08/17/2021
ম্যানহাটন সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক জেকব মিল্টন'কে নির্দোষ ঘোষণা; দোষী সাব্যস্তকারীরা দোষী সাব্যস্ত; দোষী সাব্যস্তকারীদের ১২.৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা
===============================
২০০৬ সালে গ্রীফিন মর্টগেজ ব্যাংকে কর্মরত কতিপয় ব্যক্তি জেকব মিল্টন'কে দোষী সাব্যস্ত করে পুলিশের কাছে রিপোর্ট করে। কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই ২০০৭ সালের অক্টোবর মাসে পুলিশ জেকব মিল্টনকে গ্রেফতার করেছিল। জেকব মিল্টন এর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. জেকব মিল্টন মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল এর পরিচয় চুরি (identity theft) করে একাধিক বাড়িঘর ক্রয় করেছে;
২. জেকব মিল্টন উপরোক্ত লোকজনের নাম ক্রেডিট কার্ড বানিয়ে হোম ডিপো'তে শপিং করেছে;
৩. জেকব মিল্টন উপরোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষতি করে ১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে;
৪. বাড়ি ক্রয় ও ক্রেডিট কার্ড এর ব্যাপারে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল কিছুই জানতো না;
জেকব মিল্টন'কে গ্রেফতারের পরের দিনই কোন প্রকার তদন্ত বা জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই কুইন্স কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট এটর্ণী রিচার্ড ব্রাউন মেজর নিউজ মিডিয়া'র সামনে অনেক বড় একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেকব মিল্টন'কে উপরোক্ত দোষে দোষী সাব্যস্ত করেন। তবে, সংবাদ সম্মেলনের পরপরই তদন্তকারী কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন যে তারা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে জেকব মিল্টন'কে গ্রেফতার করেছে।
তদন্তকারীরা কেইস ডিসমিস করার শর্ত হিসেবে জেকব মিল্টনের কাছে বিভিন্ন ধরণের প্রস্তাব নিয়ে যান। কিন্তু জেকব মিল্টন কোন প্রস্তাবেই রাজী হননি। তারা বুঝতে পারে যে এই কেইসটি এমনিতেই ডিসমিস হলে জেকব মিল্টন তাদেরকে ছেড়ে দেবে না। তদন্তকারীরা এবং প্রসিকিউটর মরিয়া হয়ে উঠে; তারা প্রসিকিউটরের ল-স্কুল বাডি এবং কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট এটর্নী অফিসের সাবেক প্রসিকিউটর শেলী বাটলারকে (যিনি জেকব মিলতো এর এটর্নী ছিলেন) ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জেকব মিলটনকে কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টের বারান্দায় এম্বুশ করে কিছু কাগজে স্বাক্ষর করতে বলে। জেকব মিল্টন ঐসব কাগজে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে প্রসিকিউটর neil gitin জেকব মিলটনকে টেরোরিষ্ট মামলায় পুনরায় গ্রেফতারের হুমকি দেয়। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জেকব মিল্টনের হাত থেকে জোড় করে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় যাতে সে অন্য কাউকে ফোন করতে না পারে। জেকব মিল্টন প্রসিকিউটর ও তদন্তকারীদের বলেছিলেন, "আমি নির্দোষ; কোন অন্যায় আমি করেননি; পারলে আমাকে দোষী প্রমান করে দেখান। উত্তরে প্রসিকিউটর Neil Gitin বলেছিলো, " If You Refuse To Sign these papers, we are going to arrest you and your family member under the suspicion of terrorism; I don't have to prove anything; I will make sure that you and your family member get deported.
