bdShroud

bdShroud we specialize in crafting high-quality, responsive, and user-friendly websites.

05/10/2026
BNP Media Cell এই কার্ডটা চালু করা যায় না?
05/09/2026

BNP Media Cell এই কার্ডটা চালু করা যায় না?

হাম আমাদের দেশে ২০২৬ এ ছড়িয়ে পড়লেও বিশ্বজুড়ে ২০২৫ এ অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কানাডা ২০২৫ সালে 'হামমুক্ত' দেশের স্ট্যাটাস হার...
05/09/2026

হাম আমাদের দেশে ২০২৬ এ ছড়িয়ে পড়লেও বিশ্বজুড়ে ২০২৫ এ অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কানাডা ২০২৫ সালে 'হামমুক্ত' দেশের স্ট্যাটাস হারায়।
এই বছর হামের আউব্রেট বিশ্বজুড়ে নানা দেশে হয়েছে।

আমেরিকার সরকারী স্বাস্থ্য সংস্থা সিডিসি বিশ্বজুড়ে হাম ছড়িয়ে পড়া নিয়ে প্রতিবেদন করেছে।
স্ক্রীনশটে অনেকগুলো প্রতিবেদন দেখতে পাচ্ছেন। এখানে একটার শিরোনাম হলো- বিশ্বজুড়ে বিলুপ্ত হাম কীভাবে আমেরিকা এবং সারাবিশ্বে ফিরে এলো?

অর্থাৎ হাম সারাবিশ্বেই ফিরে এসেছে। যে দেশগুলোতে হাম পুরোপুরি বিলুপ্ত ছিল, সেগুলোতেও ফিরে এসেছে।
এটা একটা গ্লোবাল আউটব্রেক।

এমনকি 'হামমুক্ত' দেশ জাপানেও হাম ফিরে এসেছে।

করোনা আউটব্রেকের পর হামের টিকা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। এটা হাম ফিরে আসার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল ম্যাগাজিন তাদের রিপোর্টে বলছে, ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে সাড়ে চার লাখ ল্যাবরেটরি কনফার্মড হামের কেইস পাওয়া গেছে।
ইউনিসেফের প্রতিবেদন অনুযায়ী শুধু ২০২৪ সালে ইউরোপেই দেড় লাখ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তাদের ২০২৫ এর প্রতিবেদনে বলেছে, শুধু ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে ৯৫ হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াছে প্রাণঘাতী রোগ।

বিশ্বের নানা দেশে হাম ফিরে আসা এবং বিশ্বজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে আমাদের মিডিয়া কোনো নিউজ করতেই আগ্রহী না।
তাদের নিউজ দেখে মনে হচ্ছে, ইউনূসের কারণে শুধুমাত্র বাংলাদেশেই হাম ফিরে এসেছে।

ইসলামে ৪টা বিয়ে জায়েজ। একটা হালাল কাজ নিয়ে মানুষ এত সমালোচনা করছে কেন? প্রথম স্ত্রী প্রেগন্যান্ট হওয়ায় লোকটা সেগস করতে প...
05/09/2026

ইসলামে ৪টা বিয়ে জায়েজ। একটা হালাল কাজ নিয়ে মানুষ এত সমালোচনা করছে কেন? প্রথম স্ত্রী প্রেগন্যান্ট হওয়ায় লোকটা সেগস করতে পারছেনা। একটা পুরুষ আসলে সেগস ছাড়া বাঁচবে কি করে?

মাদানি ভাই ছোট বেলা থেকেই সেগস করার স্বপ্ন দেখতেন, ধীরে ধীরে বড় হলেন, টাকা পয়সা ও হাতে আসলো, এখন আপনারই বলেন? তার কি বিয়ের মত হালাল উপায়ে সেগস করে গোনাহ থেকে বাঁচা উচিৎ না?

