দাঁড়ালে এআই খুব দ্রুত হিসাব করে বলতে পারে, ছবির এই অংশে একটি মুখ থাকার সম্ভাবনা খুব বেশি।

একটি এআই মডেলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় তাকে মানুষের মুখের প্রচুর ছবি দেখানো হয়
একটি এআই মডেলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় তাকে মানুষের মুখের প্রচুর ছবি দেখানো হয়ছবি: ডার্টমাউথ
স্মার্টফোনের ক্যামেরায় আমাদের চেহারা সাধারণত দুটি কাজে লাগে—ফেস ডিটেকশন ও ফেস রিকগনিশন। এই দুটির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

ফেস ডিটেকশন হলো ছবির মধ্যে কোথায় মানুষের মুখ আছে, তা শনাক্ত করা। যেমন আপনি ক্যামেরা চালু করলেন এবং স্ক্রিনে তিনজন মানুষের মুখের চারপাশে তিনটি বক্স দেখা গেল। এটি ফেস ডিটেকশন।

স্মার্টফোন কীভাবে ওয়াটারপ্রুফ করা হয়
একটি এআই মডেলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় তাকে মানুষের মুখের প্রচুর ছবি দেখানো হয়। এসব ছবি বিশ্লেষণ করতে করতে মডেলটি মুখের বিভিন্ন সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ধরন শিখে নেয়।
অন্যদিকে ফেস রিকগনিশন বা আরও নির্দিষ্টভাবে বললে ফেস ভেরিফিকেশন হলো, একটি মুখ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সঙ্গে মেলে কি না, তা যাচাই করা। অর্থাৎ ডিটেকশন বলছে, এখানে একটি মুখ আছে। আর রিকগনিশন বা ভেরিফিকেশন বলছে, এই মুখটি অনুমোদিত ব্যক্তির মুখ কি না।

আমরা দৈনন্দিন ফোন আনলক করার জন্য যে ফেস আনলক ব্যবহার করি, এখানেই প্রযুক্তিটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। আপনি যখন প্রথমবার ফেস আনলক সেটআপ করেন, ফোন আপনার মুখের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে একটি ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে। পরে ফোনের দিকে তাকালে ক্যামেরা আপনার মুখের নতুন তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেটিকে আগে সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে।

আপনি যখন প্রথমবার ফেস আনলক সেটআপ করেন, ফোন আপনার মুখের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে একটি ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে
আপনি যখন প্রথমবার ফেস আনলক সেটআপ করেন, ফোন আপনার মুখের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে একটি ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করেছবি: লিংকডইন
এটি সাধারণত ছবির সঙ্গে ছবির সরাসরি কোনো তুলনা নয়; বরং মুখের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে গাণিতিকভাবে উপস্থাপন করে তাদের মধ্যে মিল খোঁজা হয়। সিস্টেম যদি মনে করে নতুন মুখটি অনুমোদিত মুখের সঙ্গে যথেষ্ট মিলে যাচ্ছে, তাহলে ফোন আনলক হয়ে যায়।

অর্থাৎ পুরো প্রক্রিয়াটি অনেকটা এ রকম—ক্যামেরা থেকে মুখ শনাক্ত, এরপর মুখের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ, সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে যাচাই এবং মিল পাওয়া গেলে ফোন আনলক হয়। এই পুরো কাজটি এত দ্রুত ঘটে যে আমাদের মনে হয়, ফোন যেন শুধু একঝলক তাকিয়েই আমাদের চিনে ফেলেছে!