জেকব মিল্টন প্রচন্ড চাপের মুখে অসহায় হয়ে যান ;কাউকে কল করাও সম্ভব ছিল না। ওই সময়টাতেই আমেরিকায় Patriot Law পাশ হয়েছিল। ঐ সময়ে কেউ terrorism কেইসে arrest হওয়ার অর্থই ছিল যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ডিপোর্টেশন অথবা মৃত্যুদণ্ড। জেকব মিল্টন তার বোন ও ভাগ্নির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিথর হয়ে পড়েন। তার এটর্নী শেলী বাটলার অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখলো। জেকব মিল্টন বুঝতে পারলেন যে তিনি প্রসিকিউটরের দেয়া কাগজে স্বাক্ষর না করলে তাকে, তার বোন ও ভাগ্নীকে terrorism কেইসে এরেস্ট করা হবে; তিনজন একত্রে গ্রেফতার হলে তাঁদের কেইস চালানোর মতো বাহিরে আর কেউই থাকবে না। Terrorism কেইসে গ্রেফতার হলে তাদের তিনজনকেই ফেডারেল প্রিজনে পাঠানো হবে। জেকব মিল্টন প্রসিকিউটরকে বলেছিলেন, "আমি কি কাগজগুলো পড়ে দেখতে পারি?" উত্তরে প্রসিকিউটর Neil Gitin বলেছিলো, "Absolutely not; you better sign it now or else!" জেকব মিল্টন অসহায়ের মতো কাগজগুলোতে স্বাক্ষর করেছিলেন; ঐ কাগজগুলো তাকে পড়তেও দেয়া হয়নি। প্রসিকিউটর ও তদন্তকারীদের সম্পূর্ণ কার্যক্রম ও আচারনই ছিল বেআইনী। অথচ সবাই বলে যে আমেরিকা আইনের দেশ।
পরেরদিন খবরের কাগজে ছাপা হলো, "জেকব মিল্টন অপরাধ স্বীকার করেছে।" জেকব মিল্টন বুঝতে পারেন যে তাকে দিয়ে Guilty Plea স্বাক্ষর করানো হয়েছে। বাংলাদেশী কম্যুনিটির সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোও (ঠিকানা ও জন্মভূমি) রসিয়েরসিয়ে ফলাও করে প্রচার করেছিল। এবং একযুগ পরে আজও কোন কোন পত্রিকা জেকব মিলটনের গ্রেফতারের পুরোনো কাহিনী পুনরায় প্রকাশ করে তৃপ্তি পায়। কম্যুনিটির কিছুকিছু মানুষ কিছু না জেনেই ওসব পড়ে চায়ের টেবিলে আলোচনার ঢেউ তোলে।আবার যেসব মানুষরা জেকব মিল্টন এর জন্যই বাড়ির মালিক হয়েছিলেন এবং টাকা পয়সার মুখ দেখেছিল তারাও পুলিশের কাছে গিয়ে বানোয়াট কাহিনী তৈরী করেছিল। কম্যুনিটির একজন মানুষও এগিয়ে আসেনি সাহায্যের জন্য। অথচ জেকব মিল্টন এর সহায়তাই বহু মানুষ পয়সার মুখ দেখেছে এবং বাড়ির মালিক হয়েছে।
এর পরই জেকব মিল্টন নতুন এটর্নী নিয়োগ দেন এবং Gulity Plea ব্যাক করানোর জন্য নতুন এটর্নীদের দ্বারা তিনটি Motion ফাইল করেন। ঐ Motion এ বলা হয়েছিল, "জেকব মিল্টন তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার ডিসমিস চান না; শুধুমাত্র ফেয়ার ট্রায়াল এর ব্যবস্থা করা হোক। কিন্তু কোন কারণ ছাড়া প্রসিকিউটর তিনটি Motionএরই বিরোধিতা করে; মূলতঃ প্রসিকিউটর জানতো যে Guilty Plea ফিরিয়ে দিলে জেকব মিল্টনকে Gulity করার কোন সুযোগই নেই; যেহেতু জেকব মিল্টন কোন অন্যায়ই করেনি।
জেকব মিল্টন তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগগুলোই খণ্ডন করেন। যেমন:
প্রথম অভিযোগ: জেকব মিল্টন মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল এর পরিচয় চুরি (identity theft) করে একাধিক বাড়িঘর ক্রয় করেছে।
বাস্তবতা: মূলতঃ মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল নূর মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তির সাথে পার্টনারশিপে বাড়িঘর ক্রয় করে ঐ বাড়িতেই বসবাস করছিলো ; ঐ Transaction গুলোর সময় মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল মর্টগেজ ব্রোকারের অফিসে গিয়ে নিজেরাই মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। এটা প্রমানের জন্য জেকব মিল্টন নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স থেকে কাগজ তুলে প্রসিকিউটরকে দেয়ার পরেও প্রসিকিউটর ঐসব কাগজ দেখতে অস্বীকার করে। নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজপত্রে স্পষ্টতঃ প্রমান হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালরাই রিয়েল এস্টেট ক্লোজিং এর সময়ে নিজেরাই উপস্থিত ছিল; নিজেরাই তাদের ID দেখিয়ে মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। জেকব মিল্টন ক্লোজিং এর সময় উপস্থিতও ছিলেন না। (নোট: নূর মোহাম্মেদ এর সাথে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালদের বিজনেস এগ্রিমেন্টটি প্রসিকিউটর Neil Gitin উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে লুকিয়ে রেখেছিলো।)