ইসলামকে হাস্যরসের ধর্ম বানানোর জন্যে, এই দুইজনকে যেখানেই পান সেখানেই পেটানো প্রতিটা মুসলিমের ঈমানি দায়িত্ব। শুধু মাত্র এ...
05/08/2026

ইসলামকে হাস্যরসের ধর্ম বানানোর জন্যে, এই দুইজনকে যেখানেই পান সেখানেই পেটানো প্রতিটা মুসলিমের ঈমানি দায়িত্ব। শুধু মাত্র এদেরকেই না, এদের যারা সমর্থক, তাদেরকে ও পেটানো মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব।

এরা হচ্ছে বহুগামী জানোয়ার। এরা এবং এদের টাইপের মোল্লারা নিজেদের ইচ্ছে মত ফতোয়া তৈরী করে, বহুগামিতা সমাজে ছড়াচ্ছে। ইসলামি বিধানকে হাস্যরসের বিষয় বানাচ্ছে।

আমাকে আইসা ইসলামি বিধান শেখানোর আগে একটা প্রশ্নের উত্তর রেডি করে কমেন্ট বক্সে আসবেন। রাসুল (সা:) একাধিক বিয়ে করেছেন, কিন্তু প্রতিটা বিয়ের পিছেনে স্পেসিফিক কারণ ছিলো। শারিরীক চাহিদার জন্যে রাসুল (সা:) কোন বিয়েই করেননি।

এই মাদানি ও কাশেমি আইসা অহরহ বহুগামিতা প্রচার করতেছে, মাদানি মিডিয়াতে এসে বলতেছে, সে গোনাহ থেকে বাঁচতে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে। তার ফেইসবুক পোস্টে ও সে একি কথাই বলেছে। এই অজুহাতের একটাই অর্থ, মাদানির এক বিবিতে তার শারিরীক চাহিদা পূর্ণ হচ্ছে না। তাই সে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে।

রাসুলে করিম (সা:) ২৫ বছর বয়সে নিজের চেয়ে ১৫ বছরের বড়, বিধবা নারী হজরত খাদিজা (রা.)-কে বিয়ে করেন। হজরত খাদিজা (রা.)-এর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ২৫ বছর তিনি আর কোনো বিয়ে করেননি। শারীরিক চাহিদা যদি মূল উদ্দেশ্য হতো, তাহলে যৌবনের এই পুরো সময়টিতে তিনি একাধিক তরুণীকে বিয়ে করতে পারতেন।

অধিকাংশ স্ত্রী ছিলেন বিধবা বা বয়স্কা।

হজরত খাদিজা (রা.)-এর মৃত্যুর পর ৫০ বছর বয়সের পর রাসুল (সা:) অন্যান্য বিয়েগুলো সম্পন্ন করেন। একমাত্র হজরত আয়েশা (রা.) ছাড়া তাঁর বাকি সব স্ত্রীই ছিলেন বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা অথবা বয়স্কা নারী। শারিরীক চাহিদা মেটাতে গেলে তিনি তরুণ ও অবিবাহিত নারীদের বেছে নিতেন, যা তিনি করেননি।

বিয়ের পেছনে বৈচিত্র্যময় কারণ

রাসুল (সা:) বিবাহগুলোর পেছনে মূলত কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি কাজ করেছিল যেমন: এতিম ও বিধবাদের পুনর্বাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান; আত্মীয়তার বন্ধন তৈরি করে বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে রাজনৈতিক মৈত্রী স্থাপন ও ইসলামের প্রসার; পর্দা প্রথা, পালক পুত্র-সম্পর্কিত আইন ইত্যাদি সামাজিক আইন বাতিল করা; পাশাপাশি নারী-সম্পর্কিত বিশেষ বিধান উম্মাহকে জানানো।

এই যে বহুগামী মোল্লারা নিজদের ইচ্ছে মত ফতোয়া তৈরী করে, ইসলামকে হাস্যরসের ধর্ম বানাচ্ছে। তাদের অবশ্যই প্রতিহত করা প্রতিটা মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।

