Believer's IT.

  • Home
  • Believer's IT.

Believer's IT. "Learn for Success"

বদর যুদ্ধ:সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের দিন-কুরআন অবতীর্ণের মাস, লাইলাতুল কদরের মাস হিসেবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ এই রমজান। ইসলাম...
09/04/2023

বদর যুদ্ধ:
সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের দিন-

কুরআন অবতীর্ণের মাস, লাইলাতুল কদরের মাস হিসেবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ এই রমজান। ইসলামের ইতিহাসে এ মাসের গুরুত্বও সবচেয়ে বেশি।
কারণ, এই মাসে ইসলামের ইতিহাসে প্রথম বিজয় এসেছিল। তা ছিল বদর যুদ্ধে।

আজ ১৭ রমজান, ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এই দিনে। দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজান (৬২৪ খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ) ৩১৩ জন সাহাবি সঙ্গে নিয়ে মহানবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনার দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ৮০ মাইল দূরে বদর নামক স্থানে কাফিরদের সঙ্গে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং জয় লাভ করেন।

এই যুদ্ধটি মানবজাতির ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা। এটি ছিল অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই। দাম্ভিকতার বিরুদ্ধে একনিষ্ঠতার লড়াই। অবিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিশ্বাসের লড়াই। অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে প্রথম জয়।

বদর দিবসকে ‘ইয়াওমুল ফুরক্কন’ তথা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের দিন বলা হয়। কারণ, সত্যপথের অনুসারী অল্পসংখ্যক রোজাদার মুসলমান বিশাল অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত মিথ্যার অনুসারী কাফির-মুশরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করলে সত্য-মিথ্যার চিরপার্থক্য সূচিত হয়ে যায়।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা জেনে রাখো, তোমরা যা কিছু গনিমতরূপে পেয়েছো, নিশ্চয় আল্লাহর জন্যই তার এক-পঞ্চমাংশ রাসুলের জন্য, নিকটাত্মীয়, এতিম, মিসকিন ও মুসাফিরের জন্য, যদি তোমরা ঈমান এনে থাকো আল্লাহর প্রতি এবং হক ও বাতিলের ফয়সালার দিন আমি আমার বান্দার ওপর যা নাজিল করেছি তার প্রতি, যেদিন দুটি দল মুখোমুখি হয়েছে, আর আল্লাহ সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। ’ (সুরা আনফাল, আয়াত : ৪১)

যুদ্ধে মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে জনবল ছিল মাত্র ৩১৩ জন। এর মধ্যে ৭০ জন মুহাজির, বাকিরা আনসার। অন্যদিকে কাফির কুরাইশ বাহিনীর সংখ্যা ছিল এক হাজার। এর মধ্যে ১০০ জন অশ্বারোহী, ৭০০ জন উষ্ট্রারোহী ও বাকিরা পদব্রজি ছিল।

এতো তফাত নিয়েও পরাজিত হয়েছিল কাফিররা। এর কারণ, মহান আল্লাহ বদর যুদ্ধের দিন রাসুল (সা.) ও তাঁর বাহিনীকে এমন প্রভাব দিয়েছিলেন যে, তাঁরা সংখ্যায় কম হলেও শত্রুপক্ষ তাদের ভয়ে কাতর ছিল।

এ বিষয়ে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো, যখন তোমার রব ফেরেশতাদের প্রতি ওহি প্রেরণ করেন যে, ‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তোমরা তাদের অনড় রাখো। ’ অচিরেই আমি ভীতি ঢেলে দেবো তাদের হৃদয়ে, যারা কুফরি করেছে। অতএব তোমরা আঘাত করো ঘাড়ের ওপর এবং আঘাত করো তাদের প্রত্যেক আঙুলের অগ্রভাগে। (সুরা আনফাল, আয়াত: ১২)

এতো কম সংখ্যক সৈন্য নিয়েও অস্ত্রে সজ্জিত কাফিরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের জয় লাভের আরেকটি কারণ ফেরেশতা দিয়ে সাহায্য।

বদর যুদ্ধের বিশেষ মর্যাদার মধ্যে এটি একটি। এই যুদ্ধে মহান আল্লাহ ফেরেশতা পাঠিয়ে মুসলমানদের সহযোগিতা করেন।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, আর অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের বদরে সাহায্য করেছেন অথচ তোমরা ছিলে হীনবল। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আশা করা যায়, তোমরা শোকরগুজার হবে। স্মরণ করো, যখন তুমি মুমিনদের বলছিলে, ‘তোমাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় যে, তোমাদের রব তোমাদের তিন হাজার নাজিলকৃত ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করবেন?’ হ্যাঁ, যদি তোমরা ধৈর্য ধরো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, আর তারা হঠাৎ তোমাদের মুখোমুখি এসে যায়, তবে তোমাদের রব পাঁচ হাজার চিহ্নিত ফেরেশতা দ্বারা তোমাদের সাহায্য করবেন। (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১২৩-১২৫)

বদর যুদ্ধে অংশ নেওয়া সাহাবি ও ফেরেশতাদের বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন আল্লাহ তাআলা। বদরি সাহাবিদের সব পাপ ক্ষমা করে দিয়েছেন পরম করুণাময়। এ যুদ্ধে শহীদরা জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মান পাবেন।

এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি হাদিস রয়েছে। একটি হাদিসে বলা হয়েছে, একদা জিবরাঈল (আ.) নবী (সা.)-এর কাছে এসে বললেন, আপনারা বদর যুদ্ধে যোগদানকারী মুসলিমদের কিরূপ গণ্য করেন? তিনি বলেন, তারা সর্বোত্তম মুসলিম অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) এরূপ কোনো শব্দ তিনি বলেছিলেন। জিবরাঈল (আ.) বললেন, মালাইকাদের মধ্যে বদর যুদ্ধে যোগদানকারীগণও তেমনি মর্যাদার অধিকারী। (বুখারি, হাদিস: ৩৯৯২)

আরও একটি হাসিদে বলা হয়েছে, উম্মু রুবায়্যি বিনতে বারআ, যিনি হারিস ইবনে সুরাকার মা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবী, আপনি হারিসাহ (রা.) সম্পর্কে আমাকে কিছু বলবেন কি? হারিসা (রা.) বদরের যুদ্ধে অজ্ঞাত তীরের আঘাতে শাহাদাত লাভ করেন। সে যদি জান্নাতবাসী হয়ে থাকে তবে আমি সবর করব, তা না হলে আমি তার জন্য অবিরাম কাঁদতে থাকব। ’ আল্লাহর রাসুল (সা.) বললেন, ‘হে হারিসার মা, জান্নাতে অসংখ্য বাগান আছে, আর তোমার ছেলে সর্বোচ্চ জান্নাতুল ফেরদাউস পেয়ে গেছে। ’ (বুখারি, হাদিস: ২৮০৯)

Believer's IT.

 ডিজিটাল মার্কেটিং কি হালাল?ডিজিটাল মার্কেটিং হালাল নাকি হারাম এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার আগে আমাদের জানা উচিৎ মার...
07/04/2023



ডিজিটাল মার্কেটিং কি হালাল?

ডিজিটাল মার্কেটিং হালাল নাকি হারাম এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার আগে আমাদের জানা উচিৎ মার্কেটিং হালাল কিনা। ডিজিটাল মার্কেটিং আর ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং বিপরীত মেরুর কোনো কিছু নয়, বরং ভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে মার্কেটিং প্রক্রিয়া।

আমি নিজেও একজন ডিজিটাল মার্কেটার। সৃষ্টিকর্তার কাছে আমার সব সময়ের চাওয়া থাকে আমি যেন হালাল উপায়ে জীবিকা অর্জন করে ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারি। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং পেশায় যোগ দেওয়ার আগে আমি বিচার করার চেষ্টা করেছি আসলেই ডিজিটাল মার্কেটিং হারাম নাকি হালাল।

সব কিছুর আগে আমাদের বুঝে নেওয়া দরকার ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজটা আসলে কী?

