05/24/2022
কর্মক্ষেত্রে স্কিল গ্যাপ বা দক্ষতার পার্থক্য দূর করার উপায়
স্কিল গ্যাপ বা দক্ষতার পার্থক্য বলতে কর্মীদের যে দক্ষতা প্রয়োজন ও তাদের বর্তমানে যে দক্ষতা আছে এই দুইয়ের দূরত্বকে বোঝায়।
প্রতিষ্ঠানের জন্য স্কিল গ্যাপ একটা বড় সমস্যা। লিডারশিপেরও প্রধান উদ্বেগ এটি।
প্রতিষ্ঠানে ‘শেখা ও উন্নয়ন’ প্রজেক্ট হাতে নিলে কর্মীরা দ্রুত সফল হওয়ার উপযুক্ত প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ধারণা পাবে। তাতে তাদের দক্ষতার যে ঘাটতি সে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
সব প্রতিষ্ঠানেরই কর্মীদের শেখার ও বিকশিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করাটা গুরুত্বপূর্ণ। সাফল্যের ক্ষেত্রে অন্য কিছুর চাইতে এর গুরুত্ব অনেক বেশি
শেখার প্রজেক্ট সফল হচ্ছে কিনা তা নিয়মিত তদারকির মধ্যে রাখা প্রয়োজন। তাতে নিচের সুবিধাগুলি পেতে পারে যেকোনো প্রতিষ্ঠান।
১. ব্যবসায়িক সাফল্য
লার্নিং প্রোগ্রামগুলি সাধারণত কর্মীরা তাতে কেমন অংশগ্রহণ করছে তার ওপর নির্ভর করে। নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে কর্মীদের কী ধরনের মনোভাব তা বোঝাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে একই সঙ্গে সাবধান থাকতে হবে, সব লার্নিং প্রোগ্রামই কোম্পানির কৌশল ঠিক করার ক্ষেত্রে বা আকাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে সব সময় যে সাহায্য করবে তা নাও হতে পারে।
এখন অবশ্য কর্মক্ষেত্রে শেখার বিষয়টি অনেক গুরুত্ব পাচ্ছে। এটা এমন কৌশলগত সুবিধা দেয় যা ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে ভালো ভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
লার্নিং বা শেখা অনেকগুলি ব্যবসায়িক সাফল্যের সাথে যুক্ত। যেমন প্রোডাক্টিভিটি বা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, খরচ কমানো এবং বাড়তে থাকা আয় ইত্যাদি।
২. প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা’ তৈরি করে
‘প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা’ বলতে এমন কিছু বিষয় বোঝায় যার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রতিযোগীদের থেকে ভালো পণ্য বা সেবা সস্তায় উৎপাদন করতে পারেন।
তবে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা নেতাদের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলির একটা হলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যতাযথ সহায়তার অভাব। কিন্তু আপনি যদি হাতে-কলমে দেখাতে পারেন, লার্নিং বা শেখা একজন কর্মচারীর নিজের সুবিধার চাইতে আরো অনেক বেশি কিছু, আপনার জন্য কর্তা ব্যক্তিদের সমর্থন পাওয়া তখন অনেক সহজ হবে।
৩. লার্নিং প্রোগ্রামগুলি কর্মীদের সুখ-সমৃদ্ধি বাড়ায়
বাড়ি থেকে কাজ করার কারণে কর্মীদের কর্মঘণ্টা ও কাজে ফোকাস করার ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই আসলে। এসময়ে অনেক কর্মীকেই পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবারের অন্যদের যত্ন নেওয়ার ও মহামারীতে সৃষ্ট চাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে।
অনেক কোম্পানিই কর্মীদের সুস্থ্যতা, ভালো থাকা এবং সহনশীলতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। লার্নিং বা শেখার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে এ সমস্ত বিষয়ে সঠিক ভারসাম্য আনা সহজ হয়।