ক্যামেরার ফ্ল্যাশ কি বিদ্যুৎ টেনে আনে
ফেস রিকগনিশন বা আরও নির্দিষ্টভাবে বললে ফেস ভেরিফিকেশন হলো, একটি মুখ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সঙ্গে মেলে কি না, তা যাচাই করা। অর্থাৎ ডিটেকশন বলছে, এখানে একটি মুখ আছে।
আরও একটি মজার প্রশ্ন মাথায় আসতেই পারে। আপনার যদি যমজ ভাই বা বোন থাকে, তাহলে কি সে আপনার ফেস আনলক দিয়ে ফোন খুলতে পারবে? এর উত্তর নির্ভর করে ফোনে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ওপর। কিছু সাধারণ দ্বিমাত্রিক ক্যামেরার ফেস আনলক মুখের সামনের ছবি ও বৈশিষ্ট্যের ওপর বেশি নির্ভর করে। যমজদের মুখের গঠন অনেক কাছাকাছি হওয়ায় এমন সিস্টেমের পক্ষে তাঁদের আলাদা করা তুলনামূলক কঠিন হতে পারে।

উন্নত ফেস আনলক ব্যবস্থায় থ্রি-ডি ফেস ম্যাপিং ব্যবহার করা হয়
উন্নত ফেস আনলক ব্যবস্থায় থ্রি-ডি ফেস ম্যাপিং ব্যবহার করা হয়ছবি: আইডাউনলোড ব্লগ
তাই অনেক সময় যমজ ভাই বা বোন নিজের চেহারা দিয়ে অন্যের ফোন আনলক করে ফেলতে পারে। অন্যদিকে উন্নত ফেস আনলক ব্যবস্থায় ডেপথ সেন্সিং, ইনফ্রারেড বা থ্রি-ডি ফেস ম্যাপিং ব্যবহার করা হয়। এগুলো শুধু মুখের দ্বিমাত্রিক ছবি নয়, মুখের ত্রিমাত্রিক গঠন ও গভীরতার তথ্যও বিশ্লেষণ করতে পারে। ফলে যমজদের আলাদা করার ক্ষমতা অনেক ক্ষেত্রে বেড়ে যায়। তবে কোনো ফেস আনলক ব্যবস্থাকেই একেবারে ১০০ ভাগ নিখুঁত ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ক্যামেরার গল্প
উন্নত ফেস আনলক ব্যবস্থায় ডেপথ সেন্সিং, ইনফ্রারেড বা থ্রি-ডি ফেস ম্যাপিং ব্যবহার করা হয়। এগুলো শুধু মুখের দ্বিমাত্রিক ছবি নয়, মুখের ত্রিমাত্রিক গঠন ও গভীরতার তথ্যও বিশ্লেষণ করতে পারে।
মাথা নাড়ালেও ক্যামেরা মুখ অনুসরণ করে কীভাবে
ক্যামেরা শুধু একবার মুখ খুঁজে পেয়েই থেমে যায় না। ভিডিও বা লাইভ ক্যামেরা ব্যবহারের সময় প্রতি মুহূর্তে নতুন ফ্রেম বা ছবি তৈরি হয়। প্রথম ফ্রেমে এআই আপনার মুখের অবস্থান শনাক্ত করার পর পরবর্তী ফ্রেমগুলোতে সেই তথ্য ব্যবহার করে মুখটি কোথায় যেতে পারে, তা দ্রুত অনুমান করতে পারে। ফলে প্রতিটি ফ্রেমে শূন্য থেকে পুরো ছবির মধ্যে মুখ খোঁজার প্রয়োজন হয় না। এ কারণেই আপনি মাথা একটু ঘোরালেও বা নড়াচড়া করলেও ক্যামেরার ফেস-ট্র্যাকিং বক্সটি আপনার মুখের সঙ্গে সঙ্গেই চলতে থাকে।