দ্বীতিয় অভিযোগ: জেকব মিল্টন উপরোক্ত লোকজনের নাম ক্রেডিট কার্ড বানিয়ে হোম ডিপো'তে শপিং করেছে;
বাস্তবতাঃ প্রসিকিউটর দাবী করেছিল যে তাদের কাছে একটি ভিডিও রয়েছে ;যে ভিডিওতে দেখা যায় যা জেকব মিল্টন অন্য মানুষের নামে ক্রেডিট বানিয়ে হোম ডিপোতে শপিং করছে। শুনেছি হোম ডিপোতে শপিংএর এমাউন্ট ছিল মাত্র ৩৯ ডলার। জেকব মিল্টন Assistant US Attorney & FBI এর উপস্থিতিতে প্রসিকিউটরকে ভিডিওটি প্লে করতে বলেছিলেন। প্রসিকিউটর একটু টালবাহানা করার চেষ্টা করলেও জেকব মিল্টন তার কথায় অনড় থাকায় প্রসিকিউটর Neil Gitin ভিডিওটি প্লে করতে বাধ্য হয়। কিন্তু ভিডিওতে দেখা যায় যে দুইজন কালো (আফ্রিকান আমেরিকান) পুরুষ এবং একজন কালো (আফ্রিকান আমেরিকান) মহিলা হোম ডিপোতে কিছু একটা ক্রয় করছে। Assistant US Attorney & FBI Agent রাগ হয়ে প্রসিকিউটর Gitinকে রাগান্বীত হয়ে বলেছিলেন," Mr. Milton is not caucasian, but he is not that black either. Where is Mr. Milton in this video?" প্রসিকিউটর Gitin আমতাআমতা করে বলেছিল, "We thought it was Mr. Milton. Sorry." এর পরে Assistant US Attorney প্রসিকিউটর Gitinকে জিজ্ঞাসা করেছিল, "That's all you have against Mr. Milton?" উত্তরে প্রসিকিউটর Gitin বলেছিল, " Yes. Nothing Else as of now." এ কথা শোনার পর Assistant US Attorney & FBI বলেছিল, " We are not interested in him; You guys have nothing on him." Assistant US Attorney & FBI Agent বেড়িয়ে যাওয়ার সময় জেকব মিল্টনকে বলেছিল,"Good Luck." ঐ মিটিং এর পরের দিনই মিল্টনের বিরুদ্ধে আনীত ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত কেইসটি ডিসমিস হয়ে যায়।
তৃতীয় অভিযোগ: জেকব মিল্টন উপরোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষতি করে ১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে;
বাস্তবতাঃ প্রথমতঃ এই কেইসে কারোই কোন টাকা হারানো যায়নি বা চুরিও হয়নি। কোন ব্যাঙ্ক কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট এটর্ণীর অফিসে এসে জেকব মিল্টন এর বিরুদ্ধে কমপ্লেইন্ট করেনি। প্রশ্ন হলো, একটি কেইসে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এবং দোষী ব্যক্তি কোনভাবে লাভবান না হয় তবে কেইসের মেরিট বলতে তো আর কিছু থাকে না। পাশাপাশি মর্টগেজ প্রসিডস থেকে জেকব মিল্টন এর নামে কোন চেকও ইস্যু করা হয়নি। তাছাড়া, নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজপত্রে স্পষ্টতঃ প্রমান হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালরাই রিয়েল এস্টেট ক্লোজিং এর সময়ে নিজেরাই উপস্থিত ছিল; নিজেরাই তাদের ID দেখিয়ে মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। জেকব মিল্টন ক্লোজিং এর সময় উপস্থিতও ছিলেন না। জেকব মিল্টন এই কেইসের সাথে জড়িত কোন বাড়ি ক্রয় বা বিক্রয়ের সাথে জড়িতই ছিলেন না। সুতরাং জেকব মিল্টন এক মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন কথাটি সম্পূর্নই ভিত্তিহীন। এতো কিছু প্রসিকিউটর Gitinকে জানানোর পরেও সে Gulity Plea ফেরত দিতে নারাজ।
চতুর্থ অভিযোগঃ বাড়ি ক্রয় ও ক্রেডিট কার্ড এর ব্যাপারে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল কিছুই জানতো না ;
