Legal Network International, LLC.

Legal Network International, LLC. Legal Network International, LLC is an entity who represent Attorney's and other professionals. Doze

03/11/2023

হিউস্টন, টেক্সাসবাসী শুভানুধ্যায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ
----------------------------------------------

লিগ্যাল নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল, এল এল সি এবং উই আর দি পিপল এর অধ্যক্ষ জেকব মিল্টন এবং লিগ্যাল নেটওয়ার্কের একজন এটর্নী আগামী ১২ মার্চ রোববার (SUNDAY) সন্ধ্যা ৬:৩০টা থেকে মঙ্গলবার (TUESDAY) বিকাল ৩:০০টা পর্যন্ত হিউস্টন, টেক্সাস এ অবস্থান করবেন।

যে কোন প্রকার আইনী পরামর্শ / সহায়তা (ইমিগ্রেশন, ডিপার্টেশন, মার্কিন ভিসা, ক্রিমিনাল, সিভিল ইত্যাদি) বা কুশল বিনিময়ের জন্য ইচ্ছুকরা নিম্নোক্ত নম্বর এ যোগাযোগ করতে পারেন:

নীরা - ৫১৬-৪২৩-২৮৬৭ অথবা ৩৪৭-৪৮৪-০৭২৯

Legal Network International, LLC is an entity who represent Attorney's and other professionals. Doze

জেকব মিল্টনের পিতৃবিয়োগ————————————৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় লিগ্যাল নেটওয়ার্ক এবং উই আর দি পিপল...
02/09/2023

জেকব মিল্টনের পিতৃবিয়োগ
————————————
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় লিগ্যাল নেটওয়ার্ক এবং উই আর দি পিপল এর অধ্যক্ষ জেকব মিল্টন এর বাবা জনাব সামছুল হক তালুকদার ৯৮ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন।
ব্যক্তিজীবনে মরহুম জনাব তালুকদার ছিলেন একজন অবসর প্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা।

মরহুম এর সন্তানরা তাদের বাবা’র জন্য সকলের দোয়া প্রার্থী।

নোটঃ ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাদ এশা, জ্যাকসন হাইটস্ জামে মসজিদে (৭১-২০ রুজভেল্ট এভেনিউ) মরহুমের রুহের মাগফিরাতের জন্য মিলাদ এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। মিলাদে শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতি হবে মরহুম ও তার সন্তান সন্ততিদের জন্য আশির্বাদস্বরূপ।

ফরিদ আলমের মত লোকজনরা সচরাচর  রাতের আঁধারে  ট্যাক্সি চালায়  বা অন্য কোন অড-জব করে। কিন্তূ, পরিচয় সংকটের কারণে তারা দিনের...
05/02/2022

ফরিদ আলমের মত লোকজনরা সচরাচর রাতের আঁধারে ট্যাক্সি চালায় বা অন্য কোন অড-জব করে। কিন্তূ, পরিচয় সংকটের কারণে তারা দিনের বেলায় একটি ক্যামেরা ঝুলিয়ে বা একটি চটি পত্রিকা বের করে রাতারাতি সাংবাদিক হয়ে একটি পরিচয় তৈরী করার প্রয়াস চালায়।

নতুন গজিয়ে উঠা এক আবর্জনা পত্রিকা মুক্তচিন্তা ও তথাকথিত সাংবাদিক ফরিদ আলম এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
--------------------------------------------
নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে নীতি বিবর্জিত, অসৎ এবং অর্ধশিক্ষিত ব্যক্তিরা খুব সহজেই একটি চটি বের বের করে নিজেদেরকে সাংবাদিক দাবি করে লোকজনদেরকে জিম্মি করে ফেলে। এ ধরণের প্রচলন বাংলাদেশ অত্যাধিক যেহেতু ওই দেশটিতে আইন বা বিচার বিভাগ বলতে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তূ আমেরিকার মত একটি দেশে যেখানে আইন দ্বারা সবকিছুই পরিচালিত হয়, সেখানে ফরিদ আলম এর মত লোকজনরা অন্যের পকেটের দুই পয়সার উপরেই পুঁজি করে চটি বের করা শুরু করে দেয়।

ফরিদ আলম জনৈক ব্যক্তির পারিবারিক জীবনের একটি দুর্ঘটনাকে পুঁজি করে তার চটি পত্রিকায় খবর ছাপানো শুরু করে। ফরিদ আলমের মত চটি পত্রিকার সাংবাদিকরা কম্যুনিটির লোকজনদের রান্নাঘর থেকে শুরু করে বেডরুমের খবর খুঁজে বেড়ায়। কার স্ত্রী'র পেটিকোটের কি রং, সে কি ধরণের লিপস্টিক লাগায়, কোথায় শপিং করে এবং কাদের সাথে মেলামেশা বা পরকীয়ায় মত্ত তার সকল খবরই তারা রাখে।আবার, কার স্বামী পরকীয়ায় মত্ত, স্বামীদের ট্রাফিক টিকেট খাওয়া থেকে শুরু করে স্বামীরা কি ধরণের জামাকাপড় পরিধান করে, কি পেশা তার কত টাকা ইনকাম তাদের প্রতিদিনের তৎপরতার খবরও ফরিদ আলমরা রাখে। সময় ও সুযোগ মত এই তথ্যগুলোকে পুঁজি করেই এই চটি পত্রিকাগুলো বের হয়। ফরিদ আলমের মত লোকজনরা সচরাচর রাতের আঁধারে ট্যাক্সি চালায় বা অন্য কোন অড-জব করে। কিন্তূ, পরিচয় সংকটের কারণে তারা দিনের বেলায় একটি ক্যামেরা ঝুলিয়ে বা একটি চটি পত্রিকা বের করে রাতারাতি সাংবাদিক হয়ে একটি পরিচয় তৈরী করার প্রয়াস চালায়।