এছাড়াও তারা শুধু এখানেই থেমে থাকেনি, পর্ণগ্রাফিতে একটা টার্ম আছে , স্ত্রী সোয়াইপ, মেয়ে সোয়াইপ, বোন সোয়াইপ ইত্যাদি। তারা ইসলামে দ্বিতীয় বিবাহের বিধানের আড়ালে এটাই করছে মুলত। কাশেমি নাকি ৯ বিয়ে করেছে৷ একজন তার বউকে তালাক দেয়, অন্যজন বিয়ে করে। বৈধ্য উপায়ের একটা খারাপ কর্মকে তারা এভাবেই সমাজে সহজ করতে চাচ্ছে। কার সাথে কার সম্পর্ক কি, এটা এক্সপ্লেইন করতে গিয়েই তারা নিজেরাই আটকে যায়।

তারা ইসলামে দ্বিতীয় বিবাহের যেই স্পেসিফিক কারণ গুলো আছে, তা কিন্তু উল্লেখ্য করে না। তারা কারণ দেখায় শুধু মাত্র "গোনাহ থেকে বাঁচতে" মানে যৌন চাহিদা মেটাতে। তারা বলবে না যে আমার বউ অসুস্থ, আমি এক এতিমকে বিয়ে করেছি সাহায্য করার উদ্দেশ্যে। আমি এক বিধবাকে বিয়ে করেছি সাহায্য করার উদ্দেশ্যে।

অথচ দুঃখের বিষয় আমাদের আলেম সমাজ এ ব্যাপারে চুপ।

যারা সত্যিকারের আলেম ও মুফতি, তাদের আমি অবশ্যই সম্মান করি। অনেকেই দেখেছি এই বিষয়ের প্রতিবাদ ও করেছেন ফেইসবুক পোস্টে। এদের কারণে সম্মানিত আলেম সমাজও সাধারণত মানুষের কাছে সমাজে ঘৃণার পাত্র হচ্ছেন।

*মাদানি যেদিন তার বউয়ের সাথে ঝগড়া করে সেদিন তার বউ তার বিছানায় উঠার মই লুকিয়ে ফেলে।*জুলাইয়ে পুলিশরা যদি হাটুর নিচে গু*লি...
05/08/2026

*মাদানি যেদিন তার বউয়ের সাথে ঝগড়া করে সেদিন তার বউ তার বিছানায় উঠার মই লুকিয়ে ফেলে।

*জুলাইয়ে পুলিশরা যদি হাটুর নিচে গু*লি করতো তাইলে মাদানি মারা যেতো।

*মাদানি আনস্টপেবল, ব্যারিকেডের নিচ দিয়ে চলে যায়।

*কারেন্টের খাম্বাকে মাদানি আইফেল টাওয়ার বলে।

*মাদানি চিনিগুড়া চালকে মোটা চাল বলে।

*আম্লিক নিষিদ্ধের খুশিতে মাদানি একটা গরু জবা*ই দিছে, গরুর সাথে মাদানির একটা ছবি দেখলাম।
সমস্যা হচ্ছে কোনটা গরু আর কোনটা মাদানি আলাদা করতে পারতেছি না।

*আসলে মাদানির গরু বা মাদানি কারো বিরুদ্ধেই আমার কোনো রাগ নাই, আমার কাছে দুজনেই সমান।

*মাদানি টুথপিককে বর্শা বলে।

*মাদানির পায়জামা দরকার হলে সে একজোড়া মোজা কিনে নাড়া লাগিয়ে নেয়।

*মাদানির সাথে রেসে যে শুক্রানু গুলো হারছিলো তাদেরকে শুক্রাণু সমাজ কোনো অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয় না, একঘরে করে রাখছে।

*মাদানি জুলাই সার্ভাইব করছে কারণ গুলি সব তার মাথার উপর দিয়া গেছে।

*আসমান ভাইংগা পড়লে মাদানি সবার শেষে মারা যাবে।

*মাদানিকে কেউ মারলে সে তার ছেলের কাছে গিয়ে বিচার দেয়।

*মাদানির বাচ্চাদের স্কুলে প্যারেন্টস টিচার মিটিংয়ের দিন সে ওয়াজের প্রোগ্রাম আছে বলে মিটিং এড়িয়ে যায়।

*মাদানি সুপারিকে তাল বলে।

*আম্লিকের লোকেরা মাদানির থেকে সাবধানে থাকবেন, আপনাদের দেখলে সে লাফ দিয়ে উপরে উঠে আপনাদের হাটুতে ঘুসি মেরে বসতে পারে।

