Deshi Tribune

Deshi Tribune Deshi Tribune is an online news portal dedicated to provide contents for Bangladeshis living abroad..
(2)

Deshi Tribune is an initiative to connect all the 10 million plus living non-resident Bangladeshi people around the world. It is creating stories and updates for the wellbeing of the Bangladeshi diasphora.

বিস্তারিত কমেন্টে...
05/29/2026

বিস্তারিত কমেন্টে...

05/28/2026
মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন রাজনীতি যখন উত্তপ্ত, ঠিক তখনই ওভাল অফিসে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোন...
05/28/2026

মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন রাজনীতি যখন উত্তপ্ত, ঠিক তখনই ওভাল অফিসে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসন, মূল্যস্ফীতি ও অর্থনীতির মতো স্পর্শকাতর অভ্যন্তরীণ নীতিগুলো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার কথা থাকলেও এই বৈঠকে প্রভাব ফেলেছে ইরান পরিস্থিতির ওপর।



চীনে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যুচীনে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু
ইরানের সাথে আলোচনার বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাওয়া হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দেন, তিনি একটি 'চমৎকার চুক্তি' করতে চান। আর চুক্তিটি যদি মার্কিন স্বার্থের অনুকূলে বা আশানুরূপ না হয়, তবে তিনি কোনো চুক্তিতেই যাবেন না।

এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমানে তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছেন। নিজের রাজনৈতিক ভিত্তির পাশাপাশি রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় শিবিরের সদস্যরাই সংঘাতের ইতি টানার জন্য তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন।


অন্যদিকে, এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে বৈশ্বিক চাপ অব্যাহত থাকার মাঝেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে ওয়াশিংটন আপাতত আলোচনার গতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তবে প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করে

পবিত্র ঈদুল আজহার মূল মাহাত্ম্য হলো নিঃশর্ত আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য এবং মানবপ্রেম। হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তা...
05/28/2026

পবিত্র ঈদুল আজহার মূল মাহাত্ম্য হলো নিঃশর্ত আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য এবং মানবপ্রেম। হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-এর অনন্য ত্যাগের আদর্শকে স্মরণ করে মুসলমানরা এই উৎসব পালন করেন।

এটি শুধু পশু কোরবানি নয়, বরং মনের পশুত্ব, লোভ ও অহংকার বিসর্জনেরও প্রতীক।ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষাসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো:

১. আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আনুগত্যঈদুল আজহা আমাদের শেখায় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের সবচেয়ে প্রিয় বস্তুকেও হাসিমুখে ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকা। হজরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর আদেশে নিজের প্রাণপ্রিয় সন্তানকে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে যে অনন্য আনুগত্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা মুসলিম উম্মাহর জন্য অনন্ত প্রেরণার উৎস।

২. আত্মশুদ্ধি ও মনের পশুত্ব বিসর্জনকোরবানির মূল উদ্দেশ্য কেবল পশুর রক্ত প্রবাহিত করা নয়, বরং এর মাধ্যমে মানুষের ভেতরের লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার ও রিপুকে বিসর্জন দেওয়া হয়।

এটি আত্মশুদ্ধি অর্জনের একটি বড় মাধ্যম।

৩. পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও দানশীলতাকোরবানির পশুর মাংস আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী এবং দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করার বিধান রয়েছে। এর মাধ্যমে সমাজে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূর হয় এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবতা সুদৃঢ় হয়।

৪. ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হওয়াপবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষাই হলো ত্যাগ। নিজের স্বার্থপরতা ত্যাগ করে সমাজের অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং ত্যাগের আদর্শে জীবন গড়াই এই উৎসবের মূল বার্তা।

05/27/2026

ব্রংকসের পার্কচেস্টারে বাংলাবাজার জামে মসজিদের ঈদের জামাতে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এবং কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ। আমেরিকার বর্তমান রাজনীতির দুই জনপ্রিয় ও আলোচিত নেতার উপস্থিতিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির এই ঈদ জামাত আরও প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। মুসল্লিরা “ঈদ মোবারক” শুভেচ্ছায় তাদের স্বাগত জানান।

মেয়র মামদানি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মেয়রের কার্যালয় সকল ধর্ম, সকল বিশ্বাস ও সকল মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখা তাঁর দায়িত্ব। বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ঈদুল আজহার ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা ধারণ করে নিউইয়র্ককে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সর্বজনীন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ তাঁর নির্বাচনি এলাকার বাংলাদেশি অভিবাসীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ঈদুল আজহার ত্যাগ, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক সংহতির চেতনাকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি সমৃদ্ধ ও পরিশ্রমী বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সবাইকে ঈদ মোবারক জানান।



যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থা ইউএসসিআইএস। ট্রাম্প প্...
05/27/2026

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থা ইউএসসিআইএস। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অস্থায়ী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অধিকাংশ বিদেশি নাগরিক এখন আর সহজে দেশটির ভেতরে বসে গ্রিনকার্ড বা স্থায়ী বসবাসের আবেদন সম্পন্ন করতে
পারবেন না। তাদের নিজ দেশে ফিরে মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

এই আকস্মিক ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে লাখ লাখ অভিবাসী, ইমিগ্রেশন আইনজীবী এবং অধিকারকর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে চালু থাকা ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ পদ্ধতিকে সীমিত করার এই সিদ্ধান্তে অভিবাসীরা শঙ্কিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন দর্শনেই বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত। নতুন নীতিতে ইউএসসিআইএস বলেছে, যারা পর্যটক, শিক্ষার্থী বা অস্থায়ী কর্মী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নির্দিষ্ট সময় শেষে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া। অস্থায়ী ভিসাকে গ্রিনকার্ড পাওয়ার ‘প্রথম ধাপ’ হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতাকে নিরুৎসাহিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

ইউএসসিআইএসের মুখপাত্র জ্যাক কোহলার বলেন, ‘আমরা আইনের মূল উদ্দেশ্যে ফিরে যাচ্ছি। এখন থেকে বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া অস্থায়ী ভিসাধারীদের নিজ দেশে ফিরে গ্রিনকার্ডের আবেদন করতে হবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করা বিদেশি নাগরিক, শিক্ষার্থী ভিসাধারী, এইচ-১বি কর্মী ভিসাধারী পেশাজীবী, ধর্মীয় কর্মী এবং মানবিক সুরক্ষার আবেদনকারীরা। প্রতিবছর প্রায় ছয় লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বসেই গ্রিনকার্ডের আবেদন করেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে তাদের বড় অংশকে বিদেশে গিয়ে দীর্ঘ ও জটিল কনস্যুলার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে। নতুন নির্দেশনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ‘পূর্বপরিকল্পিত অভিবাসন উদ্দেশ্য’কে। অর্থাৎ কেউ যদি পর্যটক বা শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসে শুরু থেকেই স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে সেটি নেতিবাচকভাবে দেখা হবে। বিশেষ করে, ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে দ্রুত বিয়ে করে গ্রিনকার্ডের আবেদন করলে আরও কঠোর যাচাইয়ের মুখে পড়তে হতে পারে। এ ছাড়া ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের বিষয়গুলোও এখন আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। অনুমতি ছাড়া কাজ করা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা বা ভিসার শর্ত ভঙ্গ করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।

ইউএসসিআইএস স্পষ্ট করেছে, গ্রিনকার্ড পাওয়া কোনো অধিকার নয়; এটি প্রশাসনিক বিবেচনার বিষয়। ফলে আইনগত যোগ্যতা পূরণ করলেও আবেদন অনুমোদন নিশ্চিত নয়। কর্মকর্তারা কেসভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেবেন এবং কেবল ‘অসাধারণ পরিস্থিতিতে’ যুক্তরাষ্ট্রে থেকেই স্ট্যাটাস পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে ‘অসাধারণ পরিস্থিতি’ কী, সেটি এখনো স্পষ্ট করেনি প্রশাসন।

সাবেক বাইডেন প্রশাসনের ইউএসসিআইএস উপদেষ্টা ডগ র‍্যান্ড এই নীতির সমালোচনা করে বলেন, ‘এই প্রশাসনের লক্ষ্য হচ্ছে যত কম মানুষ সম্ভব স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাক। কারণ গ্রিনকার্ড নাগরিকত্বের পথ খুলে দেয়।’

অন্যদিকে আমেরিকান ইমিগ্রেশন ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত কয়েক দশক ধরে চালু থাকা আইনি প্রক্রিয়াকে কার্যত উল্টে দিতে পারে। তাদের আশঙ্কা, বিদেশে মার্কিন কনস্যুলেটগুলোতে ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে অনেক সময় এক বছরের বেশি লেগে যায়। ফলে আবেদনকারীদের দীর্ঘ সময় পরিবার, চাকরি ও শিক্ষাজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হতে পারে।

মানবিক দিক থেকেও উদ্বেগ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত বা অস্থিতিশীল দেশের নাগরিকদের জন্য এই নীতি বড় সংকট তৈরি করবে। উদাহরণ হিসেবে আফগানিস্তানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে মার্কিন দূতাবাস কার্যত বন্ধ। ফলে আফগান নাগরিকেরা কোথায় গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