ফরিদ আলমের বিরুদ্ধে আনীত মামলায় উল্লেখ করা হয় যে বাদী'র স্ত্রী (যিনি তিন বাচ্চার মা) ভাড়াটের সাথে পালিয়ে গেলে ফরিদ আলম একটি রসালো গল্প তৈরী করে এবং বাদী'র সাথে দেখা করে। ফরিদ আলম বাদীকে জানায় যে বিভিন্ন পত্রিকার লোকজনরা বাদী'র পারিবারিক বিষয়ের উপর বাদী'র বিপক্ষে অনেক বড় রিপোর্ট তৈরী করছে; ঐ রিপোর্টগুলো প্রকাশ হলে বাদী'র অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। বাদী চাইলে ফরিদ আলম তার পক্ষে একটি রিপোর্ট তৈরী করবে এবং ঐ রিপোর্ট এর প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি বাদী'র অনুকূলে যাবে। তবে, বাদী'র পক্ষে রিপোর্ট করতে হলে অনেক টাকা খরচ হবে বলে ফরিদ আলম জানায়। কত টাকার প্রয়োজন হবে জানতে চাইলে ফরিদ আলম জানায় বাদী'কে কমপক্ষে দশ হাজার ডলার খরচ করতে হবে। স্ত্রী তার তিন বাচ্চা, স্বামী ও পরিবারের কথা চিন্তা না করে চলে যাওয়ায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত বাদী কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পরে। আমেরিকায় তার লিগ্যাল স্টেটাস ও পরিবারের কথা চিন্তা করে বাদী'র যখন আত্মহত্যা করার অবস্থা ঠিক তখন ফরিদ আলমের মত সাংবাদিক তখন দশ হাজার ডলার দাবী করে বসে।

নিরুপায় বাদী বহু কষ্টে ফরিদ আলমকে দশ হাজার ডলার প্রদান করে। পরবর্তীতে ফরিদ আলম তার মুক্তচিন্তা নামক চটি'তে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করে।

কিন্তূ এখানেই শেষ নয়, দশ হাজার ডলার নেয়ার পর ফরিদ আলম অত্যন্ত লোভী হয়ে পরে। সে বাদী'র কাছ থেকে আরও ডলার দাবি করে। বাদী তার অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কথা বললে ফরিদ আলম তাকে জানায় যে বাদী'র স্ত্রী ও তার বয়ফ্রেন্ড সাংবাদিক সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাদী টাকা দিতে না পারলে ফরিদ আলম বাদী'র বিপক্ষে আর্টিকেল প্রকাশ করবে।ঐ পর্যায়ে বাদী বুঝতে পারে যে ফরিদ আলম তাকে ব্ল্যাকমেইল করছে এবং ফরিদ আলম সম্ভবতঃ তার স্ত্রী ও বয়ফ্রেন্ডের কাছ থেকেও পয়সা নিচ্ছে। মামলার বাদী মানুষের কাছ থেকে লোন করে ফরিদ আলমকে চার হাজার ডলার প্রদান করলে ফরিদ আলম বাদীকে জানায় যে অপর পক্ষ তার পেছনে বিশ হাজার ডলার নিয়ে ঘুরছে। এই মুহূর্তে টাকা নেই তবে সে টাকা লোন করে দেয়ার চেষ্টা করবে বলে নিরুপায় বাদী কিছুদিনের সময় চান। বাদীকে যথা শীঘ্র টাকার ব্যবস্থা করার কথা বলে ফরিদ আলম চার হাজার ডলার নিয়ে চলে যায়।

কিন্তু চার হাজার ডলার নেয়ার পরেও ফরিদ আলম তার মুক্তচিন্তা নামক চটিতে বাদী'র বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার বিষোদাগার করে এবং তার মত অস্পৃশ্য অন্য সাংবাদিকদেরকেও বাদী'র বিরুদ্ধে বিষোদাগার করতে প্ররোচিত করে।

পরবর্তীতে বাদী জানতে পারে যে ফরিদ আলম বাদী'র স্ত্রী, তার বয়ফ্রেন্ড ও তাদের বন্ধুবান্ধবদেরকে দিয়ে তার প্রত্যক্ষ সহায়তায় প্রেস কনফারেন্স এবং ভিডিও তৈরী করে ইউটিউবে আপলোড করাচ্ছে।

নিরুপায় ও অসহায় বাদী গত এপ্রিল মাসের ১৯ তারিখে ফরিদ আলমের বিরুদ্ধে কুইন্স সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন।

ফরিদ আলমের মত সাংবাদিক নামধারী অস্পৃশ্যরা যে স্রেফ এই মামলার বাদী বা তার পরিবারের পেছনেই লেগে আছে তা নয়; তারা লেগে রয়েছে কম্যুনিটির প্রতিটি মানুষ ও তাদের পরিবারের পেছনে। নব্বই এর দশকে লং আইল্যান্ড সিটি থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক টয়লেট পেপার জাতীয় একটি পত্রিকা মানুষজনদেরকে ব্ল্যাকমেইল করে হলুদ সাংবাদিকতার এই জঘন্য প্রবণতা শুরু করে।ঐ পত্রিকাটির সাথে জড়িত কিছু "নেড়ি কুত্তা" সাংবাদিক নাম ধারণ করে টয়লেট পেপার জাতীয় পত্রিকার ছত্রছায়ায় কম্যুনিটির বহু লোকজনদের জীবনকে অতিষ্ঠ্য করে তুলেছিল। ঐ লোকজনরাই এক সময় লং আইল্যান্ড সিটি থেকে প্রকাশিত টয়লেট পেপার জাতীয় পত্রিকা থেকে সটকে পরে এখন অন্য নামে এক "চটি" তৈরী করে নির্লজ্জের মত লোকজনদেরকে ব্ল্যাকমেইল করার নতুন একটি পন্থা বেঁছে নিয়েছে।

আজ এক সময় লং আইল্যান্ড সিটি থেকে প্রকাশিত টয়লেট পেপার জাতীয় পত্রিকাটি বৃদ্ধা পতিতাদের ন্যায় বাজারে টিকে থাকলেও তাদেরই স্বজাতি বা উত্তরাধিকার ফরিদ আলম'রা নেড়ি কুকুরের ন্যায় জিহ্বা বের করে রাস্তায় হেঁটে মানুষের গন্ধ শুঁকে বেড়ায়।

ব্যক্তি ফরিদ আলমের উপর খোঁজ খবর নেয়ার পর বহু তথ্যই বেরিয়ে এসেছে।পরিচিত অনেকেই বলেছেন যে ফরিদ আলম এমনই এক ব্যক্তি যিনি যে প্লেটে খান ঐ প্লেটেই মল ত্যাগ করেন; যে হাত তার মুখে খাদ্য তুলে দেয় ফরিদ আলম ঐ হাতকেই কামড়িয়ে রক্তাক্ত করে দেয়। এ ধরণের মানুষরূপীরা দলহীন, নীতিহীন, চরিত্রহীন ও স্বার্থপর হয়ে থাকে। তারা অত্যন্ত ভীতু ও কাপুরোষিত আচরণে অভ্যস্ত।

আজও নিউ ইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশীরা জনাকয়েক সৎ, নির্ভিক ও নৈতিক ভাবে আপোষহীন পেশাদার সাংবাদিক এবং মিডিয়া আউটলেট এর অপেক্ষায়। যাদের উপস্থিতিতে ফরিদ আলম'দের মত নেড়ি কুকুররা তথাকথিত সাংবাদিকতা ছেড়ে তাদের পুরোনো পেশায় ফিরে যেতে বাধ্য হবে বলে অনেকেই মনে করেন।