*কেউ মাদানির পকেট মারতে পারে না, কারণ পকেটমারে হাত এতো নিচ পর্যন্ত পৌছায় না।

*মাদানি বাথরুমে ঝর্ণা দিয়া গোসল করে না, কারণ পানি ঝর্ণা থেকে তার শরীরে পড়ার আগেই বাস্প হইয়া যায়।

*মাদানি বালতিকে সুইমিংপুল বলে।

*সর্বপ্রথম যে কচুগাছে ফাঁস লাগছিলো সে ছিলো মাদানির দাদা।

*মাদানির একটা লম্বা গার্লফ্রেন্ড ছিলো, তাদের সম্পর্ককে সবাই 'লং ডিসটেন্স' রিলেশন বলতো।

*মাদানি ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেনি, কারণ সে 'উচ্চশিক্ষা'র জন্য ফিট না।

*একজন বললো যে, মাদানির উপর যে এত্তসব জোক করছেন ও যদি আপনার নামে মানহানীর মামলা দেয়?
আমি বললাম মামলা তো ওর আগে Complain আর Horlicks কোম্পানির উপর দেওয়া উচিৎ।

(পুরাতন পোস্ট, মাদানি বিয়ে করছে শুনলাম, বিয়ে উপলক্ষে আমার পক্ষ থেকে এই উপহার)

আপনি কি জানেন? পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ ছিলো এল সালভাদোর। যে দেশে প্রতি ১লাখে ৮০-১০০ জন খুন হত। প্রতি লাখে ধর্ষিত হত ...
05/04/2026