ডিজিটাল মার্কেটিং হলো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে যে মার্কেটিং। এখন প্রশ্ন হলো মার্কেটিং হারাম কিনা? ইন্টারনেট ব্যবহার হারাম কিনা?

এখন প্রথম প্রশ্নে আসা যাক। আল্লাহ সুদকে করেছেন হারাম আর ব্যবসাকে করেছেন হালাল। পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের সাথে মার্কেটিং অবিছেদ্য একটি অংশ। এই ২০২২ সালে এটা যেমন সত্য প্রাচীন কালের জন্যও সত্য। মার্কেটিং হারাম হলে ব্যবসাকে ইসলামে অবশ্যই উৎসাহিত করা হতো না।

প্রতিটা মুদ্রার যেমন দুই পিঠ থাকে, সব ক্ষেত্রের জন্যই এটা সত্য। মার্কেটিং এর পথ যদি অবৈধ হয় তবে অবশ্যই এটা হারাম। যদি মিথ্যাচার কিংবা নোংরামির মাধ্যমে পণ্য প্রচার করা হয় তবে অবশ্যই অবশ্যই এটা হারাম।

আর বৈধ পথ অবলম্বন করে হালাল উপায়ে যদি আপনার সেবা কিংবা পণ্য সম্পর্কে গ্রাহকদের জানানো যায় তবে আমার মনে হয় না মার্কেটিং হারাম। আল্লাহ ভালো জানেন।

এবার ইন্টারনেটের কথায় আসা যাক। ইন্টারনেট প্রযুক্তির একটি উদ্ভাবন। ইন্টারনেট খুব সহজে আমাদের সামনে জ্ঞানের দুয়ার খুলে দিয়েছে। জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন পর্যন্ত ভ্রমন করার নির্দেশ আছে হাদিসে। যদি ইন্টারনেট ব্যবহার হালাল হয় তবে টেলিফোন, ফ্যান, লাইট, বই-খাতা, কলম এসব ও হারাম হবার কথা।

তবে আগের মতোই বলবো। প্রত্যেক মুদ্রার দুই পিঠ থাকে। কেউ মসজিদে যায় নামাজ পরতে আর কেউ জুতা চুরি করতে। ইন্টারনেট জ্ঞানের দার খুলে দেওয়ার সাথে সাথে অনেক পাপের পথও খুলে দিয়েছে আমাদের জন্য। তাই হালাল-হারাম টা অনেকটা আমাদের কার্যক্রমের উপরই বর্তায়।

তাই সরাসরি ডিজিটাল মার্কেটিং হারাম নাকি হালাল এটা বলা এতোটা সহজ নয়। এটা নির্ভর করবে আপনি কিভাবে একে ব্যবহার করছেন তার উপর। আপনি যদি অবৈধ ভাবে কারো তথ্য চুরি কিংবা হারাম বিজ্ঞাপন ব্যবহার না করে ডিজিটাল মার্কেটিং করেন আমার মনে হয় এটা হালালই হবে। তবে, আল্লাহ ভালো জানেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক পার্ট আছে। এখানে ভালো খারাপ সব কাজই আছে। কিছু গোপন ট্রিকের মাধ্যমে আপনি কষ্ট ছাড়াই টাকা ইনকাম করতে পারবেন এখানে।

কোনটা হারাম আর কোনটা হালালঃঃ

হারাম হবে —যদি আপনি সিপিএ করেন এডাল্ট প্রোডাক্ট নিয়ে, মানুষকে বোকা বানিয়ে তাদের টাকা মেরে খান তাহলে সেটা হারাম। ( সিপিএ মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটা ভাগ)

হালাল হবে- যদি আপনি ভালো কোনো নিস নিয়ে কাজ করতে পারেন যেমনঃ মোবাইল ফোন।

মোবাইল নিয়ে আপনি কষ্ট করে আর্টিকেল লিখে ব্লগ পাব্লিশ করে কষ্ট করে যদি সেল নিয়ে আসতে পারেন তাহলে সেটা হালাল ইনকাম হবে। কারণ আপনি কষ্ট করে টাকা পাচ্ছেন কোনো ছল-ছাতুরী ছাড়াই।

তাহলে আমরা বলতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিং হালাল / হারাম নির্ভর করে আপনার উপর যে আপনি কি নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন।

ব্যবসা করা হালাল যা কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ব্যবসার প্রসারের জন্য মার্কেটিং করতে হবে। সেটা ট্রেডিশনাল মার্কেটিং কিংবা ডিজিটাল মার্কেটিং যেটাই হতে পারে ডিজিটাল মার্কেটিং হারাম না। যেহেতু মার্কেটিং হল আপনার ব্যবসার প্রচারণা সে ক্ষেত্রে আপনি কোন পন্থা ব্যবহার করছেন সেটা বড় বিষয় নয়।


Believer's IT.

ফ্রিল্যান্সারদের_জন্য_রামাদান_রুটিনঃ ২:৩০-২:৪০ > ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু। ২:৪০-২:৪৫ > তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।২:...
27/03/2023

ফ্রিল্যান্সারদের_জন্য_রামাদান_রুটিনঃ

২:৩০-২:৪০ > ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু।
২:৪০-২:৪৫ > তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
২:৪৫-৩:৩০ > তাহাজ্জুদের ৮ রাকাত নামাজ

৩:৩০-৩:৩৫ > ইস্তিগফার ও দুয়া-মুনাজাত

৩:৩৫-৩:৪৫ > নোটিফিকেশন চেক করা। জরুরী কোন কাজ আছে কিনা দেখা।

৩:৪৫-৪:০৫> সাহরী করা।

৪:০৫- ফজরের আযান পর্যন্ত কোরআন পড়া, ইস্তিগফার করা।
ফজরের নামাজ, জিকির, সম্ভব হলে কোরআন তিলাওয়াত।

অতঃপর কাজ করা।
সম্ভব হলে এশরাক পরে তারপর ঘুমানো।
৯:০০-৯:১৫> ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, গোসল, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।

( এটা যার যার সুবিধামত ঠিক করবেন)
৯:১৫-১:০০- যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা কাজ সেরে চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১ ঘন্টা কোরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত।
১:৪৫-২:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৪:৩০ - কাজ করা।
৪:৪৫-৫:১০ -আসরের সালাত।
৫:১০-৫:৪০- কাজের রিভিশন দেওয়া।
৫:৪০-৬:১০- পরিবারের সাথে থাকলে ইফতারি সাজাতে সাহায্য করা।
৬:১০-ইফতার পর্যন্ত দুয়া করা।
মাগরীব থেকে ৭:০০- ইফতার, মাগরীবের সালাত।
৭:০০-৮:০০- বিশ্রাম। এই সময় বিভিন্ন মোটিভেশনাল লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১০:০০ এশার সালাত, তারাবীহ্।
১০:০০-১১:১৫- কাজ করা।
১১:১৫-১১:৩০- ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০- ঘুম।
সব সময় মোবাইল যাতে সাইলেন্ট না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা। যে যেই মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন সেখানের নোটিফিকেশন অন রাখা। এছাড়া অন্য সকল নোটিফিকেশন অফ রাখা। আপনি এখনো ফ্রিল্যান্সিং করছেন, রামাদান চলে গেলেও ইনশাল্লাহ করবেন। কিন্তু এবছর রমাদান চলে গেলে আগামী বছর ছাড়া আর আসবেনা। ততদিন আপনি বেঁচে থাকবেন কিনা আল্লাহ ভালো জানেন। সুতরাং এবারের রমাদানটা কাজে লাগান। প্রোডাক্টিভ মুসলিম হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলুন।

[এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমলের ক্রমধারা বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারেন। রমাদানে সবচেয়ে বেশি নফল যে আমল করতে হবে তা হল কোরআন পড়া। এরপর রাতের সালাত। গোনাহ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। গিবত, চোগলখোরি ত্যাগ করতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের যথাসম্ভব দ্বীনের দাওয়াত দেয়া দরকার। বেশি বেশি সাদাকা করা উচিত। মনে রাখতে হবে রমাদান মাস আমলের মাস। যে যত বেশি আমল করবে সে তত লাভবান। দুনিয়াবি ব্যস্ততা, ফেসবুক নিউজ ফিড অযথা স্ক্রল করা, ইনবক্সে চ্যাটিং করা, নন-মাহরাম এর পিছনে সময় নষ্ট করা এসব কমিয়ে আনা উচিত।]
আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের আমলে পরিপূর্ণ রমাদান কাটানোর তৌফিক দিন।

হ্যাপি ফ্রিল্যান্সিং💚

Believer's IT.

শবেবরাত : তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়-মুসলমানদের গোটা জীবনই বিভিন্ন ইবাদতের ফ্রেমে বাঁধানো। কেননা রুহ জগতে আল্লাহর ইবাদত কর...
07/03/2023

শবেবরাত : তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়-

মুসলমানদের গোটা জীবনই বিভিন্ন ইবাদতের ফ্রেমে বাঁধানো। কেননা রুহ জগতে আল্লাহর ইবাদত করার অঙ্গীকার করেই মানুষ এ দুনিয়ায় এসেছে। তবু মানুষ দুনিয়ার বাহ্যিক চাকচিক্য দেখে মোহগ্রস্ত হয়ে পাপাচারে লিপ্ত হয়, আল্লাহর পথ থেকে সরে যায়। আল্লাহ বিভিন্ন মাধ্যমে নিজ বান্দাদের কাছে টেনে নিতে চান। তাদের জন্য নিজ অনুগ্রহ অবারিত করেন। পাপ-পঙ্কিলতা থেকে পূতঃপবিত্র করতে তাওবার দরজা উন্মুক্ত রাখেন। এ ছাড়া বিশেষ বিশেষ সময়ে মানুষকে নিজ প্রতিপালকের আরো কাছে আসার সুযোগ করে দেন। মূলত ইসলামে অশুভ বলে কিছু নেই। তথাপি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সৃষ্টিজগতে এক বস্তুর ওপর অন্য বস্তুকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। যেমন- স্থান হিসেবে মক্কা-মদিনা অন্যান্য স্থান থেকে শ্রেষ্ঠ। কূপের মধ্যে জমজম সর্বশ্রেষ্ঠ। সাপ্তাহিক দিনের মধ্যে জুমার দিন শ্রেষ্ঠ। মাসের মধ্যে রমজান সর্বশ্রেষ্ঠ। রাতের মধ্যে লাইলাতুল কদর শ্রেষ্ঠ। ঠিক তেমনি 'শবেবরাত'ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাত। এসব মুমিনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার। এ উপহারগুলো গ্রহণ করে ওই শ্রেষ্ঠ স্থান, দিন-রাত ও সময়কে মুমিনরা কাজে লাগিয়ে যত বেশি আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন হয়, আল্লাহতায়ালা তত বেশি মুমিনের পার্থিব-অপার্থিব মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। তাই মুমিনদের উচিত এসব স্থান ও সময়ে যথাসাধ্য ইবাদত ও জিকির-আজকারে নিমগ্ন হয়ে আল্লাহর নৈকট্যলাভে ব্রত হওয়া।

শবেবরাতের নামকরণ : শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতই আমাদের কাছে 'শবেবরাত' হিসেবে পরিচিত, যার আরবি হলো 'লাইলাতুল বারাআত'। ফারসি 'শব' আর আরবি 'লাইলাতুন' অর্থ রজনী, রাত। 'বারাআত' অর্থ হলো মুক্তি, পরিত্রাণ। তাহলে অর্থ দাঁড়ায় 'পরিত্রাণের রজনী'। যেহেতু হাদিস শরিফে বারবার বিবৃত হয়েছে, এই রাতে আল্লাহ মুসলমানদের মাগফিরাত বা গুনাহ থেকে পরিত্রাণ দেন, তাই এ রাতের নামকরণ করা হয়েছে 'লাইলাতুল বারাআত' বা 'শবেবরাত'। হাদিসের পরিভাষায় এই রাতের নাম হলো 'লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান' বা মধ্য শাবানের রাত।
হাদিস শরিফে শবেবরাতের ফজিলত : হজরত মুআজ (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'আল্লাহতায়ালা শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে মাখলুকের প্রতি (বিশেষ) দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।' (সহিহে ইবনে হিব্বান ১২/৪৮১ হা. ৫৬৬৫, ইবনে আসেম ফিসসুন্নাহ হা. ৫১২, তাবারানি [কাবির] ২০১০৯ হা. ২১৫, মাজমাউজ যাওয়ায়েদ ৮/৬৫, শুআবুল ইমান [বায়হাকি] ৯/২৪ হা. ৬২০৪, মুসনাদুশ শামিইন [তাবারানি] ১/১২৮ হা. ২০৩)

হাদিসটি সহিহ। তাবরানি বলেছেন, 'এর সব বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।'

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, 'আল্লাহতায়ালা শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে মাখলুকের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন এবং বিদ্বেষ পোষণকারী ও খুনি ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।' (মুসনাদে আহমদ ১১/২১৬ হা. ৬৬৪) । হজরত আয়েশা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, 'তোমার কি জানা আছে, এই রাত তথা মধ্য শাবানের রাতে কী হয়? হজরত আয়েশা (রা.) বললেন, কী হয়, ইয়া রাসুলাল্লাহ? তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'এই বছর যারা জন্ম নেবে এবং যারা মৃত্যুবরণ করবে, সব এই রাতে লেখা হয়। এই রাতে বান্দার সারা বছরের আমল উত্তোলন করা হয় এবং সারা বছরের রিজিক বণ্টন করা হয়।' (দাওয়াতুল কাবার [বায়হাকি] ২/১৪৫ হা. ৫৩০)। ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, 'আমার কাছে এ কথা পৌঁছেছে যে পাঁচ রাতের দোয়া কবুল হয়- জুমার রাত, ঈদুল আজহার রাত, ঈদুল ফিতরের রাত, রজবের প্রথম রজনী এবং মধ্য শাবানের রজনী।' (সুনানে কাবির, ৩/৪৪৫ : হা. ৬২৯৩)

হজরত আলী (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, 'তোমরা মধ্য শাবানের রজনীতে জাগ্রত থাকো এবং দিনে রোজা রাখো। সূর্যাস্তের সময় আল্লাহতায়ালা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, আছো কি কেউ ক্ষমা প্রার্থনাকারী, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। আছো কি কেউ রিজিক যাচনাকারী, আমি তাকে রিজিক দান করব। কোনো বিপদগ্রস্ত আছো কি, আমি তাকে বিপদ থেকে মুক্তি দেব। এরূপ কেউ আছো কি? এরূপ কেউ আছো কি? এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আহ্বান করতে থাকেন। (ইবনে মাজাহ ১/৪৪৪ হা. ১৩৮৮, শুআবুল ইমান ৫/৩৫৪)। এ বিষয়ে এরূপ আরো বহু হাদিস বিভিন্ন কিতাবে রয়েছে।