সত্যাচারী
নিউ ইয়র্ক

নোট:

১. লেখক বাদী ও তার দুই সন্তানের সাথে সরাসরি কথা বলেছেন এবং বাদী'র স্ত্রী কর্তৃক স্বামী ও নিজ সন্তানদের বিরুদ্ধে তিনটি ক্রিমিনাল কমপ্লেইন্ট পর্যালোচনা করেছেন। লেখক বাদী'র দুই সন্তানদের কাছ থেকে তাদের বাবা (বাদী) ও ফরিদ আলমের কথোপকথনের বর্ণনা শুনেছেন।

২. বিষয়টি অত্যন্ত নোংরা ও স্পর্শকাতর বিধায় এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের কথা বিবেচনা করে বাদী'র নাম প্রকাশ করা হলো না।

https://www.facebook.com/107014294348643/posts/287535916296479/?d=n

04/13/2022
ডাঃ দম্পতি ডলারের জোড়ে সত্যকে মিথ্যা বানানোর পায়তারা করে যাচ্ছে; এবং তাদের সাথে রয়েছে টয়লেট পেপার নামে খ্যাত কিছু সাপ্ত...
03/26/2022

ডাঃ দম্পতি ডলারের জোড়ে সত্যকে মিথ্যা বানানোর পায়তারা করে যাচ্ছে; এবং তাদের সাথে রয়েছে টয়লেট পেপার নামে খ্যাত কিছু সাপ্তাহিক যারা কোন কিছুই না জেনে দু’চার ডলারের জন্য ভন্ড, চরিত্রহীন, লোভী ও ইতর ডাক্তার দম্পতির সাফাই গাইতে গিয়ে বাড়ি ভাড়া ইস্যু তৈরী করেছে। অথচ, বাড়ী ভাড়ার কোন ইস্যুই এখানে নেই।হুবরী এই দম্পতি LRAP প্রোগ্রাম থেকে ভাড়া নিয়েছে আবার ভাড়াটের কাছে থেকেও ভাড়া নিয়েছে।এই দম্পতির নির্লজ্জ কথাবার্তা শুনলে মনে হবে তারা কবর থেকে মাত্র উঠে আসলো!

ভাড়াটের উপর শারীরিক নির্যাতনের জন্য ডাক্তার বর্ণালী হাসান এর স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান গ্রেফতার
--------------------------------------------
ভাড়াটের স্ত্রী যিনি বাংলাদেশের একজন ডেন্টিস্ট, তিনি নিউ ইয়র্কের ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান ও ডাক্তার বর্ণালী হাসানের ৪০-১৪ গ্রীনপয়েন্ট এভিনিউ সানিসাইডে অবস্থিত অফিসটিতে কর্মরত ছিলেন। ডাক্তার বর্ণালী হাসানের স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান ভাড়াটের স্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের মিনিমাম মজুরী $১৫ ডলারের স্থলে $১০ ডলার বেতন প্রদান করলেও তাকে দিয়ে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা কাজ করিয়ে নিতেন। দুইতিন মাস আগে, ভাড়াটের স্ত্রী কর্মস্থলে সিঁড়ির উপরে পরে গিয়ে প্রচন্ডভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। কিন্তু ডাক্তার বর্ণালী হাসান এবং তার স্বামী ভাড়াটের স্ত্রীকে ৯১১ কল করা থেকে বিরত রাখেন। ভাড়াটের স্ত্রীকে টাইলেনল খাইয়ে ঘুম পরিয়ে রাখেন। ভাড়াটের স্ত্রীর পা ফুলে ব্যথায় কাতরাতে থাকলেও তাকে ৯১১ কল করতে দেয়া হয়নি।এক পর্যায়ে ভাড়াটের স্ত্রী নিরুপায় হয়ে বাংলাদেশী কম্যুনিটির অন্য একজন ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হলে ঐ ডাক্তার তাকে এক্সরে ও এমআরআই করার জন্য পাঠান। রিপোর্ট অনুযায়ী ভাড়াটের স্ত্রীর পা যথেষ্ঠ্য ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিধায় তাকে এন্টিবায়োটিক সহ ফিজিক্যাল থেরাপির জন্য পাঠানো হয়; অর্থোপেডিক সার্জনের মনে করেন যে ভাড়াটের স্ত্রীর সার্জারীর প্রয়োজন হতে পারে।

ভাড়াটের স্ত্রী মানষিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে তিনি এটর্নীর স্মরণাপন্ন হন। এটর্নীর কাছে ভাড়াটের স্ত্রী খুবই করুন ভাবে ক্রন্দনরত অবস্থায় নিম্নোক্ত অভিযোগ করেন:

১. ডাক্তার বর্ণালী হাসানের স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান তাকে বিভিন্ন উপায়ে যৌন হয়রানী করতেন; ডাক্তার বর্ণালী হাসান এ ব্যাপারে ভাড়াটের স্ত্রীকে অযথাই গালিগালাজ করতেন;

২. ভাড়াটের স্ত্রীকে দিয়ে একজন ডেন্টিস্ট এর পুরো কাজ করিয়ে নিতেন যা পুরোপুরি অবৈধ যেহেতু চিকিৎসা করার জন্য ভাড়াটের স্ত্রীর লাইসেন্স নেই। ভাড়াটের স্ত্রী ছাড়াও লাইসেন্সবিহীন অন্যান্য এমপ্লয়ীদেরকে দিয়ে মানুষের চিকিৎসা করান এমনকি তাদের দিয়ে রোগীদের প্রেসক্রিপশন লেখান; যা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ।

৩. ভাড়াটের স্ত্রী কাজ ছেড়ে দিলেও তাকে কল করে ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন ;

৪. কাজে থাকাকালীন সময়ে ভাড়াটের স্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের মিনিমাম মজুরী $১৫ ডলারের স্থলে $১০ ডলার বেতন প্রদান করতেন যা সম্পূর্ণরূপে বেআইনী।

৫. যেহেতু ভাড়াটের স্ত্রী তার স্বামী ও সাত বছরের সন্তানকে নিয়ে ডাক্তার বর্ণালী হাসান ও ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসানের সানিসাইড অফিসার দ্বিতীয় তালার ভাড়াটে ; ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসানের কুপ্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় সে প্রথমে ভাড়াটের বাসার গরম পানি বন্ধ করে দেন; পরবর্তীতে হিট বন্ধ করে দেন; পরিশেষে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেন।