আপনি কি জানেন?
পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ ছিলো এল সালভাদোর। যে দেশে প্রতি ১লাখে ৮০-১০০ জন খুন হত। প্রতি লাখে ধর্ষিত হত ১০ জন নারী। এদের মধ্যে বেশীরভাগ মাইনর। এটি এমন একটি দেশ যেখানে দিনের বেলাতেও মানুষ বের হতে ভয় পেত। রাতে বের হওয়া ছিলো তাদের জন্য দুঃস্বপ্নের মত!
আর এসবকিছু ঘটাতো বিভিন্ন গ্যাং মেম্বাররা। যারা নিজেদেরকে ঈশ্বর মনে করতো। সাধারণ মানুষের জীবন মরণ নির্ধারণ করত গ্যাং মেম্বাররা। এমন কোন অপরাধ ছিলো না যা তারা করেনি।
MS-13, Barrio 18, Mao Mao উল্লেখযোগ্য ভয়ঙ্কর গ্যাং। এর মধ্যে MS-13 ছিলো সবচেয়ে ভয়ঙ্কর! একেক গ্যাং এর শরীর, মুখ, মাথায় থাকা একেকটি ট্যাটু বলে দেয় এরা কতটা নির্দয়, নিষ্ঠুর।
কতজন মানুষকে তারা হত্যা করেছে। ট্যাটু দেখেই সাধারণ জনগণ বুঝতে পারতো! কে কত ভয়ঙ্কর!
এই যেমন চোখের নিচে টিয়ারড্রপ (অশ্রুবিন্দু) ট্যাটু। যদি ৩ ফোঁটা হয়। তার অর্থ সে নিজেও জানেনা কত মানুষকে মেরেছে।
তাহলে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে। ঐ দেশে কী সরকার নেই? আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নেই? অবশ্যই আছে। তারাও ভয় পেতো কিংবা জিইয়ে রাখতো এই গ্যাংদেরকে। তাদের সাথে আপোষ বা সমঝোতা করে চলতে হতো সরকারকে।
তারা সরকারকে প্রতিশ্রুতি দিতো এভাবে যে, ঠিক আছে। এই এলাকায় আমরা অপরাধ করবো না। কিন্তু তারা সেই কথা রাখতো না। কারণ শুরুতেই তো বলেছি! তারা ধরেই নিয়েছিলো তারাই ইশ্বর।
সাল ২০১৯।
ঠিক এমন সময় দেবদূতের মতো ঐ দেশের জাতীয় নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন তরুণ নায়িব বুকেলি। এই সুপারম্যান প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ঐ দেশে প্রায় ৪০ বছর ধরে বিভিন্ন গ্যাংয়ের অলিখিত রাজত্বের অবসান ঘটে।
প্রেসিডেন্ট সেনাবাহিনী এবং পুলিশকে হুকুম দেন - গ্যাং এর সাথে সংশ্লিষ্ট যে কাউকে গ্রেফতার করার।
তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং হাই সিকিউরড জেলখানা নির্মান করেন। যেখানে বন্দিদের জন্য রয়েছে - গার্ড: ৬০০ সৈন্য + ২৫০ পুলিশ কর্মকর্তা
উচ্চ-প্রযুক্তি নজরদারি: ১৯টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, সম্পূর্ণ শরীর স্ক্যানার এবং ফেস রিকুগনাইজেশন প্রযুক্তি।
প্রেসিডেন্টের আদেশের পর - বর্তমানে ৮০ হাজারের মত গ্যাং মেম্বারকে বন্দি করা হয়েছে। যা দেশের মোট জনসংখ্যার ২%।
প্রতিটি সেলে ৮০ জন বন্দি থাকে। ঘুমানোর জন্য কোন বেড নেই। শুধুমাত্র একটি সাদা টিশার্ট, হাফপ্যান্ট, একটি সাদা পাতলা চাদর। লোহার দুই তিন তলা খাটের উপর গাদাগাদি করে ঘুমাতে হয়। ৮০ জনের এই সেলের জন্য এক কোনায় রয়েছে একটি পায়খানার কমোড। যেখানে কোন পর্দা নেই। সবার সামনেই পায়খানা করতে কয়। এর সাথেই একটি চার হাতের পানির হাউজ। গোসল করার জন্য। মাথার উপর ২৪ ঘন্টা জ্বলতে থাকে হাই ভোল্টেজের বালব। দিন কী রাত তারা বলতে পারে না। সেখানে সবসময় দিন।
তারা এই জীবনে আর কখনও সূর্যের আলো দেখতে পাবে না। তাদেরকে একেকজনকে এমন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে যে মৃত্যু ব্যতীত এদের কেউ এই চার দেয়াল ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পারবে না।
সেলের ভেতরে কে কী করতেছে তা বাইরে দাঁড়ানো গার্ড এবং সিসিক্যামেরায় সবাই দেখতে পায়। তারা কখনও নিজেদের আত্মীয় স্বজনকে এই জন্মে দু চোখ দিয়েই দেখতে পাবে না। ছুঁয়ে দেখাতো দূরের কথা।
সপ্তাহে শুধুমাত্র একদিন ধারাবাহিকভাবে নির্দিষ্ট সেলের, নির্দিষ্ট ব্যক্তি বাইরে আধা ঘন্টার জন্য এক্সারসাইজ করতে দেওয়া হয় ট্রেইনার দ্বারা। এতটুকুই। তাদের জন্য নেই কোন বই পুস্তক, টিভি বিনোদনের ব্যবস্থা।
কয়েদিদেরকে তিনবেলা খাবার দেওয়া হয় ভাত, বিনস, পাস্তা আর পানি। কোন প্রোটিন মাছ, মাংস এদেরকে দেওয়া হয়নি এবং দেওয়া হবে না।
এই জেলখানা থেকে পালানোর চেষ্টা কেউ কখনো করেনি এবং পালাতে কখনো পারবে না।
প্রতিটি কয়েদির চোখে আপনি শুন্যতা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পারবেন না। এক সময়ে নিজেদের ইশ্বর ভাবা অপরাধীগুলো একদম ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গিয়েছে।
তারপরেও এদের কেউ যদি তাফালিং যদি করে, গার্ডের হুকুম অমান্য করে, এদেরকে নিয়ে ফেলা হয় একটি অন্ধকার ঘরে। যেখানে নিজের ছায়াটুকুও দেখতে পায় না। দশ দিন পনেরোদিন কিংবা এক মাস। শুধুমাত্র নিজের মস্তিষ্ক ব্রেন ছাড়া এই অন্ধকার ঘুটঘুটে ঘরে তাদের আর কেউ থাকে না। ফলাফল, এতকিছুর পরে যাদের তেল থাকে, তাদের তেলকেও ভেঙে চুরমার করে দেয়া হয়।