উল্লিখিত হাদিসগুলো থেকে অনুমিত হয়, শবেবরাত বা মধ্য শাবানের রজনীর গুরুত্ব, মহত্ব, তাৎপর্য ও ফজিলত অপরিসীম। এর মধ্যে কিছু 'সহিহ', কিছু 'হাসান', আবার কিছু 'জয়িফ'ও রয়েছে- শাস্ত্রিক বিশ্লেষণের দিক থেকে। সামগ্রিকভাবে এসব হাদিস গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য হওয়ার ব্যাপারে মুহাদ্দিসিনের বহু উক্তি রয়েছে। শায়খ আলবানি (রহ.) বলেন, 'শবেবরাত সম্পর্কিত হাদিসগুলোর সারকথা হলো, এ সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসগুলো সামগ্রিকভাবে নিঃসন্দেহে সহিহ। হাদিস অত্যধিক দুর্বল না হলে এর চেয়ে কমসংখ্যক সূত্রে বর্ণিত হাদিসও সহিহ হিসেবে গণ্য হয়।' (সিলসিলতুস সহিহা ৩/১৩৮)। আল্লামা আবদুর রহমান মোবারকপুরী লেখেন, 'শবেবরাতের ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে তা প্রমাণ করে যে এই রাতের ফজিলতের ভিত্তি আছে। যারা শবেবরাতের কোনো শরয়ি ভিত্তি নেই বলে ধারণা রাখে, তাদের বিরুদ্ধে হাদিসগুলো প্রমাণ বহন করে।' (তুহফাতুল আহওয়াজি ৩/৩৬৫)

শবেবরাত সম্পর্কে আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহ.)-এর মতামতও প্রণিধানযোগ্য। তিনি লিখেছেন, 'মধ্য শাবান রাতের ফজিলত বিষয়ে অনেক হাদিস রাসুল (সা.) ও সাহাবা, তাবেয়িগণ থেকে বর্ণিত হয়েছে, যেগুলো শবেবরাতের ফজিলত ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে। পূর্বসূরিদের অনেকে এ রাতে নামাজে নিমগ্ন থাকতেন।...অসংখ্য বিজ্ঞ আলেম এবং আমাদের অধিকাংশ সাথি এই মতাদর্শে বিশ্বাসী। ইমাম আহমদ (রহ.)-এর উক্তি দ্বারাও তা-ই প্রমাণিত হয়। কারণ এ বিষয়ে রয়েছে অনেক হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য পূর্বসূরিদের অনুসৃত আদর্শ।' (ইকতিজাউস সিরাতিল হুদা ২/১৩৬)।

এই দীর্ঘ আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হলো, শরিয়তে শবেবরাত একটি প্রমাণিত সত্য। একে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। শবেবরাতের সামগ্রিক বিষয় সম্পর্কে আল্লামা তকি উসমানি (দা. বা.) বলেন, '১০ জন সাহাবির বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হয়, রাসুল (সা.) এই রাতের ফজিলত বর্ণনা করেছেন। তাতে কয়েকটি হাদিস সনদের দিক থেকে সামান্য দুর্বল। এসব সনদের দিক দেখে অনেকে বলে দিয়েছেন, এই রাতের ফজিলতের কোনো ভিত্তি নেই। অথচ মুহাদ্দিস ও ফকিহদের সিদ্ধান্ত হলো, কোনো বর্ণনার সনদ দুর্বল হলে এর সমর্থক হাদিস থাকলে তার দুর্বলতা কেটে যায়। তবে শবেবরাতের স্বতন্ত্র কোনো ইবাদত নেই, আবার এই রাতের জন্য ইবাদতের আলাদা কোনো নিয়মও নেই।' (মাহনামা আল-বালাগ-শাবান ১৪৩১ হি.)

শবেবরাতে যেসব আমল করা যায় :
এশা ও ফজর নামাজ ওয়াক্তমতো জামাতের সঙ্গে আদায় করা, যথাসম্ভব নফল ও তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা, সম্ভব হলে উমরি কাজা নামাজ ও সালাতুত তাসবিহ আদায় করতে হবে। কোরআন মাজিদ বেশি বেশি তিলাওয়াত করা, বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা, বেশি করে দোয়া করা, মাঝে মাঝে শবেবরাতে কবর জিয়ারত করা, পরের দিন রোজা রাখা, সম্ভব হলে রাত জেগে ইবাদত করতে হবে। শবেবরাতে কবর জিয়ারত সম্পর্কে আল্লামা তকি উসমানি বলেন, 'যেহেতু রাসুল (সা.) এই রাতে কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে জান্নাতুল বাকিতে তাশরিফ নিয়ে গেছেন, তাই মুসলমানরা শবেবরাতে কবরস্থানে যাওয়ার প্রতি খুব গুরুত্ব দিয়ে থাকে।' (প্রাগুক্ত) এ ছাড়া ১৫ শাবান রোজা রাখার কথা রয়েছে। সম্ভব হলে রাত জেগে ইবাদত করতে হবে। একই ইবাদত দীর্ঘ সময় ধরে না করে একের পর এক বিভিন্ন নফল ইবাদত করতে থাকলে তন্দ্রাভাব চলে যেতে পারে। গোটা রাত জাগা সম্ভব না হলে রাতের বেশির ভাগ সময় ইবাদতে মশগুল থাকতে চেষ্টা করতে হবে। তাও সম্ভব না হলে শেষরাতের সময়টুকুতে কিছুতেই অবহেলা করা যাবে না। আর এ বিষয়টিও খুব খেয়াল রাখতে হবে যে রাতের নফল ইবাদতের কারণে যেন ফজরের ফরজ নামাজ ছুটে না যায়।

শবেবরাতে বর্জনীয় বিষয় :
শবেবরাতের নামে কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিকতা কোরআন-হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। না কোনো নির্দিষ্ট ইবাদত বা ইবাদতের নির্দিষ্ট নিয়ম প্রমাণিত আছে। তেমনি জামাতের সঙ্গেও শবেবরাতের নামে কোনো ইবাদত করা যাবে না। যেমন- শবেবরাতের নামে জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা ইত্যাদি। শবেবরাতকে কেন্দ্র করে সমাজে কিছু বিদআত ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। যেমন- ১. ঘরবাড়ি, দোকান, মসজিদ ও রাস্তাঘাটে আলোকসজ্জা করা। ২. বিনা প্রয়োজনে মোমবাতি কিংবা অন্য কোনো প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখা। ৩. আতশবাজি করা। ৪. পটকা ফোটানো। ৫. মাজার ও কবরস্থানে মেলা বসানো। ৬. হালুয়া-রুটি, শিরনি ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা। ৭. কবরস্থানে পুষ্প অর্পণ ও আলোকসজ্জা ইত্যাদি; শরিয়তে এসব কাজের কোনো ভিত্তি নেই।

এসব বিদআত ও কুসংস্কার থেকে আমাদের বেঁচে থাকা আবশ্যক। শবেবরাতকে ফজিলতপূর্ণ করা হয়েছে উত্তম আমল করে বেশি বেশি সাওয়াব অর্জনের জন্য। এর মধ্যে যদি বিভিন্ন বিদআত, কুসংস্কার ও শরিয়তপরিপন্থী কাজ আঞ্জাম দেওয়া হয়, তাহলে সাওয়াবের পরিবর্তে গুনাহর বোঝাই ভারী হবে। স্মরণ রাখতে হবে, পুণ্যময় রাতগুলোতে ইবাদতে যেমন অধিক সাওয়াব, তেমনি এসব রাতের গুনাহর শাস্তিও অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি হবে। (আত-তাবলিগ, খ.৮, পৃ.৭৫)

সুতরাং শবেবরাতের ইবাদত বর্জন সম্পর্কে যেমন সতর্ক হতে হবে, তেমনি শবেবরাতের নামে বিভিন্ন বিদআতের চর্চা থেকেও মুক্ত থাকতে হবে। একটি ফজিলতের রাত হিসেবে এটিকে শরিয়তের গণ্ডির ভেতরে থেকেই উদ্‌যাপন করতে হবে। তাহলে ইনশাআল্লাহ এই রাতের বরকত, ফজিলত এবং হাদিস শরিফে উল্লিখিত নিয়ামত অর্জনে আমরা সক্ষম হব। আল্লাহ আমাদের নেক আমল করার তাওফিক দান করুন। (আমিন)

©️ Believer's IT.