পরিশেষে, ভাড়াটেরা কম্যুনিটির সুপরিচিত লিগ্যাল নেটওয়ার্কের এটর্নীদের সহায়তায় নিউ ইয়র্ক স্টেট এর লেবার ডিপার্টমেন্টে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন; যৌন হয়রানীর জন্য পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অভিযোগ দাখিল করেন; কর্মস্থলে শারীরিক আঘাতের জন্যও আইনের আশ্রয় নেন; পরিশেষে হাউজিং কোর্টে অর্ডার টু শোকজ এর মাধ্যমে হিট, গরম পানি ও পানি সরবরাহ চালু করেন। কিন্তু একদিনের মধ্যেই ডেন্টিস্ট মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী ডাক্তার বর্ণালী হাসান পুনরায় হিট ও গরম পানি বন্ধ করলে লিগ্যাল নেটওয়ার্কের এটর্নীরা বর্ণালী হাসানের এটর্নীকে সতর্ক করেন এবং এই শুক্রবারেই পুনরায় হিয়ারিং এর দিন ধার্য্য করেন।কিন্তু, কোন প্রকার কারণ ছাড়াই ডাক্তার বর্ণালী হাসানের স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুর রহমান দুইতিন জন বহিরাগতদের নিয়ে অতর্কিতে ভাড়াটের বাসায় হামলা করেন। হামলাকালীন সময়ে, ডেন্টিস্ট মাহফুজুর রহমান ও বহিরাগতরা ভাড়াটের সাত বছরের মেয়েকে আঘাত করে, ভাড়াটে স্বামীস্ত্রীকে প্রহার করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

কম্যুনিটির এক চিকিৎসক দম্পতির কাছ থেকে এ ধরণের পশুত্ব, অনৈতিক ও বেআইনী কার্যক্রম অনাকাঙ্খিত। তবে এ ধরণের পশুর সংখ্যা বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে দিনকেদিন বেড়েই চলছে।

নিউ ইয়র্কের তথাকথিত সাংবাদিক মহল হয়তো এ বিষয়ে কিছুই বলবে বা লিখবে না; যেহেতু তারা ডাক্তার বর্ণালী হাসান ও ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসানের মত পশুদের কাছ থেকে প্রতি সপ্তাহে দু'চার ডলারের বিজ্ঞাপন পান।

সত্যাচারী
নিউ ইয়র্ক

নোট: বিষয়টি অত্যন্ত নোংরা বিধায় ভাড়াটেদের নাম প্রকাশ করা হলো না।

https://www.facebook.com/100028476759715/posts/805858563706695/?d=n

https://www.facebook.com/1255622961134404/posts/5618914421471881/?d=n

ভাড়াটের উপর শারীরিক নির্যাতনের জন্য ডাক্তার বর্ণালী হাসান এর স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান গ্রেফতার ------------------...
03/22/2022

ভাড়াটের উপর শারীরিক নির্যাতনের জন্য ডাক্তার বর্ণালী হাসান এর স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান গ্রেফতার
--------------------------------------------
ভাড়াটের স্ত্রী যিনি বাংলাদেশের একজন ডেন্টিস্ট, তিনি নিউ ইয়র্কের ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান ও ডাক্তার বর্ণালী হাসানের ৪০-১৪ গ্রীনপয়েন্ট এভিনিউ সানিসাইডে অবস্থিত অফিসটিতে কর্মরত ছিলেন। ডাক্তার বর্ণালী হাসানের স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান ভাড়াটের স্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের মিনিমাম মজুরী $১৫ ডলারের স্থলে $১০ ডলার বেতন প্রদান করলেও তাকে দিয়ে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা কাজ করিয়ে নিতেন। দুইতিন মাস আগে, ভাড়াটের স্ত্রী কর্মস্থলে সিঁড়ির উপরে পরে গিয়ে প্রচন্ডভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। কিন্তু ডাক্তার বর্ণালী হাসান এবং তার স্বামী ভাড়াটের স্ত্রীকে ৯১১ কল করা থেকে বিরত রাখেন। ভাড়াটের স্ত্রীকে টাইলেনল খাইয়ে ঘুম পরিয়ে রাখেন। ভাড়াটের স্ত্রীর পা ফুলে ব্যথায় কাতরাতে থাকলেও তাকে ৯১১ কল করতে দেয়া হয়নি।এক পর্যায়ে ভাড়াটের স্ত্রী নিরুপায় হয়ে বাংলাদেশী কম্যুনিটির অন্য একজন ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হলে ঐ ডাক্তার তাকে এক্সরে ও এমআরআই করার জন্য পাঠান। রিপোর্ট অনুযায়ী ভাড়াটের স্ত্রীর পা যথেষ্ঠ্য ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিধায় তাকে এন্টিবায়োটিক সহ ফিজিক্যাল থেরাপির জন্য পাঠানো হয়; অর্থোপেডিক সার্জনের মনে করেন যে ভাড়াটের স্ত্রীর সার্জারীর প্রয়োজন হতে পারে।

ভাড়াটের স্ত্রী মানষিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে তিনি এটর্নীর স্মরণাপন্ন হন। এটর্নীর কাছে ভাড়াটের স্ত্রী খুবই করুন ভাবে ক্রন্দনরত অবস্থায় নিম্নোক্ত অভিযোগ করেন:

১. ডাক্তার বর্ণালী হাসানের স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান তাকে বিভিন্ন উপায়ে যৌন হয়রানী করতেন; ডাক্তার বর্ণালী হাসান এ ব্যাপারে ভাড়াটের স্ত্রীকে অযথাই গালিগালাজ করতেন;

২. ভাড়াটের স্ত্রীকে দিয়ে একজন ডেন্টিস্ট এর পুরো কাজ করিয়ে নিতেন যা পুরোপুরি অবৈধ যেহেতু চিকিৎসা করার জন্য ভাড়াটের স্ত্রীর লাইসেন্স নেই। ভাড়াটের স্ত্রী ছাড়াও লাইসেন্সবিহীন অন্যান্য এমপ্লয়ীদেরকে দিয়ে মানুষের চিকিৎসা করান এমনকি তাদের দিয়ে রোগীদের প্রেসক্রিপশন লেখান; যা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ।

৩. ভাড়াটের স্ত্রী কাজ ছেড়ে দিলেও তাকে কল করে ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসান কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন ;

৪. কাজে থাকাকালীন সময়ে ভাড়াটের স্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের মিনিমাম মজুরী $১৫ ডলারের স্থলে $১০ ডলার বেতন প্রদান করতেন যা সম্পূর্ণরূপে বেআইনী।