প্রেসিডেন্টের একটি মাত্র সিদ্ধান্ত এই দেশের ক্রাইম রেটকে প্রায় শুন্যের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বিপদজনক দেশ থেকে আজকে সবচেয়ে নিরাপদ দেশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। অন্যদের কাছে রোল মডেল হয়ে গিয়েছে এই দেশ।
এই দেশের মানুষ এখন রাতে বের হতেও সবচেয়ে নিরাপদ ফিল করে। এর কারণ পুলিশ ও সেনাবাহিনী। তারা প্রতিটি রাস্তায় প্রতিনিয়ত টহল দেয় এবং জনগণও তাদেরকে সহযোগিতা করে।
এই জেলখানা দেশটির অপরাধীদের কাছে এখন একটি আতঙ্ক। কেউ অপরাধ করার চিন্তাও মাথায় আনে না। কারণ গুরুতর অপরাধ কিংবা গ্যাং সংশ্লিষ্ট কাজে যদি একবার ধরা পড়া যায়। তাদের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ঐ জেলখানা হতে তারা বের হতে পারবে না। শুধুমাত্র এই ভয়টিই মানুষকে অপরাধ হতে দূরে রেখেছে।
এখন ভাবছেন! ঐ দেশের বা বিশ্বের মানব অধিকার কমিশন এর প্রতিবাদ করেনি? করেছে! তারা জানিয়েছে মানব অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।
তাদের কথাকে প্রেসিডেন্ট বুকেলে পাত্তা দেয়নি। বরং রোল মডেল হিসেবে প্রতিটি দেশের গণমাধ্যম কর্মীদেরকে বিশেষ নিরাপত্তা পাসের মাধ্যমে জেলখানায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়। তারা যেন এই জেলের ডকুমেন্টারি করে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে পারে। বিশ্বের সব দেশই ক্রাইম কমাতে তাদেরকে অনুসরণ করতে পারে।
গত নির্বাচনে আবারও বিপুল ভোটে প্রেসিডেন্ট বুকেলে নির্বাচিত হয়েছে। শুধুমাত্র জনগণের জান মাল নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। তার পপুলারিটি দিনদিন বেড়েছে।
এত বক বক কেন মারাচ্ছি?
আমাদের দেশে একজন বুকেলে দরকার। প্রয়োজন একটি সুবিশাল কারাগার। যেখানে একবার কেউ ঢুকবে কিন্তু মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বেরোতে পারবে না।
থাকবে না মজার মজার খাবারের ব্যবস্থা। থাকবে না বিনোদনের ব্যবস্থা। জেলখানা যেন প্রতিটি ছিনতাইকারী, ডাকাত, খুনি, ধর্ষকদের জন্য পৃথিবীর জাহান্নাম হিসেবে আতঙ্ক ঢুকিয়ে দিতে পারে। তবেই একমাত্র সম্ভব এই দেশ হতে অপরাধ একদম নিশ্চিহ্ন করে দিতে।
সেদিন নিউজে দেখলাম, মোহাম্মদপুর সহ বিভিন্ন স্থানে মোট ৫টি কিশোর গ্যাং চলে কবজি কাটা গ্যাং। এর হোতা আনোয়ারের মাধ্যমে। প্রতিটি গ্যাংতে আছে ৫০ জন মেম্বার। তাহলে ৫টি গ্যাং তে হয় ৩০০ মেম্বার। এই ৩০০ মেম্বারের জন্য কেন এই ঢাকা শহরের মানুষ অনিরাপদে থাকবে? এই ৩০০ জনকে ক্রসফায়ারে দেন না কেন! এদেরকে জেলে ঢুকান না কেন? দেখলাম এরা এতটাই বেপরোয়া পুলিশকে পর্যন্ত কুপিয়েছে।
এই দেশে ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটবে? কেন ডাকাতি হবে। কেন ছিনতাই হবে! কেন খুন হবে?
কারণ আমরা জাতি হিসেবে অত্যন্ত জঘন্য রাজনৈতিক দল, পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা পেয়েছি। যারা সবচেয়ে বড় মাদারচোদ। এরা চায় না এই দেশে শান্তি বজায় থাকুক। এরা চায় ক্ষমতা এদের থাকুক। আর এদের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখুক এই অপরাধীরা। বিনিময়ে তারা হয়ে উঠুক অগাধ সম্পদের মালিক।
গত পরশু বাসে দুজন নারীকে করা হলো গ্যাং রেপ। এরপরদিন ট্রলারে করা হলো গ্যাং রেপ। আজকে ফুল দিতে আসা শিশুকে করা হলো রেইপ। চারদিকে খুন হচ্ছে। ছিনতাই হচ্ছে। ৫ অগাস্টের পর এই দেশের আইন ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশী ভঙ্গুর ও নাজুক হয়ে গিয়েছে।
কেন কেন কেন!!
উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ যদি থাকে। ভিডিও। ছবি থাকে। তাহলে কেন ধর্ষককে, খুনিকে এক মাসের মধ্যে ফাঁসি দেওয়া হবে না। কেন তাদেরকে বছরের পর বছর বিচারের নামে বাঁচিয়ে রাখা হবে। নয়তো টাকার বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হবে। কেন এদের ভরণ পোষণ আমার ট্যাক্সের টাকায় কারাগারে চলবে?
আমি চাই, ধর্ষক ও খুনিদের একমাত্র শাস্তি হতে হবে মৃত্যুদণ্ড। এক মাসের মধ্যে। অন্যান্য ক্যাটাগরির অপরাধী! যারা পটেনশিয়াল, খুনি, ধর্ষক। উপযুক্ত প্রমানের ভিত্তিতে, দেশের জন্য আতঙ্কের, এদেরকে স্বচ্ছতার এদেরকে ভরা হোক পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন জেলে। যেখান থেকে শুধুমাত্র মৃত্যু ব্যতীত এরা বের হতে পারবে না।
এদের জন্য কেন আমরা রাস্তায় বের হতে ভয় পাবো? কেন আমাদের মা বোনেরা ধর্ষিত হবে! জান মাল বাঁচাতে কেন আমরা কোপ খাবো!
কেন বাংলাদেশ এল সালাভাদরের মত ক্রাইম রেট জিরোতে আনতে পারবে না? কেন বাংলাদেশে ক্রিমিনালদের মধ্যে আতংক ঢুকিয়ে দিতে পারবে না!
কেন?