একটা গোপন কথা বলি চলেন!যারা ফ্রিল্যান্সিং শিখতে আসে, তাদের মধ্যে সফলতার হার খুবই কম। কেন কম?আসলে সবাই চায় টাকা আর টাকা। ...
07/09/2022

একটা গোপন কথা বলি চলেন!

যারা ফ্রিল্যান্সিং শিখতে আসে, তাদের মধ্যে সফলতার হার খুবই কম। কেন কম?

আসলে সবাই চায় টাকা আর টাকা। কিন্তু তারজন্য পরিশ্রম করার বেলায় বেশিরভাগ মানুষই পিছু হাটে। এবং বাঙ্গালি হিসেবে আমাদের স্বভাব হচ্ছে তাড়াহুড়া করার প্রবণতা। ঠিক অনেকটা গাছ লাগানোর আগেই ফল খেতে চাওয়ার মতো।

আপনি মনে প্রানে যদি চান যে আসলেই একজন ভাল মানের দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হবেন! তবে আপনাকে প্রথম ১টা বছর শুধুই শিখতে হবে, শিখতে হবে* এবং প্রাকটিস করে যেতে হবে। তারপর দেখবেন আপনার পরিশ্রম এবং ধৈর্যের ফল হাজার ডলার হিসেবে ধরা দিচ্ছে।

জানেন তো, সফলতার কোন সর্টকাট রাস্তা নেই।

শুভ কামনা। ❤️

-মো তুষার ইমরান

7 September | 2022

সফলতার সংজ্ঞা নিয়ে নানা মতভেদ থাকলেও আমরা সবাই চাই সফল হতে। কেউ কেউ সেটি অর্জন করতে পারেন। আবার অনেকে ব্যর্থ হন। আমাদের ...
18/08/2022

সফলতার সংজ্ঞা নিয়ে নানা মতভেদ থাকলেও আমরা সবাই চাই সফল হতে। কেউ কেউ সেটি অর্জন করতে পারেন। আবার অনেকে ব্যর্থ হন। আমাদের জীবনের নেতৃত্ব আমরা নিজেরাই দিয়ে থাকি। তাই নিজের জীবন পরিবর্তন করার ক্ষমতা আমাদের নিজেদেরই আছে। যদি সফল হতে চান, তবে এ পাঁচটি কাজ অবশ্যই করুন।

১. লক্ষ্যে স্থির থাকা

সফল ব্যক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যের প্রতি অনুরাগী থাকেন। স্থির সেই লক্ষ্য প্রতিটি মুহূর্তে তাঁদের হৃদয়ে ঘুরপাক খেতে থাকে। তাঁরা লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেন। আর সিঁড়ি বেয়ে ওঠার মতো একটু একটু করে সেগুলো অর্জন করেন। একসময় তাঁরা সফলতার সর্বোচ্চ চূড়া স্পর্শ করেন। নিজেকে প্রতিদিন বলুন, বেঁচে থাকার জন্য যেমন অক্সিজেন প্রয়োজন, তেমনি জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন অন্তত একটি করে লক্ষ্যের কাছাকাছি যাওয়া প্রয়োজন। সহজ কথায়, আপনার প্রতিটি কাজ হোক জীবনের লক্ষ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে।

২. নিজের মন ইতিবাচক রাখুন

সফল ব্যক্তিদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, তাঁরা পরিণতি বা ব্যর্থতার কথা ভাবেন না। যদি আপনি নিজের সফলতা বিশ্বাস করতে না পারেন, তবে সফলতা কীভাবে আপনার কাছে আসবে? দুর্ঘটনা বা ভুল থেকে শিক্ষা নিন। ভালো মুহূর্তকে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখুন। নেতিবাচক কোনো কিছু থেকে ইতিবাচকতাটুকু গ্রহণ করুন। মন ফুরফুরে রাখুন। নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখুন। ভাবুন, কী পরিকল্পনা করেছেন, আর সে অনুযায়ী কী করছেন। কোনো কিছু নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করবেন না। কিছুটা ছেড়ে দিন সময়ের হাতে।

৩. নিজের কৌশল নিজে তৈরি করুন

সফল ব্যক্তিদের তৃতীয় বৈশিষ্ট্য হলো, তাঁরা অন্যের বানানো কৌশল অনুসরণ করেন না। তাঁরা নিজেদের কৌশল নিজেরা তৈরি করেন। সব সময় মনে রাখবেন, অন্যরা সফলতার যে ছক বানিয়েছেন, সেটি কেবল তাঁদের নিজেদের জন্য, আপনার জন্য নয়। আপনি সেখানে ‘ফিট’ না–ও হতে পারেন। এ জন্য প্রথমত, আপনার লক্ষ্য সম্পর্কে ব্যাপকভাবে জানতে হবে। সব সম্ভাবনা যাচাই করে নিতে হবে। আর ঝুঁকি নিতে হবে, তবে বুঝেশুনে।

৪. সময়ের মূল্য দিন

নিরর্থক কাজে সময় অপচয় করবেন না। আমরা সবাই কমবেশি খুব সাধারণ একটা ভুল করি, সময় বিনিয়োগ করার আগে সেখান থেকে কী ‘রিটার্ন’ পাচ্ছি, সেটা ভাবি না। যেকোনো নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে, দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সেটাকে লাভজনক অবস্থায় নিতে হবে।

৫. নিজের যাত্রা উপভোগ করুন

সফলতার সবচেয়ে বড় সূত্র এটাই। আপনি যা করছেন, সে কাজটি ভালোবেসে করা। খুব আগ্রহ নিয়ে, প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করে করা। ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়ে নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়া।

15/08/2022

বন্ধু-বান্ধব আপনার জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। আপনি যদি সঠিক মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব করেন তবে আপনার জীবন অনেক উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। এর বিপরীত যদি হয় তবে আপনার জীবনে অনেক বোঝাপড়ার ব্যাপার আছে। সত্যিকার অর্থে যারা বন্ধুত্ব তাদের নিয়ে আপনি একটা টিম গঠন করতে পারেন। তাদেরকে সাথে নিয়ে আপনি আপনার উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারেন। ভবিষ্যতে এমন কি আপনি যখন বৃদ্ধ হবেন তখনও আপনি তাদের আপনার সুখ ও দুঃখের সময় পাবেন। আপনার উন্নতিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত কারা আপনার জীবনের প্রাধান্য পায় আরা কারা পায় না। বন্ধু নির্বাচনে অবশ্যই আপনাকে সতর্ক থাকা উচিত।

©️ Believer's IT

আশুরা। হিজরি বছরের ১০ মহররম। ইসলামি শরিয়তের মানদণ্ডে আশুরার অনেক তাৎপর্য, ফজিলত রয়েছে। আবার বেশ কিছু করণীয় ও বর্জনীয় কা...
08/08/2022

আশুরা। হিজরি বছরের ১০ মহররম। ইসলামি শরিয়তের মানদণ্ডে আশুরার অনেক তাৎপর্য, ফজিলত রয়েছে। আবার বেশ কিছু করণীয় ও বর্জনীয় কাজও আছে। আশুরার করণীয় ও বর্জনীয় কাজগুলো কী?