৫. যেহেতু ভাড়াটের স্ত্রী তার স্বামী ও সাত বছরের সন্তানকে নিয়ে ডাক্তার বর্ণালী হাসান ও ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসানের সানিসাইড অফিসার দ্বিতীয় তালার ভাড়াটে ; ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসানের কুপ্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় সে প্রথমে ভাড়াটের বাসার গরম পানি বন্ধ করে দেন; পরবর্তীতে হিট বন্ধ করে দেন; পরিশেষে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেন।

পরিশেষে, ভাড়াটেরা কম্যুনিটির সুপরিচিত লিগ্যাল নেটওয়ার্কের এটর্নীদের সহায়তায় নিউ ইয়র্ক স্টেট এর লেবার ডিপার্টমেন্টে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন; যৌন হয়রানীর জন্য পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অভিযোগ দাখিল করেন; কর্মস্থলে শারীরিক আঘাতের জন্যও আইনের আশ্রয় নেন; পরিশেষে হাউজিং কোর্টে অর্ডার টু শোকজ এর মাধ্যমে হিট, গরম পানি ও পানি সরবরাহ চালু করেন। কিন্তু একদিনের মধ্যেই ডেন্টিস্ট মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী ডাক্তার বর্ণালী হাসান পুনরায় হিট ও গরম পানি বন্ধ করলে লিগ্যাল নেটওয়ার্কের এটর্নীরা বর্ণালী হাসানের এটর্নীকে সতর্ক করেন এবং এই শুক্রবারেই পুনরায় হিয়ারিং এর দিন ধার্য্য করেন।কিন্তু, কোন প্রকার কারণ ছাড়াই ডাক্তার বর্ণালী হাসানের স্বামী ডেন্টিস্ট মাহফুজুর রহমান দুইতিন জন বহিরাগতদের নিয়ে অতর্কিতে ভাড়াটের বাসায় হামলা করেন। হামলাকালীন সময়ে, ডেন্টিস্ট মাহফুজুর রহমান ও বহিরাগতরা ভাড়াটের সাত বছরের মেয়েকে আঘাত করে, ভাড়াটে স্বামীস্ত্রীকে প্রহার করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

কম্যুনিটির এক চিকিৎসক দম্পতির কাছ থেকে এ ধরণের পশুত্ব, অনৈতিক ও বেআইনী কার্যক্রম অনাকাঙ্খিত। তবে এ ধরণের পশুর সংখ্যা বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে দিনকেদিন বেড়েই চলছে।

নিউ ইয়র্কের তথাকথিত সাংবাদিক মহল হয়তো এ বিষয়ে কিছুই বলবে বা লিখবে না; যেহেতু তারা ডাক্তার বর্ণালী হাসান ও ডেন্টিস্ট মাহফুজুল হাসানের মত পশুদের কাছ থেকে প্রতি সপ্তাহে দু'চার ডলারের বিজ্ঞাপন পান।

সত্যাচারী
নিউ ইয়র্ক

নোট: বিষয়টি অত্যন্ত নোংরা বিধায় ভাড়াটেদের নাম প্রকাশ করা হলো না।

https://www.facebook.com/100028476759715/posts/805858563706695/?d=n

https://www.facebook.com/1255622961134404/posts/5618914421471881/?d=n

কতিপয় ব্যক্তির সম্পূর্ণ মিথ্যাচারিতায় নির্দোষ জেকব মিলটনকে জেলে যেতে হয়েছিল।ক্রিমিনাল জুডিশিয়াল প্রসেস এর ব্যর্থতাও অস্ব...
11/16/2021

কতিপয় ব্যক্তির সম্পূর্ণ মিথ্যাচারিতায় নির্দোষ জেকব মিলটনকে জেলে যেতে হয়েছিল।ক্রিমিনাল জুডিশিয়াল প্রসেস এর ব্যর্থতাও অস্বীকার করা যাবে না । ২০০৭ সালের প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত জেকব মিল্টন সম্পূর্ণরূপে নির্দোষ ছিলেন ।
- Hon. Judge Doris Ling-Cohan, Supreme Court New York County
------------------------------------------------------------------------
নিউ ইয়র্কের কতিপয় ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ২০০৭ সালে পুলিশের নিকট জেকব মিল্টন এর বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা দায়ের করে। ঐ মামলায় জনাব জেকব মিল্টনের কারাদণ্ডও হয়েছিল।

হাজত থেকে মুক্ত হওয়ার সাথেসাথে জনাব মিল্টন অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ম্যানহাটন সুপ্রীম কোর্টে মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় মিথ্যা অভিযোগকারীরা বিচারকের প্রশ্নবানে জর্জরিত হওয়ার পরই অভিযোগকারীদের এটর্নী মামলা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন।

পরিশেষে, সুপ্রীম কোর্টের মাননীয় বিচারক ডরিস লীন-কোহান তার প্রদত্ত রায়ে বলেন, "কতিপয় ব্যক্তির সম্পূর্ণ মিথ্যাচারিতায় নির্দোষ জেকব মিলটনকে জেলে যেতে হয়েছিল। ক্রিমিনাল জুডিশিয়াল প্রসেস এর ব্যর্থতাও অস্বীকার করা যাবে না; ২০০৭ সালের প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত জেকব মিল্টন সম্পূর্ণরূপে নির্দোষ ছিলেন।" এর সাথেসাথে মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ১২.৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা'র নির্দেশ দিয়েছেন।

২০০৭ সালে জনাব জেকব মিল্টন এর গ্রেফতারের পর বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে প্রচন্ড তোলপাড় হয়েছিল এই মামলা নিয়ে। কিন্তু নির্দোষ জেকব মিল্টন এর পাশে দাঁড়ানোর জন্য কম্যুনিটি থেকে কেউই এগিয়ে আসেনি। বরং আজও কিছু মানুষ এখানে ওখানে জনাব মিল্টনের পুরোনো সেই মামলা নিয়ে রসিয়ে রসিয়ে গল্প করে।

https://hakkatha.com/newyork/প্রতারণা-মামলায়-জ্যাকব-ম/

https://bd24views.com/international/20462/...

https://www.facebook.com/1255622961134404/posts/4825208190842512/?d=n

ম্যানহাটন সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক জেকব মিল্টন'কে নির্দোষ ঘোষণা; দোষী সাব্যস্তকারীরা দোষী সাব্যস্ত; দোষী সাব্যস্তকারীদের ১২....
08/17/2021