অভিবাসন আইনজীবীরা মনে করছেন, এই নীতি আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। কারণ ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে স্বীকৃত একটি প্রক্রিয়া। সেটিকে সীমিত করার উদ্যোগ ভবিষ্যতে বড় বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

নিউইয়র্কভিত্তিক ৩৭ বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি-আমেরিকান গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ঠিকানার মৌলিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সিরিজ ই...
05/27/2026

নিউইয়র্কভিত্তিক ৩৭ বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি-আমেরিকান গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ঠিকানার মৌলিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সিরিজ ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ-এর দ্বিতীয় পর্ব ‘ঈদ মোবারক’-এর অফিশিয়াল টিজার প্রকাশিত হয়েছে। চলচ্চিত্রটি ২৭ মে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশি প্রবাসীদের ঈদ উদ্্যাপনকে কেন্দ্র করে মুক্তি পাচ্ছে।

চলচ্চিত্রটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা জায়েদ খান। এর আগে তিনিই সিরিজের প্রথম পর্ব ‘আমেরিকান ড্রিম’-এ অভিনয় করেছিলেন। নতুন পর্ব ‘ঈদ মোবারক’-এ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। তবে ছবিটির গল্প ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য মুক্তির আগ পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন ঠিকানার নিউইয়র্ক স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাতা জেকে ও সাদ আল আমীন। তত্ত্বাবধানে আছেন আবীর আলমগীর। নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মুশরাত শাহীন ও রুহিন হোসেন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ঠিকানার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক সাবেক এমপি এম এম শাহীন।

প্রায় চার দশক ধরে ঠিকানা নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে আসছে। সিটি প্রশাসন, মেয়র অফিস এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের মাধ্যমে ঠিকানা কমিউনিটির তথ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক বিষয় তুলে ধরেছে।
সিটি মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে ঠিকানার সম্পর্ক শুরু হয় তিনি যখন নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রার্থী হন। নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্রগুলোর মধ্যে ঠিকানা পত্রিকাতেই প্রথম তার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়। ২০২১ সালে জোহরান মামদানি প্রথম ঠিকানার প্ল্যাটফর্মে এসে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির উদ্দেশে বক্তব্য দেন। এর পর থেকে আবাসন, শ্রম, অভিবাসন ও ক্ষুদ্র ব্যবসাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তিনি একাধিকবার ঠিকানার অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ঠিকানার সঙ্গে সেই দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতায় মেয়র মামদানি ‘ঈদ মোবারক’ চলচ্চিত্রে সংক্ষিপ্ত অতিথি চরিত্রে অভিনয় করতে সম্মত হন। ঠিকানা কর্তৃপক্ষের মতে, এটি সম্ভবত প্রথমবারের মতো কোনো বর্তমান নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের একটি স্বাধীন বাংলাদেশি-আমেরিকান স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অংশগ্রহণ।

ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজের নির্বাহী প্রযোজক ও ঠিকানার সিওও মুশরাত শাহীন বলেন, ৩৭ বছর ধরে ঠিকানা এই শহরের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সিটি প্রশাসন, মেয়র অফিস এবং বিভিন্ন সরকারের সহযোগিতা ছাড়া এত দীর্ঘ পথচলা সম্ভব হতো না। তিনি আরও বলেন, ‘মেয়র মামদানির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধুই আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি আন্তরিক সম্পর্ক। ২০২১ সাল থেকে তিনি বহুবার ঠিকানার প্ল্যাটফর্মে এসে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। একজন বর্তমান মেয়র আমাদের কমিউনিটিকে জানেন, বোঝেন এবং আমাদের সাংস্কৃতিক উদ্যোগকে সমর্থন জানাতে চলচ্চিত্রে অংশ নিয়েছেনÑএটি আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’

ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ হলো ঠিকানার মৌলিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সিরিজ, যেখানে দুই সংস্কৃতির মাঝখানে বসবাসকারী বাংলাদেশি-আমেরিকানদের জীবন, সংগ্রাম ও আবেগের গল্প তুলে ধরা হয়। প্রতিটি পর্ব আলাদা গল্পভিত্তিক নির্মিত হয় ঠিকানার নিউইয়র্ক স্টুডিও থেকে।

সিরিজের প্রথম পর্ব ‘আমেরিকান ড্রিম’ চলতি বছরের শুরুতে মুক্তি পায় এবং সেটিতেও অভিনয় করেছিলেন জায়েদ খান। ‘ঈদ মোবারক’ ২৭ মে ঠিকানার ইউটিউব চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে। অফিশিয়াল টিজার ইতোমধ্যে ঠিকানার ইউটিউব, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে এম এম শাহীনের প্রতিষ্ঠিত ঠিকানা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘতম চলমান বাংলাদেশি-আমেরিকান সংবাদপত্র এবং উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ বাংলাদেশি মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। প্রিন্টের পাশাপাশি ইউটিউব ও ফেসবুকেও ঠিকানা রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি বিষয়ক অনুষ্ঠান ও কনটেন্ট তৈরি করে আসছে।