04/25/2026

কফিলের জন্য সান্ডা ধরতে মরুভূমিতে

No AI
04/25/2026

No AI

Hello USA How are you brother?
04/25/2026

Hello USA How are you brother?

শেখ হাসিনাকে ক্রাউড ফান্ডিং করে বিমান পাঠাইলেও সে দেশে আসবে না। দেশের প্রতিটি মানুষ যদি কানতে কানতে চোখে ঘা ফেলে দেয়, তা...
04/22/2026

শেখ হাসিনাকে ক্রাউড ফান্ডিং করে বিমান পাঠাইলেও সে দেশে আসবে না। দেশের প্রতিটি মানুষ যদি কানতে কানতে চোখে ঘা ফেলে দেয়, তাও আসবে না।

ভাইরে ভাই, আপনাদের মনে নাই? ২০১৭-২০১৯ এর দিকে, কে জানি উড়ো চিঠিতে হাসিনারে হ*ত্যা*র হুমকি দিছিল? তারপর জনসভা করত বুলেটপ্রুফ কাঁচের ভেতর থেকে। এই যে রাস্তায় বের হওয়ার ৪৫ মিনিট আগে ওভারব্রিজ থেকে পথচারী নামায়া দিত। সবগুলো বিল্ডিংয়ের জানালা আর ছাদে পুলিশ থাকত, একটা মানুষরে রাস্তায়, ফুটপাতে দাঁড়াইতে দিত না, কেন? ভয়ে। বুলেটপ্রুফ গাড়ির বহর, সাথে এত এত প্রযুক্তি, অস্ত্র; তাও তার ভয়ের সীমা পরিসীমা ছিল না।