ম্যানহাটন সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক জেকব মিল্টন'কে নির্দোষ ঘোষণা; দোষী সাব্যস্তকারীরা দোষী সাব্যস্ত; দোষী সাব্যস্তকারীদের ১২.৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা
===============================
২০০৬ সালে গ্রীফিন মর্টগেজ ব্যাংকে কর্মরত কতিপয় ব্যক্তি জেকব মিল্টন'কে দোষী সাব্যস্ত করে পুলিশের কাছে রিপোর্ট করে। কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই ২০০৭ সালের অক্টোবর মাসে পুলিশ জেকব মিল্টনকে গ্রেফতার করেছিল। জেকব মিল্টন এর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ছিল নিম্নরূপ:

১. জেকব মিল্টন মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল এর পরিচয় চুরি (identity theft) করে একাধিক বাড়িঘর ক্রয় করেছে;

২. জেকব মিল্টন উপরোক্ত লোকজনের নাম ক্রেডিট কার্ড বানিয়ে হোম ডিপো'তে শপিং করেছে;

৩. জেকব মিল্টন উপরোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষতি করে ১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে;

৪. বাড়ি ক্রয় ও ক্রেডিট কার্ড এর ব্যাপারে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল কিছুই জানতো না;

জেকব মিল্টন'কে গ্রেফতারের পরের দিনই কোন প্রকার তদন্ত বা জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই কুইন্স কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট এটর্ণী রিচার্ড ব্রাউন মেজর নিউজ মিডিয়া'র সামনে অনেক বড় একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেকব মিল্টন'কে উপরোক্ত দোষে দোষী সাব্যস্ত করেন। তবে, সংবাদ সম্মেলনের পরপরই তদন্তকারী কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন যে তারা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে জেকব মিল্টন'কে গ্রেফতার করেছে।

তদন্তকারীরা কেইস ডিসমিস করার শর্ত হিসেবে জেকব মিল্টনের কাছে বিভিন্ন ধরণের প্রস্তাব নিয়ে যান। কিন্তু জেকব মিল্টন কোন প্রস্তাবেই রাজী হননি। তারা বুঝতে পারে যে এই কেইসটি এমনিতেই ডিসমিস হলে জেকব মিল্টন তাদেরকে ছেড়ে দেবে না। তদন্তকারীরা এবং প্রসিকিউটর মরিয়া হয়ে উঠে; তারা প্রসিকিউটরের ল-স্কুল বাডি এবং কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট এটর্নী অফিসের সাবেক প্রসিকিউটর শেলী বাটলারকে (যিনি জেকব মিলতো এর এটর্নী ছিলেন) ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জেকব মিলটনকে কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টের বারান্দায় এম্বুশ করে কিছু কাগজে স্বাক্ষর করতে বলে। জেকব মিল্টন ঐসব কাগজে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে প্রসিকিউটর neil gitin জেকব মিলটনকে টেরোরিষ্ট মামলায় পুনরায় গ্রেফতারের হুমকি দেয়। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জেকব মিল্টনের হাত থেকে জোড় করে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় যাতে সে অন্য কাউকে ফোন করতে না পারে। জেকব মিল্টন প্রসিকিউটর ও তদন্তকারীদের বলেছিলেন, "আমি নির্দোষ; কোন অন্যায় আমি করেননি; পারলে আমাকে দোষী প্রমান করে দেখান। উত্তরে প্রসিকিউটর Neil Gitin বলেছিলো, " If You Refuse To Sign these papers, we are going to arrest you and your family member under the suspicion of terrorism; I don't have to prove anything; I will make sure that you and your family member get deported.

জেকব মিল্টন প্রচন্ড চাপের মুখে অসহায় হয়ে যান ;কাউকে কল করাও সম্ভব ছিল না। ওই সময়টাতেই আমেরিকায় Patriot Law পাশ হয়েছিল। ঐ সময়ে কেউ terrorism কেইসে arrest হওয়ার অর্থই ছিল যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ডিপোর্টেশন অথবা মৃত্যুদণ্ড। জেকব মিল্টন তার বোন ও ভাগ্নির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিথর হয়ে পড়েন। তার এটর্নী শেলী বাটলার অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখলো। জেকব মিল্টন বুঝতে পারলেন যে তিনি প্রসিকিউটরের দেয়া কাগজে স্বাক্ষর না করলে তাকে, তার বোন ও ভাগ্নীকে terrorism কেইসে এরেস্ট করা হবে; তিনজন একত্রে গ্রেফতার হলে তাঁদের কেইস চালানোর মতো বাহিরে আর কেউই থাকবে না। Terrorism কেইসে গ্রেফতার হলে তাদের তিনজনকেই ফেডারেল প্রিজনে পাঠানো হবে। জেকব মিল্টন প্রসিকিউটরকে বলেছিলেন, "আমি কি কাগজগুলো পড়ে দেখতে পারি?" উত্তরে প্রসিকিউটর Neil Gitin বলেছিলো, "Absolutely not; you better sign it now or else!" জেকব মিল্টন অসহায়ের মতো কাগজগুলোতে স্বাক্ষর করেছিলেন; ঐ কাগজগুলো তাকে পড়তেও দেয়া হয়নি। প্রসিকিউটর ও তদন্তকারীদের সম্পূর্ণ কার্যক্রম ও আচারনই ছিল বেআইনী। অথচ সবাই বলে যে আমেরিকা আইনের দেশ।
পরেরদিন খবরের কাগজে ছাপা হলো, "জেকব মিল্টন অপরাধ স্বীকার করেছে।" জেকব মিল্টন বুঝতে পারেন যে তাকে দিয়ে Guilty Plea স্বাক্ষর করানো হয়েছে। বাংলাদেশী কম্যুনিটির সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোও (ঠিকানা ও জন্মভূমি) রসিয়েরসিয়ে ফলাও করে প্রচার করেছিল। এবং একযুগ পরে আজও কোন কোন পত্রিকা জেকব মিলটনের গ্রেফতারের পুরোনো কাহিনী পুনরায় প্রকাশ করে তৃপ্তি পায়। কম্যুনিটির কিছুকিছু মানুষ কিছু না জেনেই ওসব পড়ে চায়ের টেবিলে আলোচনার ঢেউ তোলে।আবার যেসব মানুষরা জেকব মিল্টন এর জন্যই বাড়ির মালিক হয়েছিলেন এবং টাকা পয়সার মুখ দেখেছিল তারাও পুলিশের কাছে গিয়ে বানোয়াট কাহিনী তৈরী করেছিল। কম্যুনিটির একজন মানুষও এগিয়ে আসেনি সাহায্যের জন্য। অথচ জেকব মিল্টন এর সহায়তাই বহু মানুষ পয়সার মুখ দেখেছে এবং বাড়ির মালিক হয়েছে।