বাস্তবতাঃ মর্টগেজ ডকুমেন্টস, মর্টগেজ পেমেন্ট ও নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজ পত্রে সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণ হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল নূর মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তির সাথে পার্টনারশিপে বাড়িঘর ক্রয় করে এবং নিজেরাই ঐ বাড়িতে বসবাস করতো। তাছাড়া, নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজপত্রে স্পষ্টতঃ প্রমান হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালরাই রিয়েল এস্টেট ক্লোজিং এর সময়ে নিজেরাই উপস্থিত ছিল; নিজেরাই তাদের ID দেখিয়ে মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। (নোট: নূর মোহাম্মেদ এর সাথে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালদের বিজনেস এগ্রিমেন্টটি প্রসিকিউটর Neil Gitin উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে লুকিয়ে রেখেছিলো। )
২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেকব মিল্টনের পাঁচজন এটর্নী জেকব মিলটনকে জানান যে প্রসিকিউটর Neil Gitin আত্মম্ভরিতা, মিথ্যাচার, বেআইনী কার্যকলাপ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভন্ডামীর জন্য Guilty Plea ব্যাক করিয়ে দেয়ার সম্ভবনা zero to none. ১৭ই অক্টোবর ২০১০ সালে জেকব মিল্টন হাজতে প্রেরণ করে।
হাজতে থাকাকালীন সময়ে জেকব মিল্টন তার Guilty Plea & Sentencing এর বিরুদ্ধে আপীল করেন। Appellate Division Second Department জেকব মিল্টন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও সাঁজা ডিসমিস করে জেকব মিলটনকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
হাজত থেকে মুক্তির পরপরই জেকব মিল্টন ম্যানহাটন সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। যথাসময়ে প্রসেস সার্ভারের মাধ্যমে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল ও নূর মোহাম্মেদকে সার্ভ করা হয়েছিল। মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল Noah Goldstein নামক একজন Attorneyকে নিয়োগ দেয়। নূর মহম্মদ কোন এটর্নীকে রিটেইন করা থেকে বিরত থাকে। কেইসের এক পর্যায়ে Noah Goldstein কেইস থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। কেইস থেকে Withdraw করার দিন ম্যানহাটন সুপ্রিম কোর্টের হলওয়েতে দাঁড়িয়ে Noah Goldsteinকে টেলিফোনে বলতে শোনা যায়, "I don't trust you guys anymore; find someone else."
এরপর মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল নতুন এটর্নী নিয়োগে ব্যর্থ হয়। বিচারক জেকব মিল্টনের পক্ষে রায় দেন। রায় দেয়ার সময় বিচারক জেকব মিল্টনকে বলেছিলেন,"I am genuinely sorry that injustice took place with you. I am sorry that you had to suffer a lot; no money will bring your life back." এমনকি Inquest এর সময় উপস্থিত জ্যুরীরা জেকব মিল্টনের গ্রেফতার থেকে শুরু করে হাজতবাসের অভিজ্ঞতা শুনে অঝোড়ে কেঁদেছিলো; শুধুমাত্র জেকব মিল্টনই কাঁদেনি।
কোর্টের রায়ের পর জেকব মিল্টন এর Collection Attorneyরা যখন তাদের তল্পিতল্পা নিয়ে টান মেরেছে, মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল ও মার্থা ভিটেরীরা তাদের পুরোনো খেলা শুরু করেছে। তারা এখন অভিযোগ তুলেছে যে তারা জেকব মিল্টনের এই কেইসের কথা জানেই না। তাদেরকে কোন নোটিশই করা হয়নি;ইত্যাদি, ইত্যাদি; ঠিক যেমনি তারা এক সময় বলেছিলো যে তারা কোন প্রপার্টি ক্রয় করেনি; ক্রয়কৃত ঐ প্রোপার্টির সম্পর্কে তারা জানেই না ;অথচ তারা ঐ সময় ঐ বাড়িতেই বসবাস করতো।
পাশাপাশি, নিউ ইয়র্ক পোস্ট জেকব মিলটনের এই সিভিল কেইস নিয়ে বিকৃত একটি নিউজ করেছে; "সঠিক ও নীতিবান সাংবাদিকতার চেয়ে হলুদ সাংবাদিকতার বাজার অনেক ভালো" কথাটি নিউ ইয়র্ক পোস্ট ভালো করেই জানে। তবে জেকব মিল্টন এর এটর্নীরা ইতিমধ্যেই নিউ ইয়র্ক পোস্টকে বিকৃত আর্টিকেলের জন্য লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে নিউ ইয়র্ক পোষ্টের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই মামলা দায়ের করা হবে।