আরবি হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মহররম। ইসলামী পরিভাষায় মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়। সৃষ্টির শুরু থেকে মহররমের ১০ তারিখে তথা আশুরার দিনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে নবী সা:-এর দৌহিত্র হজরত হোসাইন রা:-এর শাহাদাত এই দিনটিকে বিশ্ববাসীর কাছে সর্বাধিক স্মরণীয় ও বরণীয় করে রেখেছে।

মহররম অর্থ সম্মানিত। ইসলামী সন গণনায় মহররম মর্যাদাবান একটি মাস। মহররম শব্দের অর্থ নিষিদ্ধ বা পবিত্র। এ মাসসহ আরো তিনটি মাস আছে যে মাসগুলোতে ঝগড়া-বিবাদ ও যুদ্ধ-বিগ্রহ করা নিষিদ্ধ। বরকতময় ও ঐতিহাসিক দিবসগুলোর মধ্যে পবিত্র আশুরা হচ্ছে অন্যতম একটি দিবস। আশুরা শব্দটি আরবি ‘আশারা’ থেকে এসেছে। আর আশুরা মানে দশম। অর্থাৎ মহররম মাসের ১০ তারিখ।

করণীয়:

১. আশুরার দিন রোজা রাখা

আশুরার দিন রোজা রাখলে এক বছরের সগিরাহ গোনাহ মাফের আশা করেছেন স্বয়ং বিশ্বনবি। হাদিসের বর্ণনায় তা ওঠে এসেছে-

হজরত আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আশুরার দিনের রোজার দ্বারা আমি আল্লাহর কাছে বিগত বছরের গুনাহ মাফের আশা রাখি।’ (মুসলিম, তিরমিজি)

আশুরার রোজা রাখার পদ্ধতিও ঘোষণা করেছেন বিশ্বনবি। হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা আশুরার রোজা রাখ; ইয়াহুদিদের মতো নয়; আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখ।’ (মুসনাদে আহমাদ)

২. ক্ষমার ঘোষণা

আশুরার দিন ও মহররম মাসজুড়ে বেশি তাওবা-ইসতেগফার করা। কেননা এ দিন ও মাসের বিশেষ মুহূর্তে তাওবাহ-ইসতেগফারে আল্লাহ তাআলা পুরো জাতিকে ক্ষমা করে দেবেন। হাদিসে এসেছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, মহররম হলো আল্লাহ তাআলার (কাছে একটি মর্যাদার) মাস। এই মাসে এমন একটি দিন আছে, যাতে তিনি অতিতে একটি সম্প্রদায়কে ক্ষমা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাপর সম্প্রদায়কে ক্ষমা করবেন।’ (তিরমিজি)

৩. ত্যাগ ও কোরবানির শিক্ষা গ্রহণ

দ্বীন ও ইসলামের কল্যাণে হজরত ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু জীবন থেকে আত্মত্যাগের শিক্ষা গ্রহণ করা সব মুসলমানের জন্য একান্ত করণীয়। সবার মাঝে হজরত ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর এ ঈমানি চেতনা জাগরিত হলেই ইসলামের পরিপূর্ণ বিজয় আসবে।

৪. আশুরায় অন্যকে ইফতার করানো

এমনিতে ইফতার করানো অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। সম্ভব হলে আশুরার দিনে নিজে রোজা রাখার পাশাপাশি রোজা পালনকারীদের ইফতার করানো উত্তম। সাধ্যমত দান-সাদাকাহ করা। গরিবদেরকে পানাহার করানো। এতিমের প্রতি সদয় ব্যবহার ও সহযোগিতা করা।

আশুরায় বর্জনীয়

১. হজরত ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্মরণে কাল্পনিক তাযিয়া বা নকল কবর বানানো থেকে বিরত থাকা।

২. তাযিয়া বানিয়ে তা কাঁধে বা যানবাহনে বহন করে মিছিলসহ সড়ক প্রদক্ষিণ করা থেকেও বিরত থাকা।

৩. নকল এসব তাযিয়ার সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকা এবং এসব তাযিয়া বা নকল কবরে নজরানা স্বরূপ অর্থ দান করা থেকেও বিরত থাকা।

৪. নিজেদের দেহে আঘাত বা রক্তাক্ত করা থেকে বিরত থাকা।

৫. শোক বা মাতম করা থেকে বিরত থাকা।

৬. যুদ্ধ সরঞ্জামে সজ্জিত হয়ে ঘোড়া নিয়ে প্রদর্শনী করা থেকে বিরত থাকা।

৭. হায় হুসেন, হায় আলি ইত্যাদি বলে বিলাপ, মাতম কিংবা মর্সিয়া ও শোকগাঁথা প্রদর্শনীর সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের বুকে পেটে পিঠে ছুরি মেরে রক্তাক্ত করা থেকেও বিরত থাকা।

৮. ফুল দিয়ে সাজানো এসব নকল তাযিয়া বা কবরের বাদ্যযন্ত্রের তালে প্রদর্শনী থেকে বিরত থাকা।

৯. হজরত ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহুর নামে ছোট বাচ্চাদেরকে ভিক্ষুক বানিয়ে ভিক্ষা করানো। এটা করিয়ে মনে করা যে, ঐ বাচ্চা দীর্ঘায়ু হবে। এটাও মহররম বিষয়ক একটি কু-প্রথাও বটে।

১০. আশুরায় শোক প্রকাশের জন্য নির্ধারিত কালো ও সবুজ রঙের বিশেষ পোশাক পরা থেকে বিরত থাকা।

১১. আশুরা বা ১০ মহররমকে কেন্দ্র করে এসব প্রচারণা থেকে বিরত থাকা জরুরি-

> ১০ মহররম পৃথিবী সৃষ্টি করা হয়।

> কেয়ামত সংঘটিত হওয়া।

> হজরত আদম ও হাওয়া আলাইহিস সালামের সৃষ্টি। বেহেশতে প্রবেশ। আরাফাতের ময়দানে একত্রিত হওয়া।

> হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের আগুন থেকে নাজাত।

> হজরত নুহ আলাইহিস সালামকে মহাপ্লাবন থেকে নিষ্কৃতি ও পাপিষ্ঠ জাতিকে ধ্বংস।

> এই দিনেই অত্যাচারী শাসক নমরূদের ধ্বংস।

উল্লেখিত ঘটনার সঙ্গে আশুরার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং মিথ্যা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জাহান্নামে নিজেদের ঠিকানা বানানো থেকে বিরত থাকাই জরুরি।

উল্লেখ্য, পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হৃদয়বিদারক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল এদিন। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের প্রায় ৫০ বছর পর ৬১ হিজরির মহররম মাসের ১০ তারিখ কারবালার প্রান্তরে তাঁরই প্রাণপ্রিয় নাতি হজরত ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু বিপথগামী ইয়াজিদের সৈন্যবাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন।

তবে ইসলামের ইতিহাসে আশুরার ফজিলত কারবালার জন্য ফজিলতপূর্ণ নয়; কিংবা আশুরার কারণে হজরত ইমাম হুসাইন শাহাদাত বরণ করেছেন এমনটিও নয়; বরং ইয়াজিদ বাহিনীর অবৈধ রাষ্ট্র ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ইসলামি খেলাফতের পক্ষে কথা বলায় অন্যায়ভাবে নিরাপারাধ হজরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পরিবার-পরিজনসহ প্রায় ৭০ জন সঙ্গী-সাথীকে হত্যা করা হয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আশুরার ফজিলত পেতে করণীয়গুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন। বর্জনীয় ও মিথ্যা ঘটনা বর্ণনা থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। (আমিন)