১৮ জুলাইয়ের পর কারফিউ জারি করল। তখন আসাদগেট থেকে কলেজগেট পর্যন্ত কাঁটাতার টানায়া দিল। ভেতরে গাদা গাদা আর্মি, ট্যাংক তাক করা। চিন্তা করেন, ছাত্রদের খালি হাতের আন্দোলন, বন্দুকের সামনে বুক পাইতা দেওয়া দেইখাই ভয়ে কিডনি কান্ধে উইঠা গেছিল! ট্যাংক তাক কইরা রাখতে হইছে তারে সাহস দিতে।

পালানোর সময় দুই দুইটা রাফালে আইসা তারে রেস্কিউ করল। কেন? ভয়। যদি শেষ সময়ে পাইলট সিদ্ধান্ত বদলায়া দেশে আইনা ধরায়া দেয়?

সে চাইলে বিচারের মুখোমুখি হইতে পারত। আর্মিরে বলতে পারত, আমারে অ্যারেস্ট কইরা ক্যান্টনমেন্টে রাইখা দাও। আমার বিচার হোক, দল আর সাধারণ লীগাররা বাঁচুক। সে তা বলে নাই। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের পলায়ন নিশ্চিত করছে এবং নিজেও উড়ছে।

হাসিনা ভোগবাদী রাজনীতি করছে। ভোগবাদী মানুষের সবটা জুইড়া বাঁইচা থাকার খায়েস। ওই যে, চোখ বুজিলে দুনিয়া আন্ধার। ওদের চোখে ওপারে কোনো বিচার নাই, পুরুস্কার নাই। ফলে, দুনিয়াটা মস্ত বড় খাও দাও ফুর্তি করো।

হাসিনার আত্মীয়রা সব বাইরে। টাকা পয়সা সব বাইরে। বিশ্বস্ত কুকুরগুলো বাইরে। সে আসবে ম*র*তে? অসম্ভব।

এখন যদি জনতা বিমান পাঠায়াও তারে আনে, কমপক্ষে পাঁচশ মানুষকে তার বিশ্বাস করতেই হবে। এই পাঁচশ মানুষের একজনও যদি মানবিক, সাহসী এমনকি ‘মানুষ’ হয়, ইন্দিরা গান্ধির মতো তার হিসাব ক্লিয়ার। এত বড় রিস্ক সে নিবে?

বলতে পারেন, সে তো সব যোগাযোগ বন্ধ কইরা দিল্লীর গোপন কোনো এক ঘাঁটির বাগানে বইসা দোল খাইতে খাইতে জীবন পার কইরা দিতে পারে। যদি নাইই আইব এত হামপাই ডামপাইয়ের করতেছে কেন?

করতে হচ্ছে। যা করতেছে তা দায় সারা। কারণ, দেশে এখনো কিছু মানুষ আছে যারা তার বাপরে ভালোবাসে। কেউ কেউ তারেও ভালোবাসে। তারা যে অভিবাকহীন হয়ে গেছে এইটা যেন বুঝতে না পারে। তারা যেন মনে করে, হ্যাঁ সে আসবে। আমরা ধরে থাকি।

লীগের মিছিল শেষ। টয়লেটের গায়ে কেউ খোয়া দিয়ে জয় শেখ হাসিনাও আর লেখে না। বড় লীগাররা বিএনপিতে মিইশা গেছে। কেউ কেউ ব্যবসা, চাকরি, প্রবাস জীবন বাইছা নিছে। ছোট লীগাররা পাঠাও চালাইতেছে। ক্ষুদ্ররা চালাইতেছে অটোরিকশা। বাকিরা সুবিধা বুঝে বন্ধু পাতাবে। যে দলের শক্তি দেখবে সেই দলে ঢুকে পড়বে, পড়ছেও।

(গত বছর এই দিনে লিখছিলাম। কিঞ্চিত সংশোধন আকারে আজকের দিনেও প্রাসঙ্গিক।)

Address

NY
New York, NY
10080

Telephone

+8801771472632

Website

https://next-gentech.co.uk/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when bdShroud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to bdShroud:

Share

Category