মুখের কোন অংশগুলো দেখে এআই
অনেক আধুনিক সিস্টেম মুখের বিভিন্ন ফেসিয়াল ল্যান্ডমার্ক শনাক্ত করতে পারে। চোখ, নাক, ঠোঁট, চোয়াল এবং মুখের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিন্দুর অবস্থান বিশ্লেষণ করে এআই মুখের গঠন সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারে। এর সাহায্যে ক্যামেরা বুঝতে পারে মুখটি সোজা আছে, কিছুটা ঘোরানো হয়েছে, নাকি অন্য কোনো কোণে রয়েছে। এই প্রযুক্তি শুধু ফেস আনলকের জন্যই নয়; বরং ছবি তোলার সময় অটোফোকাস, এক্সপোজার, পোর্ট্রেট মোড এবং ক্যামেরার বিভিন্ন ইফেক্টের কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চোখ, নাক, ঠোঁট, চোয়াল এবং মুখের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিন্দুর অবস্থান বিশ্লেষণ করে এআই মুখের গঠন সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারে
চোখ, নাক, ঠোঁট, চোয়াল এবং মুখের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিন্দুর অবস্থান বিশ্লেষণ করে এআই মুখের গঠন সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারেছবি: জেনোভা ডটএআই
ক্যামেরা এত দ্রুত কাজ করে কীভাবে
এখানে শুধু এআই সফটওয়্যারই নয়, মোবাইলের হার্ডওয়্যারও গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক স্মার্টফোনের প্রসেসরে এআইভিত্তিক কাজ দ্রুত করার জন্য বিশেষ হার্ডওয়্যার অ্যাকসিলারেটর থাকতে পারে, যাকে এনপিইউ বা নিউরাল প্রসেসিং ইউনিট বলা হয়। এগুলো নির্দিষ্ট ধরনের মেশিন লার্নিংয়ের হিসাব-নিকাশ খুব দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ফলে ফোনে প্রতিবার বিশাল পরিমাণ তথ্য সাধারণ প্রসেসরের মাধ্যমে ধীরগতিতে বিশ্লেষণ করতে হয় না।

আধুনিক স্মার্টফোনের প্রসেসরে এআইভিত্তিক কাজ দ্রুত করার জন্য বিশেষ হার্ডওয়্যার অ্যাকসিলারেটর থাকতে পারে, যাকে এনপিইউ বা নিউরাল প্রসেসিং ইউনিট বলা হয়।
সব ফেস আনলক কি সমান নিরাপদ
এর উত্তর, না। সব ফোন একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে না। কিছু ডিভাইস মূলত সামনের ক্যামেরা ও সফটওয়্যারভিত্তিক পদ্ধতিতে মুখ যাচাই করে। আবার কিছু উন্নত সিস্টেম মুখের গভীরতা বা ইনফ্রারেডভিত্তিক তথ্যও ব্যবহার করতে পারে। ফলে বিভিন্ন ডিভাইসের ফেস আনলকের নির্ভুলতা ও নিরাপত্তা এক হয় না। এ ক্ষেত্রে প্রাইভেসিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মুখ মানুষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিচয়ের তথ্য। তাই কোনো ডিভাইস কীভাবে মুখের তথ্য ব্যবহার ও সংরক্ষণ করে, সেটিও বিবেচনা করা উচিত।

বিভিন্ন ডিভাইসের ফেস আনলকের নির্ভুলতা ও নিরাপত্তা এক হয় না
বিভিন্ন ডিভাইসের ফেস আনলকের নির্ভুলতা ও নিরাপত্তা এক হয় নাছবি: সিআইও
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমরা যখন ফোনের ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকি, তখন এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রায় কিছুই বুঝতে পারি না। আলো থেকে পিক্সেল তৈরি হচ্ছে, পিক্সেল থেকে এআই প্যাটার্ন খুঁজে বের করছে, মুখ শনাক্ত হচ্ছে, মুখের ভঙ্গি বিশ্লেষণ করছে, প্রয়োজন হলে ফেস ভেরিফিকেশন হচ্ছে এবং সবশেষে ফোনের স্ক্রিন খুলে যাচ্ছে! অর্থাৎ আমাদের কাছে ফেস আনলক হয়তো কেবল একঝলক তাকানো। কিন্তু সেই একঝলকের আড়ালে চলছে ক্যামেরা, গণিত, কম্পিউটার ভিশন, মেশিন লার্নিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অসাধারণ এক সমন্বয়।

Address

152 Traders Alley
Kansas City, MO
64110

Telephone

+18163497149

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Siͥleͣnͫt Cyber Raid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Siͥleͣnͫt Cyber Raid:

Shortcuts

Share