21/07/2022
21/07/2022

ফজরের জামা'আতের প্রথম কাতারের আংকেল। তার ছেলেকে সু-দী ব্যাংকে জব করানোর জন্য মোনাজাতে কত কান্নাকাটি করে বেড়ায়।

সরকারী চাকরি হবে না বলে নামের পাশে মুহাম্মদ থাকা তরতাজা তরুণ 'দা-ড়ি' কেটে ফেলে।

'আমেরিকা' 'ইউরোপ' এর নাম শুনলেই মেয়েকে বিয়ের জন্য তড়িঘড়ি শুরু করে দেয়, অথচ যার সাথে বিয়ে দিবে সে ছেলের ইনকাম সোর্সটা আদতে কিসের, তা জানার প্রয়োজন পরে না।

এখানে সমস্যাটা ঈমানের৷ সমস্যাটা আক্বীদার। সমস্যাটা রাসূলের সীরাহ'র অজ্ঞতার। এখানে কেউ এসব হারাম মনে করে করছে না৷ হারাম মুখে বললেও, অন্তরে লালন করছে না। অন্তরে লালন করলে অনুশোচনা বোধ জাগ্রত হতো। কষ্ট, যন্ত্রণায় বুক ফেঁটে যেতো। তা এখানে নেই।

দ্বীনের পথে অটল থাকুন; কঠোর পরিশ্রম করুন।
হারাম রিজিকের পিছনে না ছুটে হালালের সন্ধান করুন। নিজেকে ব্যক্তিত্ববান হিসেবে গড়ে তুলুন।
ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করুন। আপনি যদি হালাল পথে চলেন তারপরও কোন মেয়ের বাবা আপনার কাছে মেয়ে বিয়ে না দেয়। এতে আক্ষেপের কিছু নেই বরং আপনার সৌভাগ্য। এটা একটা লিটমাস টেস্টের মতো। আপনি সহজেই বুঝে যাবেন কে আপনার যোগ্য আর কে আপনার যোগ্য না। যার সাথে আপনার রিজিক জুড়ে আছে সে আপনার হবেই।
আপনি যদি হারাম পন্থায় গিয়ে চাকরি না করেন, তবে আপনি না খেয়ে মরে যাবেন না কারণ রিজিকের মালিক আল্লাহ। তাই আপনার রবকে সন্তুষ্ট করুন এবং হালাল পথে চলুন। হারামের পেছনে ছুটবেন না।

হ্যাপি ফ্রিল্যান্সিং

©️ Believer's IT.

ল্যাপটপ নাকি ডেক্সটপ, কোনটি কিনবেন? ডেস্কটপ কম্পিউটারের চেয়ে সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় কাজ কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে ল্যাপটপকেই...
19/07/2022

ল্যাপটপ নাকি ডেক্সটপ, কোনটি কিনবেন?

ডেস্কটপ কম্পিউটারের চেয়ে সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় কাজ কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে ল্যাপটপকেই প্রাধান্য দেন অনেকেই। তবে ডেস্কটপ নাকি ল্যাপটপ কে সেরা কিংবা কোনটা কিনলে আপনি জিতছেন এ প্রশ্নে রীতিমতো যুদ্ধ করাও সম্ভব।

আমরা যখন কম্পিউটার কিনতে যাব তখন প্রথমেই আমাদের চিন্তা করতে হবে আমরা কি ধরনের কাজের জন্য কম্পিউটারটি কিনছি এবং আমাদের কি ধরনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে সে হিসেবেও আমাদের ঠিক করতে হবে আমরা ল্যাপটপ কিনব নাকি ডেক্সটপ কিনব। আমি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো। কোনটি কিনব, ল্যাপটপ নাকি ডেক্সটপ? এটি নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি কমন প্রশ্ন। আপনি যদি কোনো ফ্রিল্যান্সার বড় ভাই ব্রাদারের কাছে পরামর্শ নিতে যান। তারা বিভিন্ন জনে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়। আপনি যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাচ্ছেন। আমি ভেবে নেবো আপনার কাছে যথেষ্ট পরিমাণে টাকা নেই | আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে আপনাকে একটি ভালো পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করব।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা প্রথমেই ল্যাপটপ /ডেক্সটপ কিনার সময় প্রচুর টাকা ইনভেস্ট করতে হয়। এর জন্য অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চায় না। বা শুরু করতে চাইলেও তাদের কাছে বেশি পরিমাণ টাকা না হওয়ায় তারা কোন ডিভাইস কিনতে পারে না।

ল্যাপটপ ডেক্সটপ এর থেকে সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় কাজ কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে ল্যাপটপকেই প্রাধান্য দেন অনেকেই। এবং অভিজ্ঞ ভাই ব্রাদাররা আপনাকে ল্যাপটপ কিনতে পরামর্শ দেই।

আমি ধরে নেই আপনার কাছে বেশি টাকা নেই। তাহলে আমি আপনাকে ডেক্সটপ কেনার পরামর্শ দেব। ধরুন আপনার কাছে 25 থেকে 30 হাজার টাকা আছে। এবং আমি আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন। আমি অবশ্যই আপনাকে ডেক্সটপ কিনতে বলবো।

যদি আপনি ল্যাপটপ কিনতে চান তাহলে আপনার 60 হাজার প্লাস টাকা থাকতে হবে। তাহলে আপনি একটি মোটামুটি ভালো একটি ল্যাপটপ পাবেন। তবে 25 থেকে 30 হাজার টাকা দিয়ে যে ডেক্সটপ টা আপনি পাবেন। ওই ডেক্সটপ টা 60000 ল্যাপটপের সমান পারফরম্যান্স দিবে।

আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইন ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি রিলেটেড কাজ শিখতে চান। তাহলে আপনি অবশ্যই ল্যাপটপ কিনবেন না। কারণ আপনি যদি ল্যাপটপ কিনতে চান, তাহলে আপনার অনেক বেশি টাকা লাগবে ভালো কনফিগারেশনের ল্যাপটপ কিনতে।

যদি আপনার বেশি টাকা থাকে, তাহলে আপনি ল্যাপটপ কিনতে পারেন। তবে ভিডিও এডিটিং এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ল্যাপটপ উপযুক্ত ডিভাইস নয়। ল্যাপটপ নাকি ডেক্সটপ?
ডেক্সটপ নাকি ল্যাপটপে ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে

কম্পিউটার ব্যবহারে ল্যাপটপের যেমন সুবিধা রয়েছে তেমনি ডেক্সটপেরও কিছু কিছু সুবিধা রয়েছে। আপনি যদি ল্যাপটপ কিনেন তাহলে তার সুবিধা হল আপনি চাইলে যেকোন মিটিংয়ে ল্যাপটপটি নিয়ে যেতে পারবেন কাজের সুবিধার্থে বা পড়াশুনার ক্ষেত্রে ক্লাশে নিয়ে যেতে পারবেন সেক্ষেত্রে অনেকটা সুবিধা রয়েছে। আবার এখন আধুনিক ল্যাপটপ গুলোতে টাচস্ক্রিন পাবেন যার মাধ্যমে আরো দ্রুত কাজ ও সুবিধা পাবেন।

আপনি যদি ডেক্সটপ কিনেন তাহলে এটির মাধ্যমে একদম প্রফেসনালভাবে কাজ করে পারফরমেন্স ভাল পাবেন।

ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ কোনটিতে হার্ডওয়ার যন্ত্রাংশ মেরামত সুবিধা রয়েছে

কম্পিউটার মেরামত বা যন্ত্রাংশ সংযোগ করতে গিয়ে সেক্ষেত্রে ডেক্সটপই ভাল হয়, কারন ডেক্সটপে আপনি চাইলে নিজে নিজেও কোন পার্টস খুলে লাগাতে পারবেন বা যন্ত্রাংশের ভিতরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নও করে রাখতে পারেন ও প্রাথমিক কোন সমস্যা দিলে নিজে নিজেও সমাধানের ট্রাই করতে পারেন। কিন্তু ল্যাপটপ কিনলে আপনিকে বেশির ভাগই যারা ল্যাপটপ ঠিক করে থাকে তাদের কাছে যেতে হবে। এরকম ক্ষেত্রে তারা যেমনটি যেমনটি বলবে আপনাকে মেনে নিতে হবে। ডেক্সটপে চাইলেই কোন নতুন পার্টস এড করে আপডেট করে নিতে পারেন কিন্তু ল্যাপটপে তা বেশির ভাগই সম্ভব হয় না।ল্যাপটপ নাকি ডেক্সটপ কিনবেন?