এর পরই জেকব মিল্টন নতুন এটর্নী নিয়োগ দেন এবং Gulity Plea ব্যাক করানোর জন্য নতুন এটর্নীদের দ্বারা তিনটি Motion ফাইল করেন। ঐ Motion এ বলা হয়েছিল, "জেকব মিল্টন তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার ডিসমিস চান না; শুধুমাত্র ফেয়ার ট্রায়াল এর ব্যবস্থা করা হোক। কিন্তু কোন কারণ ছাড়া প্রসিকিউটর তিনটি Motionএরই বিরোধিতা করে; মূলতঃ প্রসিকিউটর জানতো যে Guilty Plea ফিরিয়ে দিলে জেকব মিল্টনকে Gulity করার কোন সুযোগই নেই; যেহেতু জেকব মিল্টন কোন অন্যায়ই করেনি।

জেকব মিল্টন তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগগুলোই খণ্ডন করেন। যেমন:

প্রথম অভিযোগ: জেকব মিল্টন মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল এর পরিচয় চুরি (identity theft) করে একাধিক বাড়িঘর ক্রয় করেছে।

বাস্তবতা: মূলতঃ মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল নূর মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তির সাথে পার্টনারশিপে বাড়িঘর ক্রয় করে ঐ বাড়িতেই বসবাস করছিলো ; ঐ Transaction গুলোর সময় মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল মর্টগেজ ব্রোকারের অফিসে গিয়ে নিজেরাই মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। এটা প্রমানের জন্য জেকব মিল্টন নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স থেকে কাগজ তুলে প্রসিকিউটরকে দেয়ার পরেও প্রসিকিউটর ঐসব কাগজ দেখতে অস্বীকার করে। নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজপত্রে স্পষ্টতঃ প্রমান হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালরাই রিয়েল এস্টেট ক্লোজিং এর সময়ে নিজেরাই উপস্থিত ছিল; নিজেরাই তাদের ID দেখিয়ে মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। জেকব মিল্টন ক্লোজিং এর সময় উপস্থিতও ছিলেন না। (নোট: নূর মোহাম্মেদ এর সাথে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালদের বিজনেস এগ্রিমেন্টটি প্রসিকিউটর Neil Gitin উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে লুকিয়ে রেখেছিলো।)

দ্বীতিয় অভিযোগ: জেকব মিল্টন উপরোক্ত লোকজনের নাম ক্রেডিট কার্ড বানিয়ে হোম ডিপো'তে শপিং করেছে;

বাস্তবতাঃ প্রসিকিউটর দাবী করেছিল যে তাদের কাছে একটি ভিডিও রয়েছে ;যে ভিডিওতে দেখা যায় যা জেকব মিল্টন অন্য মানুষের নামে ক্রেডিট বানিয়ে হোম ডিপোতে শপিং করছে। শুনেছি হোম ডিপোতে শপিংএর এমাউন্ট ছিল মাত্র ৩৯ ডলার। জেকব মিল্টন Assistant US Attorney & FBI এর উপস্থিতিতে প্রসিকিউটরকে ভিডিওটি প্লে করতে বলেছিলেন। প্রসিকিউটর একটু টালবাহানা করার চেষ্টা করলেও জেকব মিল্টন তার কথায় অনড় থাকায় প্রসিকিউটর Neil Gitin ভিডিওটি প্লে করতে বাধ্য হয়। কিন্তু ভিডিওতে দেখা যায় যে দুইজন কালো (আফ্রিকান আমেরিকান) পুরুষ এবং একজন কালো (আফ্রিকান আমেরিকান) মহিলা হোম ডিপোতে কিছু একটা ক্রয় করছে। Assistant US Attorney & FBI Agent রাগ হয়ে প্রসিকিউটর Gitinকে রাগান্বীত হয়ে বলেছিলেন," Mr. Milton is not caucasian, but he is not that black either. Where is Mr. Milton in this video?" প্রসিকিউটর Gitin আমতাআমতা করে বলেছিল, "We thought it was Mr. Milton. Sorry." এর পরে Assistant US Attorney প্রসিকিউটর Gitinকে জিজ্ঞাসা করেছিল, "That's all you have against Mr. Milton?" উত্তরে প্রসিকিউটর Gitin বলেছিল, " Yes. Nothing Else as of now." এ কথা শোনার পর Assistant US Attorney & FBI বলেছিল, " We are not interested in him; You guys have nothing on him." Assistant US Attorney & FBI Agent বেড়িয়ে যাওয়ার সময় জেকব মিল্টনকে বলেছিল,"Good Luck." ঐ মিটিং এর পরের দিনই মিল্টনের বিরুদ্ধে আনীত ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত কেইসটি ডিসমিস হয়ে যায়।

তৃতীয় অভিযোগ: জেকব মিল্টন উপরোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষতি করে ১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে;

বাস্তবতাঃ প্রথমতঃ এই কেইসে কারোই কোন টাকা হারানো যায়নি বা চুরিও হয়নি। কোন ব্যাঙ্ক কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট এটর্ণীর অফিসে এসে জেকব মিল্টন এর বিরুদ্ধে কমপ্লেইন্ট করেনি। প্রশ্ন হলো, একটি কেইসে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এবং দোষী ব্যক্তি কোনভাবে লাভবান না হয় তবে কেইসের মেরিট বলতে তো আর কিছু থাকে না। পাশাপাশি মর্টগেজ প্রসিডস থেকে জেকব মিল্টন এর নামে কোন চেকও ইস্যু করা হয়নি। তাছাড়া, নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজপত্রে স্পষ্টতঃ প্রমান হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালরাই রিয়েল এস্টেট ক্লোজিং এর সময়ে নিজেরাই উপস্থিত ছিল; নিজেরাই তাদের ID দেখিয়ে মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। জেকব মিল্টন ক্লোজিং এর সময় উপস্থিতও ছিলেন না। জেকব মিল্টন এই কেইসের সাথে জড়িত কোন বাড়ি ক্রয় বা বিক্রয়ের সাথে জড়িতই ছিলেন না। সুতরাং জেকব মিল্টন এক মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন কথাটি সম্পূর্নই ভিত্তিহীন। এতো কিছু প্রসিকিউটর Gitinকে জানানোর পরেও সে Gulity Plea ফেরত দিতে নারাজ।

চতুর্থ অভিযোগঃ বাড়ি ক্রয় ও ক্রেডিট কার্ড এর ব্যাপারে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল কিছুই জানতো না ;