নিউইয়র্ক সিটির ঐতিহ্যবাহী ‘ইসরায়েল ডে প্যারেডে’ অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ডেমোক্রেটি...
05/26/2026

নিউইয়র্ক সিটির ঐতিহ্যবাহী ‘ইসরায়েল ডে প্যারেডে’ অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ডেমোক্রেটিক-সোশ্যালিস্ট নেতা ও মেয়রপ্রার্থী জোহরান মামদানি। তার এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন ইহুদি সংগঠন ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে ইহুদিবিদ্বেষ বা অ্যান্টিসেমিটিজম নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকা পরিস্থিতির মধ্যেই মামদানি এবারের প্যারেড বর্জনের ঘোষণা দেন। আগামী ৩১ মে অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক এই প্যারেড দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন ও স্থানীয় ইহুদি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংহতির অন্যতম বড় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইহুদি জনগোষ্ঠীর অন্যতম আবাসস্থল নিউ ইর্য়ক সিটি। ফলে শহরটির রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে এই প্যারেডের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিবছর হাজারো মানুষ, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, কমিউনিটি সংগঠন এবং ধর্মীয় প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

চলতি মাসের শুরুতে জোহরান মামদানি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন যে, তিনি এবারের প্যারেডে অংশ নেবেন না। তবে তার এই অবস্থানের ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল। ২০২৫ সালের অক্টোবরে জিউইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, রাজনৈতিক ও নীতিগত কারণে তিনি এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন।

মামদানির সাম্প্রতিক এই ঘোষণার পর শহরের কয়েকটি প্রভাবশালী ইহুদি সংগঠন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। এমনকি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক এডামস প্রশাসনের আয়োজিত একটি ইহুদি ঐতিহ্যবিষয়ক অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণও তারা প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানা গেছে।

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র কার্যালয়ের ইহুদিবিদ্বেষ-বিরোধী দফতরের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোশে ডেভিস ফক্স নিউজ ডিজিটালকে বলেন, ১৯৬৪ সালে এই প্যারেড শুরু হওয়ার পর থেকে নিউইয়র্ক সিটির প্রত্যেক মেয়র এতে অংশ নিয়েছেন। তার ভাষায়, “ইসরায়েলের সঙ্গে নিউইয়র্কের যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, তা নিয়ে এই শহর সবসময় গর্ব করেছে। ফলে এই প্যারেডে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত শহরের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যের প্রতি অসম্মান হিসেবে দেখা হচ্ছে।”

এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিউইয়র্কের বিভিন্ন সিনাগগ, ইহুদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি সেন্টারের বাইরে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। গাজা যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে শহরে রাজনৈতিক বিভাজনও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে মামদানির সিদ্ধান্ত নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

তবে আয়োজক কমিটি দাবি করেছে, প্যারেড ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হলেও সাধারণ মানুষের আগ্রহ কমেনি। বরং তারা বলছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে এবারের অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশে আরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন। আয়োজকদের আশা, এ বছর প্যারেডে উপস্থিতির সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিউইয়র্ক সিটির আগামী মেয়র নির্বাচন সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন প্রশ্ন এবং অ্যান্টিসেমিটিজম বিতর্ক এখন শহরের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আর সেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতেই উঠে এসেছেন জোহরান মামদানি।

ইরানে মার্কিন সামরিক হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। যদিও আগের লেনদেন ...
05/26/2026

ইরানে মার্কিন সামরিক হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। যদিও আগের লেনদেন সেশনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৭ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৬ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।

এদিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৪০ ডলার বা প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৭ দশমিক ৫৬ ডলারে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৯১ দশমিক ২৫ ডলারে। তবে শুক্রবারের তুলনায় ডব্লিউটিআইয়ের দাম এখনো প্রায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কম রয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং মাইন পেতে থাকা কয়েকটি নৌযানে হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তাদের সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি বন্দর আব্বাস ও উপকূলীয় এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বিস্তারিত কমেন্টে ⬇️
05/26/2026

বিস্তারিত কমেন্টে ⬇️

Address

New York, NY
11372

Opening Hours

Monday 10am - 9pm
Tuesday 10am - 9pm
Wednesday 10am - 9pm
Thursday 10am - 9pm
Friday 10am - 9pm
Saturday 10am - 9pm
Sunday 10am - 9pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deshi Tribune posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share