সবকিছু বিবেচনা করে করে আমরা এটাই বুঝতে পারি যদি প্রফেশনাল ভারী কাজ করেন একজায়গায় থেকে তাহলে ডেক্সটপ নিতে পারেন। আর যদি কোন জায়গায় কম্পিউটারটি বহন করতে হয় বা যদি নরমাল কাজ করেন যেমন মাইক্রোসফট অফিস, টুকটাক ফটোশপ বা নেট ব্রাউজিং এবং গাড়িতে বসে বা কোন জায়গায় নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে ল্যাপটপ কিনতে পারেন। আর যদি বাজেট কম থাকে তাহলে নোটবুক কিনতে পারেন।

আরেকটি কথা হল আপনি যে দাম দিয়ে ল্যাপটপ কিনবেন সে দাম দিয়ে এর চাইতে অনেক ভাল পারফরমেন্সের ডেক্সটপ নিতে পারবেন। তবে আমার সাজেস্ট হল যদি একদম ল্যাপটপ প্রয়োজন না হয় তাহলে ডেক্সটপই নিতে পারেন। আর যদি বাজেট থাকে তাহলে ডেক্সটপ ও ল্যাপটপ দুটোই নিতে পারেন।
আমার কাছে যথেষ্ট পরিমাণে টাকা নেই। এবং আমি ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছি……..
ডেক্সটপ নাকি

দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য

ডেস্কটপ কম্পিউটার আপনার বাসা বা অফিসের ডেস্ক বা টেবিলের ওপর থাকবে। এতে বিভিন্ন অংশ থাকে। মনিটর, সিপিইউ, কি-বোর্ড, মাউস ও ইউপিএস। অন্যদিকে ল্যাপটপ বা নোটবুক সহজেই বহনযোগ্য। একের ভেতর সব হিসেবেই পরিচিত এটি। এতে বিল্ট ইন স্ক্রিন, কি-বোর্ড, মাউসের কাজের জন্য টাচ প্যানেল বা ট্র্যাকপ্যাড, ইউএসবি পোর্ট থাকে।

কেন ল্যাপটপ কিনবেন

শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাপটপ সবচেয়ে ভালো। কারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য বাসার বাইরে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়। আর এক্ষেত্রে ল্যাপটপ শিখন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। চলার পথে ল্যাপটপ হাত থেকে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয় থাকে। তবে বর্তমানে বিল্ড কোয়ালিটির দিক থেকে শক্তপোক্ত ল্যাপটপ পাওয়া যায়। যেগুলো হাত থেকে পড়লেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

মূলত হালকা কাজ, যেমন- পড়া, ওয়ার্ডের কাজ, ভিডিও স্ট্রিম করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের জন্য ল্যাপটপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যদি আপনি কিংবা আপনার সন্তান সারা দিনে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিচরণের স্বাধীনতা চান, তাহলে পরিপূর্ণ চার্জ দেয়া একটা ল্যাপটপ আপনাকে সেই সুযোগ দেবে। তবে বর্তমানে উন্নতমানের ল্যাপটপও বাজারে আনছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব ল্যাপটপের মাধ্যম গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, গেমিং, লাইভ স্ট্রিমিংসহ বিভিন্ন কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। তবে এ ধরনের ল্যাপটপের বাজারমূল্য অনেকের হাতের নাগালের বাইরে থাকে।

কেন ডেস্কটপ কিনবেন

যদি আপনি অনেক কিছু করার জন্য কম্পিউটার খুঁজে থাকেন, তবে ডেস্কটপ আপনার জন্য। ডেস্কটপে আপনি সহজেই বড় ফাইল সংরক্ষণ করতে পারবেন। সেই সঙ্গে আপনি আপনার পছন্দের গেমগুলোও ভালো গ্রাফিক্সে খেলতে পারবেন। এছাড়াও প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি আপনার ডেস্কটপ আপডেট করতে পারবেন।

আপনি চাইলে ডেস্কটপে অতিরিক্ত র‌্যাম, ভালো গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। যেটা আপনার কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে। এছাড়াও ডেস্কটপ চালাতে কোনো ব্যাটারির প্রয়োজন হয় না। তাই আপনি নিশ্চিন্তে চার্জ দেয়ার চিন্তা ছাড়াই দীর্ঘ সময় এটি ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু আপনি চাইলেই আপনার ডেস্কটপ কম্পিউটার সহজে বহন করতে পারবেন না।

ডেস্কটপে অল ইন ওয়ান পিসি সুবিধাও রয়েছে। এতে মনিটরের সঙ্গেই কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ জুড়ে দেয়া থাকে। তাই এসব কম্পিউটার সহজেই বহন করা সম্ভব হয়। তবে এগুলো অনেক ব্যয়বহুল এবং আপনি চাইলেই আপডেট করতে পারবেন না। কিন্তু প্রাথমিকভাবে এটা আপনাকে কম খরচেই সব সুবিধা দেবে।

যে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে

যদি কোনো ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপের কনফিগারেশন একই হয়, তবে ল্যাপটপের দাম বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। তবে যত দামিই হোক না কেন ল্যাপটপের যেসব প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো সব ক্ষেত্রেই উপস্থিত। তবে কাজের পাশাপাশি গেমিং এবং বিনোদনের জন্য এখনো অনেকে ভালো কনফিগারেশনের ল্যাপটপ কিনে থাকেন।

অন্যদিকে কনফিগারেশনের দিক থেকে একটি ভালো ডেস্কটপ কিনতে আপনাকে খুব বেশি খরচ করতে হবে না। তবে ডেস্কটপ পিসি আপডেট সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

যদি আপনার পুরনো ডেস্কটপের কর্মক্ষমতা কমে যায়, তবে আপনাকে সেটার হার্ডওয়্যার পরিবর্তন করতে হবে। মূলত কম্পিউটারের প্রসেসর, হার্ড ড্রাইভ, র‌্যাম এবং গ্রাফিক্স পরিবর্তন করতে হয়। শুধু প্রসেসর পরিবর্তন করলে কর্মক্ষমতা বাড়বে না। প্রসেসরের কর্মক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ র‌্যাম, গ্রাফিক্স এবং হার্ড ড্রাইভ আপডেট করতে হবে। কিন্তু ল্যাপটপে আপনি সেই সুযোগ পাবেন না। ল্যাপটপে সর্বোচ্চ র‌্যাম বাড়ানো যায় এবং এসএসডি স্টোরেজ সংযোগ করা যায়।

©️ Believer's IT

Address

Ashuliya, Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Believer's IT. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Believer's IT.:

  • Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company?

Share