বাস্তবতাঃ মর্টগেজ ডকুমেন্টস, মর্টগেজ পেমেন্ট ও নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজ পত্রে সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণ হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভাল নূর মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তির সাথে পার্টনারশিপে বাড়িঘর ক্রয় করে এবং নিজেরাই ঐ বাড়িতে বসবাস করতো। তাছাড়া, নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্স এর কাগজপত্রে স্পষ্টতঃ প্রমান হয় যে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালরাই রিয়েল এস্টেট ক্লোজিং এর সময়ে নিজেরাই উপস্থিত ছিল; নিজেরাই তাদের ID দেখিয়ে মর্টগেজ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেছিল। (নোট: নূর মোহাম্মেদ এর সাথে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ ও হেক্টর স্যান্ডোভালদের বিজনেস এগ্রিমেন্টটি প্রসিকিউটর Neil Gitin উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে লুকিয়ে রেখেছিলো। )

২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেকব মিল্টনের পাঁচজন এটর্নী জেকব মিলটনকে জানান যে প্রসিকিউটর Neil Gitin আত্মম্ভরিতা, মিথ্যাচার, বেআইনী কার্যকলাপ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভন্ডামীর জন্য Guilty Plea ব্যাক করিয়ে দেয়ার সম্ভবনা zero to none. ১৭ই অক্টোবর ২০১০ সালে জেকব মিল্টন হাজতে প্রেরণ করে।

হাজতে থাকাকালীন সময়ে জেকব মিল্টন তার Guilty Plea & Sentencing এর বিরুদ্ধে আপীল করেন। Appellate Division Second Department জেকব মিল্টন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও সাঁজা ডিসমিস করে জেকব মিলটনকে মুক্তির নির্দেশ দেন।

হাজত থেকে মুক্তির পরপরই জেকব মিল্টন ম্যানহাটন সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। যথাসময়ে প্রসেস সার্ভারের মাধ্যমে মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল ও নূর মোহাম্মেদকে সার্ভ করা হয়েছিল। মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল Noah Goldstein নামক একজন Attorneyকে নিয়োগ দেয়। নূর মহম্মদ কোন এটর্নীকে রিটেইন করা থেকে বিরত থাকে। কেইসের এক পর্যায়ে Noah Goldstein কেইস থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। কেইস থেকে Withdraw করার দিন ম্যানহাটন সুপ্রিম কোর্টের হলওয়েতে দাঁড়িয়ে Noah Goldsteinকে টেলিফোনে বলতে শোনা যায়, "I don't trust you guys anymore; find someone else."

এরপর মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল নতুন এটর্নী নিয়োগে ব্যর্থ হয়। বিচারক জেকব মিল্টনের পক্ষে রায় দেন। রায় দেয়ার সময় বিচারক জেকব মিল্টনকে বলেছিলেন,"I am genuinely sorry that injustice took place with you. I am sorry that you had to suffer a lot; no money will bring your life back." এমনকি Inquest এর সময় উপস্থিত জ্যুরীরা জেকব মিল্টনের গ্রেফতার থেকে শুরু করে হাজতবাসের অভিজ্ঞতা শুনে অঝোড়ে কেঁদেছিলো; শুধুমাত্র জেকব মিল্টনই কাঁদেনি।

কোর্টের রায়ের পর জেকব মিল্টন এর Collection Attorneyরা যখন তাদের তল্পিতল্পা নিয়ে টান মেরেছে, মায়রা মেসিয়াস, জুয়ান বি আলভারেজ, জুয়ান সি আলভারেজ, লড়েনা আলভারেজ, হেক্টর স্যান্ডোভাল ও মার্থা ভিটেরীরা তাদের পুরোনো খেলা শুরু করেছে। তারা এখন অভিযোগ তুলেছে যে তারা জেকব মিল্টনের এই কেইসের কথা জানেই না। তাদেরকে কোন নোটিশই করা হয়নি;ইত্যাদি, ইত্যাদি; ঠিক যেমনি তারা এক সময় বলেছিলো যে তারা কোন প্রপার্টি ক্রয় করেনি; ক্রয়কৃত ঐ প্রোপার্টির সম্পর্কে তারা জানেই না ;অথচ তারা ঐ সময় ঐ বাড়িতেই বসবাস করতো।

পাশাপাশি, নিউ ইয়র্ক পোস্ট জেকব মিলটনের এই সিভিল কেইস নিয়ে বিকৃত একটি নিউজ করেছে; "সঠিক ও নীতিবান সাংবাদিকতার চেয়ে হলুদ সাংবাদিকতার বাজার অনেক ভালো" কথাটি নিউ ইয়র্ক পোস্ট ভালো করেই জানে। তবে জেকব মিল্টন এর এটর্নীরা ইতিমধ্যেই নিউ ইয়র্ক পোস্টকে বিকৃত আর্টিকেলের জন্য লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে নিউ ইয়র্ক পোষ্টের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই মামলা দায়ের করা হবে।

সন্তুষ্টি  এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন --------------------------------আল্লাহর অশেষ রহমত এবং লিগ্যাল নেটওয়ার্কের সহায়তায় আমার গ্...
02/02/2021

সন্তুষ্টি এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন
--------------------------------
আল্লাহর অশেষ রহমত এবং লিগ্যাল নেটওয়ার্কের সহায়তায় আমার গ্রীনকার্ড APPROVED হয়েছে।

লিগ্যাল নেটওয়ার্কের অধ্যক্ষ (যিনি বাংলাদেশী প্রবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ মানুষ নামে পরিচিত) জেকব মিল্টনকে অসংখ্য ধন্যবাদ; যিনি নওশাদ নামের এক মুহুরীর খপ্পর থেকে বের করে লিগ্যাল নেটওয়ার্কের একজন এটর্নীর মাধ্যমে আমার কেইসটি সঠিক উপায়ে পরিচালনা করেন।

আমার এটর্নী'র মন্তব্যঃ "Go and thanks, Mr. Milton. Even though I am an attorney and represented you in this case, but all credit goes to Jacob Milton as I used his formula."

Sadia Montaz
[email protected]
Legal Network: 917-722-1405

https://www.facebook.com/1255622961134404/posts/3613232618706748/?d=n
https://www.facebook.com/1255622961134404/posts/4235419883154682/?d=n

Address

37-48 72nd Street 2nd Floor
New York, NY
11372

Opening Hours

Monday 11am - 8pm
Tuesday 11am - 8pm
Wednesday 11am - 8pm
Thursday 11am - 8pm
Friday 11am - 8pm
Saturday 3pm - 8pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Network International, LLC. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Legal Network International, LLC.:

Share